Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ জুন, ২০২৫ ১৩:২৮
দুনিয়াটা বদলে গেছে। ক্লাসে শিক্ষক নেই, হাসপাতালে চিকিৎসক নেই। তবু চলছে পাঠদান, চলছে চিকিৎসা। কারণ একটাই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। যে প্রযুক্তি একসময় ছিল বিজ্ঞানের কাল্পনিক গল্পে, এখন তা আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। আর এবার সেই প্রযুক্তি পা রাখল এমন এক জায়গায়, যেখানে আগে কেবল প্রাণ বাজি রেখে দাঁড়াতে হতো।
সুইডেন এবার পাইলট ছাড়াই আকাশে ওড়াল এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান, যার নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো মানুষ। ককপিট ফাঁকা, কিন্তু বিমান চলছে আরও বেশি গতিতে, আরও নিখুঁতভাবে, আরও ভয়ংকর কৌশলে।
এআই চালিত এই যুদ্ধবিমানগুলো এখন কেবল উড়ছে না। তারা নিজেরাই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছে, যুদ্ধের কৌশল সাজাচ্ছে, শত্রুর গতিবিধি যাচাই করছে, আর প্রয়োজন হলে এক ঝটকায় ছুড়ে দিচ্ছে ধ্বংসের গোলা।
এই বিমানগুলোর মাথায় বসানো হয়েছে এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা। যা যেকোনো মুহূর্তে নির্ণয় করতে পারে কোথায় আঘাত করা সবচেয়ে কার্যকর, সেকেন্ডের ভেতরেই বিশ্লেষণ করে নেয় পিছিয়ে যাবে, না পাল্টা আঘাত হানবে এবং নিজের ক্ষমতা যাচাই করে সর্বোচ্চ ফলাফল দিতে পারে, এমনকি ডগফাইটে জিতে যেতে পারে পাইলট চালিত বিমানের সঙ্গেও!
সম্প্রতি এভিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল নিউজ এক রিপোর্টে জানায়, সুইডেনের এই এআই চালিত যুদ্ধবিমানগুলো পরীক্ষামূলকভাবে সফলভাবে উড়েছে। এমনকি বাল্টিক সাগরের আকাশে একটি প্রতীকী যুদ্ধ মহড়ায় অংশ নিয়ে মানব-চালিত বিমানকে পরাজিত করে চমকে দিয়েছে সবার ধারণা। কোনো পাইলট ছাড়াই বিমান উড়েছে, কৌশল দেখিয়েছে, শত্রুকে আঘাত করেছে আর সবকিছু করেছে নিজের সিদ্ধান্তে।
জার্মানির প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা Helsing এই প্রকল্পে কাজ করেছে। গত ২৮ মে থেকে ৩ জুন, এই সময়ের মধ্যে সুইডেনের সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে তিন দফা পরীক্ষা চালানো হয়।
সবগুলোতেই এআই যুদ্ধবিমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়ন করেছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল পরিবর্তন করেছে, শত্রু লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং জরুরি অবস্থায় অবতরণও সম্পূর্ণ নিরাপদে করতে পেরেছে
এই পরীক্ষাগুলো যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে স্পষ্ট হয়েছে বিমানগুলো শুধু উড়তে পারে না, যুদ্ধও করতে পারে, এবং মানুষ ছাড়াই জয় ছিনিয়ে আনতে পারে।
সুইডেনের প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে, এই বিমান এখনো গবেষণার আওতায় রয়েছে। তবে প্রাথমিক সফলতার পর এটি বিশ্বের সামরিক প্রযুক্তি অঙ্গনে রীতিমতো বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। অনেক দেশই এখন এই প্রযুক্তির দিকে নজর দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিমানগুলো ভবিষ্যতের যুদ্ধকে পুরোপুরি বদলে দেবে। এটা শুধু একটি প্রযুক্তির প্রয়োগ নয়, এটি এমন এক যুগের ইঙ্গিত যেখানে যুদ্ধ হবে মানুষের চেয়ে বেশি যন্ত্রনির্ভর, আর সিদ্ধান্ত নেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
