
১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪১
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণা হবে কাল। জুলাই–আগস্টের দমন-পীড়নে প্রাণ হারানো মানুষের স্বজন, আহত আর গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া সাধারণ মানুষ- সবার দৃষ্টি এখন এই রায়ের দিকেই। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ আর আইনি লড়াই শেষে এখন অপেক্ষা শুধু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের।
জাতিসংঘের হিসেবে জুলাই অভ্যুত্থানের দমন পীড়নে প্রাণ গেছে অন্তত ১৪শ নিরীহ মানুষের। ঘাতকের বিচারের অপেক্ষায় দীর্ঘ এক বছরের বেশী সময় অপেক্ষার পর রায় পেতে চলেছে শহীদ পরিবার, আহত এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া এদেশের আপামর জনগণ।
কাগজে-কলমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয় গেল বছরের অক্টোবরে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হবার পর। এরপর অন্তত ৬ মাস সময় নিয়েছে তদন্ত সংস্থা, কী ঘটেছে তার একটা প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে। এই আদালতে জুলাই আগস্ট হত্যাযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক চার্জ উপস্থাপন হয় চলতি বছরের জুনে। এবং চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় জুলাই-য়ে। সে সময়ই এই গণহত্যা মামলার আসামী সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হন, আদালতের ভাষায় "অ্যাপ্রুভার"।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী তামিম বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে আহত এবং নিহতদের শরীর থেকে প্রাপ্ত বুলেট, পিলেট এবং তাদের চিকিৎসা ও মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছি। শুধু তাই নয়, জুলাইয়ে যে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছিলো সেই হেলিকপ্টারের ফ্লাইট শিডিউল ও আমরা জমা দিয়েছি।’
মোটা দাগে এই মামলার ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, প্রমাণ উপাত্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম ৫টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণ করতে লড়েছে। এর শুরুতেই আছে ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা ও নাতিপুতি সম্বোধনের বিষয়টি। প্রসিকিউশন পক্ষ এই বক্তব্যকে গণহত্যার উস্কানি হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণা হবে কাল। জুলাই–আগস্টের দমন-পীড়নে প্রাণ হারানো মানুষের স্বজন, আহত আর গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া সাধারণ মানুষ- সবার দৃষ্টি এখন এই রায়ের দিকেই। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ আর আইনি লড়াই শেষে এখন অপেক্ষা শুধু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের।
জাতিসংঘের হিসেবে জুলাই অভ্যুত্থানের দমন পীড়নে প্রাণ গেছে অন্তত ১৪শ নিরীহ মানুষের। ঘাতকের বিচারের অপেক্ষায় দীর্ঘ এক বছরের বেশী সময় অপেক্ষার পর রায় পেতে চলেছে শহীদ পরিবার, আহত এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া এদেশের আপামর জনগণ।
কাগজে-কলমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয় গেল বছরের অক্টোবরে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হবার পর। এরপর অন্তত ৬ মাস সময় নিয়েছে তদন্ত সংস্থা, কী ঘটেছে তার একটা প্রাথমিক প্রতিবেদন দিতে। এই আদালতে জুলাই আগস্ট হত্যাযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক চার্জ উপস্থাপন হয় চলতি বছরের জুনে। এবং চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় জুলাই-য়ে। সে সময়ই এই গণহত্যা মামলার আসামী সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজসাক্ষী হন, আদালতের ভাষায় "অ্যাপ্রুভার"।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী তামিম বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে আহত এবং নিহতদের শরীর থেকে প্রাপ্ত বুলেট, পিলেট এবং তাদের চিকিৎসা ও মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছি। শুধু তাই নয়, জুলাইয়ে যে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছিলো সেই হেলিকপ্টারের ফ্লাইট শিডিউল ও আমরা জমা দিয়েছি।’
মোটা দাগে এই মামলার ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, প্রমাণ উপাত্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম ৫টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণ করতে লড়েছে। এর শুরুতেই আছে ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা ও নাতিপুতি সম্বোধনের বিষয়টি। প্রসিকিউশন পক্ষ এই বক্তব্যকে গণহত্যার উস্কানি হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছেন।

১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৮
ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর জিগানিসংলগ্ন পোডু গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সময়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শারবানু খাতুন নামে এক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী ‘অবৈধভাবে’ বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম শারবানু খাতুন, তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানের সময় ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে থাকেন। তখন শারবানু খাতুন তার পরিবর্তে ‘জয় বাংলা’ বলেন। যদিও কয়েক সেকেন্ড পরেই তিনি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিন্তু ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পরই এলাকার মানুষদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে ওই ভাইরাল ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে হেব্বাগোডি থানার হেড কনস্টেবল ভূষা বেন্দ্র গত ১১ জানুয়ারী একটি অভিযোগ করেন।
পুলিশের মতে, একটি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। তা ছাড়া ভারতে থেকে অন্য একটি দেশের স্লোগান তোলাটা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে দাবি করে তারা।
শারবানু খাতুনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৫২ ধারা (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতাকে বিপন্নকারী কাজ), ১৯৬ ধারা (ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর কাজ করা), ১৯৭ ধারা (জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকর অভিযোগ, দাবি) এবং ৩৫৩ ধারা (জনসাধারণের ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন বিবৃতি)-এর অধীনে একটি মামলা করা হয়েছে।’
ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর জিগানিসংলগ্ন পোডু গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সময়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শারবানু খাতুন নামে এক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী ‘অবৈধভাবে’ বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম শারবানু খাতুন, তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানের সময় ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে থাকেন। তখন শারবানু খাতুন তার পরিবর্তে ‘জয় বাংলা’ বলেন। যদিও কয়েক সেকেন্ড পরেই তিনি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিন্তু ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পরই এলাকার মানুষদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে ওই ভাইরাল ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে হেব্বাগোডি থানার হেড কনস্টেবল ভূষা বেন্দ্র গত ১১ জানুয়ারী একটি অভিযোগ করেন।
পুলিশের মতে, একটি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। তা ছাড়া ভারতে থেকে অন্য একটি দেশের স্লোগান তোলাটা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে দাবি করে তারা।
শারবানু খাতুনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৫২ ধারা (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতাকে বিপন্নকারী কাজ), ১৯৬ ধারা (ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর কাজ করা), ১৯৭ ধারা (জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকর অভিযোগ, দাবি) এবং ৩৫৩ ধারা (জনসাধারণের ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন বিবৃতি)-এর অধীনে একটি মামলা করা হয়েছে।’

০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তবে প্রার্থিতা বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ৭ নির্দেশনা মানতে হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) নির্দেশনাগুলো প্রার্থীদের মাঝে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা
১। আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে।
২। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
৩। আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ মোট ৭ কপি দাখিল করতে হবে।
৪। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
৫। আপিল আবেদন ৫-৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে থাকবে ১০টি বুথ।
বুথ নং-১ (খুলনা অঞ্চল)
মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা।
বুথ-২ (রাজশাহী অঞ্চল)
জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
বুথ-৩ (রংপুর অঞ্চল)
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
বুথ-৪ (চট্টগ্রাম অঞ্চল)
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।
বুথ-৫ (কুমিল্লা অঞ্চল)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।
বুথ-৬ (সিলেট অঞ্চল)
সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
বুথ-৭ (ঢাকা অঞ্চল)
টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
বুথ-৮ (ময়মনসিংহ অঞ্চল)
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
বুথ-৯ (বরিশাল অঞ্চল)
বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
বুথ-১০ (ফরিদপুর অঞ্চল)
রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তবে প্রার্থিতা বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ৭ নির্দেশনা মানতে হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) নির্দেশনাগুলো প্রার্থীদের মাঝে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা
১। আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে।
২। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
৩। আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ মোট ৭ কপি দাখিল করতে হবে।
৪। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
৫। আপিল আবেদন ৫-৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে থাকবে ১০টি বুথ।
বুথ নং-১ (খুলনা অঞ্চল)
মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা।
বুথ-২ (রাজশাহী অঞ্চল)
জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
বুথ-৩ (রংপুর অঞ্চল)
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
বুথ-৪ (চট্টগ্রাম অঞ্চল)
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।
বুথ-৫ (কুমিল্লা অঞ্চল)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।
বুথ-৬ (সিলেট অঞ্চল)
সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
বুথ-৭ (ঢাকা অঞ্চল)
টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
বুথ-৮ (ময়মনসিংহ অঞ্চল)
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
বুথ-৯ (বরিশাল অঞ্চল)
বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
বুথ-১০ (ফরিদপুর অঞ্চল)
রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:২৭
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের আশপাশে সিগারেট বা তামাক বিক্রির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছে।
২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন করে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করবেন না বা করাবেন না।
সরকার বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দিয়ে এ সীমানার পরিধি বাড়াতে পারবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি এ বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার মুখে পড়বেন। দ্বিতীয়বার বা বারবার এ অপরাধ করলে দ্বিগুণ হারে শাস্তি পেতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের আশপাশে সিগারেট বা তামাক বিক্রির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়েছে।
২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধন করে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশু পার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করবেন না বা করাবেন না।
সরকার বা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দিয়ে এ সীমানার পরিধি বাড়াতে পারবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি এ বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার মুখে পড়বেন। দ্বিতীয়বার বা বারবার এ অপরাধ করলে দ্বিগুণ হারে শাস্তি পেতে হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.