
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
ফেনীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা পর্যায়ে ‘ইমাম সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ফেনী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক।
ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনীর উপপরিচালক মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনীর পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কোরায়েত বিন করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেনী সদর সুলতানা নাসরিন কান্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, জেলা তথ্য অফিসার এস এম আল আমিন।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে জনগণের মাঝে ভোটের গুরুত্ব ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
কারণ সাধারণ মানুষ ইমামদের কথাকে অধিক গুরুত্ব দেয়। তাই আগামী নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে একমাত্র ইমাম ও খতিবরা। এজন্য আমি গণভোট প্রচারে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা চাই।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনী জেলার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী ফালাহিয়া মাদ্রাসার মুহাদদ্দিস মাও. নুর মোহাম্মদ, শশদী দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইসমাইল হায়দারসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদের প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম, খতিব, ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
ফেনীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা পর্যায়ে ‘ইমাম সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ফেনী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক।
ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনীর উপপরিচালক মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনীর পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কোরায়েত বিন করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেনী সদর সুলতানা নাসরিন কান্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, জেলা তথ্য অফিসার এস এম আল আমিন।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে জনগণের মাঝে ভোটের গুরুত্ব ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
কারণ সাধারণ মানুষ ইমামদের কথাকে অধিক গুরুত্ব দেয়। তাই আগামী নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে একমাত্র ইমাম ও খতিবরা। এজন্য আমি গণভোট প্রচারে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা চাই।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনী জেলার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী ফালাহিয়া মাদ্রাসার মুহাদদ্দিস মাও. নুর মোহাম্মদ, শশদী দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইসমাইল হায়দারসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদের প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম, খতিব, ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩০
ভোটকেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে সীমানা নির্ধারণ করে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মফস্বল সাংবাদিকরা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা ফিতা হাতে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের চারপাশে ৪০০ গজ এলাকা মেপে দেখান। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত সাংবাদিক তানভীর তুহিন বলেন, মফস্বল এলাকার সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, তথ্য যাচাই, লাইভ আপডেট দেওয়া এবং দ্রুত অফিসে সংবাদ পাঠানোর জন্য পুরোপুরি মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভরশীল। মোবাইল ছাড়া সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের সঠিক তথ্য জানার অধিকার ক্ষুণ্ন হবে। মোবাইল নিয়ে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আশ্বাস
অপর এক সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় মোবাইল ফোনই মফস্বল সাংবাদিকদের প্রধান কর্মযন্ত্র। এ অবস্থায় মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ পেশাগতভাবে কার্যত অচল হয়ে পড়বে। এতে শুধু সাংবাদিকরাই নয়, পুরো গণমাধ্যম ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সাংবাদিকরা জানান, নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিপন্থি। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
কর্মসূচি চলাকালে সাংবাদিকরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি উপস্থাপন করেন এবং ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
ভোটকেন্দ্র থেকে ৪০০ গজ মেপে সীমানা নির্ধারণ করে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মফস্বল সাংবাদিকরা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা ফিতা হাতে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের চারপাশে ৪০০ গজ এলাকা মেপে দেখান। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত সাংবাদিক তানভীর তুহিন বলেন, মফস্বল এলাকার সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, তথ্য যাচাই, লাইভ আপডেট দেওয়া এবং দ্রুত অফিসে সংবাদ পাঠানোর জন্য পুরোপুরি মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভরশীল। মোবাইল ছাড়া সাংবাদিকতা কল্পনাই করা যায় না। এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের সঠিক তথ্য জানার অধিকার ক্ষুণ্ন হবে। মোবাইল নিয়ে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আশ্বাস
অপর এক সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় মোবাইল ফোনই মফস্বল সাংবাদিকদের প্রধান কর্মযন্ত্র। এ অবস্থায় মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ পেশাগতভাবে কার্যত অচল হয়ে পড়বে। এতে শুধু সাংবাদিকরাই নয়, পুরো গণমাধ্যম ব্যবস্থাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সাংবাদিকরা জানান, নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিপন্থি। তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
কর্মসূচি চলাকালে সাংবাদিকরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি উপস্থাপন করেন এবং ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.