
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৪
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ( ধানের শীষ) বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম তালুকদার বাউফল উপজেলার সার্বিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই ইশতেহার ঘোষনা করেন।
ইশতেহারে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বগা সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাউফল উপজেলা হাসপাতাল আধুনিকায়ন, শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ ও জরুরি সেবা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, নদীতীরবর্তী এলাকা ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, নারী ও শিশুদের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং চরাঞ্চলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনাও ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সড়ক উন্নয়ন, বাউফল পৌর এলাকায় যানজট নিরসনে বিলবিলাস থেকে কালাইয়া পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণ এবং কালাইয়া থেকে ভোলা পর্যন্ত নিয়মিত ফেরি চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। নারী শিক্ষার প্রসারে মহিলা কলেজ ও বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, যুবসমাজের কর্মসংস্থানের জন্য আইসিটি ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত বাউফল গড়ে তুলতে সামাজিক আন্দোলন জোরদার, ধর্মীয় শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়ন, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা এবং বেকার যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও স্বল্পসুদে ঋণের ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। ইশতেহারে জেলে ও মৎস্যজীবীদের জন্য নিরাপদ ঘাট ও নৌযান সহায়তা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।
এ বিষয়ে শহিদুল আলম তালুকদারের হয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক তছলিম তালুকদার বলেন,বাউফলকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মানবিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। জনগণের সমর্থন পেলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ( ধানের শীষ) বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম তালুকদার বাউফল উপজেলার সার্বিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই ইশতেহার ঘোষনা করেন।
ইশতেহারে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বগা সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি বাউফল উপজেলা হাসপাতাল আধুনিকায়ন, শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ ও জরুরি সেবা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, নদীতীরবর্তী এলাকা ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, নারী ও শিশুদের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং চরাঞ্চলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনাও ইশতেহারে স্থান পেয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সড়ক উন্নয়ন, বাউফল পৌর এলাকায় যানজট নিরসনে বিলবিলাস থেকে কালাইয়া পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণ এবং কালাইয়া থেকে ভোলা পর্যন্ত নিয়মিত ফেরি চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। নারী শিক্ষার প্রসারে মহিলা কলেজ ও বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, যুবসমাজের কর্মসংস্থানের জন্য আইসিটি ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত বাউফল গড়ে তুলতে সামাজিক আন্দোলন জোরদার, ধর্মীয় শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়ন, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা এবং বেকার যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও স্বল্পসুদে ঋণের ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। ইশতেহারে জেলে ও মৎস্যজীবীদের জন্য নিরাপদ ঘাট ও নৌযান সহায়তা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।
এ বিষয়ে শহিদুল আলম তালুকদারের হয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক তছলিম তালুকদার বলেন,বাউফলকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মানবিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। জনগণের সমর্থন পেলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় লিমা জাহান (২৫) নামের অন্তঃসত্ত্বা একজনকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে আহত করার অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। বাউফল পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বাউফল সরকারি কলেজের সামনে গিয়ে শেষ হয় মিছিল। পরে তারা ওই কলেজের মূল ফটকের সামনে সমাবেশ করেন।
এর আগে রোববার বেলা দেড়টার দিকে আ স ম ফিরোজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ এলাকায় পৌঁছালে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলামের (৩০) নেতৃত্বে পাঁচজনের একটি দল মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে লিমাকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে আহত করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ভুক্তভোগী লিমা জাহান জামায়াতের রোকন ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আমিনুল ইসলামের স্ত্রী।
এদিকে সমাবেশে বক্তারা বলেন, নারীদের ওপর হামলাকারী ব্যক্তিরা দেশের শত্রু। বিএনপি একদিকে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলছে, অন্যদিকে নারীর ওপর হামলা করছে। এটা নারীদের সঙ্গে প্রতারণা ও ভাঁওতাবাজি ছাড়া কিছুই নয়। বক্তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলামের কর্মীসমর্থকেরা গত রোববার সকাল ১০টার দিকে মিছিল নিয়ে নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল খানকা এলাকা থেকে বিভিন্ন সড়ক ঘুরছিলেন। বেলা ১টার দিকে ভান্ডারি বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের দুজন নেতার নেতৃত্বে মিছিলে হামলা হয়। এতে প্রায় ৪০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে লিমা জাহানের স্বামী জামায়াত নেতা আমিনুলও ছিলেন।
