Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪০
জামালপুরের মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ে নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের দাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- দাগী এলাকার মৃত গনি মণ্ডলের স্ত্রী খুকি বেগম (৬৫) এবং তার দুই মেয়ে ফরিদা আক্তার (৪০) ও ফতে আক্তার (৩৭)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে নিহতরা একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় হঠাৎ ঘরের পাশে থাকা একটি বড় মেহগনি গাছ তাদের বসতঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে বিছানায় শুয়ে থাকা খুকি বেগমসহ তার দুই মেয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গাছের নিচ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হচ্ছে।
জামালপুরের মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ে নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের দাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- দাগী এলাকার মৃত গনি মণ্ডলের স্ত্রী খুকি বেগম (৬৫) এবং তার দুই মেয়ে ফরিদা আক্তার (৪০) ও ফতে আক্তার (৩৭)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে নিহতরা একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় হঠাৎ ঘরের পাশে থাকা একটি বড় মেহগনি গাছ তাদের বসতঘরের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে বিছানায় শুয়ে থাকা খুকি বেগমসহ তার দুই মেয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। গাছের নিচ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হচ্ছে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৮
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিন ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১৭টি কক্ষে ৮৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা নেয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
কেন্দ্রটির সচিব ও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
রংপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান জানান, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতাধীন রংপুর গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রিডের একটি লাইন পুড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প হিসেবে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব আগে থেকে বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে জানানো হলে তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটের মতো বিকল্প ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
পঞ্চগড়ের বোদায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আটক হবিবর রহমান বোদা উপজেলার বেংহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, সকাল ৯টায় চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বোনকে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিতে গেলে প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমান তাকে দোতলায় গিয়ে শিশুদের পড়া দেখিয়ে দিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দোতলায় গিয়ে ওই ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে শিশুটি সেখান থেকে বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ক্ষুব্দ হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই শিক্ষককে মারধর করেন। পরে তাকে অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখার পর বিকেলে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে সবার কথা শোনেন।
এসময় অভিভাবকসহ স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে বহিষ্কার ও বিচার দাবি করেন। পরে জনসম্মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘এই শিক্ষক আগেও ছাত্রীদের সঙ্গে এমন করেছেন। আজ আমার মেয়েকে যৌন হয়রানি করেন। তাকে এমন শাস্তি দিন যাতে আর কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।’
বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অভিযোগের তাৎক্ষণিক সত্যতা পেয়েছি। তাকে বহিষ্কার ও অন্য শিক্ষকদেরও বদলির প্রক্রিয়া চলছে।’
বোদা থানার ওসি সোয়েল রানা বলেন, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে জনরোষ থেকে আমরা উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিন ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১৭টি কক্ষে ৮৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা নেয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
কেন্দ্রটির সচিব ও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
রংপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান জানান, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতাধীন রংপুর গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রিডের একটি লাইন পুড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প হিসেবে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব আগে থেকে বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে জানানো হলে তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটের মতো বিকল্প ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চগড়ের বোদায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আটক হবিবর রহমান বোদা উপজেলার বেংহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, সকাল ৯টায় চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বোনকে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিতে গেলে প্রধান শিক্ষক হবিবর রহমান তাকে দোতলায় গিয়ে শিশুদের পড়া দেখিয়ে দিতে বলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দোতলায় গিয়ে ওই ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে শিশুটি সেখান থেকে বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ক্ষুব্দ হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই শিক্ষককে মারধর করেন। পরে তাকে অফিস কক্ষে অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখার পর বিকেলে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছে সবার কথা শোনেন।
এসময় অভিভাবকসহ স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে বহিষ্কার ও বিচার দাবি করেন। পরে জনসম্মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘এই শিক্ষক আগেও ছাত্রীদের সঙ্গে এমন করেছেন। আজ আমার মেয়েকে যৌন হয়রানি করেন। তাকে এমন শাস্তি দিন যাতে আর কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।’
বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমরা অভিযোগের তাৎক্ষণিক সত্যতা পেয়েছি। তাকে বহিষ্কার ও অন্য শিক্ষকদেরও বদলির প্রক্রিয়া চলছে।’
বোদা থানার ওসি সোয়েল রানা বলেন, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে জনরোষ থেকে আমরা উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার হলে সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে আহত হওয়া পরীক্ষার্থীর খোঁজ নিতে দুপুরে তার বাসায় গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান।
এরআগে, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে ওই পরীক্ষার্থীর মাথা পড়ে কেটে রক্তাক্ত হয়।
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ দেওয়া হয়। আহত পরীক্ষার্থী মো. নিয়ামুল হাসান (১৭)। তার রোল নম্বর ১৯২২৬৭। তিনি জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে সরাসরি পরীক্ষার্থীর মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। এ ঘটনায় পরীক্ষার কক্ষে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
পরে দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান আহত নিয়ামুল হাসানের খোঁজ নিতে তার বাসায় যান এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় ইউএনও মো. কায়েসুর রহমান বলেন, পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহপাকের রহমতে আমাদের নিয়ামুল হাসান (১৭), এসএসসি পরীক্ষার্থী, দারুল ইসলাম মডেল একাডেমির শিক্ষার্থী, এখন সুস্থ আছে। মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ পাক তাকে রক্ষা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন তার পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থী নিয়ামুল ঘুম থেকে উঠে চা-নাস্তা করে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে এবং এই ছোট্ট দুর্ঘটনাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাবে—এটাই প্রত্যাশা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিয়ামুল বর্তমানে সুস্থ আছে এবং মানসিকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে। চিকিৎসা শেষে সে আবার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রের কিছু কক্ষে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ফ্যান থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা চলাকালে ফ্যান খুলে পড়ে এক পরীক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার হলে সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে আহত হওয়া পরীক্ষার্থীর খোঁজ নিতে দুপুরে তার বাসায় গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান।
এরআগে, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে ওই পরীক্ষার্থীর মাথা পড়ে কেটে রক্তাক্ত হয়।
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ দেওয়া হয়। আহত পরীক্ষার্থী মো. নিয়ামুল হাসান (১৭)। তার রোল নম্বর ১৯২২৬৭। তিনি জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে সরাসরি পরীক্ষার্থীর মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। এ ঘটনায় পরীক্ষার কক্ষে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
পরে দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান আহত নিয়ামুল হাসানের খোঁজ নিতে তার বাসায় যান এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় ইউএনও মো. কায়েসুর রহমান বলেন, পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহপাকের রহমতে আমাদের নিয়ামুল হাসান (১৭), এসএসসি পরীক্ষার্থী, দারুল ইসলাম মডেল একাডেমির শিক্ষার্থী, এখন সুস্থ আছে। মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ পাক তাকে রক্ষা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন তার পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থী নিয়ামুল ঘুম থেকে উঠে চা-নাস্তা করে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে এবং এই ছোট্ট দুর্ঘটনাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাবে—এটাই প্রত্যাশা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিয়ামুল বর্তমানে সুস্থ আছে এবং মানসিকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে। চিকিৎসা শেষে সে আবার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রের কিছু কক্ষে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ফ্যান থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা চলাকালে ফ্যান খুলে পড়ে এক পরীক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।