
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪১
পাবনা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কে এম আনোয়ারুল ইসলামের নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা ও তার ছেলেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে চাটমোহর উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের ফৈলজানা বাজারে ঘটনাটি ঘটে। মারধরে আহত কে এম মনোয়ারুল ইসলাম শাফিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কে এম মনোয়ারুল ইসলাম শাফি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শনিবার বিকেলে ফৈলজানা বাজার এলাকায় ঘোড়া প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করছিলেন। এসময় এলাকার ইউপি সদস্য লোকমান হোসেন ও যুবদল নেতা মামুনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন ব্যক্তি তাদের প্রচার ও লিফলেট বিতরণে বাধা দেন।
তারা প্রচারে বাধা দিয়ে বলেন, ধানের শীষ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোনো প্রচার চলবে না। এক পর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছেলেকে মারধরে করে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন অভিযুক্তরা। পরে শরৎগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আব্দুল খালেক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান ও পরিস্থিতি শান্ত করেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী কে এম আনোয়ারুল ইসলামের পক্ষে তার আরেক ছেলে কাফি বলেন, এর আগেও আমরা নির্বাচন করেছি, কিন্তু এমন হয়নি। সরাসরি প্রার্থীর ছেলের গায়ে আঘাতের মতো এরকম ঘটনা দেখিনি। এখন ভাবুন আমাদের কর্মী-সমর্থকদের কী অবস্থা? আজ থানায় মামলা হবে। এছাড়া নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য লোকমান হোসেন বলেন, শনিবার বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছেলে আমাদের এলাকায় এসে বিএনপির স্থানীয় প্রার্থী দাবি করে প্রচার চালাতে থাকেন।
এসময় এলাকার কিছু বিএনপির কর্মী-সমর্থক তাদের এমন কথা বলে প্রচার চালাতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটির সময় সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছু হয়নি।
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারওয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। তবে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, মৌখিকভাবে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। লিখিত পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পাবনা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কে এম আনোয়ারুল ইসলামের নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা ও তার ছেলেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে চাটমোহর উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের ফৈলজানা বাজারে ঘটনাটি ঘটে। মারধরে আহত কে এম মনোয়ারুল ইসলাম শাফিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কে এম মনোয়ারুল ইসলাম শাফি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শনিবার বিকেলে ফৈলজানা বাজার এলাকায় ঘোড়া প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করছিলেন। এসময় এলাকার ইউপি সদস্য লোকমান হোসেন ও যুবদল নেতা মামুনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন ব্যক্তি তাদের প্রচার ও লিফলেট বিতরণে বাধা দেন।
তারা প্রচারে বাধা দিয়ে বলেন, ধানের শীষ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোনো প্রচার চলবে না। এক পর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছেলেকে মারধরে করে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন অভিযুক্তরা। পরে শরৎগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আব্দুল খালেক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান ও পরিস্থিতি শান্ত করেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী কে এম আনোয়ারুল ইসলামের পক্ষে তার আরেক ছেলে কাফি বলেন, এর আগেও আমরা নির্বাচন করেছি, কিন্তু এমন হয়নি। সরাসরি প্রার্থীর ছেলের গায়ে আঘাতের মতো এরকম ঘটনা দেখিনি। এখন ভাবুন আমাদের কর্মী-সমর্থকদের কী অবস্থা? আজ থানায় মামলা হবে। এছাড়া নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য লোকমান হোসেন বলেন, শনিবার বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছেলে আমাদের এলাকায় এসে বিএনপির স্থানীয় প্রার্থী দাবি করে প্রচার চালাতে থাকেন।
