মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণা হবে কাল। জুলাই–আগস্টের দমন-পীড়নে প্রাণ হারানো মানুষের স্বজন, আহত আর গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া সাধারণ মানুষ- সবার দৃষ্টি এখন এই রায়ের দিকেই। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ আর আইনি লড়াই শেষে এখন অপেক্ষা শুধু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের।
জাতিসংঘের হিসেবে জুলাই অভ্যুত্থানের দমন পীড়নে প্রাণ গেছে অন্তত ১৪শ নিরীহ মানুষের। ঘাতকের বিচারের অপেক্ষায় দীর্ঘ এক বছরের বেশী সময় অপেক্ষার পর রায় পেতে চলেছে শহীদ পরিবার, আহত এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া এদেশের আপামর জনগণ।
কাগজে-কলমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয় গেল বছরের অক্টোবরে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হবার পর। এরপর অন্তত ৬ মাস সময় নিয়েছে তদন্ত সংস্থা, কী ঘটেছে তার একটা প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে। এই আদালতে জুলাই আগস্ট হত্যাযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক চার্জ উপস্থাপন হয় চলতি বছরের জুনে। এবং চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় জুলাই-য়ে। সে সময়ই এই গণহত্যা মামলার আসামী সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হন, আদালতের ভাষায় "অ্যাপ্রুভার"।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী তামিম বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে আহত এবং নিহতদের শরীর থেকে প্রাপ্ত বুলেট, পিলেট এবং তাদের চিকিৎসা ও মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছি। শুধু তাই নয়, জুলাইয়ে যে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছিলো সেই হেলিকপ্টারের ফ্লাইট শিডিউল ও আমরা জমা দিয়েছি।’
মোটা দাগে এই মামলার ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, প্রমাণ উপাত্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম ৫টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণ করতে লড়েছে। এর শুরুতেই আছে ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা ও নাতিপুতি সম্বোধনের বিষয়টি। প্রসিকিউশন পক্ষ এই বক্তব্যকে গণহত্যার উস্কানি হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছেন।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৯
স্বপ্ন যার আকাশ ছোঁয়ার, তাকে রুখবার সাধ্য কার? পাইলট হয়ে আকাশে ডানা মেলার স্বপ্ন তার। দেশের সম্মানকে নিয়ে যেতে চায় সে অনন্য উচ্চতায়। সেই স্বপ্ন জয়ের দুর্গম পথের প্রথম ধাপটি সফলতা এবং গৌরবের সাথেই অতিক্রম করেছে বাবুগঞ্জের আদিবা।
আদিবার পুরো নাম আদিবা ইসলাম আমেনা। সে ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। ক্লাসেও তার রোল ছিল এক। সেরাদের সেরা এই অদম্য মেধাবী আদিবা ইসলাম আমেনা বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আজিজুল হক ও গৃহিণী অনামিকা আক্তার লিজা দম্পতির বড় সন্তান।
দেশের এবং মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা সে পেয়েছে তার বাবার কাছ থেকেই। বাবা আজিজুল হকের বর্তমান পেশা শিক্ষকতা, সমাজসেবা এবং রাজনীতি। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য। রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলী এবং নিজেকে বিকশিত করার ক্ষমতা জন্মসূত্রেই পেয়েছে আদিবা। তাইতো ক্লাসেও সে অলরাউন্ডার।
পড়াশোনায় নাম্বার ওয়ান হওয়ার পাশাপাশি নাচ, গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা কিংবা খেলাধুলা, সবকিছুতেই সমান পারদর্শী আদিবা। প্রতিভাময়ী এই বালিকা স্বপ্ন দেখে বিমান নিয়ে আকাশে ডানা মেলার। আকাশের সীমানা অতিক্রম করার স্বপ্ন তার দু'চোখে। তাকে নিয়ে এখন স্বপ্ন দেখে তার সহপাঠী আর শিক্ষকমণ্ডলীও।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ আমিনা বলেন, 'আমার প্রিয় ছাত্রী আদিবা যেমন মেধাবী তেমনি পরিশ্রমী। সে পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং শিক্ষকদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। সে তার প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে এবছর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে একদিন অনেক বড় হয়ে তার আকাশে ওড়ার স্বপ্ন জয় করবে এবং বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করবে। এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত উজ্জ্বল নক্ষত্র। আদিবাও একদিন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে এই বিদ্যালয়ের গৌরব হবে বলে বিশ্বাস করি।'
আদিবার বাবা সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতা আজিজুল হক বলেন, 'আমার দুই মেয়ের মধ্যে আদিবা বড়। সে এবছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এটা তার শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক অর্জনের স্বীকৃতি। এই অর্জনে তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকমণ্ডলীসহ যারা তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, দোয়া করেছেন, শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সে বড় হয়ে বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চায়। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। সে যেন তার স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারে।'
