
০৮ মে, ২০২৬ ১৩:৫৯
প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে জেলা শহরের ভাদুঘরে পারিবারিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শায়খ সাজিদুর রহমানের ছেলে তারেকুর রহমান। তিনি বলেন, আম্মুর মৃত্যুর পর, এই বয়সে আব্বুর অসুস্থ ও কর্মব্যস্ত জীবনে একজন একান্ত সঙ্গী ও ব্যক্তিগত সহযোগী থাকা আমাদের কাছে আবশ্যক মনে হয়েছে। তাই আমাদের সকল ভাই-বোনদের পরামর্শে ও ইচ্ছায়, আব্বু বিবাহে রাজি হন।
তিনি বলেন, কনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কয়েক মাস আগে তার স্বামী মারা যান।
ওই ঘরে তার এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। তাদের বিয়ে হয়েছে। দুই পরিবারের সদস্য ও জেলার কয়েকজন শীর্ষ আলেমের উপস্থিতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কনে আমাতুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভাদুঘর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মাকবুল হাসানের মেয়ে। তিনি পাঁচ বোনের মধ্যে সবার বড়। এটি আমাতুর রহমানেরও দ্বিতীয় বিয়ে।
কয়েক মাস আগে তার প্রথম স্বামী মারা যান। সেই সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি মেনেই তাদের এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
আল্লামা সাজিদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী গত ৩০ মার্চ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পাঁচ সপ্তাহের মাথায় তিনি এই নতুন সংসার শুরু করলেন।
প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে জেলা শহরের ভাদুঘরে পারিবারিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শায়খ সাজিদুর রহমানের ছেলে তারেকুর রহমান। তিনি বলেন, আম্মুর মৃত্যুর পর, এই বয়সে আব্বুর অসুস্থ ও কর্মব্যস্ত জীবনে একজন একান্ত সঙ্গী ও ব্যক্তিগত সহযোগী থাকা আমাদের কাছে আবশ্যক মনে হয়েছে। তাই আমাদের সকল ভাই-বোনদের পরামর্শে ও ইচ্ছায়, আব্বু বিবাহে রাজি হন।
তিনি বলেন, কনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কয়েক মাস আগে তার স্বামী মারা যান।
ওই ঘরে তার এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। তাদের বিয়ে হয়েছে। দুই পরিবারের সদস্য ও জেলার কয়েকজন শীর্ষ আলেমের উপস্থিতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কনে আমাতুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভাদুঘর গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মাকবুল হাসানের মেয়ে। তিনি পাঁচ বোনের মধ্যে সবার বড়। এটি আমাতুর রহমানেরও দ্বিতীয় বিয়ে।
কয়েক মাস আগে তার প্রথম স্বামী মারা যান। সেই সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি মেনেই তাদের এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
আল্লামা সাজিদুর রহমানের প্রথম স্ত্রী গত ৩০ মার্চ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পাঁচ সপ্তাহের মাথায় তিনি এই নতুন সংসার শুরু করলেন।

০৮ মে, ২০২৬ ১২:৪১
জুলাইযোদ্ধা ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাফসিন মেহনাজ আজিরিন বলেছেন, ‘এহসানুল হক মিলনকে দেখলে আমার উগ্র মনে হয়।
ওনার আচার ব্যবহার এমন যে উনি একাই সুপেরিয়ার আর সবাই চিটার-বাটপার। মানে উনি একাই পিউর সওল আর সবাই চিটার-বাটপার দিয়ে ভরা। কিন্তু ওনার যেসব আচরণ সেগুলো আসলে খুবই উগ্রবাদী আচরণ।
ওনার নিজের ভাষা ঠিক করা এবং ওনার নিজের যে কথাবার্তা, আচার ব্যবহার ডেভেলপ করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জুলাইযোদ্ধা নাফসিন মেহেনাজ আজিরিন।
শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে মেহেনাজ বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রী দুই দিন আগে এক বক্তব্যে বলেছেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যদি বেশি ফ্রিডম দেওয়া হয় তখন তারা জঙ্গি প্রডিউস করবে।
প্রথম কথা হচ্ছে, ১৮ তারিখ যদি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা না নামত তাহলে আপনারা কোথায় থাকতেন এটা আপনারা চিন্তা করেন।
’
তিনি বলেন, ‘যখন এহসানুল মিলন সাহেব এ কথাটা বললেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক বেশি ফ্রিডম দেওয়া হলে জঙ্গি প্রডিউস করা হবে।
আসলে শিক্ষাটা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রশ্ন আসে না, শিক্ষাটা হচ্ছে তার নিজের শিক্ষা নিয়ে। আপনার কি শিক্ষা যে আপনি এরকম টাইপের ল্যাংগুয়েজ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে করেন?’
