বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ (৫৫) নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে অপ রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে।
দুই বিএনপি কর্মীর তর্কাতর্কীর জেরে এই হত্যাকান্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মামলায় আসামী করা হয়েছে মসজিদের ইমামসহ কয়েকজন জামায়াতের নেতাকর্মীকে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ইব্রাহীম হাওলাদার বলেন, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় বিএনপি কর্মী দেলোয়ার হোসেন ঘরামীর সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক
আবদুল লতিফের। একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন ঘরামী কয়েকটি থাপ্পর মারেন আবদুল লতিফকে। এতে আবদুল লতিফ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এখানে শুরু থেকেই উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আল মামুন, ইসমাইল চৌকিদার, হিরু হাওলাদার ও মনির সহ আরো অনেকে। অথচ দায়েরকৃত মামলাটিতে প্রকৃত প্রত্যক্ষদর্শী এসব ব্যক্তিদেরকে স্বাক্ষী রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, আবদুল লতিফকে চরথাপ্পর মেরেছে দেলোয়ার। কোন সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা দেখিনি। ওখানে উপস্থিত অন্যান্যরা উভয়কে ছাড়িয়ে দিয়েছে। আমি নিজে আবদুল লতিফকে হাসপাতালে নিতে সাহায্য করেছি।
অথচ মামলায় আমাকেও আসামী করা হয়েছে। তাছাড়া জামায়াতের কয়েকজন নেতাকে আসামী করা হয়েছে যারা আদৌ সেদিন ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। এমনকি মসজিদের ইমাম সাহেবকেও আসামী করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, অভিযুক্ত দেলোয়ার একজন বিএনপি কর্মী। গত ৬ সেপ্টেম্বর বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তার ছিল সরব উপস্থিতি। সেই ছবি এখনো অনলাইন ও ফেসবুকে রয়েছে।
করফাকর বায়তুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জাহিদুল ইসলাম বলেন, আবদুল লতিফ ভাই আমার মসজিদের মুসল্লী ছিলেন। আসরের নামাজের পর মারামারির সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই।
কিন্তু ততক্ষণে লতিফ ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। অথচ আমাকেও এই মামলায় আসামী করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত আশ্চার্যম্বিত হয়েছি। তাছাড়া এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে রমরমা মামলা বাণিজ্য।
নিহতের পরিবারকে জিম্মি করে মামলায় নীরিহ জামায়াতের লোকদের আসামী করে এই বাণিজ্য করছে একটি মহল। এ ঘটনায় অসংখ্য নির্দোষ পুরুষ এখন বাড়িছাড়া ।
ঘটনার আরেক প্রত্যক্ষদর্শী আল মামুন বলেন, যেহেতু মামলা হয়েছে। তাই অযথা এই মুহুর্তে কোন কথা বলে বিপদে পড়তে চাইনা। কেননা এলাকায় অনেকেই এখন আতঙ্কে আছে।
সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোহাম্মদ ফেরদাউস বলেন, ঘটনার দিন আমি ছিলাম উজিরপুরে। সেখান থেকে আমি এলাকায় ফিরে মৃধাবাড়ি মসজিদে আসরের নামাজ পড়ি। এরপর শুনতে পাই করফাকর স্কুল প্রাঙ্গনে মারামারি হয়েছে।
আমি আদৌ ঘটনাস্থলেই যাইনি। অথচ আমি সহ জামায়াতের নায়েবে আমির হাফেজ নাজিমউদ্দিন ও যুব জামায়াতের নেতা জাহিদুল ইসলামকে আসামী করা হয়েছে। বিএনপি নেতারা আমাদেরকে আসামী করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এলাকায় দফায় দফায় মিছিল বের করে।
তিনি আরো বলেন, মামলায় বাদীপক্ষকে জবরদস্তি করে জামায়াতের লোকদেরকে আসামী দিয়েছে বিএনপি নেতারা। এতে একদিকে নিরীহ লোকজন হয়ারানি হচ্ছে।
অপরদিকে হত্যাকান্ডের ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া অভিযুক্ত দেলোয়ার একজন বিএনপি কর্মী। তাকে এখন জামায়াত সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা চলছে।
সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন জামায়াতের নায়েবে আমির হাফেজ নাজিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি ঘটার অনেক সময় পরে আমি খবর পেয়েছি। অথচ আমাকেও আসামী করা হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা এটিকে নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে। তারা নিহতের পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে নির্দোষ লোকগুলোকে আসামী দিয়েছে। জামায়াতের উপরে দায় চাপিয়ে তারা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা চালাচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্ত করলে সব বেরিয়ে আসবে।
মামলার বাদী ও নিহতের স্ত্রী পারভীনা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, আমি তিনজন আসামীর নাম দিয়েছি। এই তিনজনের মধ্যে জামায়াতের কারো নাম ছিলো না, অন্যান্য নাম অন্তর্ভূক্তির বিষয়ে পুলিশ ও বিএনপি নেতারা বলতে পারবেন।
আমি ন্যায় বিচার চাই। এ বিষয়ে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যেসব লোকদের আসামী করা হয়েছে তারা অনেকে ঘটনাস্থলে ছিল, অনেকে কাছাকাছি ছিল। কেননা আসামীরা সকলেই করফাকরের বাসিন্দা।
আমরা এটা নিয়ে রাজনীতি করার ইচ্ছা থাকলে তো পুরো উপজেলা জামায়াতের লোকজনকে আসামী দিতে পারতাম, তা তো দেইনি।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা বলেন, আমরা এটা নিয়ে কোন রাজনীতি করছিনা।
ভুক্তভোগী পরিবারকে সহযোগিতা করছি। কেননা আবদুল লতিফ ছিল দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা। হত্যাকারী দেলোয়ার বিএনপির কর্মী নয়, সে জামায়াতের সমর্থক বলে মন্তব্য করেন রিয়াজ মৃধা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আরাফাত হাসান বলেন, মামলাটি তদন্তনাধীন আছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বানারীপাড়া থানার ওসির দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শতদল মজুমদার বলেন, হ্যাকান্ডের পর ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দিয়েছে।
আসামী ও স্বাক্ষীদের নাম তারাই দিয়েছে। তবে কোন নির্দোষ ব্যক্তি আসামী হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই আমরা প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনবো।
প্রসঙ্গত, সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে হত্যাকান্ডের শিকার হন। রোবাবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিহতেরর স্ত্রী পারভীনা বেগম বাদী হয়ে তিন জামায়াত নেতাসহ ৯ জনকে সুনির্দিষ্ট ও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামী তুহিনকে ভোলা শহর থেকে র ্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪২
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ (৫৫) নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে অপ রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে।
দুই বিএনপি কর্মীর তর্কাতর্কীর জেরে এই হত্যাকান্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মামলায় আসামী করা হয়েছে মসজিদের ইমামসহ কয়েকজন জামায়াতের নেতাকর্মীকে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ইব্রাহীম হাওলাদার বলেন, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় বিএনপি কর্মী দেলোয়ার হোসেন ঘরামীর সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক
আবদুল লতিফের। একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন ঘরামী কয়েকটি থাপ্পর মারেন আবদুল লতিফকে। এতে আবদুল লতিফ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এখানে শুরু থেকেই উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় আল মামুন, ইসমাইল চৌকিদার, হিরু হাওলাদার ও মনির সহ আরো অনেকে। অথচ দায়েরকৃত মামলাটিতে প্রকৃত প্রত্যক্ষদর্শী এসব ব্যক্তিদেরকে স্বাক্ষী রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, আবদুল লতিফকে চরথাপ্পর মেরেছে দেলোয়ার। কোন সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা দেখিনি। ওখানে উপস্থিত অন্যান্যরা উভয়কে ছাড়িয়ে দিয়েছে। আমি নিজে আবদুল লতিফকে হাসপাতালে নিতে সাহায্য করেছি।
অথচ মামলায় আমাকেও আসামী করা হয়েছে। তাছাড়া জামায়াতের কয়েকজন নেতাকে আসামী করা হয়েছে যারা আদৌ সেদিন ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। এমনকি মসজিদের ইমাম সাহেবকেও আসামী করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, অভিযুক্ত দেলোয়ার একজন বিএনপি কর্মী। গত ৬ সেপ্টেম্বর বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তার ছিল সরব উপস্থিতি। সেই ছবি এখনো অনলাইন ও ফেসবুকে রয়েছে।
করফাকর বায়তুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জাহিদুল ইসলাম বলেন, আবদুল লতিফ ভাই আমার মসজিদের মুসল্লী ছিলেন। আসরের নামাজের পর মারামারির সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই।
কিন্তু ততক্ষণে লতিফ ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। অথচ আমাকেও এই মামলায় আসামী করা হয়েছে। আমি অত্যন্ত আশ্চার্যম্বিত হয়েছি। তাছাড়া এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে রমরমা মামলা বাণিজ্য।
নিহতের পরিবারকে জিম্মি করে মামলায় নীরিহ জামায়াতের লোকদের আসামী করে এই বাণিজ্য করছে একটি মহল। এ ঘটনায় অসংখ্য নির্দোষ পুরুষ এখন বাড়িছাড়া ।
ঘটনার আরেক প্রত্যক্ষদর্শী আল মামুন বলেন, যেহেতু মামলা হয়েছে। তাই অযথা এই মুহুর্তে কোন কথা বলে বিপদে পড়তে চাইনা। কেননা এলাকায় অনেকেই এখন আতঙ্কে আছে।
সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোহাম্মদ ফেরদাউস বলেন, ঘটনার দিন আমি ছিলাম উজিরপুরে। সেখান থেকে আমি এলাকায় ফিরে মৃধাবাড়ি মসজিদে আসরের নামাজ পড়ি। এরপর শুনতে পাই করফাকর স্কুল প্রাঙ্গনে মারামারি হয়েছে।
আমি আদৌ ঘটনাস্থলেই যাইনি। অথচ আমি সহ জামায়াতের নায়েবে আমির হাফেজ নাজিমউদ্দিন ও যুব জামায়াতের নেতা জাহিদুল ইসলামকে আসামী করা হয়েছে। বিএনপি নেতারা আমাদেরকে আসামী করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এলাকায় দফায় দফায় মিছিল বের করে।
তিনি আরো বলেন, মামলায় বাদীপক্ষকে জবরদস্তি করে জামায়াতের লোকদেরকে আসামী দিয়েছে বিএনপি নেতারা। এতে একদিকে নিরীহ লোকজন হয়ারানি হচ্ছে।
অপরদিকে হত্যাকান্ডের ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া অভিযুক্ত দেলোয়ার একজন বিএনপি কর্মী। তাকে এখন জামায়াত সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা চলছে।
সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন জামায়াতের নায়েবে আমির হাফেজ নাজিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি ঘটার অনেক সময় পরে আমি খবর পেয়েছি। অথচ আমাকেও আসামী করা হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা এটিকে নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে। তারা নিহতের পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে নির্দোষ লোকগুলোকে আসামী দিয়েছে। জামায়াতের উপরে দায় চাপিয়ে তারা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা চালাচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্ত করলে সব বেরিয়ে আসবে।
মামলার বাদী ও নিহতের স্ত্রী পারভীনা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, আমি তিনজন আসামীর নাম দিয়েছি। এই তিনজনের মধ্যে জামায়াতের কারো নাম ছিলো না, অন্যান্য নাম অন্তর্ভূক্তির বিষয়ে পুলিশ ও বিএনপি নেতারা বলতে পারবেন।
আমি ন্যায় বিচার চাই। এ বিষয়ে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যেসব লোকদের আসামী করা হয়েছে তারা অনেকে ঘটনাস্থলে ছিল, অনেকে কাছাকাছি ছিল। কেননা আসামীরা সকলেই করফাকরের বাসিন্দা।
আমরা এটা নিয়ে রাজনীতি করার ইচ্ছা থাকলে তো পুরো উপজেলা জামায়াতের লোকজনকে আসামী দিতে পারতাম, তা তো দেইনি।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা বলেন, আমরা এটা নিয়ে কোন রাজনীতি করছিনা।
ভুক্তভোগী পরিবারকে সহযোগিতা করছি। কেননা আবদুল লতিফ ছিল দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা। হত্যাকারী দেলোয়ার বিএনপির কর্মী নয়, সে জামায়াতের সমর্থক বলে মন্তব্য করেন রিয়াজ মৃধা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আরাফাত হাসান বলেন, মামলাটি তদন্তনাধীন আছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বানারীপাড়া থানার ওসির দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শতদল মজুমদার বলেন, হ্যাকান্ডের পর ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দিয়েছে।
আসামী ও স্বাক্ষীদের নাম তারাই দিয়েছে। তবে কোন নির্দোষ ব্যক্তি আসামী হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই আমরা প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনবো।
প্রসঙ্গত, সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে হত্যাকান্ডের শিকার হন। রোবাবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিহতেরর স্ত্রী পারভীনা বেগম বাদী হয়ে তিন জামায়াত নেতাসহ ৯ জনকে সুনির্দিষ্ট ও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামী তুহিনকে ভোলা শহর থেকে র ্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