লিমার পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর আহত হওয়ার খবর পেয়ে একটি মোটরসাইকেলে লিমা ঘটনাস্থলে যাচ্ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে আ স ম ফিরোজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ এলাকায় পৌঁছালে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলামের (৩০) নেতৃত্বে পাঁচজনের একটি দল মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে লিমাকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে আহত করেন। ওই সময় মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন আহত লিমাকে উদ্ধার করে ট্রলারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।
তবে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম দাবি করেন, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে তিনি (লিমা) আহত হয়েছেন। তিনি কোনো হামলা কিংবা লাথি মেরে আহত করেননি।
চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বেল্লাল ব্যাপারী বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। বিএনপির কোনো নেতাকর্মীও এর সঙ্গে জড়িত না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুর রউফ বলেন, যেহেতু তিনি (লিমা) অন্তঃসত্ত্বা, তাই অধিকতর গুরুত্ব সহকারে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এই ঘটনায় লিমা জাহান সোমবার দুপুরে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ মুহাম্মদ শাকুর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অবশ্যই এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় লিমা জাহান (২৫) নামের অন্তঃসত্ত্বা একজনকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে আহত করার অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। বাউফল পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বাউফল সরকারি কলেজের সামনে গিয়ে শেষ হয় মিছিল। পরে তারা ওই কলেজের মূল ফটকের সামনে সমাবেশ করেন।
এর আগে রোববার বেলা দেড়টার দিকে আ স ম ফিরোজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ এলাকায় পৌঁছালে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলামের (৩০) নেতৃত্বে পাঁচজনের একটি দল মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে লিমাকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে আহত করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
ভুক্তভোগী লিমা জাহান জামায়াতের রোকন ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আমিনুল ইসলামের স্ত্রী।
এদিকে সমাবেশে বক্তারা বলেন, নারীদের ওপর হামলাকারী ব্যক্তিরা দেশের শত্রু। বিএনপি একদিকে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলছে, অন্যদিকে নারীর ওপর হামলা করছে। এটা নারীদের সঙ্গে প্রতারণা ও ভাঁওতাবাজি ছাড়া কিছুই নয়। বক্তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শফিকুল ইসলামের কর্মীসমর্থকেরা গত রোববার সকাল ১০টার দিকে মিছিল নিয়ে নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল খানকা এলাকা থেকে বিভিন্ন সড়ক ঘুরছিলেন। বেলা ১টার দিকে ভান্ডারি বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দলের দুজন নেতার নেতৃত্বে মিছিলে হামলা হয়। এতে প্রায় ৪০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে লিমা জাহানের স্বামী জামায়াত নেতা আমিনুলও ছিলেন।
লিমার পরিবারের অভিযোগ, স্বামীর আহত হওয়ার খবর পেয়ে একটি মোটরসাইকেলে লিমা ঘটনাস্থলে যাচ্ছিলেন। বেলা দেড়টার দিকে আ স ম ফিরোজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশ এলাকায় পৌঁছালে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক জহিরুল ইসলামের (৩০) নেতৃত্বে পাঁচজনের একটি দল মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে লিমাকে পিটিয়ে ও লাথি মেরে আহত করেন। ওই সময় মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন আহত লিমাকে উদ্ধার করে ট্রলারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।
তবে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম দাবি করেন, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে তিনি (লিমা) আহত হয়েছেন। তিনি কোনো হামলা কিংবা লাথি মেরে আহত করেননি।
চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বেল্লাল ব্যাপারী বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। বিএনপির কোনো নেতাকর্মীও এর সঙ্গে জড়িত না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুর রউফ বলেন, যেহেতু তিনি (লিমা) অন্তঃসত্ত্বা, তাই অধিকতর গুরুত্ব সহকারে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এই ঘটনায় লিমা জাহান সোমবার দুপুরে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ মুহাম্মদ শাকুর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অবশ্যই এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
বরিশাল টাইমস

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৫
বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণের দাবিতে থানার সামনে সড়ক অবরোধ করেছে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা তারা সড়ক অবরোধ করে। এ সময় সড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
জামায়াতের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক সড়কের পশ্চিম পাশে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ দাবি করে নানা স্লোগান দেয়। অনেক নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেকে সড়কে বসে পড়ে।
কয়েকদিন আগে বাউফল উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে জামায়াত বাউফল থানার ওসির অপসারণ দাবি করেছিল।
পরে রোববার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনি মিছিলে বিএনপির হামলার প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা। এ সময় বিএনপির কর্মী-সমর্থকরাও পাল্টা মিছিল বের করে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, যখন পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে।
পরবর্তীতে বিকাল ৪টার দিকে বিপুল সংখ্যক জামায়াতের কর্মী-সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করে ওসির অপসারণ দাবি করে।
