
১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:১০
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থা-বিআরটিসি’র একমাত্র বাস ডিপোটি সর্বাধীক লাভজনক ইউনিট হিসেবে পরিচালিত হলেও প্রয়োজনীয় ও ভালমানের বাসের অভাবে যাত্রী সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ অঞ্চলের সাধারন যাত্রীদের সরকারি যানবাহনে ভ্রমণের আগ্রহ থাকলেও ভালমানের বাসের অভাবে প্রতিনিয়ত তাদের হতাশ হতে হচ্ছে। গত অর্থ বছরে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোটি নিট ৪০ লাখ টাকা মুনাফা করলেও দীর্ঘদিনের পুরনো বাস নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগও অনেক। এমনকি প্রয়োজনীয় বাসের অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রুট চালু এবং বিদ্যমান রুটে ট্রিপ সংখ্যা বৃদ্ধি করাও সম্ভব হচ্ছে না। এরপরেও পুরনো বাসগুলো প্রতিনিয়ত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনের মাধ্যমে সংস্থাটি দক্ষিণে সাগরপাড়ের কুয়াকাটা থেকে উত্তরের রংপুর পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করছে।
সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির ৫২টি বাসের মধ্যে ৪টি বিকল ও চলাচলের অযোগ্য হয় আছে বহু আগেই। এরমধ্যে অগ্নিদগ্ধ একটি বাস নিলামে বিক্রীর প্রক্রিয়া চলছে। আরো ৩টি বাস মেরামতে রয়েছে। অবশিষ্ট ৪৮টি যাত্রীবাহী বাস সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী পরিবহন করছে। এ বাস ডিপোটির ৪৮টি চলমান বাস প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫টি ট্রিপে ১১ হাজার কিলোমিটার সড়ক পথে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। এরসাথে সংস্থার ৮টি দ্বিতল বাস সহ ১১টি বাস প্রতিদিন বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে।
তবে এ বাস ডিপোটির আয়ের একটি বড় অংশই চলে যাচ্ছে সেতু ও ফেরির টোল প্রদানে। এক হিসেবে জানা গেছে, সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটি থেকে প্রতিমাসে প্রায় ১৯ লাখ টাকা টোল প্রদান করতে হচ্ছে। এছাড়া জ¦ালানী ব্যায় বাবদও প্রায় ৯৫ লাখ টাকা ব্যায় হচ্ছে। অতি সম্প্রতি ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা বৃদ্ধির ফলে সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির পরিচালন ব্যায় বাড়ছে, কমবে মুনাফার পরিমানও। ফলে রাষ্ট্রীয় এ বাস ডিপোটিও নতুন করে অর্থনৈতিক ঝুঁকির কবলে পড়েছে।
তবে সরকার নির্ধারিত কিলোমিটার প্রতি ২.১২ টাকা ও বাতানুকুল বাসে ২.৭২ টাকা দরেই যাত্রী পরিবহন করেও বরিশাল বাস ডিপোটি মাসে এখন নিট ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা মুনাফা করছে। যা রাষ্ট্রীয় এ সড়ক পরিবহন সংস্থাটির যেকোন বাস ডিপোর মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে। তবে বরিশাল বাস ডিপোটির যাত্রীসেবা উন্নয়নে নতুন এসি/নন এসি বাস প্রয়োজন হলেও সেধরনের পদক্ষেপ এখনো অনুপস্থিত। ২০০২ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরে বরিশাল মহানগরীতেই প্রথম দ্বিতল বাস সার্ভিস চালু করা হলেও ১/১১ সরকারের সময় বরিশাল মহানগরীর গণ পরিবহন থেকে ২টি দোতালা বাস প্রত্যাহার করা হয়। অথচ গণ পরিবহনে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দায় আছে বলে মনে করেন নগরবাসী।
পাশাপাশি সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বরিশাল-খুলনা-যশোর-বেনাপোল বাতানুকুল বাস সার্ভিসটি পুনর্বহাল সহ বরিশাল-খুলনা রুটে আরো অধিক সংখ্যক বাস চালু করারও দাবী রয়েছে সাধারন যাত্রীদের। স্বাধীনতার পরে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নুরুল ইসলাম মঞ্জুর-এর প্রচেষ্টায় সর্বপ্রথম বরিশালে বিআরটিসির বাস ডিপোটি চালু হয় ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারী। সেদিন বরিশাল বেলসপার্কে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বরিশাল-ফরিদপুর-গোয়ালন্দঘাট এবং বরিশালÑফরিদপুর রুটে বাস সার্ভিস চালুর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিপোটির উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তিকালে বরিশালÑমাদারীপুর রুটেও বাস সার্ভিস চালু করে সংস্থাটি। ১৯৮১ সালে বরিশালÑপটুয়াখালী মহাসড়ক চালু হলে সংস্থাটি এরুটে মিনিবাস সার্ভিসও চালু করেছিল।
