
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫২
বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত মোট ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ফিতনা আল-খারিজ ও ফিতনা আল-হিন্দুস্তান নামের ভারতীয় প্রক্সি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব সন্ত্রাসীকে ২৯ জানুয়ারি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যা করা হয়। প্রথমে হরনাই জেলার উপকণ্ঠে ফিতনা আল-খারিজ-এর উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় কার্যকর আঘাত হানে এবং তীব্র গোলাগুলির পর ৩০ ভারত-সমর্থিত খারিজিকে হত্যা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঞ্জগুর জেলায় পৃথক আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয় এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তান-এর ১১ ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
অস্ত্র ও গোলাবারুদের পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির লুট করা অর্থও নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, এসব সন্ত্রাসী অতীতে বহু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এই দুই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আজম-ই-ইস্তেহকাম ভিশনের অধীনে নিরবচ্ছিন্ন বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে। আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান প্রদেশ এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে মোট ৭৫ হাজার ১৭৫টি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৪ হাজার ৬৫৮টি, বেলুচিস্তানে ৫৮ হাজার ৭৭৮টি এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় ১ হাজার ৭৩৯টি অভিযান পরিচালিত হয়।
তিনি আরও জানান, গত বছর দেশে মোট ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮১১টি খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ১ হাজার ৫৫৭টি বেলুচিস্তানে এবং অন্যান্য এলাকায় ২৯টি ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি অভিযানে ভারত-সমর্থিত মোট ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ফিতনা আল-খারিজ ও ফিতনা আল-হিন্দুস্তান নামের ভারতীয় প্রক্সি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব সন্ত্রাসীকে ২৯ জানুয়ারি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হত্যা করা হয়। প্রথমে হরনাই জেলার উপকণ্ঠে ফিতনা আল-খারিজ-এর উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় কার্যকর আঘাত হানে এবং তীব্র গোলাগুলির পর ৩০ ভারত-সমর্থিত খারিজিকে হত্যা করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এরপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পাঞ্জগুর জেলায় পৃথক আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয় এবং ফিতনা আল-হিন্দুস্তান-এর ১১ ভারত-সমর্থিত সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
অস্ত্র ও গোলাবারুদের পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে সংঘটিত ব্যাংক ডাকাতির লুট করা অর্থও নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, এসব সন্ত্রাসী অতীতে বহু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এই দুই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আজম-ই-ইস্তেহকাম ভিশনের অধীনে নিরবচ্ছিন্ন বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে। আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বেলুচিস্তান প্রদেশ এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে মোট ৭৫ হাজার ১৭৫টি গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ১৪ হাজার ৬৫৮টি, বেলুচিস্তানে ৫৮ হাজার ৭৭৮টি এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় ১ হাজার ৭৩৯টি অভিযান পরিচালিত হয়।
তিনি আরও জানান, গত বছর দেশে মোট ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮১১টি খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ১ হাজার ৫৫৭টি বেলুচিস্তানে এবং অন্যান্য এলাকায় ২৯টি ঘটনা ঘটেছে। এসব অভিযানে মোট ২ হাজার ৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
নিউইয়র্কের নবাগত মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার শহরে এলে তাকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারেন তিনি।
এই বিষয়ে এখনও আলোচনা চলমান। এ মন্তব্যের পর নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকেও দ্রুত প্রতিক্রিয়া এসেছে। খবর আলজাজিরার।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রকাশিত দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেয়র মামদানি বলেন, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন একজন যুদ্ধাপরাধী যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে। ফলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তার বিচার হওয়া উচিত এবং তাকে দ্য হেগের আদালতে দাঁড় করানো উচিত।
নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে পা রাখলে তাকে গ্রেফতার করা হবে কি না-এমন এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র তার আইনি সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
মামদানি বলেন, আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্থান হেগে। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত একজন যুদ্ধাপরাধী। গত কয়েক বছরে তার কর্মকাণ্ডের কারণে অনেকেই এই মত পোষণ করেন।
তিনি জানান, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ সরাসরি তার প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত হলেও, নেতানিয়াহুর মতো একজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে গ্রেফতার করার আইনি এখতিয়ার সিটির মেয়রের রয়েছে কি না, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে বিষয়টি তারা হালকাভাবে নিচ্ছেন না।
এই মুহূর্তে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখতে সিটির আইন বিভাগের সঙ্গে তিনি নিবিড় ও সক্রিয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি।
মামদানির এমন মন্তব্যের পর ইসরাইলের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, মেয়র হিসাবে নিজের দায়িত্ব এবং শহরে ক্রমবর্ধমান ইহুদি-বিদ্বেষের মোকাবিলার দিকে নজর না দিয়ে, তিনি ইসরাইল রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ চালিয়ে শত্রুতা উসকে দিতে এবং শিরোনাম হতে চেয়েছেন।
ড্যানন আরও বলেন, এতে কোনো কিছুই পরিবর্তন হবে না। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে আসবেন, গর্বের সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন এবং ইসরাইলের সত্য ও নাগরিকদের রক্ষা করার অবিচল অধিকারের কথা বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। আর যদি কাউকে গ্রেফতার করতেই হয়, তবে তা নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে করা উচিত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নিউইয়র্কের একটি রেডিও অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু মামদানির বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, গোপনে তিনি আমেরিকাকে ঘৃণা করেন।
নিউইয়র্কের নবাগত মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) যোগ দিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার শহরে এলে তাকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারেন তিনি।
এই বিষয়ে এখনও আলোচনা চলমান। এ মন্তব্যের পর নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকেও দ্রুত প্রতিক্রিয়া এসেছে। খবর আলজাজিরার।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রকাশিত দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেয়র মামদানি বলেন, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন একজন যুদ্ধাপরাধী যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে। ফলে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তার বিচার হওয়া উচিত এবং তাকে দ্য হেগের আদালতে দাঁড় করানো উচিত।
নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে পা রাখলে তাকে গ্রেফতার করা হবে কি না-এমন এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র তার আইনি সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
মামদানি বলেন, আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্থান হেগে। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত একজন যুদ্ধাপরাধী। গত কয়েক বছরে তার কর্মকাণ্ডের কারণে অনেকেই এই মত পোষণ করেন।
তিনি জানান, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ সরাসরি তার প্রশাসনের অধীনে পরিচালিত হলেও, নেতানিয়াহুর মতো একজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে গ্রেফতার করার আইনি এখতিয়ার সিটির মেয়রের রয়েছে কি না, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে বিষয়টি তারা হালকাভাবে নিচ্ছেন না।
এই মুহূর্তে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখতে সিটির আইন বিভাগের সঙ্গে তিনি নিবিড় ও সক্রিয় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি।
মামদানির এমন মন্তব্যের পর ইসরাইলের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, মেয়র হিসাবে নিজের দায়িত্ব এবং শহরে ক্রমবর্ধমান ইহুদি-বিদ্বেষের মোকাবিলার দিকে নজর না দিয়ে, তিনি ইসরাইল রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ চালিয়ে শত্রুতা উসকে দিতে এবং শিরোনাম হতে চেয়েছেন।
ড্যানন আরও বলেন, এতে কোনো কিছুই পরিবর্তন হবে না। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে আসবেন, গর্বের সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন এবং ইসরাইলের সত্য ও নাগরিকদের রক্ষা করার অবিচল অধিকারের কথা বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। আর যদি কাউকে গ্রেফতার করতেই হয়, তবে তা নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে করা উচিত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নিউইয়র্কের একটি রেডিও অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু মামদানির বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, গোপনে তিনি আমেরিকাকে ঘৃণা করেন।

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৫১
ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ১৪ জন কথিত ‘গো-রক্ষককে’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর তীব্র সাম্প্রদায়িক আক্রমণ ও হত্যার হুমকির শিকার হয়েছেন মুসলিম নারী বিচারক তাবাসসুম খান। বিচারকের রায়ের আইনি পর্যালোচনার পরিবর্তে তার ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
গত ১২ জুন মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের একটি আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার চেষ্টা, দাঙ্গািএবং বেআইনিভাবে মানুষকে আটকে রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায়ে দেওয়া হয়।
২০২২ সালে মধ্যপ্রদেশের নর্মদাপুরম জেলায় একটি ট্রাকে গরু বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন নাজির আহমেদ নামে এক ট্রাকচালক। এ সময় লাঠি ও রড হাতে থাকা একদল স্বঘোষিত ‘গোরক্ষক’ তাকে আটকায়।
গরু পাচারের সন্দেহে ওই ব্যক্তিরা নাজির ও তার দুই সঙ্গীকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে আনে এবং তাদের ওপর নৃশংসভাবে হামলা চালায়। পরে নাজির তার আঘাতের কারণে মারা যান, কিন্তু তার সঙ্গীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে আদালতে তারা ঘটনাটি বর্ণনা করেন।
১২ জুন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘চরম বর্বর ও নৃশংস’ আখ্যা দিয়ে ১৪ জন অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।
রায় ঘোষণার পরই কট্টরপন্থি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেন এবং বিচারকের কুশপুত্তলিকা পোড়ান। পরবর্তীতে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বিচারককে উদ্দেশ্য করে চরম আপত্তিকর মন্তব্য, হত্যার হুমকি এবং ধর্ষণ ও সহিংসতার উসকানিমূলক ভিডিও ছড়ানো হয়।
বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এরই মধ্যে ঘৃণাসূচক মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা খর্ব করার এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশনের মতো শীর্ষ আইনি সংস্থাগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচারকের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
সূত্র: বিবিসি
ভারতের মধ্যপ্রদেশে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ১৪ জন কথিত ‘গো-রক্ষককে’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর তীব্র সাম্প্রদায়িক আক্রমণ ও হত্যার হুমকির শিকার হয়েছেন মুসলিম নারী বিচারক তাবাসসুম খান। বিচারকের রায়ের আইনি পর্যালোচনার পরিবর্তে তার ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
