
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৫
কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক বসতঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক তিনটার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেক পরিবার ঘর থেকে কোনো জিনিসপত্র উদ্ধার করার সুযোগ পায়নি।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে অবস্থিত একটি এনজিও পরিচালিত লার্নিং সেন্টার থেকে প্রথমে আগুন লাগে। ক্যাম্পের ঘরগুলো অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং বাঁশ, ত্রিপলসহ দাহ্য উপকরণে তৈরি হওয়ায় আগুন অল্প সময়েই আশপাশের ঘর ও শেডে ছড়িয়ে পড়ে।
রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ আজিজ বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ শতাধিক পরিবার তাদের সবকিছু হারিয়েছে। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।’ আগুন লাগার খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার চুলা থেকে আগুনের উৎপত্তি হতে পারে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব জানতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখন বলা যাচ্ছে না প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পাঁচ শতাধিক বসতঘর পুড়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর চার নম্বর ক্যাম্পে একটি হাসপাতাল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগের দিন কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে লাগা আগুনে অন্তত ১০টির বেশি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক বসতঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক তিনটার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেক পরিবার ঘর থেকে কোনো জিনিসপত্র উদ্ধার করার সুযোগ পায়নি।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে অবস্থিত একটি এনজিও পরিচালিত লার্নিং সেন্টার থেকে প্রথমে আগুন লাগে। ক্যাম্পের ঘরগুলো অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং বাঁশ, ত্রিপলসহ দাহ্য উপকরণে তৈরি হওয়ায় আগুন অল্প সময়েই আশপাশের ঘর ও শেডে ছড়িয়ে পড়ে।
রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ আজিজ বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ শতাধিক পরিবার তাদের সবকিছু হারিয়েছে। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।’ আগুন লাগার খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার চুলা থেকে আগুনের উৎপত্তি হতে পারে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব জানতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখন বলা যাচ্ছে না প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পাঁচ শতাধিক বসতঘর পুড়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর চার নম্বর ক্যাম্পে একটি হাসপাতাল অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগের দিন কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে লাগা আগুনে অন্তত ১০টির বেশি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