কিন্তু এরশাদের সামরিক সরকার রাষ্ট্রীয় ব্যায় সংকোচন ও কথিত লোকসান প্রতিহত করার নামে ১৯৮২ সালের শেষ দিকে বিআরটিসি’র বরিশাল ডিপোটি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তিকালে ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মতিউর রহমানের প্রচেষ্টায় পুনরায় সংস্থাটির বরিশাল ডিপোটি চালু হলেও প্রযোজনীয় বাসের অভাবে তা চলছিল অনেকটা খুড়িয়ে। এমনকি ১৯৮৯ সালে এ ডিপোটির অবস্থা এতটাই করুন হয়ে পড়ে যে, শুধুমাত্র টায়ারের অভাবে কোন বাস রাস্তায় নামতে পারছিলো না। বিষয়টি নিয়ে তখন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পরে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে পুনরায় এ ডিপোটি কিছুটা প্রাণ ফিরে পায়। তবে ১৯৯২ সাল থেকে দেশব্যাপী বিআরটিসি সংস্কারের অংশ হিসেব বরিশাল ডিপোটিও নতুনভাবে সচল করা হয়। সেই থেকে এর নবযাত্রা শুরু। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি বিআরটিসি’র বরিশাল বাস ডিপোটিকে।
তবে এখন এ ডিপোটির প্রায় সব যাত্রীবাহী বাসই দীর্ঘদিনের পুরনো। অনেক গাড়ীই মেরামত অযোগ্য হয়ে পড়ছে। পুরনো এসব বাসে ভ্রমনে যাত্রীদের অনেক দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে। এমনকি অনেক বাস সুপারভাইজার ও চালক কর্তৃপক্ষের দেয়া রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নামে দূরপাল্লার গাড়ীতে স্থানীয় পর্যায়ের যাত্রী পরিবহন করায় মূল যাত্রীরা চরমভাবে নাকাল হয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লোকাল যাত্রী পরিবহন নিয়ে বিভিন্ন রুটে বেসরকারী বাসমালিকÑশ্রমিকদের সাথে বিবাদও ঘটছে প্রায়শই। তবে এসব কিছুর সাথে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বাস ডিপোটিতে অবিলম্বে নতুন ও ভালমানের যাত্রীবাহী বাস প্রদানের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সাধারন যাত্রীরা। এসব বিষয়ে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোর ম্যানেজার অপারেশন এর এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থা-বিআরটিসি’র একমাত্র বাস ডিপোটি সর্বাধীক লাভজনক ইউনিট হিসেবে পরিচালিত হলেও প্রয়োজনীয় ও ভালমানের বাসের অভাবে যাত্রী সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এ অঞ্চলের সাধারন যাত্রীদের সরকারি যানবাহনে ভ্রমণের আগ্রহ থাকলেও ভালমানের বাসের অভাবে প্রতিনিয়ত তাদের হতাশ হতে হচ্ছে। গত অর্থ বছরে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোটি নিট ৪০ লাখ টাকা মুনাফা করলেও দীর্ঘদিনের পুরনো বাস নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগও অনেক। এমনকি প্রয়োজনীয় বাসের অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রুট চালু এবং বিদ্যমান রুটে ট্রিপ সংখ্যা বৃদ্ধি করাও সম্ভব হচ্ছে না। এরপরেও পুরনো বাসগুলো প্রতিনিয়ত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনের মাধ্যমে সংস্থাটি দক্ষিণে সাগরপাড়ের কুয়াকাটা থেকে উত্তরের রংপুর পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করছে।
সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির ৫২টি বাসের মধ্যে ৪টি বিকল ও চলাচলের অযোগ্য হয় আছে বহু আগেই। এরমধ্যে অগ্নিদগ্ধ একটি বাস নিলামে বিক্রীর প্রক্রিয়া চলছে। আরো ৩টি বাস মেরামতে রয়েছে। অবশিষ্ট ৪৮টি যাত্রীবাহী বাস সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী পরিবহন করছে। এ বাস ডিপোটির ৪৮টি চলমান বাস প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫টি ট্রিপে ১১ হাজার কিলোমিটার সড়ক পথে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। এরসাথে সংস্থার ৮টি দ্বিতল বাস সহ ১১টি বাস প্রতিদিন বরিশাল বিশ^বিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে।
তবে এ বাস ডিপোটির আয়ের একটি বড় অংশই চলে যাচ্ছে সেতু ও ফেরির টোল প্রদানে। এক হিসেবে জানা গেছে, সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটি থেকে প্রতিমাসে প্রায় ১৯ লাখ টাকা টোল প্রদান করতে হচ্ছে। এছাড়া জ¦ালানী ব্যায় বাবদও প্রায় ৯৫ লাখ টাকা ব্যায় হচ্ছে। অতি সম্প্রতি ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা বৃদ্ধির ফলে সংস্থাটির বরিশাল বাস ডিপোটির পরিচালন ব্যায় বাড়ছে, কমবে মুনাফার পরিমানও। ফলে রাষ্ট্রীয় এ বাস ডিপোটিও নতুন করে অর্থনৈতিক ঝুঁকির কবলে পড়েছে।