তিনি আরো বলেন, ‘টেরোরিস্টের কোনো বাবা-মা নেই, কোনো সোসাইটি নেই, কোনো ইনস্টিটিউশন নেই। একটা ইন্ডিভিজুয়াল ঘটনা দিয়ে আপনি তো পুরো ইনস্টিটিউশনে জাজ করতে পারেন না।
আমাদের পলিটিক্স করার কোনো স্ট্রাকচার নেই, আমাদের তো ডাকসু নেই, আমাদের কোনো ছাত্র সংগঠন নেই, কিন্তু আমরা আপনারা দেখেছেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে রাজপথে ছিল এবং জুলাই অভ্যুত্থান সফল করেছিল।’

০৭ মে, ২০২৬ ২০:০৭
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন নিহত শিক্ষার্থীর উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা। আদালত তখন বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন।
বিকেলে মামলা গ্রহণ করার মতো তথ্য না থাকায় খারিজের আদেশ দেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পেশকার শাহাদাত হোসেন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২০২৫ সালের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৬ জন নিহত হয়, এর মধ্যে ২৮ জনই শিক্ষার্থী। বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও নিহত হন।
মামলায় বাদী করা আবেদনে বলা হয়, মুহাম্মদ ইউনূস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান ছিলেন এবং ওই সময় তিনি সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তার অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত। দুর্ঘটনার পর তিনি গণমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান এবং প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তারা দুর্ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ এবং উদ্ধার কার্যক্রমে কার্যকর নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হন।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ ও মানসম্মত সিঁড়ি নিশ্চিত করা হয়নি। খামখেয়ালিভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কারণেই এত প্রাণহানি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৯:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জমাকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত প্রদান এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৬ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-৪ শাখার উপ-সচিব আবেদা আফসারী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার স্বার্থে আগে জমা নেয়া বৈধ অস্ত্রগুলো নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে ফেরত দেয়া হবে। একইসাথে অস্ত্রের লাইসেন্স ও মালিকানা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দি আর্মস্ অ্যাক্ট, ১৮৭৮-এর ২৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র জমা রাখার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। সেই সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় এখন অস্ত্র ফেরত দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী তিন ধরনের অস্ত্র ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। এগুলো হলো ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির আগে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র এবং ইতোমধ্যে গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে বৈধ হিসেবে প্রতীয়মান অস্ত্রগুলো।
তবে অস্ত্র ফেরতের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির লাইসেন্স, অস্ত্রের বৈধতা, ব্যবহার এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় পুনরায় পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়, যাচাই-বাছাই শেষে যেসব লাইসেন্স সঠিক বা গ্রহণযোগ্য বলে প্রতীয়মান হবে না, সেসব ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। একইসাথে জমাকৃত অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া যেসব অস্ত্র এখনো জমা দেয়া হয়নি বা অবৈধভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে সন্দেহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
বৈধ অস্ত্রধারীদের স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। বাসস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জুলাইযোদ্ধা ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাফসিন মেহনাজ আজিরিন বলেছেন, ‘এহসানুল হক মিলনকে দেখলে আমার উগ্র মনে হয়।
ওনার আচার ব্যবহার এমন যে উনি একাই সুপেরিয়ার আর সবাই চিটার-বাটপার। মানে উনি একাই পিউর সওল আর সবাই চিটার-বাটপার দিয়ে ভরা। কিন্তু ওনার যেসব আচরণ সেগুলো আসলে খুবই উগ্রবাদী আচরণ।
ওনার নিজের ভাষা ঠিক করা এবং ওনার নিজের যে কথাবার্তা, আচার ব্যবহার ডেভেলপ করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জুলাইযোদ্ধা নাফসিন মেহেনাজ আজিরিন।
শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে মেহেনাজ বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রী দুই দিন আগে এক বক্তব্যে বলেছেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যদি বেশি ফ্রিডম দেওয়া হয় তখন তারা জঙ্গি প্রডিউস করবে।
প্রথম কথা হচ্ছে, ১৮ তারিখ যদি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা না নামত তাহলে আপনারা কোথায় থাকতেন এটা আপনারা চিন্তা করেন।
’
তিনি বলেন, ‘যখন এহসানুল মিলন সাহেব এ কথাটা বললেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক বেশি ফ্রিডম দেওয়া হলে জঙ্গি প্রডিউস করা হবে।
আসলে শিক্ষাটা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে প্রশ্ন আসে না, শিক্ষাটা হচ্ছে তার নিজের শিক্ষা নিয়ে। আপনার কি শিক্ষা যে আপনি এরকম টাইপের ল্যাংগুয়েজ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে করেন?’
