
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৫
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় সরকারি রাস্তা সংস্কারের বরাদ্দের ইট ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের নিজ বাড়ির রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (২৯ মার্চ) জিয়ানগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার এ নোটিশ জারি করেন। নোটিশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-গম) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কালাইয়া গ্রামের রুস্তম মল্লিকের বাড়ি থেকে মামুন হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটির কাজসহ ইটসোলিং করে পুনর্নির্মাণের জন্য তিন মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকার বেশি।
তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত রাস্তায় কাজ না করে ওই প্রকল্পের ইট ব্যবহার করে ইউপি সদস্য মিজান হাওলাদারের নিজ বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা ইটসোলিং করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মামুন হাওলাদার স্থানীয় ওই ইউপি সদস্যের আপন ভাই এবং তারা একই বাড়িতে বসবাস করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রুস্তম মল্লিক, রুবেলসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ‘তাদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে এলাকার অনেক মানুষ চলাচল করলেও রাস্তা সরু হওয়ায় ভ্যান বা রিকশা চলাচল করতে পারে না।’ তারা অভিযোগ করেন, সরকারি বরাদ্দের কাজ না করে ইউপি সদস্য নিজের বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করেছেন। যদিও ইউপি সদস্য দাবি করেছেন, তিনি ব্যক্তিগত অর্থে ইট কিনে রাস্তা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সরকারি রাস্তার বরাদ্দের ইট দিয়ে বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করা যায় কি না, তা আমার জানা নেই। বরাদ্দের কাগজপত্রে ভুলও থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত জানাব।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিন তদন্তে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ কারণে ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতি মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসন সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় সরকারি রাস্তা সংস্কারের বরাদ্দের ইট ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের নিজ বাড়ির রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রোববার (২৯ মার্চ) জিয়ানগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার এ নোটিশ জারি করেন। নোটিশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-গম) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কালাইয়া গ্রামের রুস্তম মল্লিকের বাড়ি থেকে মামুন হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটির কাজসহ ইটসোলিং করে পুনর্নির্মাণের জন্য তিন মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকার বেশি।
তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত রাস্তায় কাজ না করে ওই প্রকল্পের ইট ব্যবহার করে ইউপি সদস্য মিজান হাওলাদারের নিজ বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা ইটসোলিং করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মামুন হাওলাদার স্থানীয় ওই ইউপি সদস্যের আপন ভাই এবং তারা একই বাড়িতে বসবাস করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রুস্তম মল্লিক, রুবেলসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, ‘তাদের বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে এলাকার অনেক মানুষ চলাচল করলেও রাস্তা সরু হওয়ায় ভ্যান বা রিকশা চলাচল করতে পারে না।’ তারা অভিযোগ করেন, সরকারি বরাদ্দের কাজ না করে ইউপি সদস্য নিজের বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করেছেন। যদিও ইউপি সদস্য দাবি করেছেন, তিনি ব্যক্তিগত অর্থে ইট কিনে রাস্তা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মিজান হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সরকারি রাস্তার বরাদ্দের ইট দিয়ে বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করা যায় কি না, তা আমার জানা নেই। বরাদ্দের কাগজপত্রে ভুলও থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করে বিস্তারিত জানাব।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিন তদন্তে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ কারণে ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতি মিজান হাওলাদারের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রশাসন সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৮
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
পিরোজপুরের কাউখালী দক্ষিণ বাজার এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মোঃ নুরুনবির ছেলে ও কাউখালী সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাওহীদ (১৪) বিষপানের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাওহীদ কিছুদিন ধরে তার মা-বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে সে আবারও মোবাইল ফোনের কথা বললে তার মা তাকে বুঝিয়ে বলেন, উপযুক্ত বয়স হলে মোবাইল কিনে দেওয়া হবে। এ সময় তাকে কিছুটা বকাঝকা করা হলে অভিমানে তাওহীদ ঘরে থাকা চালের পোকা মারার বিষ পান করে।
বিষপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এলাকাবাসী জানান, তাওহীদ অত্যন্ত শান্তশিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের ছেলে ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত বাবা-মা সন্তানের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৭
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নে জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আয়োজিত সালিস শেষে ফেরার পথে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর দাউদপুর বাজারের তামিম শিকদারের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান হাওলাদার ও কেরামত আলী শিকদার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ নিয়ে একাধিকবার সালিস হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
আজ দুপুর ১২টায় কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলামের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সালিস অনুষ্ঠিত হয়। সালিস শেষে উভয় পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করলে দাউদপুর বাজার এলাকায় পৌঁছে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান হাওলাদার (৬৬), মোহাম্মদ আল আমিন হাওলাদার (৪৪), শহিদুল ইসলাম (৫৫) ও রাসেল হাওলাদার (৩৫) গুরুতর আহত হন।
রানেল হাওলাদার অভিযোগ করেন, সালিস শেষে তাঁর বাবা মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চাচা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার এবং দুই ভাই আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হওয়ার পর আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আল আমিন হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদারের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আহত ব্যক্তিদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আল আমিন হাওলাদারের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়। রাসেল হাওলাদারের মাথায় আটটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। মতিয়ার রহমান হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও রাসেল হাওলাদার এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান রানেল হাওলাদার।
অভিযোগ অস্বীকার করে কেরামত আলী শিকদার বলেন, ‘কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ নিজেরাই নিজেদের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’
ইউপি চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে সালিসটি আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু সালিস শেষে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০২
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