খবর পেয়ে বাউফলের ইউএনও সালেহ আহমেদসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তবে তারা তা মানেনি।
এ সময় দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ঘটনাস্থলে এসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। একপর্যায়ে ওসির অপসারণের বিষয়ে আশ্বাস পেয়ে কর্মী-সমর্থকরা সড়ক ছেড়ে চলে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণের দাবিতে থানার সামনে সড়ক অবরোধ করেছে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা তারা সড়ক অবরোধ করে। এ সময় সড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
জামায়াতের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক সড়কের পশ্চিম পাশে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ দাবি করে নানা স্লোগান দেয়। অনেক নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেকে সড়কে বসে পড়ে।
কয়েকদিন আগে বাউফল উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে জামায়াত বাউফল থানার ওসির অপসারণ দাবি করেছিল।
পরে রোববার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনি মিছিলে বিএনপির হামলার প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা। এ সময় বিএনপির কর্মী-সমর্থকরাও পাল্টা মিছিল বের করে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, যখন পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে।
পরবর্তীতে বিকাল ৪টার দিকে বিপুল সংখ্যক জামায়াতের কর্মী-সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করে ওসির অপসারণ দাবি করে।
খবর পেয়ে বাউফলের ইউএনও সালেহ আহমেদসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তবে তারা তা মানেনি।
এ সময় দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ঘটনাস্থলে এসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। একপর্যায়ে ওসির অপসারণের বিষয়ে আশ্বাস পেয়ে কর্মী-সমর্থকরা সড়ক ছেড়ে চলে যায়।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৩
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গর্ভবতী নারীসহ নির্বাচনি মিছিলে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের নারী কর্মী ও সমর্থকদের উদ্যোগে স্মরণকালের বিশাল নারী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে জামায়াতের নারী কর্মী ও সমর্থকরা এ বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বেলা ১১টার দিকে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাউফল সরকারি কলেজের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল শেষে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন ডা. জাকিয়া ফারহানা এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
সমাবেশে ডা. জাকিয়া ফারহানা বলেন, ‘চন্দ্রদ্বীপে গর্ভবতী নারীর ওপর বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের হামলার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। এ হামলা জাহেলি যুগকেও হার মানিয়েছে। ওই গর্ভবতী মা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার একমাত্র অপরাধ ছিল দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়া ও ডা. মাসুদের পক্ষে প্রচার করা। হামলা ও হুমকি দিয়ে দাঁড়িপাল্লার বিজয় ঠেকানো যাবে না। মাসুদের বিজয় হবেই, ইনশাআল্লাহ।’
সমাবেশে ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘এরপর যদি কোনো মা-বোন বা আমার কোনো কর্মীর ওপর হামলা করা হয় কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় তাহলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। আমরা ভয় পাওয়ার মানুষ নই। মা-বোনদের ভোটেই আমি বিজয়ী হব, ইনশাআল্লাহ। কোনো চোখরাঙানিতে আমরা ভয় পাই না।’
তিনি পুলিশকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘চন্দ্রদ্বীপের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।’
বিক্ষোভ মিছিলে বিপুলসংখ্যক নারী অংশগ্রহণ করেন। মিছিলের অগ্রভাগ ও পশ্চাদভাগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ জামায়াতের স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গর্ভবতী নারীসহ নির্বাচনি মিছিলে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের নারী কর্মী ও সমর্থকদের উদ্যোগে স্মরণকালের বিশাল নারী বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে জামায়াতের নারী কর্মী ও সমর্থকরা এ বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বেলা ১১টার দিকে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাউফল সরকারি কলেজের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল শেষে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন ডা. জাকিয়া ফারহানা এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
সমাবেশে ডা. জাকিয়া ফারহানা বলেন, ‘চন্দ্রদ্বীপে গর্ভবতী নারীর ওপর বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের হামলার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। এ হামলা জাহেলি যুগকেও হার মানিয়েছে। ওই গর্ভবতী মা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার একমাত্র অপরাধ ছিল দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়া ও ডা. মাসুদের পক্ষে প্রচার করা। হামলা ও হুমকি দিয়ে দাঁড়িপাল্লার বিজয় ঠেকানো যাবে না। মাসুদের বিজয় হবেই, ইনশাআল্লাহ।’
সমাবেশে ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘এরপর যদি কোনো মা-বোন বা আমার কোনো কর্মীর ওপর হামলা করা হয় কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় তাহলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। আমরা ভয় পাওয়ার মানুষ নই। মা-বোনদের ভোটেই আমি বিজয়ী হব, ইনশাআল্লাহ। কোনো চোখরাঙানিতে আমরা ভয় পাই না।’
তিনি পুলিশকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘চন্দ্রদ্বীপের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।’
বিক্ষোভ মিছিলে বিপুলসংখ্যক নারী অংশগ্রহণ করেন। মিছিলের অগ্রভাগ ও পশ্চাদভাগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ জামায়াতের স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.