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী আদিবা ইসলাম আমেনা তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, 'আমার এই সাফল্যের অংশীদার আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলী। তাদের বিভিন্ন আদেশ-উপদেশ, পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনাই আমার সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি তাদের প্রতি চিরঋণী। আমি বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চাই। আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলীর মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।' #
স্বপ্ন যার আকাশ ছোঁয়ার, তাকে রুখবার সাধ্য কার? পাইলট হয়ে আকাশে ডানা মেলার স্বপ্ন তার। দেশের সম্মানকে নিয়ে যেতে চায় সে অনন্য উচ্চতায়। সেই স্বপ্ন জয়ের দুর্গম পথের প্রথম ধাপটি সফলতা এবং গৌরবের সাথেই অতিক্রম করেছে বাবুগঞ্জের আদিবা।
আদিবার পুরো নাম আদিবা ইসলাম আমেনা। সে ২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। ক্লাসেও তার রোল ছিল এক। সেরাদের সেরা এই অদম্য মেধাবী আদিবা ইসলাম আমেনা বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আজিজুল হক ও গৃহিণী অনামিকা আক্তার লিজা দম্পতির বড় সন্তান।
দেশের এবং মানুষের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা সে পেয়েছে তার বাবার কাছ থেকেই। বাবা আজিজুল হকের বর্তমান পেশা শিক্ষকতা, সমাজসেবা এবং রাজনীতি। তিনি বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও বর্তমানে তিনি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য। রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলী এবং নিজেকে বিকশিত করার ক্ষমতা জন্মসূত্রেই পেয়েছে আদিবা। তাইতো ক্লাসেও সে অলরাউন্ডার।
পড়াশোনায় নাম্বার ওয়ান হওয়ার পাশাপাশি নাচ, গান, আবৃত্তি, ছবি আঁকা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা কিংবা খেলাধুলা, সবকিছুতেই সমান পারদর্শী আদিবা। প্রতিভাময়ী এই বালিকা স্বপ্ন দেখে বিমান নিয়ে আকাশে ডানা মেলার। আকাশের সীমানা অতিক্রম করার স্বপ্ন তার দু'চোখে। তাকে নিয়ে এখন স্বপ্ন দেখে তার সহপাঠী আর শিক্ষকমণ্ডলীও।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ আমিনা বলেন, 'আমার প্রিয় ছাত্রী আদিবা যেমন মেধাবী তেমনি পরিশ্রমী। সে পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী এবং শিক্ষকদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল। সে তার প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে এবছর ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে একদিন অনেক বড় হয়ে তার আকাশে ওড়ার স্বপ্ন জয় করবে এবং বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করবে। এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত উজ্জ্বল নক্ষত্র। আদিবাও একদিন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে এই বিদ্যালয়ের গৌরব হবে বলে বিশ্বাস করি।'
আদিবার বাবা সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতা আজিজুল হক বলেন, 'আমার দুই মেয়ের মধ্যে আদিবা বড়। সে এবছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এটা তার শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক অর্জনের স্বীকৃতি। এই অর্জনে তার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকমণ্ডলীসহ যারা তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, দোয়া করেছেন, শুভ কামনা জানিয়েছেন তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সে বড় হয়ে বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চায়। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। সে যেন তার স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারে।'
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী আদিবা ইসলাম আমেনা তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, 'আমার এই সাফল্যের অংশীদার আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলী। তাদের বিভিন্ন আদেশ-উপদেশ, পরামর্শ এবং দিকনির্দেশনাই আমার সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি তাদের প্রতি চিরঋণী। আমি বিমানের পাইলট হয়ে দেশসেবা করতে চাই। আমার পিতামাতা এবং শিক্ষকমণ্ডলীর মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন।' #

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১০:০৩
আবহমান বাংলার মধুমাস বলে খ্যাত জ্যৈষ্ঠের দেশীয় বিভিন্ন ফল দিয়ে বাবুগঞ্জে মধুমাস উৎসব-২০২৬'এর বর্ণাঢ্য শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক পিএলসি'র বাবুগঞ্জ শাখার উদ্যোগে রোববার প্রধান অতিথি হিসেবে ওই মধুমাস উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অন্যতম সম্মানিত গ্রাহক বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের বরিশাল প্রধান শাখার সিনিয়র অফিসার ইব্রাহিম খলিল ও বাবুগঞ্জ শাখার ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদা আক্তার, সাধনা রায় চৌধুরী, শিশির কুমার চক্রবর্তী, আলী হাসান আকন, মাসুদ পারভেজ, মরিয়ম বেগম, ডেন্টিস্ট সোহেল রানা, ব্যবসায়ী ফয়েজ হোসেন, ইব্রাহিম খান প্রমুখ।
মধুমাস উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের স্বনামধন্য ও নির্ভরযোগ্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর প্রায় ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। ব্যাংকটির গত অর্ধশতাব্দীর গৌরবময় পথচলায় নানান অর্জন রয়েছে। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে ব্যাংকটির বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। তাছাড়া গ্রাহকদের সম্মানে প্রতিবছর তারা দেশীয় বিভিন্ন রসালো ফলের সমারোহে মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে গ্রাহকদের আপ্যায়ন করে। এমন উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করে। দেশের মাটি ও মানুষের আস্থার ব্যাংকে পরিনত হোক আইএফআইসি।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'গ্রাহক সন্তুষ্টিই আইএফআইসি ব্যাংকের মূল লক্ষ্য। সেবার মান ও গ্রাহকের আস্থা অর্জন করে দেশে ১৪০০'এর অধিক শাখা-উপশাখা নিয়ে এগিয়ে চলছে আমাদের ব্যাংক। প্রতিবছর আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের সম্মানে আমরা মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে আসছি। এবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমাদের যেসব সম্মানিত গ্রাহকরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপস্থিত হয়ে মধুমাস উৎসবকে সার্থক করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশাকরি এভাবেই সবাই পাশে থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের আগামীর গৌরবময় পথচলার সাথী হবেন।' #
