
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৪
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিক্রি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল। মুদি দোকান, ঔষধের দোকান, কাঁচামালের দোকানসহ যত্রতত্র পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার।
সরকার অনুমোদিত পেট্রোল পাম্প ছাড়া পেট্রোল জাতীয় দাহ্য পদার্থ বিক্রির বিধান না থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকায় মোড়ে মোড়ে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল ও পেট্রোলসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।
যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ও দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা স্থানীয়দের। অপরদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১১৭ টাকা হলেও বাইরে বাজারে বোতলে রাখা পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকায়। এতে করে ক্রেতারাও ঠকছেন দারুণভাবে।
জানা যায়, সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নীতিমালা রয়েছে। বিধিমোতাবেক সিলিন্ডার মজুত রেখে বিক্রির ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। পেট্রোল বিক্রির ক্ষেত্রেও রয়েছে নীতিমালা।
দাহ্য পদার্থ ও সিলিন্ডার মজুত করার ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং আগুন নিয়ন্ত্রক সরঞ্জাম মজুত রাখতে হবে। মজুত করা স্থানের কাছাকাছি আলো বা তাপের উৎস থাকা যাবে না।
এসব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের মধ্যবাজার, পুরোনো গোহাটি, বাসস্ট্যান্ড, মালিবাগ মোড়, কামারপট্টি মোড়, উপজেলা মোড়, মাস্টারবাড়ি বাজার, মৌলভীবাজার, টিকরকান্দি বাজার, ধুমালীপাড়া মোড়, দক্ষিণ বাজার মোড়ে দেদার বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস ও পেট্রোল। ওষুধের দোকান, কম্পিউটারের দোকান, মুদির দোকান, ক্রোকারিজের দোকান, ফলের দোকান, হোটেল, সেলুন, লাকড়ির দোকান, মোটর সাইকেলের গ্যারেজ, কাঁচামালের দোকান, হার্ডওয়্যারের দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান, মেশিনারি দোকান ও চা দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে দেদারসে। দোকানের সামনে এমনকি ফুটপাতে সিলিন্ডার ফেলে এবং তার উপর পরিত্যক্ত বোতলে পেট্রোল রেখে এ ব্যবসা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এদের কোনো ধরণের লাইসেন্স নেই।
এ ছাড়া পৌরসভার বাইরে উপজেলার মেরুরচর বাজার, খেওয়ারচর, নিলাক্ষিয়া, জানকিপুর ,পলাশতলা, লাউচাপড়া, কামালপুর মৃর্ধাপাড়া, দাসের হাট, জিন্না বাজার, সকাল বাজার, বাট্টাজোড়, সারমারা, নইমিয়ার বাজার, টুপকারচর, নতুন বাজার, শেখেরচর, রামরামপুর, মাদারেরচর, বালুঝুড়ি, নালার মোড়, খালেকের মোড়, বিনোদেরচর বাজারসহ প্রতিটি ছোট-বড় হাটবাজারে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস ও পেট্রোল। রাখা হচ্ছে খোলা জায়গায়। এ ছাড়া প্রতিটি সড়কের পাশে বিভিন্ন দোকানের সামনে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল ও পরিত্যক্ত পানীয় বোতলে সাজিয়ে রাখা হয় দাহ্য পদার্থ পেট্রোল-অকটেন। এলপিজি বিক্রির ক্ষেত্রে যেসব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তার একটিও কোথাও মানা হচ্ছে না। সেই সঙ্গে নেই বৈধ লাইসেন্স।
জব্বারগঞ্জ বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রেতা ইয়াকুব জানান, দোকানের ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেল, পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে আসছেন তিনি। তবে তদারকি করতে তার দোকানে আজ পর্যন্ত কেউ আসেনি বলে জানান তিনি।
বকশীগঞ্জ পৌর শহরের ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, তার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স আছে। এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে লাইসেন্স বা অনুমোদন নিতে হয় এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ উল হাসান বলেন, আইন আছে, কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই। যে কারণে লাইসেন্সবিহীন যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার। যত্রতত্র বিক্রি হওয়ায় যে কোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কোনো তৎপর দেখা যায়নি।
মানবাধিকার কর্মী মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী বলেন, উপজেলায় একটি মাত্র পেট্রোল পাম্প রয়েছে। কিন্তু প্রায় তিন শতাধিক স্থানে পেট্রোল ও এলপি গ্যাস পাওয়া যায়। পেট্রোল পাম্প মালিকের দায়ভার এড়াতে পারেন না। কারণ, পাম্প থেকেই খোলা বাজারে পেট্রোল চলে যায়। এলপি গ্যাস ডিলারও একই কাজ করেন। তাদেরকেও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাহলেই যত্রতত্র এসব দাহ্য পদার্থ বিক্রি বন্ধ হবে।
বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সড়কের ধারে সাজিয়ে রেখে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি বিপজ্জনক। যত্রতত্র পেট্রোল বা দাহ্য পদার্থ বিক্রির কারণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানির মতো বড় ঘটনা ঘটতে পারে। এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে হলে অবশ্যই পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স, বিস্ফোরক ও জ্বালানি লাইসেন্স থাকতে হবে। অনুমোদনবিহীন কেউ এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে পারবে না।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই বলেন, দাহ্য পদার্থ ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির আইন রয়েছে। দাহ্য পদার্থ যত্রতত্র বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অভিযান চালিয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে। নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিক্রি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল। মুদি দোকান, ঔষধের দোকান, কাঁচামালের দোকানসহ যত্রতত্র পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার।
সরকার অনুমোদিত পেট্রোল পাম্প ছাড়া পেট্রোল জাতীয় দাহ্য পদার্থ বিক্রির বিধান না থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকায় মোড়ে মোড়ে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল ও পেট্রোলসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।
যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ও দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা স্থানীয়দের। অপরদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১১৭ টাকা হলেও বাইরে বাজারে বোতলে রাখা পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকায়। এতে করে ক্রেতারাও ঠকছেন দারুণভাবে।
জানা যায়, সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নীতিমালা রয়েছে। বিধিমোতাবেক সিলিন্ডার মজুত রেখে বিক্রির ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। পেট্রোল বিক্রির ক্ষেত্রেও রয়েছে নীতিমালা।
দাহ্য পদার্থ ও সিলিন্ডার মজুত করার ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং আগুন নিয়ন্ত্রক সরঞ্জাম মজুত রাখতে হবে। মজুত করা স্থানের কাছাকাছি আলো বা তাপের উৎস থাকা যাবে না।
এসব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের মধ্যবাজার, পুরোনো গোহাটি, বাসস্ট্যান্ড, মালিবাগ মোড়, কামারপট্টি মোড়, উপজেলা মোড়, মাস্টারবাড়ি বাজার, মৌলভীবাজার, টিকরকান্দি বাজার, ধুমালীপাড়া মোড়, দক্ষিণ বাজার মোড়ে দেদার বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস ও পেট্রোল। ওষুধের দোকান, কম্পিউটারের দোকান, মুদির দোকান, ক্রোকারিজের দোকান, ফলের দোকান, হোটেল, সেলুন, লাকড়ির দোকান, মোটর সাইকেলের গ্যারেজ, কাঁচামালের দোকান, হার্ডওয়্যারের দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান, মেশিনারি দোকান ও চা দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে দেদারসে। দোকানের সামনে এমনকি ফুটপাতে সিলিন্ডার ফেলে এবং তার উপর পরিত্যক্ত বোতলে পেট্রোল রেখে এ ব্যবসা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এদের কোনো ধরণের লাইসেন্স নেই।
এ ছাড়া পৌরসভার বাইরে উপজেলার মেরুরচর বাজার, খেওয়ারচর, নিলাক্ষিয়া, জানকিপুর ,পলাশতলা, লাউচাপড়া, কামালপুর মৃর্ধাপাড়া, দাসের হাট, জিন্না বাজার, সকাল বাজার, বাট্টাজোড়, সারমারা, নইমিয়ার বাজার, টুপকারচর, নতুন বাজার, শেখেরচর, রামরামপুর, মাদারেরচর, বালুঝুড়ি, নালার মোড়, খালেকের মোড়, বিনোদেরচর বাজারসহ প্রতিটি ছোট-বড় হাটবাজারে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস ও পেট্রোল। রাখা হচ্ছে খোলা জায়গায়। এ ছাড়া প্রতিটি সড়কের পাশে বিভিন্ন দোকানের সামনে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল ও পরিত্যক্ত পানীয় বোতলে সাজিয়ে রাখা হয় দাহ্য পদার্থ পেট্রোল-অকটেন। এলপিজি বিক্রির ক্ষেত্রে যেসব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তার একটিও কোথাও মানা হচ্ছে না। সেই সঙ্গে নেই বৈধ লাইসেন্স।
জব্বারগঞ্জ বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রেতা ইয়াকুব জানান, দোকানের ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেল, পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে আসছেন তিনি। তবে তদারকি করতে তার দোকানে আজ পর্যন্ত কেউ আসেনি বলে জানান তিনি।
বকশীগঞ্জ পৌর শহরের ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, তার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স আছে। এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে লাইসেন্স বা অনুমোদন নিতে হয় এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ উল হাসান বলেন, আইন আছে, কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই। যে কারণে লাইসেন্সবিহীন যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার। যত্রতত্র বিক্রি হওয়ায় যে কোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কোনো তৎপর দেখা যায়নি।
মানবাধিকার কর্মী মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী বলেন, উপজেলায় একটি মাত্র পেট্রোল পাম্প রয়েছে। কিন্তু প্রায় তিন শতাধিক স্থানে পেট্রোল ও এলপি গ্যাস পাওয়া যায়। পেট্রোল পাম্প মালিকের দায়ভার এড়াতে পারেন না। কারণ, পাম্প থেকেই খোলা বাজারে পেট্রোল চলে যায়। এলপি গ্যাস ডিলারও একই কাজ করেন। তাদেরকেও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাহলেই যত্রতত্র এসব দাহ্য পদার্থ বিক্রি বন্ধ হবে।
বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সড়কের ধারে সাজিয়ে রেখে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি বিপজ্জনক। যত্রতত্র পেট্রোল বা দাহ্য পদার্থ বিক্রির কারণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানির মতো বড় ঘটনা ঘটতে পারে। এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে হলে অবশ্যই পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স, বিস্ফোরক ও জ্বালানি লাইসেন্স থাকতে হবে। অনুমোদনবিহীন কেউ এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে পারবে না।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই বলেন, দাহ্য পদার্থ ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির আইন রয়েছে। দাহ্য পদার্থ যত্রতত্র বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অভিযান চালিয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে। নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.