Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ মে, ২০২৬ ১৭:৩১
ভোলার লালমোহনে নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে মাসুদ হাওলাদার (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশকয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত মাসুদ ওই এলাকার হাওলাদার বাড়ির আজগর আলী হাওলাদারের ছেলে। অপরদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. ফিরোজ, মো. তানভীর, মো. আকতার ও রেসমা বেগম। তাদেরকে আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরের দিকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বুধবার দুপুরে লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে নিহতের ঘরের পেছনে প্রতিপক্ষ রেসমা ও সজিবসহ কয়েকজন নারকেল পাড়তে যান। এসময় মাসুদের মেয়ে মাসুমা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত মাসুদসহ অন্যদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
পরে মাসুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ হাওলাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরে গতকাল রাতে নিহতের মেয়ে মামুমা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে আমরা অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে।
ভোলার লালমোহনে নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে মাসুদ হাওলাদার (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশকয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত মাসুদ ওই এলাকার হাওলাদার বাড়ির আজগর আলী হাওলাদারের ছেলে। অপরদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. ফিরোজ, মো. তানভীর, মো. আকতার ও রেসমা বেগম। তাদেরকে আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরের দিকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বুধবার দুপুরে লালমোহন পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে নিহতের ঘরের পেছনে প্রতিপক্ষ রেসমা ও সজিবসহ কয়েকজন নারকেল পাড়তে যান। এসময় মাসুদের মেয়ে মাসুমা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত মাসুদসহ অন্যদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
পরে মাসুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ হাওলাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরে গতকাল রাতে নিহতের মেয়ে মামুমা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। পরে আমরা অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছি। আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে।

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৩৪
আসন্ন কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিক ও শ্রমিকরা। এ বছর ভোলায় কোরবানির হাটকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির ‘জমিদার’। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে জমিদার। ১৫-১৬ মণ ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মালেগো বাড়ির বাসিন্দা ও খামারি মো. আলী এবারের কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য তার খামারে ছয়টি দেশীয় গরু মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে জমিদার নামে গরুটি।
জমিদার গরুর মালিক ও খামারি মো. আলী জানান, তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে গরুর খামার দিয়েছেন। তার খামারে প্রতি বছরই তিনি গরু মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। এবছরও তিনি ৬টি গরু হাটে নেবেন।
ছয়টি গরুর নাম রেখেন জমিদার, বাহাদুর, বাদশা, রাজা, কালাচাঁদ ও লালচাঁদ। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় গরু ‘জমিদার’। যার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুটের কাছাকাছি। ওজন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ মণ।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর আগে গরুটি তিনি এক খামারির থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।
খামারের প্রতিটি গরুকে কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু জমিদার অন্য গরুর থেকে বেশি খাবার খেয়ে থাকে। এ কারণে তার নাম জমিদার রাখা হয়েছে।
প্রায় ৬ মাস ধরে জমিদারকে সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় প্রায় ২০ থেকে ২২ কেজি কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়াচ্ছেন। এবারের কোরবানির হাটে জমিদারের দাম হাঁকিয়েছেন ৪ লাখ টাকা।
তার দাবি, ভোলা সদর উপজেলায় এত বড় ও পরিপুষ্ট দেশীয় গরু কারো খামারে নেই। তাই কোরবানির হাটে জমিদার উঠালে সবার দৃষ্টি কারবে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান, আমরা সব খামারিকেই দেশীয় পদ্ধতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। জমিদার নামে গরুটিও দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোন খামারি যদি কোরবানির হাটকে টার্গেট করে অবৈধভাবে গরু মোটাতাজা করে তবে ওই খামারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৯:১২
ভোলা সদর উপজেলায় প্রায় ৪০ কেজি ওজনের ও ৯ ফুট ২ ইঞ্জি দৈর্ঘের বিরল প্রজাতির একটি গুইসাপ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় লোকজন। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে দিকে ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরনোয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমানের বাড়ি সংলগ্ন একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশ থেকে গুইসাপটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাসিন্দাদের হাঁস মুরগি ও ছাগলের বাচ্চা উধাও হয়ে যাচ্ছিল। চারিদিকে খুঁজেও এসবের হদিস পাননি তারা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় আরেক বাসিন্দার একটি ছাগলের বাচ্ছা গুইসাপটি আক্রমণ করে খাওয়ার সময় ছাগলের মালিক বিষয়টি দেখতে পান। তিনি চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে ধাওয়া দিয়ে সেটিকে আটক করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বন বিভাগকে খবর দিয়ে নিয়ে তাদের কাছে গুইসাপটিকে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোলা সহকারী বন সংরক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি একটি ‘মনিটর লিজার্ড’ বিরল প্রজাতির গুইসাপ। যা সচরাচর দেখা মেলে না। খবর পেয়ে ভোলা সদর রেঞ্জের লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে আনেন। আপাতত এটি ভোলা সদর রেঞ্জ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং মনিটরিং করা হচ্ছে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে গুইসাপটিক উপযুক্ত স্থানে অবমুক্ত করা হবে।