দুনিয়াটা বদলে গেছে। ক্লাসে শিক্ষক নেই, হাসপাতালে চিকিৎসক নেই। তবু চলছে পাঠদান, চলছে চিকিৎসা। কারণ একটাই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। যে প্রযুক্তি একসময় ছিল বিজ্ঞানের কাল্পনিক গল্পে, এখন তা আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। আর এবার সেই প্রযুক্তি পা রাখল এমন এক জায়গায়, যেখানে আগে কেবল প্রাণ বাজি রেখে দাঁড়াতে হতো।
সুইডেন এবার পাইলট ছাড়াই আকাশে ওড়াল এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান, যার নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো মানুষ। ককপিট ফাঁকা, কিন্তু বিমান চলছে আরও বেশি গতিতে, আরও নিখুঁতভাবে, আরও ভয়ংকর কৌশলে।
এআই চালিত এই যুদ্ধবিমানগুলো এখন কেবল উড়ছে না। তারা নিজেরাই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছে, যুদ্ধের কৌশল সাজাচ্ছে, শত্রুর গতিবিধি যাচাই করছে, আর প্রয়োজন হলে এক ঝটকায় ছুড়ে দিচ্ছে ধ্বংসের গোলা।
এই বিমানগুলোর মাথায় বসানো হয়েছে এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা। যা যেকোনো মুহূর্তে নির্ণয় করতে পারে কোথায় আঘাত করা সবচেয়ে কার্যকর, সেকেন্ডের ভেতরেই বিশ্লেষণ করে নেয় পিছিয়ে যাবে, না পাল্টা আঘাত হানবে এবং নিজের ক্ষমতা যাচাই করে সর্বোচ্চ ফলাফল দিতে পারে, এমনকি ডগফাইটে জিতে যেতে পারে পাইলট চালিত বিমানের সঙ্গেও!
সম্প্রতি এভিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল নিউজ এক রিপোর্টে জানায়, সুইডেনের এই এআই চালিত যুদ্ধবিমানগুলো পরীক্ষামূলকভাবে সফলভাবে উড়েছে। এমনকি বাল্টিক সাগরের আকাশে একটি প্রতীকী যুদ্ধ মহড়ায় অংশ নিয়ে মানব-চালিত বিমানকে পরাজিত করে চমকে দিয়েছে সবার ধারণা। কোনো পাইলট ছাড়াই বিমান উড়েছে, কৌশল দেখিয়েছে, শত্রুকে আঘাত করেছে আর সবকিছু করেছে নিজের সিদ্ধান্তে।
জার্মানির প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা Helsing এই প্রকল্পে কাজ করেছে। গত ২৮ মে থেকে ৩ জুন, এই সময়ের মধ্যে সুইডেনের সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে তিন দফা পরীক্ষা চালানো হয়।
সবগুলোতেই এআই যুদ্ধবিমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়ন করেছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল পরিবর্তন করেছে, শত্রু লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং জরুরি অবস্থায় অবতরণও সম্পূর্ণ নিরাপদে করতে পেরেছে
এই পরীক্ষাগুলো যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে স্পষ্ট হয়েছে বিমানগুলো শুধু উড়তে পারে না, যুদ্ধও করতে পারে, এবং মানুষ ছাড়াই জয় ছিনিয়ে আনতে পারে।
সুইডেনের প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে, এই বিমান এখনো গবেষণার আওতায় রয়েছে। তবে প্রাথমিক সফলতার পর এটি বিশ্বের সামরিক প্রযুক্তি অঙ্গনে রীতিমতো বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। অনেক দেশই এখন এই প্রযুক্তির দিকে নজর দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিমানগুলো ভবিষ্যতের যুদ্ধকে পুরোপুরি বদলে দেবে। এটা শুধু একটি প্রযুক্তির প্রয়োগ নয়, এটি এমন এক যুগের ইঙ্গিত যেখানে যুদ্ধ হবে মানুষের চেয়ে বেশি যন্ত্রনির্ভর, আর সিদ্ধান্ত নেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

১২ মে, ২০২৬ ১২:২৩
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।

১১ মে, ২০২৬ ১৯:৪৫
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।

১১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৮
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস