
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫০
নীলফামারীতে তিস্তা সেচ ক্যানেলের দিনাজপুর খালের বাঁধ ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়া নামক স্থানে দিনাজপুর ক্যানেলের ডানপাড়ে বাঁধ ভেঙে এ বিপর্যয় ঘটে।
এতে ক্যানেলের অন্তত ২০ ফিট পাড় বিধ্বস্ত হয়। ফাটলের কারণে ক্যানেলের পাশ্ববর্তী শতাধিক একর জমির সরিষা, বোরো বীজতলা, ভুট্টা, আলু এবং রবি শস্য পানিতে তলিয়ে যায়।
ওই ক্যানেলের সংলগ্ন কৃষক আব্দুর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমের তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে ১৫ জানুয়ারি থেকে পানি প্রদান শুরু হয়। কৃষকরা বোরো আবাদ ও বিভিন্ন ফসলের সেচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় ক্যানেলের ডান তীর ভেঙে তার জমিসহ পাশ্ববর্তী শতাধিক একর জমি পানিতে তলিয়ে যায়।
সিংদই গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, খবর পেয়ে দ্রুত বাড়ি থেকে এলাম, দেখি আমার ১০ বিঘা জমির ফসল পানির নিচে ডুবে রয়েছে। এ ছাড়া এনজিও থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পাঁচ বিঘা জমি লাগানো আলু খেতেও ক্ষতি হয়েছে।
একই গ্রামের কৃষক রজব আলী জানান, ঘটনার পর নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর নামমাত্র সংস্কার করে ক্যানেল রাখে। এর কারণে পাড় ভেঙে গেছে।
শরিফ ইসলাম, শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জানান, এর আগে ২০১৫ ও ২০২৪ সালে একই ক্যানেলের বাঁধ বিধ্বস্ত হয়েছিল, যা তাদের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়েছিল।
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা নীলফামারী-পঞ্চপুকুর সড়ক অবরোধ করে ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান যখন ঘটনাস্থলে যান, তখন কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্থানে ইঁদুরের গর্তের সৃষ্টি ছিল। সেচের জন্য পানি ছাড়ার সময় ওই গর্তের কারণে ক্যানেলের পাড় ২০ ফিট বিধ্বস্ত হয়েছে।
যেহেতু বোরো আবাদ শুরু হয়েছে, ‘আমরা দ্রুত মেরামত করে সেচ কার্যক্রম পুনরায় চালু করব। তবে দিনাজপুর ক্যানেলে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রংপুর ও বগুড়া ক্যানেলে সেচ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প থেকে চলতি জরিপ-১ মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) লক্ষ্য অনুযায়ী মোট ৫৭ হাজার হ্যাক্টর জমিতে সেচ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
এর মধ্যে নীলফামারী জেলার ৩৭,৩০০ হ্যাক্টর, রংপুর জেলার ১২,৫০০ হ্যাক্টর এবং দিনাজপুর জেলার ৭,২০০ হ্যাক্টর জমি সেচ পাবেন। চলতি মৌসুমে টানা পাঁচ মাস বোরো ও রবি মৌসুমের জন্য কৃষকরা তিস্তার সেচ পান।
ছবি: সংগৃহীত
নীলফামারীতে তিস্তা সেচ ক্যানেলের দিনাজপুর খালের বাঁধ ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়ে তলিয়ে গেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়া নামক স্থানে দিনাজপুর ক্যানেলের ডানপাড়ে বাঁধ ভেঙে এ বিপর্যয় ঘটে।
এতে ক্যানেলের অন্তত ২০ ফিট পাড় বিধ্বস্ত হয়। ফাটলের কারণে ক্যানেলের পাশ্ববর্তী শতাধিক একর জমির সরিষা, বোরো বীজতলা, ভুট্টা, আলু এবং রবি শস্য পানিতে তলিয়ে যায়।
ওই ক্যানেলের সংলগ্ন কৃষক আব্দুর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমের তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে ১৫ জানুয়ারি থেকে পানি প্রদান শুরু হয়। কৃষকরা বোরো আবাদ ও বিভিন্ন ফসলের সেচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় ক্যানেলের ডান তীর ভেঙে তার জমিসহ পাশ্ববর্তী শতাধিক একর জমি পানিতে তলিয়ে যায়।
সিংদই গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, খবর পেয়ে দ্রুত বাড়ি থেকে এলাম, দেখি আমার ১০ বিঘা জমির ফসল পানির নিচে ডুবে রয়েছে। এ ছাড়া এনজিও থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পাঁচ বিঘা জমি লাগানো আলু খেতেও ক্ষতি হয়েছে।
একই গ্রামের কৃষক রজব আলী জানান, ঘটনার পর নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর নামমাত্র সংস্কার করে ক্যানেল রাখে। এর কারণে পাড় ভেঙে গেছে।
শরিফ ইসলাম, শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জানান, এর আগে ২০১৫ ও ২০২৪ সালে একই ক্যানেলের বাঁধ বিধ্বস্ত হয়েছিল, যা তাদের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়েছিল।
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা নীলফামারী-পঞ্চপুকুর সড়ক অবরোধ করে ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান যখন ঘটনাস্থলে যান, তখন কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্থানে ইঁদুরের গর্তের সৃষ্টি ছিল। সেচের জন্য পানি ছাড়ার সময় ওই গর্তের কারণে ক্যানেলের পাড় ২০ ফিট বিধ্বস্ত হয়েছে।
যেহেতু বোরো আবাদ শুরু হয়েছে, ‘আমরা দ্রুত মেরামত করে সেচ কার্যক্রম পুনরায় চালু করব। তবে দিনাজপুর ক্যানেলে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রংপুর ও বগুড়া ক্যানেলে সেচ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’
উল্লেখ্য, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প থেকে চলতি জরিপ-১ মৌসুমে সেচ কার্যক্রম ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) লক্ষ্য অনুযায়ী মোট ৫৭ হাজার হ্যাক্টর জমিতে সেচ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
এর মধ্যে নীলফামারী জেলার ৩৭,৩০০ হ্যাক্টর, রংপুর জেলার ১২,৫০০ হ্যাক্টর এবং দিনাজপুর জেলার ৭,২০০ হ্যাক্টর জমি সেচ পাবেন। চলতি মৌসুমে টানা পাঁচ মাস বোরো ও রবি মৌসুমের জন্য কৃষকরা তিস্তার সেচ পান।
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.