
১০ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:১৮
‘আমার স্বামীর একটা বাড়ি ছিলো সেটি নদীতে চলে গেছে অনেক আগেই পরে একটু দূরে আরেকটা বাড়ি করছিলো আমার ছেলেরা সেটিও ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে , এছাড়া আমাদের যে শেষ সম্বল ছিলো সব সুগন্ধা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
এমনকি আমার স্বামীর যে কবর ছিল তাও নদীতে। বর্তমানে আমারা অন্যের জমিতে কোনোরকম একটু ঘর উঠিয়ে থাকি। আমাদের কেউ কোনো খোঁজ-খবর নেননি। আমরা খুবই অসহায় হয়ে পড়েছি।’—কথাগুলো বলেছেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামের নদীর তীরের বাসিন্দা মাকসুদা বেগম (৭০)।
একই এলাকার রশিদ মোল্লা (৫০) বলেন,প্রায় ৫০ বছর ধরে নদী ভাঙন চলতে আছে এখন পর্যন্ত ভাঙন রোধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।শতশত পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতঘর, গাছপালা, পানের বরজ থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি।
সুগন্ধা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও জনপদ। নদীপারের ১০ গ্রামে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা শত শত পরিবার। দফায় দফায় বাড়ি ছেড়েও রক্ষা মিলছে না। বর্ষা মৌসুম এলেই শঙ্কায় দিন কাটে নদীপারের মানুষের।
এলাকাবাসী জানায়, সুগন্ধা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার তাদের মাথা গোঁজার শেষ সম্বল ভিটেমাটি হারিয়েছে। একসময়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো নদীর ভয়াল গ্রাসে সব হারিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। জেলার তিমিরকাঠি, দরিরচর, খোজাখালী, মল্লিকপুর, সিকদারপাড়া, বহরমপুর, ষাটপাকিয়া, কাঠিপাড়া, অনুরাগসহ ১০টিরও বেশি গ্রামের বড় অংশ নদীর পেটে গেছে। এর মধ্যে খোজাখালী, দরিরচর, তিমিরকাঠি, সিকদারপাড়া গ্রামের সবচেয়ে বেশি অংশ বিলীন হয়েছে নদীতে।
হেপী বেগম (৩৮) বলেন, নদী ভাঙতে ভাঙতে এখন ঘরের সঙ্গে এসেছে। এখন আমরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। আমাদের ছেলে-মেয়ে নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। কোথায় যাবো কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।
মগড় ইউনিয়নের কাঠিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ইউসুফ হাওলাদার (৭০) বলেন, আমাদের এখানে প্রায় ২০-৩০টা বসতবাড়ি ছিল, সব নদীতে এখন ২-৩টা পরিবার আমরা এখানে আছি। তাও বিলীনের পথে আমরা কিছুই চাইনা আমাদের নদী ভাঙ্গনটা রোধ করে দিলেই হবে।
কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামের বাসিন্দা জামাল ফকির বলেন, আমার বাপ-দাদার বাড়ি সুগন্ধা নদীর মাঝখানে। এখন কিছু অর্থ জমিয়ে নতুন বাড়ি করেছি। আমাদের এখানে এতবছর ধরে ভাঙন, তা রোধ করতে কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
অবসরপ্রাপ্ত তহসিলদার হাজী আব্দুল হক তালুকদার বলেন, যে জায়গাটায় আমি অনেক বসতঘর দেখেছি, সেখান থেকে এখন লঞ্চ চলাচল করে। নদী এখন আমার বাড়ির কাছাকাছি চলে আসছে। আমি হয়তো ভবিষ্যতে নিজ ভিটায় থাকতে পারবো না।
সরই গ্রামের ইউপি সদস্য বেল্লাল হোসেন মোল্লা বলেন, ভাঙনকূলে থাকা আমার অনেক স্বজনরা তাদের বাপ-দাদার বাড়ির চিহ্নটুকু রাখতে পারেনি। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করেছি। কিন্তু হচ্ছে-হবে বলে আজ পর্যন্ত ভাঙন রোধে কোনো সুরাহা পাইনি।
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটির ভাঙন এলাকা আমাদের একটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। অন্যান্য ভাঙন স্থানে প্রাথমিক জরিপ সম্পাদনা করা হয়েছে। প্রকল্প কার্যক্রম অনুমোদন পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারব।
‘আমার স্বামীর একটা বাড়ি ছিলো সেটি নদীতে চলে গেছে অনেক আগেই পরে একটু দূরে আরেকটা বাড়ি করছিলো আমার ছেলেরা সেটিও ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে , এছাড়া আমাদের যে শেষ সম্বল ছিলো সব সুগন্ধা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
এমনকি আমার স্বামীর যে কবর ছিল তাও নদীতে। বর্তমানে আমারা অন্যের জমিতে কোনোরকম একটু ঘর উঠিয়ে থাকি। আমাদের কেউ কোনো খোঁজ-খবর নেননি। আমরা খুবই অসহায় হয়ে পড়েছি।’—কথাগুলো বলেছেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামের নদীর তীরের বাসিন্দা মাকসুদা বেগম (৭০)।
একই এলাকার রশিদ মোল্লা (৫০) বলেন,প্রায় ৫০ বছর ধরে নদী ভাঙন চলতে আছে এখন পর্যন্ত ভাঙন রোধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।শতশত পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতঘর, গাছপালা, পানের বরজ থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি।
সুগন্ধা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও জনপদ। নদীপারের ১০ গ্রামে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা শত শত পরিবার। দফায় দফায় বাড়ি ছেড়েও রক্ষা মিলছে না। বর্ষা মৌসুম এলেই শঙ্কায় দিন কাটে নদীপারের মানুষের।