এসময় এলাকার কিছু বিএনপির কর্মী-সমর্থক তাদের এমন কথা বলে প্রচার চালাতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটির সময় সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এছাড়া তেমন কিছু হয়নি।
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারওয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। তবে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, মৌখিকভাবে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। লিখিত পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:২১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪২
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৩
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:১৯

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:২১
স্ত্রী বাবার বাড়িতে গেলে প্রেমিকা পলিপল্লি মৌনিকার সঙ্গে বাসায় সময় কাটাতেন চিন্তাদা রবীন্দ্র নামে এক যুবক। কিন্তু এবার সেই সাক্ষাৎ মৌনিকারের জন্য হয়ে ওঠে মৃত্যুর ফাঁদ।
দুজনের মধ্যে ঝগড়া বাধে, যা শেষ হয় মৌনিকাকে হত্যা করে তার দেহ টুকরো করার মাধ্যমে। রোববার (২৯ মার্চ) ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এই ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানায়, তারা প্রায়ই বিশাখাপত্তনমের বিভিন্ন জায়গায় যেমন পার্ক ও সিনেমা হলে দেখা করতেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েক সপ্তাহ আগে রবীন্দ্রর স্ত্রী ভিজিয়ানাগরমে তার বাবার বাড়িতে যান।
সুযোগ বুঝে রোববার দুপুরে মৌনিকাকে বাসায় ডাকেন রবীন্দ। সন্ধ্যার দিকে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয় এবং অভিযোগ অনুযায়ী রবীন্দ্র শ্বাসরোধ করে মৌনিকাকে হত্যা করেন। এরপর তিনি অনলাইন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি ছুরি কিনে দেহ টুকরো করেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি মাথা, হাত-পা শরীর থেকে আলাদা করেন। পা ও কোমরের অংশ একটি ট্রলি ব্যাগে ভরে রাখেন, শরীরের মূল অংশ ফ্রিজে রাখেন এবং মাথা ও হাত অন্য একটি স্থানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। এরপর রবীন্দ্র নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং অপরাধ স্বীকার করেন।
অভিযুক্ত দাবি করেছেন, সম্পর্ক চলাকালে মৌনিকা তার কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ রুপি নিয়েছিলেন এবং প্রায়ই তাদের সম্পর্ক স্ত্রীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এই কারণেই তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হতো।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালে অন্য একজনকে বিয়ে করার পর থেকেই মৌনিকারের হুমকি ও চাপের কারণে বিরক্ত হয়ে রবীন্দ্র এই হত্যার পরিকল্পনা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির ভেতর ও ফ্রিজে দেহের টুকরো অংশ উদ্ধার করে। তবে মৌনিকারের মাথা পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ধারণা করছে, সেটি অন্য কোথাও ফেলে দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ দেহাংশ উদ্ধারে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
এই ঘটনা ২০২২ সালের ১৮ মে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথা মনে করিয়ে দেয়। ওই ঘটনায় তার সঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে দেহ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে এবং পরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্ত্রী বাবার বাড়িতে গেলে প্রেমিকা পলিপল্লি মৌনিকার সঙ্গে বাসায় সময় কাটাতেন চিন্তাদা রবীন্দ্র নামে এক যুবক। কিন্তু এবার সেই সাক্ষাৎ মৌনিকারের জন্য হয়ে ওঠে মৃত্যুর ফাঁদ।
দুজনের মধ্যে ঝগড়া বাধে, যা শেষ হয় মৌনিকাকে হত্যা করে তার দেহ টুকরো করার মাধ্যমে। রোববার (২৯ মার্চ) ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এই ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানায়, তারা প্রায়ই বিশাখাপত্তনমের বিভিন্ন জায়গায় যেমন পার্ক ও সিনেমা হলে দেখা করতেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েক সপ্তাহ আগে রবীন্দ্রর স্ত্রী ভিজিয়ানাগরমে তার বাবার বাড়িতে যান।
