
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৬
নির্বাচনি প্রচারণাকালে মানহানি, অশালীন আচরণ ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তিনি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ সময় কয়েকজন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করে একই অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত অভিযোগে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে তার এলাকায় গুরুতর অনিয়ম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ জানুয়ারি আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুরে খালেদা জিয়ার মিলাদ মাহফিলে এক বক্তব্যে তাকে উদ্দেশ করে মানহানিকর ও অশালীন মন্তব্য করা হয়। সেখানে তাকে অন্য এক প্রার্থীর সঙ্গে তুলনা করে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, যা তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ করে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
অভিযোগপত্রে রুমিন ফারহানা বলেন, একটি বড় রাজনৈতিক জোট সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নিয়মিতভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই বিলাসবহুল প্যান্ডেল ও মঞ্চ নির্মাণ করে সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে এবং তাকে প্রকাশ্যে নোংরা ও ন্যাক্কারজনক ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ের নির্বাচনি কর্মকর্তারা এসব আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। অথচ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে এবং তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দু’দফায় ১০ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাকে টিস্যু পেপার বলা হয়েছে, মমতাজ বেগম ও নর্তকী বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। আমি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি, আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আমি ছোট একটি টেবিল নিয়ে কর্মসূচি করলেও জরিমানা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, এভাবে যদি ভোট চুরি না হয়, তাহলে আমি জনগণের ভোটেই জয়ী হবো।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনি প্রচারণাকালে মানহানি, অশালীন আচরণ ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তিনি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেন। এ সময় কয়েকজন নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করে একই অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত অভিযোগে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে তার এলাকায় গুরুতর অনিয়ম ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ জানুয়ারি আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুরে খালেদা জিয়ার মিলাদ মাহফিলে এক বক্তব্যে তাকে উদ্দেশ করে মানহানিকর ও অশালীন মন্তব্য করা হয়। সেখানে তাকে অন্য এক প্রার্থীর সঙ্গে তুলনা করে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, যা তার নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে উদ্দেশ করে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
অভিযোগপত্রে রুমিন ফারহানা বলেন, একটি বড় রাজনৈতিক জোট সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নিয়মিতভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর আগেই বিলাসবহুল প্যান্ডেল ও মঞ্চ নির্মাণ করে সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে এবং তাকে প্রকাশ্যে নোংরা ও ন্যাক্কারজনক ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ের নির্বাচনি কর্মকর্তারা এসব আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। অথচ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে এবং তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দু’দফায় ১০ হাজার ও ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাকে টিস্যু পেপার বলা হয়েছে, মমতাজ বেগম ও নর্তকী বলেও কটূক্তি করা হয়েছে। আমি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছি, আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আমি ছোট একটি টেবিল নিয়ে কর্মসূচি করলেও জরিমানা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, এভাবে যদি ভোট চুরি না হয়, তাহলে আমি জনগণের ভোটেই জয়ী হবো।
বরিশাল টাইমস

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