
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১৯
মঙ্গলবারের সকালটি ছিল প্রকৃতির মতোই নিস্তব্ধ ও কুয়াশায় ঢাকা। কিন্তু সেই কুয়াশার চাদর ভেদ করেই মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এক হৃদয়বিদারক সংবাদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আবহাওয়ার বিষণ্নতা আর শোকসংবাদের ভারে যেন মুহূর্তেই কালো হয়ে ওঠে পুরো দেশ।
বরিশাল নগরীতে খবরটি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ছোটাছুটি। কোথাও নিঃশব্দ কান্না, কোথাও আহাজারি। সবার চোখেমুখে একটাই অনুভূতি দেশ ও জাতি তার সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান একজন অভিভাবককে হারালো।
বিএনপি কার্যালয়ে শোকের ঢল, কান্নায় ভেঙে পড়েন নেতারা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বরিশাল নগর ও জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। কার্যালয়ে শুরু হয় কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। সেখানে উপস্থিত মানুষদের অনেকেই যেন কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন।
বরিশালের উন্নয়নের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে নেতাকর্মীরা বলেন, তার হাত ধরেই বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি ৯টি জেলা নিয়ে দেশের পঞ্চম প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে বরিশাল বিভাগ গঠনের ঘোষণা দেন তিনি, যা তার শাসনামলেই বাস্তবায়িত হয়।
একই সময়ে বরিশাল বিমানবন্দরের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই এর উদ্বোধন করেন। তার শাসনামলে দেশের পঞ্চম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়। এছাড়াও তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়া বরিশাল বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, বরিশাল সার্কিট হাউজ, বরিশাল জেলা জজ আদালত ভবন উদ্বোধন করেন। তার উদ্যোগে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, বিকেএসপি, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির দক্ষিণের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন বলেন, নদীবেষ্টিত বরিশালে বেগম খালেদা জিয়া বারবার সফর করেছেন। তিনি লঞ্চে করে মুলাদী, হিজলা, বাকেরগঞ্জসহ প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নিতেন।
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার শিরিন বলেন, বরিশাল বিভাগের ইতিহাসের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার নাম চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বরিশাল বিভাগ তারই ঘোষণা এবং তার সময়েই বাস্তবায়ন হয়েছে। বিভাগের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় রয়েছে তার অবদান।
সাধারণ মানুষরাও বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেন, তার শাসনামলে দেশ ও বরিশালে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, যা মানুষ আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
মঙ্গলবারের সকালটি ছিল প্রকৃতির মতোই নিস্তব্ধ ও কুয়াশায় ঢাকা। কিন্তু সেই কুয়াশার চাদর ভেদ করেই মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এক হৃদয়বিদারক সংবাদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আবহাওয়ার বিষণ্নতা আর শোকসংবাদের ভারে যেন মুহূর্তেই কালো হয়ে ওঠে পুরো দেশ।
বরিশাল নগরীতে খবরটি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ছোটাছুটি। কোথাও নিঃশব্দ কান্না, কোথাও আহাজারি। সবার চোখেমুখে একটাই অনুভূতি দেশ ও জাতি তার সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান একজন অভিভাবককে হারালো।
বিএনপি কার্যালয়ে শোকের ঢল, কান্নায় ভেঙে পড়েন নেতারা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বরিশাল নগর ও জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। কার্যালয়ে শুরু হয় কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। সেখানে উপস্থিত মানুষদের অনেকেই যেন কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন।
বরিশালের উন্নয়নের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে নেতাকর্মীরা বলেন, তার হাত ধরেই বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি ৯টি জেলা নিয়ে দেশের পঞ্চম প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে বরিশাল বিভাগ গঠনের ঘোষণা দেন তিনি, যা তার শাসনামলেই বাস্তবায়িত হয়।
একই সময়ে বরিশাল বিমানবন্দরের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই এর উদ্বোধন করেন। তার শাসনামলে দেশের পঞ্চম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়। এছাড়াও তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়া বরিশাল বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, বরিশাল সার্কিট হাউজ, বরিশাল জেলা জজ আদালত ভবন উদ্বোধন করেন। তার উদ্যোগে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, বিকেএসপি, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির দক্ষিণের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন বলেন, নদীবেষ্টিত বরিশালে বেগম খালেদা জিয়া বারবার সফর করেছেন। তিনি লঞ্চে করে মুলাদী, হিজলা, বাকেরগঞ্জসহ প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নিতেন।
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার শিরিন বলেন, বরিশাল বিভাগের ইতিহাসের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার নাম চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বরিশাল বিভাগ তারই ঘোষণা এবং তার সময়েই বাস্তবায়ন হয়েছে। বিভাগের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় রয়েছে তার অবদান।
সাধারণ মানুষরাও বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেন, তার শাসনামলে দেশ ও বরিশালে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, যা মানুষ আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৬
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাতটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
নাম তার আকাশ হাওলাদার। কিন্তু শহরের বাসিন্দাদের কাছে তিনি মাসুদ ওরফে কালা মাসুদ নামে পরিচিত। তবে এই পরিচিতির বাইরে তার নামের পূর্বের একটি ভয়ংকর ট্যাগ রয়েছে, ‘ধারালো দা’ চালাতে পারদর্শী হওয়ায় তিনি ‘দাও মাসুদ’ নামেই সমাধিক পরিচিত। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা ঘেটে এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এই বাসিন্দা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বদৌলতে নিজের নামের পূর্বে এমন একটি বিশেষণ যুক্ত করতে পেরেছে, যা নিয়ে তিনি দম্ভোক্তিও করেন!
