
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:০৫
বেলুচিস্তানের পাংজুর জেলায় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তিন ‘ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী’-এর সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযানে (আইবিও) নিরাপত্তা বাহিনী ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’-এর সঙ্গে যুক্ত তিন সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করেছে।
আইএসপিআর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী কার্যকরভাবে সন্ত্রাসীদের অবস্থানে আক্রমণ চালায়। তীব্র গোলাবারুদ বিনিময়ের পর নিহতরা হলেন স্থানীয় কমান্ডার ফারুক ওরফে সোরো, আদিল এবং ওয়াসিম। তাদের কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, এলাকার অন্যান্য ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীদের ধরতে স্যানিটাইজেশন অভিযান অব্যাহত আছে।
আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, ‘আজমে ইস্তেহকাম’ দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে দ্রুত এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশটির নিরাপত্তা সংস্থা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, পাকিস্তান থেকে বিদেশি সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের হুমকি নির্মূল করতে অভিযানগুলি পূর্ণ গতিতে চলবে।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের পর থেকে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছে আফগান সীমান্তবর্তী কেপি এবং বেলুচিস্তান প্রদেশ। এ অঞ্চলে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে, যারা সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করে হামলা চালায়।
আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী ৬ জানুয়ারি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দেশজুড়ে ৭৫,১৭৫টি গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযান (আইবিও) পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ২,৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এছাড়া, অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
আইএসপিআর আরও সতর্ক করেছে যে, পাকিস্তান থেকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে অব্যাহত সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থা নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছে, যাতে সাধারণ মানুষ এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানে প্রায়ই ভারত সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ঢুকছে। পাকিস্তানের এসব অভিযান সেই গোষ্ঠী এবং তাদের পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
বেলুচিস্তানের পাংজুর জেলায় পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তিন ‘ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী’-এর সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযানে (আইবিও) নিরাপত্তা বাহিনী ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’-এর সঙ্গে যুক্ত তিন সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করেছে।
আইএসপিআর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযান চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী কার্যকরভাবে সন্ত্রাসীদের অবস্থানে আক্রমণ চালায়। তীব্র গোলাবারুদ বিনিময়ের পর নিহতরা হলেন স্থানীয় কমান্ডার ফারুক ওরফে সোরো, আদিল এবং ওয়াসিম। তাদের কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, এলাকার অন্যান্য ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীদের ধরতে স্যানিটাইজেশন অভিযান অব্যাহত আছে।
আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, ‘আজমে ইস্তেহকাম’ দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে দ্রুত এবং নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশটির নিরাপত্তা সংস্থা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, পাকিস্তান থেকে বিদেশি সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের হুমকি নির্মূল করতে অভিযানগুলি পূর্ণ গতিতে চলবে।
জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের পর থেকে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছে আফগান সীমান্তবর্তী কেপি এবং বেলুচিস্তান প্রদেশ। এ অঞ্চলে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে, যারা সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করে হামলা চালায়।
আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী ৬ জানুয়ারি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দেশজুড়ে ৭৫,১৭৫টি গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযান (আইবিও) পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ২,৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এছাড়া, অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
আইএসপিআর আরও সতর্ক করেছে যে, পাকিস্তান থেকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে অব্যাহত সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থা নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছে, যাতে সাধারণ মানুষ এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানে প্রায়ই ভারত সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ঢুকছে। পাকিস্তানের এসব অভিযান সেই গোষ্ঠী এবং তাদের পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৮
পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ কাটার চেষ্টা করার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি একটি হজ্ব কাফেলার সদস্য হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই নারী কাবা শরিফের গায়ে থাকা পবিত্র গিলাফ থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে সতর্ক করেন। তারা তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এ ধরনের কাজ শরিয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনেকেই উচ্চস্বরে তাকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
মুসল্লিদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি যখন তার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন, তখন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ওই নারীকে আটক করেন এবং সেখান থেকে সরিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ঘটনাটি ঘটার সময় আশপাশে উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাকে মিশরের নাগরিক বলে দাবি করেন।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদক উতাইবি নিশ্চিত করেন, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ্ব দলের সঙ্গেই এসেছিলেন। ফলে মিশরীয় হওয়ার তথ্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।
এদিকে, আটক হওয়ার পর ওই নারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কাবা শরিফের গিলাফ ইসলামের অন্যতম পবিত্র নিদর্শন। কালো রঙের এই গিলাফ সোনালি সুতার কাজে পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা সজ্জিত থাকে, যা মুসলমানদের কাছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।
এর কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করা বা অপসারণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সৌদি আরবের প্রচলিত আইনে এ ধরনের কাজ গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ কাটার চেষ্টা করার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি একটি হজ্ব কাফেলার সদস্য হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই নারী কাবা শরিফের গায়ে থাকা পবিত্র গিলাফ থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে সতর্ক করেন। তারা তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এ ধরনের কাজ শরিয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনেকেই উচ্চস্বরে তাকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
মুসল্লিদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি যখন তার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন, তখন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ওই নারীকে আটক করেন এবং সেখান থেকে সরিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ঘটনাটি ঘটার সময় আশপাশে উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাকে মিশরের নাগরিক বলে দাবি করেন।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদক উতাইবি নিশ্চিত করেন, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ্ব দলের সঙ্গেই এসেছিলেন। ফলে মিশরীয় হওয়ার তথ্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।
এদিকে, আটক হওয়ার পর ওই নারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কাবা শরিফের গিলাফ ইসলামের অন্যতম পবিত্র নিদর্শন। কালো রঙের এই গিলাফ সোনালি সুতার কাজে পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা সজ্জিত থাকে, যা মুসলমানদের কাছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।
এর কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করা বা অপসারণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সৌদি আরবের প্রচলিত আইনে এ ধরনের কাজ গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:৩৬
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৫
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.