০৭ মে, ২০২৬ ১৯:০৫
ভোলার দৌলতখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা কার্তুজ জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
সাব্বির আলম বলেন, আজ ভোর ৪টায় দৌলতখান উপজেলার চরমদনপুরসংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড ভোলা বেইস গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. লোকমান মেম্বারের বাড়ি তল্লাশি করে একটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি। কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই আসামিকে গত বছরের ২৫ এপ্রিল কোস্ট গার্ড অস্ত্রসহ আটক করেছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান কোস্ট গার্ডের এ মিডিয়া কর্মকর্তা।
বরিশাল টাইমস
আসন্ন কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিক ও শ্রমিকরা। এ বছর ভোলায় কোরবানির হাটকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির ‘জমিদার’। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে জমিদার। ১৫-১৬ মণ ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মালেগো বাড়ির বাসিন্দা ও খামারি মো. আলী এবারের কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য তার খামারে ছয়টি দেশীয় গরু মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে জমিদার নামে গরুটি।
জমিদার গরুর মালিক ও খামারি মো. আলী জানান, তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে গরুর খামার দিয়েছেন। তার খামারে প্রতি বছরই তিনি গরু মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। এবছরও তিনি ৬টি গরু হাটে নেবেন।
ছয়টি গরুর নাম রেখেন জমিদার, বাহাদুর, বাদশা, রাজা, কালাচাঁদ ও লালচাঁদ। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় গরু ‘জমিদার’। যার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুটের কাছাকাছি। ওজন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ মণ।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর আগে গরুটি তিনি এক খামারির থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।
খামারের প্রতিটি গরুকে কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু জমিদার অন্য গরুর থেকে বেশি খাবার খেয়ে থাকে। এ কারণে তার নাম জমিদার রাখা হয়েছে।
প্রায় ৬ মাস ধরে জমিদারকে সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় প্রায় ২০ থেকে ২২ কেজি কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়াচ্ছেন। এবারের কোরবানির হাটে জমিদারের দাম হাঁকিয়েছেন ৪ লাখ টাকা।
তার দাবি, ভোলা সদর উপজেলায় এত বড় ও পরিপুষ্ট দেশীয় গরু কারো খামারে নেই। তাই কোরবানির হাটে জমিদার উঠালে সবার দৃষ্টি কারবে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান, আমরা সব খামারিকেই দেশীয় পদ্ধতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। জমিদার নামে গরুটিও দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোন খামারি যদি কোরবানির হাটকে টার্গেট করে অবৈধভাবে গরু মোটাতাজা করে তবে ওই খামারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলা সদর উপজেলায় প্রায় ৪০ কেজি ওজনের ও ৯ ফুট ২ ইঞ্জি দৈর্ঘের বিরল প্রজাতির একটি গুইসাপ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় লোকজন। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে দিকে ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরনোয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহমানের বাড়ি সংলগ্ন একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশ থেকে গুইসাপটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাসিন্দাদের হাঁস মুরগি ও ছাগলের বাচ্চা উধাও হয়ে যাচ্ছিল। চারিদিকে খুঁজেও এসবের হদিস পাননি তারা। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় আরেক বাসিন্দার একটি ছাগলের বাচ্ছা গুইসাপটি আক্রমণ করে খাওয়ার সময় ছাগলের মালিক বিষয়টি দেখতে পান। তিনি চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে ধাওয়া দিয়ে সেটিকে আটক করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বন বিভাগকে খবর দিয়ে নিয়ে তাদের কাছে গুইসাপটিকে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ভোলা সহকারী বন সংরক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি একটি ‘মনিটর লিজার্ড’ বিরল প্রজাতির গুইসাপ। যা সচরাচর দেখা মেলে না। খবর পেয়ে ভোলা সদর রেঞ্জের লোকজন গিয়ে উদ্ধার করে আনেন। আপাতত এটি ভোলা সদর রেঞ্জ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং মনিটরিং করা হচ্ছে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে গুইসাপটিক উপযুক্ত স্থানে অবমুক্ত করা হবে।
ভোলার দৌলতখানে অভিযান চালিয়ে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা কার্তুজ জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
সাব্বির আলম বলেন, আজ ভোর ৪টায় দৌলতখান উপজেলার চরমদনপুরসংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড ভোলা বেইস গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. লোকমান মেম্বারের বাড়ি তল্লাশি করে একটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি। কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই আসামিকে গত বছরের ২৫ এপ্রিল কোস্ট গার্ড অস্ত্রসহ আটক করেছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান কোস্ট গার্ডের এ মিডিয়া কর্মকর্তা।
বরিশাল টাইমস
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩২
০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩০
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৩৪