২৬ টি বিচারাধীন মামলায় অভিযুক্ত মাসুদ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বরিশাল শহরের পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে বাহিনীসমেত অস্ত্রের মহড়া দিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি করে। সেই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এনিয়ে বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালে মাসুদের ছবিসংবলিত একটি সংবাদ গুরুত্ব দিয়ে মোটাদাগে প্রকাশ করে। ১৭ জানুয়ারি ‘বরিশালে নয়া সন্ত্রাস কালা মাসুদের উত্থান’, গভীর রাতে বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মহড়া-আতঙ্ক, এই শিরোনাম সংবাদটি প্রকাশ পেলে তাকে বাগে আনতে দৌড়ঝাপ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের খবর প্রাপ্তির পরেই তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে অন্তর্ধানে চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ ওরফে দা মাসুদের বিরুদ্ধে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক, দস্যুতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগে অন্তত ২৫টির বেশি মামলা বিচারাধীন আছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশালের এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে বৃহস্পতিবার খুব সকালে তার গ্রামের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এসময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি চাপাতিসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এই সফল অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মাসুদ পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সেই ঘটনায় বরিশালটাইমস পত্রিকায় তাকে নিয়ে একটি নেতিবাচক একটি সংবাদ প্রকাশ করে। তখন তিনি গাঢাকা দেন এবং একপর্যায়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে আর আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিমুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, নয়া সন্ত্রাসী দাও মাসুদের অত্যাচারে গিলাতলী গ্রামের সাধারণ মানুষও ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান চালিয়ে মাসুদ ওরফে দাও মাসুদকে গিলাতলী গ্রামের বাসা থেকে পুলিশের জালে নিয়ে আসা হয়।
এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়। এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা টিপু সুলতান বরিশালটাইমসকে জানান, মাসুদকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত মঞ্জুর করলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, মন্তব্য করেন পুলিশ কর্মকর্তা।
কীর্তনখোলা নদীতীর জনপদের এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে পুলিশ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের খবর জনমনে স্বস্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাটসহ গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা-ব্যবসায়ীরা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছে।’
বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাতটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
নাম তার আকাশ হাওলাদার। কিন্তু শহরের বাসিন্দাদের কাছে তিনি মাসুদ ওরফে কালা মাসুদ নামে পরিচিত। তবে এই পরিচিতির বাইরে তার নামের পূর্বের একটি ভয়ংকর ট্যাগ রয়েছে, ‘ধারালো দা’ চালাতে পারদর্শী হওয়ায় তিনি ‘দাও মাসুদ’ নামেই সমাধিক পরিচিত। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা ঘেটে এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এই বাসিন্দা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বদৌলতে নিজের নামের পূর্বে এমন একটি বিশেষণ যুক্ত করতে পেরেছে, যা নিয়ে তিনি দম্ভোক্তিও করেন!
২৬ টি বিচারাধীন মামলায় অভিযুক্ত মাসুদ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বরিশাল শহরের পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে বাহিনীসমেত অস্ত্রের মহড়া দিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি করে। সেই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এনিয়ে বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালে মাসুদের ছবিসংবলিত একটি সংবাদ গুরুত্ব দিয়ে মোটাদাগে প্রকাশ করে। ১৭ জানুয়ারি ‘বরিশালে নয়া সন্ত্রাস কালা মাসুদের উত্থান’, গভীর রাতে বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মহড়া-আতঙ্ক, এই শিরোনাম সংবাদটি প্রকাশ পেলে তাকে বাগে আনতে দৌড়ঝাপ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের খবর প্রাপ্তির পরেই তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে অন্তর্ধানে চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ ওরফে দা মাসুদের বিরুদ্ধে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক, দস্যুতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগে অন্তত ২৫টির বেশি মামলা বিচারাধীন আছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশালের এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে বৃহস্পতিবার খুব সকালে তার গ্রামের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এসময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি চাপাতিসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এই সফল অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মাসুদ পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সেই ঘটনায় বরিশালটাইমস পত্রিকায় তাকে নিয়ে একটি নেতিবাচক একটি সংবাদ প্রকাশ করে। তখন তিনি গাঢাকা দেন এবং একপর্যায়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে আর আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিমুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, নয়া সন্ত্রাসী দাও মাসুদের অত্যাচারে গিলাতলী গ্রামের সাধারণ মানুষও ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান চালিয়ে মাসুদ ওরফে দাও মাসুদকে গিলাতলী গ্রামের বাসা থেকে পুলিশের জালে নিয়ে আসা হয়।
এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়। এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা টিপু সুলতান বরিশালটাইমসকে জানান, মাসুদকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত মঞ্জুর করলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, মন্তব্য করেন পুলিশ কর্মকর্তা।
কীর্তনখোলা নদীতীর জনপদের এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে পুলিশ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের খবর জনমনে স্বস্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাটসহ গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা-ব্যবসায়ীরা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছে।’
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৬