
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে ময়মনসিংহে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২২ বছর ময়মনসিংহের মাটিকে পা রাখলেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ঢাকার গুলশান থেকে সড়কপথে রওনা হয়ে তিনি দুপুরে ময়মনসিংহ শহরে পৌঁছান। এদিন দুপুর ১২টা থেকে সমাবেশস্থলের মাইকে সমাবেশের জানান দেন আয়োজককারীরা। সভা সঞ্চালনায় রয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে দক্ষিণ জেলার বিএনপির সদ্যস্যসচিব রোকনুজ্জামান রোকন সরকারসহ অনেক নেতাদের উপস্থিতি দেখা যায়। এ ছাড়া সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগের বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
আয়োজিত সমাবেশকে প্রাণবন্ত করতে নেতাকর্মীরা হাতে দলীয় পতাকা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেন। এ সময় দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়েও সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেছেন সমর্থকরা।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আজকের সমাবেশকে সাফল্যমণ্ডিত করতে ময়মনসিংহ বিভাগ ও বিভিন্ন থানা থেকে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল ও তাঁতী দলের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা হাজির হবেন।
এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং জেলার বাইরে থেকে তাদের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেছেন। আশা করছি, আজকের সমাবেশ স্মরণকালের স্মরণীয় সমাবেশ হবে। সমাবেশের সভাপতিত্ব করবেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার বিএপির আহ্বায়ক জকির হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে ময়মনসিংহে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২২ বছর ময়মনসিংহের মাটিকে পা রাখলেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ঢাকার গুলশান থেকে সড়কপথে রওনা হয়ে তিনি দুপুরে ময়মনসিংহ শহরে পৌঁছান। এদিন দুপুর ১২টা থেকে সমাবেশস্থলের মাইকে সমাবেশের জানান দেন আয়োজককারীরা। সভা সঞ্চালনায় রয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে দক্ষিণ জেলার বিএনপির সদ্যস্যসচিব রোকনুজ্জামান রোকন সরকারসহ অনেক নেতাদের উপস্থিতি দেখা যায়। এ ছাড়া সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগের বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
আয়োজিত সমাবেশকে প্রাণবন্ত করতে নেতাকর্মীরা হাতে দলীয় পতাকা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেন। এ সময় দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়েও সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেছেন সমর্থকরা।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আজকের সমাবেশকে সাফল্যমণ্ডিত করতে ময়মনসিংহ বিভাগ ও বিভিন্ন থানা থেকে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল ও তাঁতী দলের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা হাজির হবেন।
এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং জেলার বাইরে থেকে তাদের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেছেন। আশা করছি, আজকের সমাবেশ স্মরণকালের স্মরণীয় সমাবেশ হবে। সমাবেশের সভাপতিত্ব করবেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার বিএপির আহ্বায়ক জকির হোসেন।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১১
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৩
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৮
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নির্বাচনী পথসভায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কেঁদেকেটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ভোট চাওয়ার ঘটনায় যুবদল নেতা নূর-ই-আজমকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গতকাল সোমবার ঢাকায় গিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তিনি শোকজের জবাবও দিয়েছেন। পরে রাতে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নূর-ই-আজম নিজেই আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। নূর-ই-আজম সখীপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতা-কর্মী সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের খুইংগারচালা এলাকায় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের নির্বাচনী পথসভা ছিল।
ওই পথসভায় নূর-ই-আজম বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক ‘বাবা’ উল্লেখ করে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ভোট চেয়ে কান্নাকাটির ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর এমনভাবে আবেগ প্রকাশকে ‘অভিনয়’ বলে মন্তব্য করেন।
জানতে চাইলে নূর-ই-আজম বলেন, ‘শোকজ এবং ভিডিওতে করা মন্তব্যগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নামে ১১টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। কয়েকবার জেল খেটেছি। ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম, সভাপতি ছিলাম।
আমি অভিনয় করে কোনো বক্তব্য দিইনি। যা বলেছি, সব মন থেকেই বলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওর মন্তব্যগুলো প্রতিপক্ষরা ভুয়া আইডি দিয়ে করেছে। তারপরও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি।’
সখীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নূর-ই-আজমের বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। মূলত প্রতিপক্ষের লোকজন ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিওতে অধিকহারে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসার কারণে সম্ভবত তাঁকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নূর-ই-আজম নিজের ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নির্বাচনী পথসভায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কেঁদেকেটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ভোট চাওয়ার ঘটনায় যুবদল নেতা নূর-ই-আজমকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গতকাল সোমবার ঢাকায় গিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তিনি শোকজের জবাবও দিয়েছেন। পরে রাতে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নূর-ই-আজম নিজেই আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। নূর-ই-আজম সখীপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতা-কর্মী সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের খুইংগারচালা এলাকায় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের নির্বাচনী পথসভা ছিল।
ওই পথসভায় নূর-ই-আজম বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক ‘বাবা’ উল্লেখ করে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ভোট চেয়ে কান্নাকাটির ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর এমনভাবে আবেগ প্রকাশকে ‘অভিনয়’ বলে মন্তব্য করেন।
জানতে চাইলে নূর-ই-আজম বলেন, ‘শোকজ এবং ভিডিওতে করা মন্তব্যগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নামে ১১টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। কয়েকবার জেল খেটেছি। ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম, সভাপতি ছিলাম।
আমি অভিনয় করে কোনো বক্তব্য দিইনি। যা বলেছি, সব মন থেকেই বলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওর মন্তব্যগুলো প্রতিপক্ষরা ভুয়া আইডি দিয়ে করেছে। তারপরও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি।’
সখীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নূর-ই-আজমের বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। মূলত প্রতিপক্ষের লোকজন ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিওতে অধিকহারে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসার কারণে সম্ভবত তাঁকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নূর-ই-আজম নিজের ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে৷ আহতরা হলেন- ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকাদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছেনের ছেলে হিমেল।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ধানের শীষের মিছিল করছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসছিল। এ মিছিল ক্রসিংয়ের সময় হঠাৎ করেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি ও কিলঘুসি ছাড়াও মারপিটে জড়ান। এতে উভয় দলের ১০-১২ জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলছেন, ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। কিন্তু মিছিল শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তাদের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শিমুল তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে ছয়জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তবে ভর্তি হওয়া একজনের অবস্থা গুরুতর।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে৷ আহতরা হলেন- ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকাদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছেনের ছেলে হিমেল।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ধানের শীষের মিছিল করছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসছিল। এ মিছিল ক্রসিংয়ের সময় হঠাৎ করেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি ও কিলঘুসি ছাড়াও মারপিটে জড়ান। এতে উভয় দলের ১০-১২ জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলছেন, ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। কিন্তু মিছিল শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তাদের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শিমুল তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে ছয়জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তবে ভর্তি হওয়া একজনের অবস্থা গুরুতর।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১২
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) মূল গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, রাত ১০টার দিকে দুই মোটরসাইকেলে করে ৪ জন দুর্বৃত্ত বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করে। এরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত শহরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেল বিস্ফোরণের খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীবসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সরোয়ার হোসেন (ডিএসবি) বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করে হাতে তৈরি ককটেল নিক্ষেপকারী দুষ্কৃতকারীদের শনাক্তকরণ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) মূল গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, রাত ১০টার দিকে দুই মোটরসাইকেলে করে ৪ জন দুর্বৃত্ত বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করে। এরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত শহরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেল বিস্ফোরণের খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীবসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সরোয়ার হোসেন (ডিএসবি) বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করে হাতে তৈরি ককটেল নিক্ষেপকারী দুষ্কৃতকারীদের শনাক্তকরণ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.