Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ মে, ২০২৬ ১৯:৩৭
বরিশালের গৌরনদীর স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করাসহ বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। গোপালগঞ্জ থেকে ১০ বছরের শিশুটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চলছে আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি। এসব তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল।
পুলিশ জানায়, উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাড়ি থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয় গত ২৬ এপ্রিল রাতে। পরদিন থানায় জিডি করেন তার দিনমজুর বাবা। পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, গত বুধবার মেয়েটি ‘কৌশলে’ বাবাকে ফোন করে তার অবস্থান গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বলে জানায়। প্রতিবেশী কমল বাড়ৈয়ের মেয়ে মেঘা বাড়ৈ তাকে সেখানে নিয়ে আত্মীয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন বলেও জানায় সে। গৌরনদী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় এলাকার খালকুলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
স্বজনদের অভিযোগ, ‘ফুসলিয়ে’ শিশুটিকে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যান অভিযুক্ত মেঘা বাড়ৈ। বিয়ে দেন ৩৮ বছর বয়সী ভগরত ঢালী নামের এক আত্মীয়ের সঙ্গে। আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করা হয় তাকে। বলা হয়, ‘দুই লাখ টাকায় তাকে কিনে নেয়া হয়েছে’।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেঘা বাড়ৈ। তার দাবি, ‘ওই শিশুকে আমরা বিয়ে দেইনি। সে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি নির্যাতনের কথা বলেছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য করা হবে ডাক্তারি পরীক্ষা। এসব জানিয়েছেন ওসি তারিক হাসান।
‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে আমরা নির্যাতনের কথা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। বর্তমানে থানায় আছে শিশুটি। পাঁচজনকে আসামি করে মামলা রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসা ও টেস্টের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়, জানান ওসি।’
বরিশালের গৌরনদীর স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করাসহ বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। গোপালগঞ্জ থেকে ১০ বছরের শিশুটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চলছে আইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি। এসব তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল।
পুলিশ জানায়, উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাড়ি থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয় গত ২৬ এপ্রিল রাতে। পরদিন থানায় জিডি করেন তার দিনমজুর বাবা। পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, গত বুধবার মেয়েটি ‘কৌশলে’ বাবাকে ফোন করে তার অবস্থান গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বলে জানায়। প্রতিবেশী কমল বাড়ৈয়ের মেয়ে মেঘা বাড়ৈ তাকে সেখানে নিয়ে আত্মীয়ের সঙ্গে বিয়ে দেন বলেও জানায় সে। গৌরনদী থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় এলাকার খালকুলা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।
স্বজনদের অভিযোগ, ‘ফুসলিয়ে’ শিশুটিকে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যান অভিযুক্ত মেঘা বাড়ৈ। বিয়ে দেন ৩৮ বছর বয়সী ভগরত ঢালী নামের এক আত্মীয়ের সঙ্গে। আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও করা হয় তাকে। বলা হয়, ‘দুই লাখ টাকায় তাকে কিনে নেয়া হয়েছে’।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেঘা বাড়ৈ। তার দাবি, ‘ওই শিশুকে আমরা বিয়ে দেইনি। সে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।’
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি নির্যাতনের কথা বলেছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য করা হবে ডাক্তারি পরীক্ষা। এসব জানিয়েছেন ওসি তারিক হাসান।
‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে আমরা নির্যাতনের কথা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। বর্তমানে থানায় আছে শিশুটি। পাঁচজনকে আসামি করে মামলা রেকর্ড প্রক্রিয়াধীন। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসা ও টেস্টের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়, জানান ওসি।’

০৮ মে, ২০২৬ ১৯:৩০
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনার শাখা নদীর ভয়াবহ ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর লঞ্চঘাট এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
বক্তারা বলেন, উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের কাঞ্চন বেপারীর হাট থেকে দুর্গাপুর এবং গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর পর্যন্ত নদী ভাঙনকবলিত এলাকা রাক্ষুসে মেঘনার করাল গ্রাসে, প্রতি বছর বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হিজলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাব হোসেন খোকন, নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক মাহাতাব সিকদার, সদস্যসচিব কামাল হোসেন সরদার, সদস্য আলতাফ হোসেন সরদার, রুমা বেগম, লোকমান হোসেন, কবির শেখ এবং সাজাহান স্বপন প্রমুখ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তবে বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তারেক রহমান এবং নৌ-পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসানের কাছে নদী ভাঙ্গন রোদে নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দামি জানান। তাঁরা বলেন বাঁধ নির্মাণ করা না হলে এই অঞ্চলে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে, নদীর তীরে থানারঘাট দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে স্থায়ী নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ করা না হলে এই অঞ্চল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩২