তবে সরকার নির্ধারিত কিলোমিটার প্রতি ২.১২ টাকা ও বাতানুকুল বাসে ২.৭২ টাকা দরেই যাত্রী পরিবহন করেও বরিশাল বাস ডিপোটি মাসে এখন নিট ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা মুনাফা করছে। যা রাষ্ট্রীয় এ সড়ক পরিবহন সংস্থাটির যেকোন বাস ডিপোর মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানা গেছে। তবে বরিশাল বাস ডিপোটির যাত্রীসেবা উন্নয়নে নতুন এসি/নন এসি বাস প্রয়োজন হলেও সেধরনের পদক্ষেপ এখনো অনুপস্থিত। ২০০২ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পরে বরিশাল মহানগরীতেই প্রথম দ্বিতল বাস সার্ভিস চালু করা হলেও ১/১১ সরকারের সময় বরিশাল মহানগরীর গণ পরিবহন থেকে ২টি দোতালা বাস প্রত্যাহার করা হয়। অথচ গণ পরিবহনে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দায় আছে বলে মনে করেন নগরবাসী।
পাশাপাশি সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বরিশাল-খুলনা-যশোর-বেনাপোল বাতানুকুল বাস সার্ভিসটি পুনর্বহাল সহ বরিশাল-খুলনা রুটে আরো অধিক সংখ্যক বাস চালু করারও দাবী রয়েছে সাধারন যাত্রীদের। স্বাধীনতার পরে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী নুরুল ইসলাম মঞ্জুর-এর প্রচেষ্টায় সর্বপ্রথম বরিশালে বিআরটিসির বাস ডিপোটি চালু হয় ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারী। সেদিন বরিশাল বেলসপার্কে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বরিশাল-ফরিদপুর-গোয়ালন্দঘাট এবং বরিশালÑফরিদপুর রুটে বাস সার্ভিস চালুর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিপোটির উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তিকালে বরিশালÑমাদারীপুর রুটেও বাস সার্ভিস চালু করে সংস্থাটি। ১৯৮১ সালে বরিশালÑপটুয়াখালী মহাসড়ক চালু হলে সংস্থাটি এরুটে মিনিবাস সার্ভিসও চালু করেছিল।
কিন্তু এরশাদের সামরিক সরকার রাষ্ট্রীয় ব্যায় সংকোচন ও কথিত লোকসান প্রতিহত করার নামে ১৯৮২ সালের শেষ দিকে বিআরটিসি’র বরিশাল ডিপোটি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তিকালে ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মতিউর রহমানের প্রচেষ্টায় পুনরায় সংস্থাটির বরিশাল ডিপোটি চালু হলেও প্রযোজনীয় বাসের অভাবে তা চলছিল অনেকটা খুড়িয়ে। এমনকি ১৯৮৯ সালে এ ডিপোটির অবস্থা এতটাই করুন হয়ে পড়ে যে, শুধুমাত্র টায়ারের অভাবে কোন বাস রাস্তায় নামতে পারছিলো না। বিষয়টি নিয়ে তখন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পরে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে পুনরায় এ ডিপোটি কিছুটা প্রাণ ফিরে পায়। তবে ১৯৯২ সাল থেকে দেশব্যাপী বিআরটিসি সংস্কারের অংশ হিসেব বরিশাল ডিপোটিও নতুনভাবে সচল করা হয়। সেই থেকে এর নবযাত্রা শুরু। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি বিআরটিসি’র বরিশাল বাস ডিপোটিকে।
তবে এখন এ ডিপোটির প্রায় সব যাত্রীবাহী বাসই দীর্ঘদিনের পুরনো। অনেক গাড়ীই মেরামত অযোগ্য হয়ে পড়ছে। পুরনো এসব বাসে ভ্রমনে যাত্রীদের অনেক দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে। এমনকি অনেক বাস সুপারভাইজার ও চালক কর্তৃপক্ষের দেয়া রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নামে দূরপাল্লার গাড়ীতে স্থানীয় পর্যায়ের যাত্রী পরিবহন করায় মূল যাত্রীরা চরমভাবে নাকাল হয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লোকাল যাত্রী পরিবহন নিয়ে বিভিন্ন রুটে বেসরকারী বাসমালিকÑশ্রমিকদের সাথে বিবাদও ঘটছে প্রায়শই। তবে এসব কিছুর সাথে রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন সংস্থাটির দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বাস ডিপোটিতে অবিলম্বে নতুন ও ভালমানের যাত্রীবাহী বাস প্রদানের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সাধারন যাত্রীরা। এসব বিষয়ে বিআরটিসির বরিশাল বাস ডিপোর ম্যানেজার অপারেশন এর এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.