গত ১২ জুন মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের একটি আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার চেষ্টা, দাঙ্গািএবং বেআইনিভাবে মানুষকে আটকে রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায়ে দেওয়া হয়।
২০২২ সালে মধ্যপ্রদেশের নর্মদাপুরম জেলায় একটি ট্রাকে গরু বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন নাজির আহমেদ নামে এক ট্রাকচালক। এ সময় লাঠি ও রড হাতে থাকা একদল স্বঘোষিত ‘গোরক্ষক’ তাকে আটকায়।
গরু পাচারের সন্দেহে ওই ব্যক্তিরা নাজির ও তার দুই সঙ্গীকে গাড়ি থেকে টেনে বের করে আনে এবং তাদের ওপর নৃশংসভাবে হামলা চালায়। পরে নাজির তার আঘাতের কারণে মারা যান, কিন্তু তার সঙ্গীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে আদালতে তারা ঘটনাটি বর্ণনা করেন।
১২ জুন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘চরম বর্বর ও নৃশংস’ আখ্যা দিয়ে ১৪ জন অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।
রায় ঘোষণার পরই কট্টরপন্থি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেন এবং বিচারকের কুশপুত্তলিকা পোড়ান। পরবর্তীতে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বিচারককে উদ্দেশ্য করে চরম আপত্তিকর মন্তব্য, হত্যার হুমকি এবং ধর্ষণ ও সহিংসতার উসকানিমূলক ভিডিও ছড়ানো হয়।
বিচারকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এরই মধ্যে ঘৃণাসূচক মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা খর্ব করার এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ও সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশনের মতো শীর্ষ আইনি সংস্থাগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিচারকের পাশে দাঁড়িয়েছে।’
সূত্র: বিবিসি

১১ জুলাই, ২০২৬ ২০:০৬
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারী বর্ষণ ও প্রচণ্ড ঝোড়োহাওয়ার আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বাভি’। পরে এটি তাইওয়ানের দিকে অগ্রসর হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বন্যা ও ভূমিধসের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টাইফুনটি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান শহর ওয়েনঝো ও এর আশপাশের এলাকার দিকে ধেয়ে আসার আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) ১৮ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের অংশ ইশিগাকি দ্বীপে ঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ উড়ে যেতে দেখা গেছে। ঝোড়ো বাতাস ও ভারী বৃষ্টির মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি যানবাহন ছাড়া রাস্তাঘাট ছিল প্রায় জনশূন্য।
টাইফুনের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। ঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ইশিগাকি দ্বীপে শনিবার সারাদিন সব ধরনের ফ্লাইট ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন বিমান সংস্থা ৩৪৫টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। ওকিনাওয়া অঞ্চলে ২৪ হাজারের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
এদিকে টাইফুন বাভির প্রভাবে তাইওয়ানের পার্বত্য এলাকা থেকে ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির সরকার। ঝড়টি সরাসরি তাইওয়ানে আঘাত না হানলেও কয়েকটি এলাকায় প্রায় এক মিটার (প্রায় তিন ফুট) বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার তাইওয়ানের বেশির ভাগ শহর ও কাউন্টিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ৯২০টি আন্তর্জাতিক এবং ২৮০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। উত্তর-দক্ষিণ হাই-স্পিড রেল চলাচল চালু থাকলেও সেবার পরিধি কমিয়ে আনা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার ভোরে টাইফুন বাভি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়েনঝোতে আঘাত হানতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক কোটি জনসংখ্যার এই শহরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।'
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারী বর্ষণ ও প্রচণ্ড ঝোড়োহাওয়ার আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বাভি’। পরে এটি তাইওয়ানের দিকে অগ্রসর হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বন্যা ও ভূমিধসের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টাইফুনটি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান শহর ওয়েনঝো ও এর আশপাশের এলাকার দিকে ধেয়ে আসার আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) ১৮ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের অংশ ইশিগাকি দ্বীপে ঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ উড়ে যেতে দেখা গেছে। ঝোড়ো বাতাস ও ভারী বৃষ্টির মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি যানবাহন ছাড়া রাস্তাঘাট ছিল প্রায় জনশূন্য।
টাইফুনের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। ঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ইশিগাকি দ্বীপে শনিবার সারাদিন সব ধরনের ফ্লাইট ও ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন বিমান সংস্থা ৩৪৫টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। ওকিনাওয়া অঞ্চলে ২৪ হাজারের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
এদিকে টাইফুন বাভির প্রভাবে তাইওয়ানের পার্বত্য এলাকা থেকে ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে দেশটির সরকার। ঝড়টি সরাসরি তাইওয়ানে আঘাত না হানলেও কয়েকটি এলাকায় প্রায় এক মিটার (প্রায় তিন ফুট) বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার তাইওয়ানের বেশির ভাগ শহর ও কাউন্টিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ৯২০টি আন্তর্জাতিক এবং ২৮০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। উত্তর-দক্ষিণ হাই-স্পিড রেল চলাচল চালু থাকলেও সেবার পরিধি কমিয়ে আনা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল রোববার ভোরে টাইফুন বাভি চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ওয়েনঝোতে আঘাত হানতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক কোটি জনসংখ্যার এই শহরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।'
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১