০৭ মে, ২০২৬ ১৮:৫৪
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি। তিনি বলেন, আমরা কাঁদতে দাঁড়াইনি, বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি। বিচার নিয়েই ঘরে ফিরব ইনশা আল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, যে হাদি ৫৬ হাজার বর্গমাইল হেঁটে ইনসাফের জাল বুনতে চেয়েছিল, তার ইনসাফ কোথায়? মাসুমা হাদি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিয়ে রাষ্ট্রের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, “দেশের ১৬ কোটি মানুষ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চায়। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব।”
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, সরকার যদি বিচার চাইত, তাহলে বারবার তদন্ত পেছানো হতো না। ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিয়ে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে।
আরেক শিক্ষার্থী মুরসালীন কামাল বলেন, প্রকাশ্যে দিবালোকে ইনসাফের বার্তা বহনকারী হাদি ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বিচার কার্যক্রমে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। দ্রুত বিচার না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনার শাখা নদীর ভয়াবহ ভাঙনরোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর লঞ্চঘাট এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
বক্তারা বলেন, উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের কাঞ্চন বেপারীর হাট থেকে দুর্গাপুর এবং গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর পর্যন্ত নদী ভাঙনকবলিত এলাকা রাক্ষুসে মেঘনার করাল গ্রাসে, প্রতি বছর বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হিজলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাব হোসেন খোকন, নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক মাহাতাব সিকদার, সদস্যসচিব কামাল হোসেন সরদার, সদস্য আলতাফ হোসেন সরদার, রুমা বেগম, লোকমান হোসেন, কবির শেখ এবং সাজাহান স্বপন প্রমুখ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তবে বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তারেক রহমান এবং নৌ-পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসানের কাছে নদী ভাঙ্গন রোদে নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দামি জানান। তাঁরা বলেন বাঁধ নির্মাণ করা না হলে এই অঞ্চলে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে, নদীর তীরে থানারঘাট দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে স্থায়ী নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ করা না হলে এই অঞ্চল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
ভালোবাসার টানে সব বাধা পেরিয়ে প্রেমিককে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে ধর্ম পরিবর্তন করেছেন এক হিন্দু তরুণী। পরিবারের আপত্তি, সামাজিক নানা চাপ ও সমালোচনার মধ্যেও প্রেমের সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম যুবককে বিয়ে করেছেন তিনি।
জানা গেছে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বশির সরদারের ছেলে মো: তামিম হাসান ও পার্শ্ববর্তী গ্রাম ফলাঘরের প্রদীপ চন্দ্র সাহার মেয়ে প্রিয়ন্তী রানী সাহা দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
একপর্যায়ে দুজনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তারা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক হলেও তাদের মধ্যে ধর্ম ভিন্ন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে পরিবারকে না জানিয়ে দুজনই পালিয়ে যায়। পরে ওই তরুণী স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নতুন নামে পরিচিত হন জান্নাতি ইসলম নামে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে স্থানীয় কাজীর মাধ্যমে গত ৩ মে ২ লক্ষ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে সেই বিয়ের পরে বাসর ঘরের পরিবর্তে প্রেমিক তামিমের ঠাই হয়েছে জেল হাজতে। দুজনে পালিয়ে যাওয়ার পরে এই ঘটনায় তরুণী জান্নাতী ইসলামের পরিবার বাকেরগঞ্জ থানা একটি সাধারণ ডায়রি করলে গত বৃহস্পতিবার ওই তরুন তরুণীকে পুলিশ গ্রেফতার করলে তামিমকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। আর ওই তরুণী জান্নাতি ইসলামকে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে
আলামত সংগ্রহের জন্য। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ তাদের ভালোবাসার জয় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন। তবে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় নবদম্পতির দাবি ছিল তারা দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজেদের ইচ্ছাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে এই ঘটনায় প্রেমিক মো: তামিম হাসানের পিতা : বশির সরদার জানান, ছেলে মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি আমি যখন জানতে পারি তখন মেয়ের পরিবারকে আমি ঘটনাটি জানিয়েছি। আমিও কখনো চাইনি আমার ছেলে এভাবে পালিয়ে বিয়ে করুক। ছেলে মেয়ে উভয় প্রাপ্তবয়স্ক শুনেছি তারা নাকি বিয়েও করেছে। তবে এখন শুনতে পাচ্ছি পুলিশ গ্রেপ্তারের পরে আমার ছেলের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা করা হয়েছে। এখানে কোন অপহরণের ঘটনাই ঘটেনি। এই ধরনের মামলা আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্যই করা হয়েছে।
