
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৮
এবারই প্রথমবারের মতো দেশে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট। যেখানে রাষ্ট্র সংস্কারে জন্য ভোটাররা নিজেদের মতামত জানাবেন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অন্তবর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মতামত দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে ভোটারদের উৎসাহিত করছেন বলে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছে উপজেলার সাধারণ ভোটাররা।
গত ১৫ জানুয়ারি ইসিতে তারা এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চিঠিতে ভান্ডারিয়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নানা কারণে এবারের নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এরইমধ্যে ভোটের সকল প্রস্তুতি শেষ করেছেন নির্বাচন কমিশন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তারা এই নির্বাচন বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করছে। তাদের টার্গেট নির্বাচন বানচাল করা। এদের মধ্যে অন্যতম ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের স্বামী রাশিদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। যিনি ৫ আগস্টের আগে ঢাকায় টেন্ডার ও তদবির বাণিজ্যে যুক্ত ছিলেন।
এছাড়া ইউএনও’র আপন দেবর রাইসুল ইসলামও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। শুধু তাই নয় জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেশীয় অস্ত্র হাতে রাইসুল ইসলামকে হামলা করতে দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
তারা সবাই ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকা (ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা) ছাড়া। সম্প্রতি এই সন্ত্রাসী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে এনিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে সরকার।
ইউএনও রেহেনা আক্তারও ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ইউএনও’র পুরো পরিবার ও শ্বশুর বাড়ির পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত। জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
খোঁজ নিয়ে যানা যায়, বর্তমানে রাইসুল পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে (পিডিবিএফ) (নন ক্যাডার) হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগে কর্মরত। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুরে এসিল্যান্ড থাকাকালীন নিজের স্বামীর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বনের জমি নিয়ে নানা অনিয়ম করেছেন।
যা গণমাধ্যমে উঠে আসে দুই বছর আগে। ইউএনও’র গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর তাদের কেউ বাড়িতে নেই। বাড়ির আশপাশের লোকজন সোচ্চার হওয়ায় তারা এখন এলাকাছাড়া। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইউএনও পরিবারকে চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিহিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে ইউএনও রেহেনা বলেন, ভান্ডারিয়াবাসির জন্য এত কিছু করলাম আর তারা মিথ্যা অভিযোগ দেয়। এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিয়ে তো আর আমার হাতে নয়।
এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, কমিশনের কাছে যেকোন অভিযোগ আসলে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমার কাছে যেসব অভিযোগ আসে আমি উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দেই তারা প্রয়োজন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেয়।
এবারই প্রথমবারের মতো দেশে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট। যেখানে রাষ্ট্র সংস্কারে জন্য ভোটাররা নিজেদের মতামত জানাবেন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অন্তবর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মতামত দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে ভোটারদের উৎসাহিত করছেন বলে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছে উপজেলার সাধারণ ভোটাররা।
গত ১৫ জানুয়ারি ইসিতে তারা এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চিঠিতে ভান্ডারিয়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নানা কারণে এবারের নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এরইমধ্যে ভোটের সকল প্রস্তুতি শেষ করেছেন নির্বাচন কমিশন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তারা এই নির্বাচন বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করছে। তাদের টার্গেট নির্বাচন বানচাল করা। এদের মধ্যে অন্যতম ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের স্বামী রাশিদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। যিনি ৫ আগস্টের আগে ঢাকায় টেন্ডার ও তদবির বাণিজ্যে যুক্ত ছিলেন।
এছাড়া ইউএনও’র আপন দেবর রাইসুল ইসলামও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। শুধু তাই নয় জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেশীয় অস্ত্র হাতে রাইসুল ইসলামকে হামলা করতে দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
তারা সবাই ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকা (ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা) ছাড়া। সম্প্রতি এই সন্ত্রাসী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে এনিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে সরকার।
ইউএনও রেহেনা আক্তারও ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ইউএনও’র পুরো পরিবার ও শ্বশুর বাড়ির পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত। জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
খোঁজ নিয়ে যানা যায়, বর্তমানে রাইসুল পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে (পিডিবিএফ) (নন ক্যাডার) হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগে কর্মরত। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুরে এসিল্যান্ড থাকাকালীন নিজের স্বামীর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বনের জমি নিয়ে নানা অনিয়ম করেছেন।
যা গণমাধ্যমে উঠে আসে দুই বছর আগে। ইউএনও’র গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর তাদের কেউ বাড়িতে নেই। বাড়ির আশপাশের লোকজন সোচ্চার হওয়ায় তারা এখন এলাকাছাড়া। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইউএনও পরিবারকে চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিহিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে ইউএনও রেহেনা বলেন, ভান্ডারিয়াবাসির জন্য এত কিছু করলাম আর তারা মিথ্যা অভিযোগ দেয়। এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিয়ে তো আর আমার হাতে নয়।
এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, কমিশনের কাছে যেকোন অভিযোগ আসলে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমার কাছে যেসব অভিযোগ আসে আমি উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দেই তারা প্রয়োজন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেয়।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