
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আজাহারুল ইসলাম টুটুলের নেতৃত্বে বিএনপিতে যোগ দেন তারা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কাটাপিটানিয়া আনন্দবাজারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনের নির্বাচনী সেন্টার কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তারা যোগ দেন।
সুভাষ চন্দ্র হালদারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহাসিন রেজার সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাহাদুর, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল, বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মাস্টার মো. এনামুল হক রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হাসান বাবু, সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. রুহুল আমীন প্রমুখ।
বিএনপিতে যোগ দিতে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র হালদার বলেন, আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফার আঙ্গিকে বাংলাদেশকে সাজাতে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। তাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া দল বিএনপিতে আমরা শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী যোগদান করেছি।
বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইনামুল হক রতন বলেন, নেছারাবাদ উপজেলায় সনাতন সম্প্রদায়ের লোকেদের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার রয়েছে। তারা আমাদের জানিয়েছেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করবেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিতে যোগদান করেছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা আজ দেশের মানুষের মুক্তির সনদে পরিণত হয়েছে। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বলদিয়া ইউনিয়নে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আজাহারুল ইসলাম টুটুলের নেতৃত্বে বিএনপিতে যোগ দেন তারা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কাটাপিটানিয়া আনন্দবাজারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনের নির্বাচনী সেন্টার কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তারা যোগ দেন।
সুভাষ চন্দ্র হালদারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহাসিন রেজার সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাহাদুর, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল, বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মাস্টার মো. এনামুল হক রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হাসান বাবু, সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. রুহুল আমীন প্রমুখ।
বিএনপিতে যোগ দিতে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র হালদার বলেন, আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফার আঙ্গিকে বাংলাদেশকে সাজাতে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। তাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া দল বিএনপিতে আমরা শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী যোগদান করেছি।
বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইনামুল হক রতন বলেন, নেছারাবাদ উপজেলায় সনাতন সম্প্রদায়ের লোকেদের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার রয়েছে। তারা আমাদের জানিয়েছেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করবেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিতে যোগদান করেছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা আজ দেশের মানুষের মুক্তির সনদে পরিণত হয়েছে। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বলদিয়া ইউনিয়নে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০

১০ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০০
মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রুবেল খলিফা (৩৫) নামে এক যুবক। স্বজনদের অভিযোগ পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার।
সোমবার দুপুর ১টায় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রুবেল খলিফা মঠবাড়িয়া উপজেলার পাটাকাটা গ্রামের মৃত মনতাজ খলিফার ছেলে।
বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার সুরতহাল সূত্রে জানা যায়, মৃত খলিফা দুবাই প্রবাসী ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নিজ গ্রামে আসেন। আসার পর থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগতে ছিলেন। ৮ মার্চ শ্বশুরবাড়ি থাকা অবস্থায় বসতঘরের বাথরুমে গিয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ বিভাগীয় প্রধান ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের বড় বোন নাজমা সুলতানার দাবি, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে টাকার জন্য হত্যা করেছে। আমার ভাই তার শ্বশুরের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাবে সেই টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। যাতে আমার বাবার থেকে তারা সুবিধা নিতে পারে।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রুবেল খলিফা (৩৫) নামে এক যুবক। স্বজনদের অভিযোগ পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার।
সোমবার দুপুর ১টায় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রুবেল খলিফা মঠবাড়িয়া উপজেলার পাটাকাটা গ্রামের মৃত মনতাজ খলিফার ছেলে।
বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার সুরতহাল সূত্রে জানা যায়, মৃত খলিফা দুবাই প্রবাসী ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নিজ গ্রামে আসেন। আসার পর থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগতে ছিলেন। ৮ মার্চ শ্বশুরবাড়ি থাকা অবস্থায় বসতঘরের বাথরুমে গিয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ বিভাগীয় প্রধান ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রেরণ করা হয়।
নিহতের বড় বোন নাজমা সুলতানার দাবি, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে টাকার জন্য হত্যা করেছে। আমার ভাই তার শ্বশুরের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাবে সেই টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই।
স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। যাতে আমার বাবার থেকে তারা সুবিধা নিতে পারে।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই; তবে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
বরিশাল টাইমস
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১