এই ঘটনায় তরুণীর পরিবার জানান, আমার মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে হিন্দু থেকে মুসলমান করা হয়েছে। তাকে অপহরণ করে নেয়া হয়েছিল এজন্য আমরা মামলা দিয়েছি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের পর নবদম্পতি সুখে-শান্তিতে সংসার করার কথা থাকলেও এই ঘটনাটি মেয়ের পরিবার মেনে নেয়নি। তারা উল্টো ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে জেলে পাঠিয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আদিল হোসেন জানান, থানায় সাধারণ ডায়রি হওয়ার পরে তরুণ তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলেটিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই তরুণীর পরিবার ছেলেটির বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানা একটি মামলা দায়ের করেছে। আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। এখন বিষয়টি আদালত দেখবে।
ভালোবাসার টানে সব বাধা পেরিয়ে প্রেমিককে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে ধর্ম পরিবর্তন করেছেন এক হিন্দু তরুণী। পরিবারের আপত্তি, সামাজিক নানা চাপ ও সমালোচনার মধ্যেও প্রেমের সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম যুবককে বিয়ে করেছেন তিনি।
জানা গেছে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বশির সরদারের ছেলে মো: তামিম হাসান ও পার্শ্ববর্তী গ্রাম ফলাঘরের প্রদীপ চন্দ্র সাহার মেয়ে প্রিয়ন্তী রানী সাহা দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
একপর্যায়ে দুজনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তারা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক হলেও তাদের মধ্যে ধর্ম ভিন্ন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে পরিবারকে না জানিয়ে দুজনই পালিয়ে যায়। পরে ওই তরুণী স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নতুন নামে পরিচিত হন জান্নাতি ইসলম নামে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে স্থানীয় কাজীর মাধ্যমে গত ৩ মে ২ লক্ষ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে সেই বিয়ের পরে বাসর ঘরের পরিবর্তে প্রেমিক তামিমের ঠাই হয়েছে জেল হাজতে। দুজনে পালিয়ে যাওয়ার পরে এই ঘটনায় তরুণী জান্নাতী ইসলামের পরিবার বাকেরগঞ্জ থানা একটি সাধারণ ডায়রি করলে গত বৃহস্পতিবার ওই তরুন তরুণীকে পুলিশ গ্রেফতার করলে তামিমকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। আর ওই তরুণী জান্নাতি ইসলামকে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে
আলামত সংগ্রহের জন্য। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ তাদের ভালোবাসার জয় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন। তবে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় নবদম্পতির দাবি ছিল তারা দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজেদের ইচ্ছাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে এই ঘটনায় প্রেমিক মো: তামিম হাসানের পিতা : বশির সরদার জানান, ছেলে মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি আমি যখন জানতে পারি তখন মেয়ের পরিবারকে আমি ঘটনাটি জানিয়েছি। আমিও কখনো চাইনি আমার ছেলে এভাবে পালিয়ে বিয়ে করুক। ছেলে মেয়ে উভয় প্রাপ্তবয়স্ক শুনেছি তারা নাকি বিয়েও করেছে। তবে এখন শুনতে পাচ্ছি পুলিশ গ্রেপ্তারের পরে আমার ছেলের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা করা হয়েছে। এখানে কোন অপহরণের ঘটনাই ঘটেনি। এই ধরনের মামলা আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্যই করা হয়েছে।
এই ঘটনায় তরুণীর পরিবার জানান, আমার মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে হিন্দু থেকে মুসলমান করা হয়েছে। তাকে অপহরণ করে নেয়া হয়েছিল এজন্য আমরা মামলা দিয়েছি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের পর নবদম্পতি সুখে-শান্তিতে সংসার করার কথা থাকলেও এই ঘটনাটি মেয়ের পরিবার মেনে নেয়নি। তারা উল্টো ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে জেলে পাঠিয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আদিল হোসেন জানান, থানায় সাধারণ ডায়রি হওয়ার পরে তরুণ তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলেটিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই তরুণীর পরিবার ছেলেটির বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানা একটি মামলা দায়ের করেছে। আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। এখন বিষয়টি আদালত দেখবে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি। তিনি বলেন, আমরা কাঁদতে দাঁড়াইনি, বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি। বিচার নিয়েই ঘরে ফিরব ইনশা আল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, যে হাদি ৫৬ হাজার বর্গমাইল হেঁটে ইনসাফের জাল বুনতে চেয়েছিল, তার ইনসাফ কোথায়? মাসুমা হাদি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিয়ে রাষ্ট্রের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, “দেশের ১৬ কোটি মানুষ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চায়। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব।”
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, সরকার যদি বিচার চাইত, তাহলে বারবার তদন্ত পেছানো হতো না। ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিয়ে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে।
আরেক শিক্ষার্থী মুরসালীন কামাল বলেন, প্রকাশ্যে দিবালোকে ইনসাফের বার্তা বহনকারী হাদি ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বিচার কার্যক্রমে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। দ্রুত বিচার না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়।
০৮ মে, ২০২৬ ১৯:৩৭
০৮ মে, ২০২৬ ১৯:৩০
০৮ মে, ২০২৬ ১৮:৩৬
০৮ মে, ২০২৬ ১৮:৩০