
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
সরকারের কোনো পদক্ষেপই চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আমন মৌসুম শেষ হবার আগেই বরিশালের চালের বাজার নতুন করে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। সমাপ্তপ্রায় আমন মৌসুমে ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে প্রায় ২৪ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রে বলা হয়েছে। অথচ এবার ধানের দাম গত বছরের চেয়ে প্রতিমনে দেড়শ থেকে ২শ টাকা পর্যন্ত কম। কিন্তু গত একমাসে বরিশালে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বা প্রতি মনে আড়াইশ টাকার মতো।
অথচ গত ৬ মাসে শুধু বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগির মাঝে ‘খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী’র আওতায় মাত্র ১৫ টাকা কেজি দলে ৬০ হাজার ৫শ টনের মত চাল বিক্রি করেছে সরকার। এ কর্মসূচিতে ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগী গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসে ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। আগামী মার্চ ও এপ্রিল মাসেও অনুরূপভাবে চাল বিক্রি করা হবে।
উপরন্তু, খোলা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে একই পরিমাণ আটাও বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এ হিসেবে, ‘খোলা বাজারে বিক্রি কর্মসূচি-ওএমএস’র আওতায় গত ৬ মাসে ৮,১৫৩ টন আটা ও ৭,২৭৫ টন চাল বিক্রি করেছে সরকার। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এর বাইরে বরিশালের ৩.৪০ লাখ জেলে পরিবারের মাঝে সাড়ে ৮ হাজার টন চাল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে বরিশালের ৪ লক্ষাধিক অনগ্রসর নারীর মাঝেও দু বছরের জন্য যে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চলছে, তারই আওতায় গত ৬ মাসে বরিশালে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন চাল বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এমনকি, টিসিবি’র প্রায় ৫ লাখ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী সুবিধাভোগিও গত ৬ মাসে ৮ হাজার ১৪২ টন চাল পেয়েছেন ৩০ টাকা কেজি দরে।
কিন্তু এতসব কর্মসূচিও চালের বাজারকে আটকাতে পারেনি। নানা অজুহাতে চালকল মালিক এবং পাইকারি ব্যবসায়ী ও ফরিয়ার দল চালের দর বৃদ্ধি করে চলেছে। বরিশালের বাজারে এখন মোটা মানের চালের কেজিও ৫০ টাকার ওপরে। মধ্যম-মাঝারি চালের কেজি ৬০ টকা। আর মধ্যম-উন্নত মানের মিনিকেট চালের কেজি ৭৮-৮০ টাকা কেজি।
বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাজারে মূল্যস্ফীতি সহ অন্য অনেক পণ্যমূল্যকেও প্রভাবিত করে থাকে। ফলে চালের মূল্য বৃদ্ধির হাত ধরে অন্য অনেক নিত্যপণ্যের দামেও ঊর্ধ্বমূখি প্রবণতা লক্ষণীয়। এবার শীতকালীন সবজি ছাড়াও অন্য অনেক কৃষিপণ্যের দামও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশী। অথচ কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে বর্ধিত দামের সুবিধা পাচ্ছেন না। পুরো বাজার এখন সিন্ডিকেটের দখলে।
ফলে সাধারণ মানুুুুুষের সংসার চালান দায় হয়ে উঠছে ইতোমধ্যে। অপরদিকে এযাবৎকালের সর্বাধিক পরিমাণ আমন উৎপাদন হলেও ধানের দরপতনেও কৃষকরা দিশেহারা। সমাপ্তপ্রায় খরিপ-২ মৌসুমে বরিশালে প্রতিমণ আমন উৎপাদন ব্যায় ছিল প্রায় ১১শ টাকা। কিন্তু অনেক কষ্টের সে ফসল বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৯শ টাকা ১ হাজার ৫০ টাকায়।
ফলে কৃষকের জন্য এবারের আমন মৌসুমে যেমন কোনো ভালো খবর নেই, তেমনি ভোক্তাদেরও চালের মূল্য বৃদ্ধিতে দুর্ভোগ সব সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে।
সরকারের কোনো পদক্ষেপই চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আমন মৌসুম শেষ হবার আগেই বরিশালের চালের বাজার নতুন করে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। সমাপ্তপ্রায় আমন মৌসুমে ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে প্রায় ২৪ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রে বলা হয়েছে। অথচ এবার ধানের দাম গত বছরের চেয়ে প্রতিমনে দেড়শ থেকে ২শ টাকা পর্যন্ত কম। কিন্তু গত একমাসে বরিশালে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বা প্রতি মনে আড়াইশ টাকার মতো।
অথচ গত ৬ মাসে শুধু বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগির মাঝে ‘খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী’র আওতায় মাত্র ১৫ টাকা কেজি দলে ৬০ হাজার ৫শ টনের মত চাল বিক্রি করেছে সরকার। এ কর্মসূচিতে ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগী গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসে ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। আগামী মার্চ ও এপ্রিল মাসেও অনুরূপভাবে চাল বিক্রি করা হবে।
উপরন্তু, খোলা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে একই পরিমাণ আটাও বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এ হিসেবে, ‘খোলা বাজারে বিক্রি কর্মসূচি-ওএমএস’র আওতায় গত ৬ মাসে ৮,১৫৩ টন আটা ও ৭,২৭৫ টন চাল বিক্রি করেছে সরকার। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এর বাইরে বরিশালের ৩.৪০ লাখ জেলে পরিবারের মাঝে সাড়ে ৮ হাজার টন চাল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে বরিশালের ৪ লক্ষাধিক অনগ্রসর নারীর মাঝেও দু বছরের জন্য যে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চলছে, তারই আওতায় গত ৬ মাসে বরিশালে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন চাল বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এমনকি, টিসিবি’র প্রায় ৫ লাখ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী সুবিধাভোগিও গত ৬ মাসে ৮ হাজার ১৪২ টন চাল পেয়েছেন ৩০ টাকা কেজি দরে।
কিন্তু এতসব কর্মসূচিও চালের বাজারকে আটকাতে পারেনি। নানা অজুহাতে চালকল মালিক এবং পাইকারি ব্যবসায়ী ও ফরিয়ার দল চালের দর বৃদ্ধি করে চলেছে। বরিশালের বাজারে এখন মোটা মানের চালের কেজিও ৫০ টাকার ওপরে। মধ্যম-মাঝারি চালের কেজি ৬০ টকা। আর মধ্যম-উন্নত মানের মিনিকেট চালের কেজি ৭৮-৮০ টাকা কেজি।
বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাজারে মূল্যস্ফীতি সহ অন্য অনেক পণ্যমূল্যকেও প্রভাবিত করে থাকে। ফলে চালের মূল্য বৃদ্ধির হাত ধরে অন্য অনেক নিত্যপণ্যের দামেও ঊর্ধ্বমূখি প্রবণতা লক্ষণীয়। এবার শীতকালীন সবজি ছাড়াও অন্য অনেক কৃষিপণ্যের দামও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশী। অথচ কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে বর্ধিত দামের সুবিধা পাচ্ছেন না। পুরো বাজার এখন সিন্ডিকেটের দখলে।
ফলে সাধারণ মানুুুুুষের সংসার চালান দায় হয়ে উঠছে ইতোমধ্যে। অপরদিকে এযাবৎকালের সর্বাধিক পরিমাণ আমন উৎপাদন হলেও ধানের দরপতনেও কৃষকরা দিশেহারা। সমাপ্তপ্রায় খরিপ-২ মৌসুমে বরিশালে প্রতিমণ আমন উৎপাদন ব্যায় ছিল প্রায় ১১শ টাকা। কিন্তু অনেক কষ্টের সে ফসল বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৯শ টাকা ১ হাজার ৫০ টাকায়।
ফলে কৃষকের জন্য এবারের আমন মৌসুমে যেমন কোনো ভালো খবর নেই, তেমনি ভোক্তাদেরও চালের মূল্য বৃদ্ধিতে দুর্ভোগ সব সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে।

১৭ জুন, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের শুভ উদ্বোধন করেন গনপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলা থেকে ভ্যাচুয়ালে এ উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশের ২০ টি জেলার ৯ হাজার ৮২ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাতে হিজলা উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৬৫ জন পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সেতু বিভাগ ও নৌ , মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার বান্না, হিজলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু, হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শতশত নারী মোবাইল ফোনে নগদ অর্থ পেয়ে আনন্দে উল্লসিত হয়েছেন। নির্বাচন কালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার কে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৩
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’
বরিশালে নিখোঁজ অটোরিকশাচালক বিশোর্ধ্ব নাজমুল হোসেনের সন্দেহভাজন খুনির বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) খুব সকালে বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের নতুনের হাট এলাকায় বসতঘরটিতে আগুন দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে অভিযুক্ত মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) সকালে একই এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা চালক নাজমুল হোসেনের লাশটি পার্শ্ববর্তী কালিজিরা নদীর পূর্বপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাকরকাঠি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশিদ মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এদিন দুপুর থেকে নাজমুলের ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করে তার কোনো সন্ধান পাননি। ছেলে নিখোঁজের এই ঘটনায় রোববার (১৪ জুন) আব্দুল রশিদ মোল্লা সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির একদিন বাদে ১৫ জুন যুবক নাজমুলের লাশটি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড ও জাগুয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কালিজিরা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। এবং নাজমুলের বাবার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, অটোরিকশা চালক নাজমুল খুনের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশপাশি সন্ধিগ্ধ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বরিশাল শহর বিভিন্ন স্থানসমূহে দুদিন ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে নতুন হাট এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে পঁচিশোর্ধ্ব মিরাজ হাওলাদারসহ ৪জনকে আটক করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার খুব সকালে অভিযুক্ত মিরাজকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তার বসতঘরটি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এসময় ঘরের অভ্যন্তরের কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার (উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল হান্নান জানান, অটোচালক নাজমুল হোসেনের মৃত্যুর সাথে মিরাজের যোগসূত্র থাকতে পারে, এই ধরনের কিছু আলামত পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোর রাতে এই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি আরও তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের খবরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিরাজের বাসায় আগুন দিয়েছে। অটোরিকশা চালক খুন এবং সন্দেভাজন খুনির বাসায় আগুন দেওয়ার দুটি ঘটনাই তদন্ত করা হচ্ছে, জানান এই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা।’

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.