আবহমান বাংলার মধুমাস বলে খ্যাত জ্যৈষ্ঠের দেশীয় বিভিন্ন ফল দিয়ে বাবুগঞ্জে মধুমাস উৎসব-২০২৬'এর বর্ণাঢ্য শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক পিএলসি'র বাবুগঞ্জ শাখার উদ্যোগে রোববার প্রধান অতিথি হিসেবে ওই মধুমাস উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অন্যতম সম্মানিত গ্রাহক বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের বরিশাল প্রধান শাখার সিনিয়র অফিসার ইব্রাহিম খলিল ও বাবুগঞ্জ শাখার ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদা আক্তার, সাধনা রায় চৌধুরী, শিশির কুমার চক্রবর্তী, আলী হাসান আকন, মাসুদ পারভেজ, মরিয়ম বেগম, ডেন্টিস্ট সোহেল রানা, ব্যবসায়ী ফয়েজ হোসেন, ইব্রাহিম খান প্রমুখ।
মধুমাস উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের স্বনামধন্য ও নির্ভরযোগ্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর প্রায় ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। ব্যাংকটির গত অর্ধশতাব্দীর গৌরবময় পথচলায় নানান অর্জন রয়েছে। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে ব্যাংকটির বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। তাছাড়া গ্রাহকদের সম্মানে প্রতিবছর তারা দেশীয় বিভিন্ন রসালো ফলের সমারোহে মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে গ্রাহকদের আপ্যায়ন করে। এমন উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করে। দেশের মাটি ও মানুষের আস্থার ব্যাংকে পরিনত হোক আইএফআইসি।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'গ্রাহক সন্তুষ্টিই আইএফআইসি ব্যাংকের মূল লক্ষ্য। সেবার মান ও গ্রাহকের আস্থা অর্জন করে দেশে ১৪০০'এর অধিক শাখা-উপশাখা নিয়ে এগিয়ে চলছে আমাদের ব্যাংক। প্রতিবছর আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের সম্মানে আমরা মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে আসছি। এবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমাদের যেসব সম্মানিত গ্রাহকরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপস্থিত হয়ে মধুমাস উৎসবকে সার্থক করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশাকরি এভাবেই সবাই পাশে থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের আগামীর গৌরবময় পথচলার সাথী হবেন।' #

১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪১
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণা হবে কাল। জুলাই–আগস্টের দমন-পীড়নে প্রাণ হারানো মানুষের স্বজন, আহত আর গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া সাধারণ মানুষ- সবার দৃষ্টি এখন এই রায়ের দিকেই। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ আর আইনি লড়াই শেষে এখন অপেক্ষা শুধু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের।
জাতিসংঘের হিসেবে জুলাই অভ্যুত্থানের দমন পীড়নে প্রাণ গেছে অন্তত ১৪শ নিরীহ মানুষের। ঘাতকের বিচারের অপেক্ষায় দীর্ঘ এক বছরের বেশী সময় অপেক্ষার পর রায় পেতে চলেছে শহীদ পরিবার, আহত এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া এদেশের আপামর জনগণ।
কাগজে-কলমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয় গেল বছরের অক্টোবরে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হবার পর। এরপর অন্তত ৬ মাস সময় নিয়েছে তদন্ত সংস্থা, কী ঘটেছে তার একটা প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে। এই আদালতে জুলাই আগস্ট হত্যাযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক চার্জ উপস্থাপন হয় চলতি বছরের জুনে। এবং চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় জুলাই-য়ে। সে সময়ই এই গণহত্যা মামলার আসামী সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হন, আদালতের ভাষায় "অ্যাপ্রুভার"।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী তামিম বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে আহত এবং নিহতদের শরীর থেকে প্রাপ্ত বুলেট, পিলেট এবং তাদের চিকিৎসা ও মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছি। শুধু তাই নয়, জুলাইয়ে যে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছিলো সেই হেলিকপ্টারের ফ্লাইট শিডিউল ও আমরা জমা দিয়েছি।’
মোটা দাগে এই মামলার ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, প্রমাণ উপাত্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম ৫টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণ করতে লড়েছে। এর শুরুতেই আছে ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা ও নাতিপুতি সম্বোধনের বিষয়টি। প্রসিকিউশন পক্ষ এই বক্তব্যকে গণহত্যার উস্কানি হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছেন।
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৬
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫০