
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৯
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এ পরিচালক পদে এখনো বহাল রয়েছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক চিফ রেভিনিউ অফিসার (সিআরও) এবিএম এহসানুল মামুন (উপসচিব)। তার বিরুদ্ধে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে দায়িত্ব পালনকালে শত শত কোটি টাকা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ওই সময় সিটি করপোরেশনে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের নামে বড় অঙ্কের আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক সূত্রের দাবি, বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হোল্ডিং ট্যাক্সের পে-অর্ডার সংগ্রহ করে তা প্রিমিয়ার ব্যাংক কোনাবাড়ী শাখায় খোলা একটি হিসাবে জমা দেওয়া হতো। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংক হিসাবে সিটি করপোরেশনের নাম ব্যবহার করা হলেও এসব অর্থ পরে নগদায়ন ও আত্মসাৎ করা হয়। হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফের আশ্বাস দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বরখাস্ত হওয়ার পর আসাদুর রহমান কিরণ ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিলে এবিএম এহসানুল মামুন আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা। ওই সময় তাঁর পছন্দের বাইরে কোনো ঠিকাদার কাজ পেত না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রমতে, টেন্ডার বাণিজ্য ও কর ফাঁকির মাধ্যমে তিনি অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। তাঁর নামে ও বেনামে ঢাকার ধানমন্ডিতে বাড়ি, নিকেতনে ফ্ল্যাট, বসুন্ধরায় একাধিক প্লটসহ বিভিন্ন স্থানে বিপুল সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা দেখিয়ে প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের দাবি করে বিভিন্ন মহলে আধিপত্য বিস্তার করছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এবিএম এহসানুল মামুনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
দুর্নীতির এসব অভিযোগ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব আজ প্রকাশিত হলো। পরবর্তী পর্বে আরও তথ্য ও নথিপত্র প্রকাশ করা হবে।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এ পরিচালক পদে এখনো বহাল রয়েছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক চিফ রেভিনিউ অফিসার (সিআরও) এবিএম এহসানুল মামুন (উপসচিব)। তার বিরুদ্ধে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে দায়িত্ব পালনকালে শত শত কোটি টাকা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। ওই সময় সিটি করপোরেশনে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের নামে বড় অঙ্কের আর্থিক অনিয়ম ও জালিয়াতি সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
একাধিক সূত্রের দাবি, বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হোল্ডিং ট্যাক্সের পে-অর্ডার সংগ্রহ করে তা প্রিমিয়ার ব্যাংক কোনাবাড়ী শাখায় খোলা একটি হিসাবে জমা দেওয়া হতো। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংক হিসাবে সিটি করপোরেশনের নাম ব্যবহার করা হলেও এসব অর্থ পরে নগদায়ন ও আত্মসাৎ করা হয়। হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফের আশ্বাস দিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বরখাস্ত হওয়ার পর আসাদুর রহমান কিরণ ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিলে এবিএম এহসানুল মামুন আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা। ওই সময় তাঁর পছন্দের বাইরে কোনো ঠিকাদার কাজ পেত না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রমতে, টেন্ডার বাণিজ্য ও কর ফাঁকির মাধ্যমে তিনি অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। তাঁর নামে ও বেনামে ঢাকার ধানমন্ডিতে বাড়ি, নিকেতনে ফ্ল্যাট, বসুন্ধরায় একাধিক প্লটসহ বিভিন্ন স্থানে বিপুল সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা দেখিয়ে প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের দাবি করে বিভিন্ন মহলে আধিপত্য বিস্তার করছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এবিএম এহসানুল মামুনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
দুর্নীতির এসব অভিযোগ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব আজ প্রকাশিত হলো। পরবর্তী পর্বে আরও তথ্য ও নথিপত্র প্রকাশ করা হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.