বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৭
বরিশাল নগর ও আশপাশের ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ (সদর) আসন। শহর ও গ্রামীণ জনপদের সমন্বয়ে গঠিত এই আসনটি বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। ভৌগোলিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে সবচেয়ে বেশি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে ইসলামী সমমনা ১১ দলের জোটের প্রার্থী নির্ধারণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে। আসন ভাগাভাগিতে দুই দলই বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। তাই উভয়পক্ষের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মাঠে সক্রিয় আছেন।
এরই মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এবং ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। শেষ পর্যন্ত কে জোটের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেলাল মাঠে কিছুটা নীরব রয়েছেন। তবে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির ফয়জুল করীম তার অবস্থানে অনড়। তিনি বরিশাল সদর আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন না পেলে ইসলামী দলগুলোর বলয় থেকে বের হয়ে আসার কথা জানিয়েছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলার ২১টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৫ সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আসন। একে স্থানীয় রাজনৈতিক ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবেও ধরা হয়। এই আসনের ফলাফলের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
এদিকে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের বিপরীতে ১১-দলীয় জোটের যিনি চূড়ান্ত হবেন, তাকেই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তার সুফল বিএনপির ঘরে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত সপ্তাহে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘বরিশাল-৫ আসনটি আমাদের দলের আমির ও বড় ভাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের রাজনৈতিক ঘাঁটি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এই দুই আসনে আমরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ বলেন, ‘ফয়জুল করিম এর আগে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছিলেন।’
অন্যদিকে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় ভোটের বাস্তব চিত্র ভিন্ন ছিল। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণও ভিন্ন হবে।
বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, ‘গত ১৬ বছরে মহানগর ও সদর উপজেলায় জামায়াতের রুকন ও কর্মী সংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ এবং সহযোগী সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।’ এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হেলাল বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১