তিনি আরো বলেন, ‘টেরোরিস্টের কোনো বাবা-মা নেই, কোনো সোসাইটি নেই, কোনো ইনস্টিটিউশন নেই। একটা ইন্ডিভিজুয়াল ঘটনা দিয়ে আপনি তো পুরো ইনস্টিটিউশনে জাজ করতে পারেন না।
আমাদের পলিটিক্স করার কোনো স্ট্রাকচার নেই, আমাদের তো ডাকসু নেই, আমাদের কোনো ছাত্র সংগঠন নেই, কিন্তু আমরা আপনারা দেখেছেন যে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে রাজপথে ছিল এবং জুলাই অভ্যুত্থান সফল করেছিল।’
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মামলাটির আবেদন করেন নিহত শিক্ষার্থীর উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা। আদালত তখন বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন।
বিকেলে মামলা গ্রহণ করার মতো তথ্য না থাকায় খারিজের আদেশ দেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পেশকার শাহাদাত হোসেন খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২০২৫ সালের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৬ জন নিহত হয়, এর মধ্যে ২৮ জনই শিক্ষার্থী। বিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও নিহত হন।
মামলায় বাদী করা আবেদনে বলা হয়, মুহাম্মদ ইউনূস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার প্রধান ছিলেন এবং ওই সময় তিনি সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তার অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত। দুর্ঘটনার পর তিনি গণমাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান এবং প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তারা দুর্ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ সরবরাহ এবং উদ্ধার কার্যক্রমে কার্যকর নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হন।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ ও মানসম্মত সিঁড়ি নিশ্চিত করা হয়নি। খামখেয়ালিভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কারণেই এত প্রাণহানি ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জমাকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত প্রদান এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৬ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-৪ শাখার উপ-সচিব আবেদা আফসারী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার স্বার্থে আগে জমা নেয়া বৈধ অস্ত্রগুলো নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে ফেরত দেয়া হবে। একইসাথে অস্ত্রের লাইসেন্স ও মালিকানা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দি আর্মস্ অ্যাক্ট, ১৮৭৮-এর ২৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র জমা রাখার নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। সেই সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় এখন অস্ত্র ফেরত দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী তিন ধরনের অস্ত্র ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। এগুলো হলো ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির আগে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র এবং ইতোমধ্যে গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে বৈধ হিসেবে প্রতীয়মান অস্ত্রগুলো।
তবে অস্ত্র ফেরতের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির লাইসেন্স, অস্ত্রের বৈধতা, ব্যবহার এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয় পুনরায় পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়, যাচাই-বাছাই শেষে যেসব লাইসেন্স সঠিক বা গ্রহণযোগ্য বলে প্রতীয়মান হবে না, সেসব ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। একইসাথে জমাকৃত অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া যেসব অস্ত্র এখনো জমা দেয়া হয়নি বা অবৈধভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে সন্দেহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অস্ত্রের অপব্যবহার রোধে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
বৈধ অস্ত্রধারীদের স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। বাসস
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩২
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩০
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৩৪