এলাকাবাসী জানায়, সুগন্ধা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার তাদের মাথা গোঁজার শেষ সম্বল ভিটেমাটি হারিয়েছে। একসময়ের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো নদীর ভয়াল গ্রাসে সব হারিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। জেলার তিমিরকাঠি, দরিরচর, খোজাখালী, মল্লিকপুর, সিকদারপাড়া, বহরমপুর, ষাটপাকিয়া, কাঠিপাড়া, অনুরাগসহ ১০টিরও বেশি গ্রামের বড় অংশ নদীর পেটে গেছে। এর মধ্যে খোজাখালী, দরিরচর, তিমিরকাঠি, সিকদারপাড়া গ্রামের সবচেয়ে বেশি অংশ বিলীন হয়েছে নদীতে।
হেপী বেগম (৩৮) বলেন, নদী ভাঙতে ভাঙতে এখন ঘরের সঙ্গে এসেছে। এখন আমরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে আছি। আমাদের ছেলে-মেয়ে নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। কোথায় যাবো কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।
মগড় ইউনিয়নের কাঠিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ইউসুফ হাওলাদার (৭০) বলেন, আমাদের এখানে প্রায় ২০-৩০টা বসতবাড়ি ছিল, সব নদীতে এখন ২-৩টা পরিবার আমরা এখানে আছি। তাও বিলীনের পথে আমরা কিছুই চাইনা আমাদের নদী ভাঙ্গনটা রোধ করে দিলেই হবে।
কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামের বাসিন্দা জামাল ফকির বলেন, আমার বাপ-দাদার বাড়ি সুগন্ধা নদীর মাঝখানে। এখন কিছু অর্থ জমিয়ে নতুন বাড়ি করেছি। আমাদের এখানে এতবছর ধরে ভাঙন, তা রোধ করতে কেউ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
অবসরপ্রাপ্ত তহসিলদার হাজী আব্দুল হক তালুকদার বলেন, যে জায়গাটায় আমি অনেক বসতঘর দেখেছি, সেখান থেকে এখন লঞ্চ চলাচল করে। নদী এখন আমার বাড়ির কাছাকাছি চলে আসছে। আমি হয়তো ভবিষ্যতে নিজ ভিটায় থাকতে পারবো না।
সরই গ্রামের ইউপি সদস্য বেল্লাল হোসেন মোল্লা বলেন, ভাঙনকূলে থাকা আমার অনেক স্বজনরা তাদের বাপ-দাদার বাড়ির চিহ্নটুকু রাখতে পারেনি। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করেছি। কিন্তু হচ্ছে-হবে বলে আজ পর্যন্ত ভাঙন রোধে কোনো সুরাহা পাইনি।
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ঝালকাঠি ও নলছিটির ভাঙন এলাকা আমাদের একটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। অন্যান্য ভাঙন স্থানে প্রাথমিক জরিপ সম্পাদনা করা হয়েছে। প্রকল্প কার্যক্রম অনুমোদন পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারব।
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯

০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে গিয়ে বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। তবে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নলছিটি উপজেলার পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেট্রো-১১-০০৭৩ নম্বরের নাহিদ সুপার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে পূর্ব রায়পুর বটতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় দুই বাসের মাঝখানে একটি আলফা (থ্রি-হুইলার) চলে আসে। সেটিকে বাঁচাতে গিয়ে বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার সময় বাসটির সুপারভাইজার বাসের নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত সুপারভাইজারের পরিচয় জানা যায়নি।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাসটি উদ্ধার করে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কের জেরে এক যুবকের নাকের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ( ৩ জুলাই) বিকেলে কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবকের নাম হাসিবুল ইসলাম (২০)।তিনি বারইকরন গ্রামের ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের ছেলে।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ফুটবল খেলা নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে পাশের সরই গ্রামের আক্কেল আলী মোল্লার নাতি শুভ হোসেন তাঁকে ঘুষি মারেন। এতে হাসিবুল ইসলামের নাকে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাঁকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।চিকিৎসক জানান, তাঁর নাকের হাড় ভেঙে গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, আক্কেল আলী মোল্লার মেয়ের জামাই প্রবাসে থাকায় পরিবারটি আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছে। তাঁদের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া অভিযুক্ত শুভর বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে মাদকসেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান জানান, বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। আগে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.