সুযোগ বুঝে রোববার দুপুরে মৌনিকাকে বাসায় ডাকেন রবীন্দ। সন্ধ্যার দিকে তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয় এবং অভিযোগ অনুযায়ী রবীন্দ্র শ্বাসরোধ করে মৌনিকাকে হত্যা করেন। এরপর তিনি অনলাইন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি ছুরি কিনে দেহ টুকরো করেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি মাথা, হাত-পা শরীর থেকে আলাদা করেন। পা ও কোমরের অংশ একটি ট্রলি ব্যাগে ভরে রাখেন, শরীরের মূল অংশ ফ্রিজে রাখেন এবং মাথা ও হাত অন্য একটি স্থানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। এরপর রবীন্দ্র নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং অপরাধ স্বীকার করেন।
অভিযুক্ত দাবি করেছেন, সম্পর্ক চলাকালে মৌনিকা তার কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ রুপি নিয়েছিলেন এবং প্রায়ই তাদের সম্পর্ক স্ত্রীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। এই কারণেই তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া হতো।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালে অন্য একজনকে বিয়ে করার পর থেকেই মৌনিকারের হুমকি ও চাপের কারণে বিরক্ত হয়ে রবীন্দ্র এই হত্যার পরিকল্পনা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির ভেতর ও ফ্রিজে দেহের টুকরো অংশ উদ্ধার করে। তবে মৌনিকারের মাথা পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ধারণা করছে, সেটি অন্য কোথাও ফেলে দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ দেহাংশ উদ্ধারে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
এই ঘটনা ২০২২ সালের ১৮ মে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের কথা মনে করিয়ে দেয়। ওই ঘটনায় তার সঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে দেহ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে এবং পরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:১৯
সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু শিমলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকালে হাকিমপুর শহরে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করেন খাদিজা। অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসা আল আশারী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা শিবলী সাদিক আত্মগোপনে রয়েছেন। এই সময়ে খাদিজা তার বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
ঘটনার আগে সোমবার বিকাল ৫টা ৪৬ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন ও চাঞ্চল্যকর স্ট্যাটাস দেন খাদিজা মল্লিক সীমু। সেখানে তিনি দীর্ঘ ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে জানান, বিয়ের মাত্র ২-৩ মাস পর থেকেই তিনি অবিরাম জুলুম ও অন্যায়ের শিকার হচ্ছিলেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লিখেছেন, ‘আমি যথেষ্ট স্ট্রং ছিলাম! আল্লাহর প্রতি আমার অনেক ভরসা রয়েছে! কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্রামের প্রয়োজন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় জুলুম আমি আর নিতে পারছি না। এই জীবন এভাবে চলতে পারে না। বিয়ের ২-৩ মাস পর থেকে এসব সহ্য করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত, আমি শান্তিতে ঘুমাতে চাই।’
মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত সীমু তার এই চরম পরিণতির জন্য সরাসরি স্বামী শিবলী সাদিক, তার কথিত বান্ধবী ববি ইসলাম এবং শামীমসহ আরও কয়েকজনকে দায়ী করেছেন।
এ বিষয়ে তিনি লিখেন, ‘আমি যদি হেরে যায়, আমার হয়ে তোমরা তো সব জানো, সব প্রমাণ তোমাদের কাছেও আছে। তোমরা শিবলী সাদিক...ছেড়ো না, আমার সাথে হওয়া অন্যায় আমি আর মানতে পারছি না। কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, আমি সেই ধরনের মেয়েই না যে তার কাছে ভালোবাসা ভিক্ষে চাইব, কিন্তু আমার সাত বছরের এফোর্টকে ঐ...শিবলী বলে, আমি মন থেকে করিনি বা যা করেছি এটা আমার দায়িত্ব।’
তিনি অভিযোগ করেন, শিবলী সাদিক একজন ‘নার্সিসিস্ট’ বা আত্মকেন্দ্রিক মানুষ, যিনি কৌশলে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পটু। ববি ইসলাম নামের এক নারীর সঙ্গে শিবলীর অবৈধ সম্পর্কের দাবি করে তিনি জানান, ওই নারীকে বিরামপুর মহিলা কলেজের পেছনে বাড়ি করে দেওয়া এবং বিদেশে পালানোর ক্ষেত্রেও শিবলী সহায়তা করেছেন। নিজের দীর্ঘ চেষ্টার মর্যাদা না দিয়ে শিবলী সেগুলোকে কেবল ‘দায়িত্ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় সীমু চরমভাবে ভেঙে পড়েন। এমনকি তার কন্যা স্নেহার জীবন নষ্ট করার পেছনেও স্বামীর দায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি লিখেছেন, তার এই আত্মহননের সিদ্ধান্তটি ভুল হলেও প্রভাবশালী স্বামীর অর্থবিত্তের কাছে বিচার পাবেন না বলেই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন।
তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করেছেন যেন তার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ তাদের কাছে গচ্ছিত আছে বলেও জানান।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে শিবলী সাদিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমার বিয়ে হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও বনিবনা না হওয়ায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে সমঝোতার মাধ্যমে ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। ২০১৯ সালে তিনি খাদিজার সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু শিমলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকালে হাকিমপুর শহরে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন করেন খাদিজা। অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসা আল আশারী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা শিবলী সাদিক আত্মগোপনে রয়েছেন। এই সময়ে খাদিজা তার বাবার বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
ঘটনার আগে সোমবার বিকাল ৫টা ৪৬ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন ও চাঞ্চল্যকর স্ট্যাটাস দেন খাদিজা মল্লিক সীমু। সেখানে তিনি দীর্ঘ ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে জানান, বিয়ের মাত্র ২-৩ মাস পর থেকেই তিনি অবিরাম জুলুম ও অন্যায়ের শিকার হচ্ছিলেন।
স্ট্যাটাসে খাদিজা লিখেছেন, ‘আমি যথেষ্ট স্ট্রং ছিলাম! আল্লাহর প্রতি আমার অনেক ভরসা রয়েছে! কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্রামের প্রয়োজন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় জুলুম আমি আর নিতে পারছি না। এই জীবন এভাবে চলতে পারে না। বিয়ের ২-৩ মাস পর থেকে এসব সহ্য করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত, আমি শান্তিতে ঘুমাতে চাই।’
মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত সীমু তার এই চরম পরিণতির জন্য সরাসরি স্বামী শিবলী সাদিক, তার কথিত বান্ধবী ববি ইসলাম এবং শামীমসহ আরও কয়েকজনকে দায়ী করেছেন।
এ বিষয়ে তিনি লিখেন, ‘আমি যদি হেরে যায়, আমার হয়ে তোমরা তো সব জানো, সব প্রমাণ তোমাদের কাছেও আছে। তোমরা শিবলী সাদিক...ছেড়ো না, আমার সাথে হওয়া অন্যায় আমি আর মানতে পারছি না। কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, আমি সেই ধরনের মেয়েই না যে তার কাছে ভালোবাসা ভিক্ষে চাইব, কিন্তু আমার সাত বছরের এফোর্টকে ঐ...শিবলী বলে, আমি মন থেকে করিনি বা যা করেছি এটা আমার দায়িত্ব।’
তিনি অভিযোগ করেন, শিবলী সাদিক একজন ‘নার্সিসিস্ট’ বা আত্মকেন্দ্রিক মানুষ, যিনি কৌশলে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পটু। ববি ইসলাম নামের এক নারীর সঙ্গে শিবলীর অবৈধ সম্পর্কের দাবি করে তিনি জানান, ওই নারীকে বিরামপুর মহিলা কলেজের পেছনে বাড়ি করে দেওয়া এবং বিদেশে পালানোর ক্ষেত্রেও শিবলী সহায়তা করেছেন। নিজের দীর্ঘ চেষ্টার মর্যাদা না দিয়ে শিবলী সেগুলোকে কেবল ‘দায়িত্ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় সীমু চরমভাবে ভেঙে পড়েন। এমনকি তার কন্যা স্নেহার জীবন নষ্ট করার পেছনেও স্বামীর দায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি লিখেছেন, তার এই আত্মহননের সিদ্ধান্তটি ভুল হলেও প্রভাবশালী স্বামীর অর্থবিত্তের কাছে বিচার পাবেন না বলেই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন।
তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করেছেন যেন তার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ তাদের কাছে গচ্ছিত আছে বলেও জানান।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে শিবলী সাদিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমার বিয়ে হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও বনিবনা না হওয়ায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে সমঝোতার মাধ্যমে ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। ২০১৯ সালে তিনি খাদিজার সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.