
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৮
এবারই প্রথমবারের মতো দেশে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট। যেখানে রাষ্ট্র সংস্কারে জন্য ভোটাররা নিজেদের মতামত জানাবেন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অন্তবর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মতামত দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে ভোটারদের উৎসাহিত করছেন বলে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছে উপজেলার সাধারণ ভোটাররা।
গত ১৫ জানুয়ারি ইসিতে তারা এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চিঠিতে ভান্ডারিয়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নানা কারণে এবারের নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এরইমধ্যে ভোটের সকল প্রস্তুতি শেষ করেছেন নির্বাচন কমিশন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তারা এই নির্বাচন বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করছে। তাদের টার্গেট নির্বাচন বানচাল করা। এদের মধ্যে অন্যতম ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের স্বামী রাশিদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। যিনি ৫ আগস্টের আগে ঢাকায় টেন্ডার ও তদবির বাণিজ্যে যুক্ত ছিলেন।
এছাড়া ইউএনও’র আপন দেবর রাইসুল ইসলামও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। শুধু তাই নয় জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেশীয় অস্ত্র হাতে রাইসুল ইসলামকে হামলা করতে দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
তারা সবাই ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকা (ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা) ছাড়া। সম্প্রতি এই সন্ত্রাসী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে এনিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে সরকার।
ইউএনও রেহেনা আক্তারও ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ইউএনও’র পুরো পরিবার ও শ্বশুর বাড়ির পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত। জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
খোঁজ নিয়ে যানা যায়, বর্তমানে রাইসুল পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে (পিডিবিএফ) (নন ক্যাডার) হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগে কর্মরত। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুরে এসিল্যান্ড থাকাকালীন নিজের স্বামীর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বনের জমি নিয়ে নানা অনিয়ম করেছেন।
যা গণমাধ্যমে উঠে আসে দুই বছর আগে। ইউএনও’র গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর তাদের কেউ বাড়িতে নেই। বাড়ির আশপাশের লোকজন সোচ্চার হওয়ায় তারা এখন এলাকাছাড়া। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইউএনও পরিবারকে চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিহিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে ইউএনও রেহেনা বলেন, ভান্ডারিয়াবাসির জন্য এত কিছু করলাম আর তারা মিথ্যা অভিযোগ দেয়। এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিয়ে তো আর আমার হাতে নয়।
এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, কমিশনের কাছে যেকোন অভিযোগ আসলে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমার কাছে যেসব অভিযোগ আসে আমি উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দেই তারা প্রয়োজন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেয়।
এবারই প্রথমবারের মতো দেশে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট। যেখানে রাষ্ট্র সংস্কারে জন্য ভোটাররা নিজেদের মতামত জানাবেন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অন্তবর্তীকালীন সরকার ইতোমধ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মতামত দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছে। কিন্তু পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে ভোটারদের উৎসাহিত করছেন বলে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছে উপজেলার সাধারণ ভোটাররা।
গত ১৫ জানুয়ারি ইসিতে তারা এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চিঠিতে ভান্ডারিয়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নানা কারণে এবারের নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এরইমধ্যে ভোটের সকল প্রস্তুতি শেষ করেছেন নির্বাচন কমিশন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তারা এই নির্বাচন বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করছে। তাদের টার্গেট নির্বাচন বানচাল করা। এদের মধ্যে অন্যতম ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের স্বামী রাশিদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। যিনি ৫ আগস্টের আগে ঢাকায় টেন্ডার ও তদবির বাণিজ্যে যুক্ত ছিলেন।
এছাড়া ইউএনও’র আপন দেবর রাইসুল ইসলামও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। শুধু তাই নয় জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দেশীয় অস্ত্র হাতে রাইসুল ইসলামকে হামলা করতে দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
তারা সবাই ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকা (ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা) ছাড়া। সম্প্রতি এই সন্ত্রাসী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তবে এনিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে সরকার।
ইউএনও রেহেনা আক্তারও ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ইউএনও’র পুরো পরিবার ও শ্বশুর বাড়ির পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত। জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
খোঁজ নিয়ে যানা যায়, বর্তমানে রাইসুল পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে (পিডিবিএফ) (নন ক্যাডার) হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগে কর্মরত। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুরে এসিল্যান্ড থাকাকালীন নিজের স্বামীর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বনের জমি নিয়ে নানা অনিয়ম করেছেন।
যা গণমাধ্যমে উঠে আসে দুই বছর আগে। ইউএনও’র গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর তাদের কেউ বাড়িতে নেই। বাড়ির আশপাশের লোকজন সোচ্চার হওয়ায় তারা এখন এলাকাছাড়া। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইউএনও পরিবারকে চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিহিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে ইউএনও রেহেনা বলেন, ভান্ডারিয়াবাসির জন্য এত কিছু করলাম আর তারা মিথ্যা অভিযোগ দেয়। এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিয়ে তো আর আমার হাতে নয়।
এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, কমিশনের কাছে যেকোন অভিযোগ আসলে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমার কাছে যেসব অভিযোগ আসে আমি উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দেই তারা প্রয়োজন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেয়।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৭
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৬

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২১
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস