
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
সরকারের কোনো পদক্ষেপই চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আমন মৌসুম শেষ হবার আগেই বরিশালের চালের বাজার নতুন করে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। সমাপ্তপ্রায় আমন মৌসুমে ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে প্রায় ২৪ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রে বলা হয়েছে। অথচ এবার ধানের দাম গত বছরের চেয়ে প্রতিমনে দেড়শ থেকে ২শ টাকা পর্যন্ত কম। কিন্তু গত একমাসে বরিশালে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বা প্রতি মনে আড়াইশ টাকার মতো।
অথচ গত ৬ মাসে শুধু বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগির মাঝে ‘খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী’র আওতায় মাত্র ১৫ টাকা কেজি দলে ৬০ হাজার ৫শ টনের মত চাল বিক্রি করেছে সরকার। এ কর্মসূচিতে ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগী গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসে ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। আগামী মার্চ ও এপ্রিল মাসেও অনুরূপভাবে চাল বিক্রি করা হবে।
উপরন্তু, খোলা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে একই পরিমাণ আটাও বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এ হিসেবে, ‘খোলা বাজারে বিক্রি কর্মসূচি-ওএমএস’র আওতায় গত ৬ মাসে ৮,১৫৩ টন আটা ও ৭,২৭৫ টন চাল বিক্রি করেছে সরকার। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এর বাইরে বরিশালের ৩.৪০ লাখ জেলে পরিবারের মাঝে সাড়ে ৮ হাজার টন চাল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে বরিশালের ৪ লক্ষাধিক অনগ্রসর নারীর মাঝেও দু বছরের জন্য যে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চলছে, তারই আওতায় গত ৬ মাসে বরিশালে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন চাল বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এমনকি, টিসিবি’র প্রায় ৫ লাখ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী সুবিধাভোগিও গত ৬ মাসে ৮ হাজার ১৪২ টন চাল পেয়েছেন ৩০ টাকা কেজি দরে।
কিন্তু এতসব কর্মসূচিও চালের বাজারকে আটকাতে পারেনি। নানা অজুহাতে চালকল মালিক এবং পাইকারি ব্যবসায়ী ও ফরিয়ার দল চালের দর বৃদ্ধি করে চলেছে। বরিশালের বাজারে এখন মোটা মানের চালের কেজিও ৫০ টাকার ওপরে। মধ্যম-মাঝারি চালের কেজি ৬০ টকা। আর মধ্যম-উন্নত মানের মিনিকেট চালের কেজি ৭৮-৮০ টাকা কেজি।
বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাজারে মূল্যস্ফীতি সহ অন্য অনেক পণ্যমূল্যকেও প্রভাবিত করে থাকে। ফলে চালের মূল্য বৃদ্ধির হাত ধরে অন্য অনেক নিত্যপণ্যের দামেও ঊর্ধ্বমূখি প্রবণতা লক্ষণীয়। এবার শীতকালীন সবজি ছাড়াও অন্য অনেক কৃষিপণ্যের দামও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশী। অথচ কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে বর্ধিত দামের সুবিধা পাচ্ছেন না। পুরো বাজার এখন সিন্ডিকেটের দখলে।
ফলে সাধারণ মানুুুুুষের সংসার চালান দায় হয়ে উঠছে ইতোমধ্যে। অপরদিকে এযাবৎকালের সর্বাধিক পরিমাণ আমন উৎপাদন হলেও ধানের দরপতনেও কৃষকরা দিশেহারা। সমাপ্তপ্রায় খরিপ-২ মৌসুমে বরিশালে প্রতিমণ আমন উৎপাদন ব্যায় ছিল প্রায় ১১শ টাকা। কিন্তু অনেক কষ্টের সে ফসল বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৯শ টাকা ১ হাজার ৫০ টাকায়।
ফলে কৃষকের জন্য এবারের আমন মৌসুমে যেমন কোনো ভালো খবর নেই, তেমনি ভোক্তাদেরও চালের মূল্য বৃদ্ধিতে দুর্ভোগ সব সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে।
সরকারের কোনো পদক্ষেপই চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আমন মৌসুম শেষ হবার আগেই বরিশালের চালের বাজার নতুন করে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে। সমাপ্তপ্রায় আমন মৌসুমে ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে প্রায় ২৪ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল সূত্রে বলা হয়েছে। অথচ এবার ধানের দাম গত বছরের চেয়ে প্রতিমনে দেড়শ থেকে ২শ টাকা পর্যন্ত কম। কিন্তু গত একমাসে বরিশালে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বা প্রতি মনে আড়াইশ টাকার মতো।
অথচ গত ৬ মাসে শুধু বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগির মাঝে ‘খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী’র আওতায় মাত্র ১৫ টাকা কেজি দলে ৬০ হাজার ৫শ টনের মত চাল বিক্রি করেছে সরকার। এ কর্মসূচিতে ৫ লক্ষাধিক সুবিধাভোগী গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাসে ৩০ কেজি করে চাল পেয়েছেন। আগামী মার্চ ও এপ্রিল মাসেও অনুরূপভাবে চাল বিক্রি করা হবে।
উপরন্তু, খোলা বাজারে ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে একই পরিমাণ আটাও বিক্রি করছে খাদ্য অধিদপ্তর। এ হিসেবে, ‘খোলা বাজারে বিক্রি কর্মসূচি-ওএমএস’র আওতায় গত ৬ মাসে ৮,১৫৩ টন আটা ও ৭,২৭৫ টন চাল বিক্রি করেছে সরকার। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এর বাইরে বরিশালের ৩.৪০ লাখ জেলে পরিবারের মাঝে সাড়ে ৮ হাজার টন চাল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে বরিশালের ৪ লক্ষাধিক অনগ্রসর নারীর মাঝেও দু বছরের জন্য যে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চলছে, তারই আওতায় গত ৬ মাসে বরিশালে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন চাল বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এমনকি, টিসিবি’র প্রায় ৫ লাখ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ধারী সুবিধাভোগিও গত ৬ মাসে ৮ হাজার ১৪২ টন চাল পেয়েছেন ৩০ টাকা কেজি দরে।
কিন্তু এতসব কর্মসূচিও চালের বাজারকে আটকাতে পারেনি। নানা অজুহাতে চালকল মালিক এবং পাইকারি ব্যবসায়ী ও ফরিয়ার দল চালের দর বৃদ্ধি করে চলেছে। বরিশালের বাজারে এখন মোটা মানের চালের কেজিও ৫০ টাকার ওপরে। মধ্যম-মাঝারি চালের কেজি ৬০ টকা। আর মধ্যম-উন্নত মানের মিনিকেট চালের কেজি ৭৮-৮০ টাকা কেজি।
বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, চালের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাজারে মূল্যস্ফীতি সহ অন্য অনেক পণ্যমূল্যকেও প্রভাবিত করে থাকে। ফলে চালের মূল্য বৃদ্ধির হাত ধরে অন্য অনেক নিত্যপণ্যের দামেও ঊর্ধ্বমূখি প্রবণতা লক্ষণীয়। এবার শীতকালীন সবজি ছাড়াও অন্য অনেক কৃষিপণ্যের দামও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশী। অথচ কৃষকরা মাঠ পর্যায়ে বর্ধিত দামের সুবিধা পাচ্ছেন না। পুরো বাজার এখন সিন্ডিকেটের দখলে।
ফলে সাধারণ মানুুুুুষের সংসার চালান দায় হয়ে উঠছে ইতোমধ্যে। অপরদিকে এযাবৎকালের সর্বাধিক পরিমাণ আমন উৎপাদন হলেও ধানের দরপতনেও কৃষকরা দিশেহারা। সমাপ্তপ্রায় খরিপ-২ মৌসুমে বরিশালে প্রতিমণ আমন উৎপাদন ব্যায় ছিল প্রায় ১১শ টাকা। কিন্তু অনেক কষ্টের সে ফসল বিক্রি হচ্ছে প্রতিমণ ৯শ টাকা ১ হাজার ৫০ টাকায়।
ফলে কৃষকের জন্য এবারের আমন মৌসুমে যেমন কোনো ভালো খবর নেই, তেমনি ভোক্তাদেরও চালের মূল্য বৃদ্ধিতে দুর্ভোগ সব সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১