
১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০১:৪৬
বরিশাল শহরের ভাটারখাল এলাকার মূর্তিমাণ সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুম এবার পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছে। বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবককে শুক্রবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ধরতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়। মাসুমের নেতৃত্বে চালানো হামলায় উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ এই ঘটনায় স্ত্রী-ভাই-বোনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও সন্ত্রাসী মাসুম পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসা যুবককে ধরতে শহরে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাসুম হাওলাদার মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেও সে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলটির নেতাকর্মীদের সাথে গভীর সখ্যতা রেখে চলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সে বান্দরোডস্থ ভাটারখাল কলোনী নিয়ন্ত্রণ নেওয়াসহ আশপাশ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে একাধিক সহিংস পরিবেশ তৈরি করে, যা নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃত্ব সংক্ষুব্ধ।
সূত্র জানায়, বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারপন্থী ছাত্রদল নেতা মাসুম ৫ আগস্টের পরে প্রথম টার্গেট করে ভাটারখাল কলোনীর হালিম শাহ’র পরিবারকে। আওয়ামী লীগ ঘরনার এই পরিবারের একজন জিদনী শেখকে মাসুম এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে অর্ধপঙ্গু করে দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। মাসুমের সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতায় সবশেষ পরিবারটি এলাকা ত্যাগে বাধ্য হয়।
মাসুমের মূর্তিমাণ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরবর্তী রসুলপুর কলোনীর বাসিন্দা কবির মুন্সিও। চলতি বছরের শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের পদবিহীন কর্মী কবির মুন্সির অর্থ উপার্জনের একমাত্র বাহন স্পিডবোর্টটি আটকে রাখে এবং ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। মুন্সি বিভিন্ন স্থানে দৌড়ে কারও সহযোগিতা না পেয়ে শেষত্বক টাকা দিয়ে স্পিডবোর্টটি ছাড়িয়ে নেন।
এছাড়া ভাটারখালসহ আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিস্তারেও মাসুমের যোগসূত্র পাওয়া যায়। সূত্রগুলো জানায়, কলোনীর মাদক বিক্রেতারা সকলে সর্বদা মাসুমের নাম জপতে থাকেন। ৫ আগস্টের পরে সে এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কলোনীর বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ধরিয়ে দেয়।
তবে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মধ্যে বেশিমাত্রায় আলোচিত হয় জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনাটি। এই মামলার আসামি মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে গেলে তার হামলার শিকার হয় পুলিশ।
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামি ছাত্রদল নেতা মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে পুলিশ ভাটারখালে যায়। একপর্যায়ে তার বাসার দিয়ে পুলিশ সদস্যরা রওনা হলে তার নেতৃত্বে প্রথমে ইট ছোড়া হয়। পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে মাসুমের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করা হলেও পালিয়ে যায় মাসুম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ শুক্রবার রাতে মাসুমকেও আটক করেছিল, কিন্তু সে পুলিশ সদস্যের হাত কামড়ে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৭০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে। এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মাসুমসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ছাত্রদল নেতা মাসুমের এই সিরিজ সন্ত্রাসে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছেন ভাটারখালবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, মাসুমের ক্রমাগত সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম হচ্ছে, বিশেষ করে তার নেতা সরোয়ারকে বিতর্কিত করে চলছেন।
তবে মজিবর রহমান সরোয়ার বলছেন, তিনি বা তার দল বিএনপি সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা হবে না। দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ রাখারও সুযোগ আছে।
বরিশাল শহরের ভাটারখাল এলাকার মূর্তিমাণ সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুম এবার পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছে। বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবককে শুক্রবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ধরতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়। মাসুমের নেতৃত্বে চালানো হামলায় উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ এই ঘটনায় স্ত্রী-ভাই-বোনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও সন্ত্রাসী মাসুম পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসা যুবককে ধরতে শহরে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাসুম হাওলাদার মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেও সে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলটির নেতাকর্মীদের সাথে গভীর সখ্যতা রেখে চলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সে বান্দরোডস্থ ভাটারখাল কলোনী নিয়ন্ত্রণ নেওয়াসহ আশপাশ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে একাধিক সহিংস পরিবেশ তৈরি করে, যা নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃত্ব সংক্ষুব্ধ।
সূত্র জানায়, বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারপন্থী ছাত্রদল নেতা মাসুম ৫ আগস্টের পরে প্রথম টার্গেট করে ভাটারখাল কলোনীর হালিম শাহ’র পরিবারকে। আওয়ামী লীগ ঘরনার এই পরিবারের একজন জিদনী শেখকে মাসুম এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে অর্ধপঙ্গু করে দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। মাসুমের সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতায় সবশেষ পরিবারটি এলাকা ত্যাগে বাধ্য হয়।
মাসুমের মূর্তিমাণ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরবর্তী রসুলপুর কলোনীর বাসিন্দা কবির মুন্সিও। চলতি বছরের শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের পদবিহীন কর্মী কবির মুন্সির অর্থ উপার্জনের একমাত্র বাহন স্পিডবোর্টটি আটকে রাখে এবং ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। মুন্সি বিভিন্ন স্থানে দৌড়ে কারও সহযোগিতা না পেয়ে শেষত্বক টাকা দিয়ে স্পিডবোর্টটি ছাড়িয়ে নেন।
এছাড়া ভাটারখালসহ আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিস্তারেও মাসুমের যোগসূত্র পাওয়া যায়। সূত্রগুলো জানায়, কলোনীর মাদক বিক্রেতারা সকলে সর্বদা মাসুমের নাম জপতে থাকেন। ৫ আগস্টের পরে সে এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কলোনীর বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ধরিয়ে দেয়।
তবে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মধ্যে বেশিমাত্রায় আলোচিত হয় জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনাটি। এই মামলার আসামি মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে গেলে তার হামলার শিকার হয় পুলিশ।
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামি ছাত্রদল নেতা মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে পুলিশ ভাটারখালে যায়। একপর্যায়ে তার বাসার দিয়ে পুলিশ সদস্যরা রওনা হলে তার নেতৃত্বে প্রথমে ইট ছোড়া হয়। পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে মাসুমের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করা হলেও পালিয়ে যায় মাসুম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ শুক্রবার রাতে মাসুমকেও আটক করেছিল, কিন্তু সে পুলিশ সদস্যের হাত কামড়ে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৭০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে। এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মাসুমসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ছাত্রদল নেতা মাসুমের এই সিরিজ সন্ত্রাসে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছেন ভাটারখালবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, মাসুমের ক্রমাগত সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম হচ্ছে, বিশেষ করে তার নেতা সরোয়ারকে বিতর্কিত করে চলছেন।
তবে মজিবর রহমান সরোয়ার বলছেন, তিনি বা তার দল বিএনপি সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা হবে না। দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ রাখারও সুযোগ আছে।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.