Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০১:৪৬
বরিশাল শহরের ভাটারখাল এলাকার মূর্তিমাণ সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুম এবার পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছে। বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবককে শুক্রবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ধরতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়। মাসুমের নেতৃত্বে চালানো হামলায় উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ এই ঘটনায় স্ত্রী-ভাই-বোনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও সন্ত্রাসী মাসুম পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসা যুবককে ধরতে শহরে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাসুম হাওলাদার মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেও সে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলটির নেতাকর্মীদের সাথে গভীর সখ্যতা রেখে চলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সে বান্দরোডস্থ ভাটারখাল কলোনী নিয়ন্ত্রণ নেওয়াসহ আশপাশ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে একাধিক সহিংস পরিবেশ তৈরি করে, যা নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃত্ব সংক্ষুব্ধ।
সূত্র জানায়, বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারপন্থী ছাত্রদল নেতা মাসুম ৫ আগস্টের পরে প্রথম টার্গেট করে ভাটারখাল কলোনীর হালিম শাহ’র পরিবারকে। আওয়ামী লীগ ঘরনার এই পরিবারের একজন জিদনী শেখকে মাসুম এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে অর্ধপঙ্গু করে দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। মাসুমের সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতায় সবশেষ পরিবারটি এলাকা ত্যাগে বাধ্য হয়।
মাসুমের মূর্তিমাণ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরবর্তী রসুলপুর কলোনীর বাসিন্দা কবির মুন্সিও। চলতি বছরের শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের পদবিহীন কর্মী কবির মুন্সির অর্থ উপার্জনের একমাত্র বাহন স্পিডবোর্টটি আটকে রাখে এবং ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। মুন্সি বিভিন্ন স্থানে দৌড়ে কারও সহযোগিতা না পেয়ে শেষত্বক টাকা দিয়ে স্পিডবোর্টটি ছাড়িয়ে নেন।
এছাড়া ভাটারখালসহ আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিস্তারেও মাসুমের যোগসূত্র পাওয়া যায়। সূত্রগুলো জানায়, কলোনীর মাদক বিক্রেতারা সকলে সর্বদা মাসুমের নাম জপতে থাকেন। ৫ আগস্টের পরে সে এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কলোনীর বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ধরিয়ে দেয়।
তবে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মধ্যে বেশিমাত্রায় আলোচিত হয় জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনাটি। এই মামলার আসামি মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে গেলে তার হামলার শিকার হয় পুলিশ।
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামি ছাত্রদল নেতা মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে পুলিশ ভাটারখালে যায়। একপর্যায়ে তার বাসার দিয়ে পুলিশ সদস্যরা রওনা হলে তার নেতৃত্বে প্রথমে ইট ছোড়া হয়। পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে মাসুমের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করা হলেও পালিয়ে যায় মাসুম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ শুক্রবার রাতে মাসুমকেও আটক করেছিল, কিন্তু সে পুলিশ সদস্যের হাত কামড়ে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৭০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে। এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মাসুমসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ছাত্রদল নেতা মাসুমের এই সিরিজ সন্ত্রাসে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছেন ভাটারখালবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, মাসুমের ক্রমাগত সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম হচ্ছে, বিশেষ করে তার নেতা সরোয়ারকে বিতর্কিত করে চলছেন।
তবে মজিবর রহমান সরোয়ার বলছেন, তিনি বা তার দল বিএনপি সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা হবে না। দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ রাখারও সুযোগ আছে।
বরিশাল শহরের ভাটারখাল এলাকার মূর্তিমাণ সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুম এবার পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছে। বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবককে শুক্রবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ধরতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়। মাসুমের নেতৃত্বে চালানো হামলায় উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ এই ঘটনায় স্ত্রী-ভাই-বোনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও সন্ত্রাসী মাসুম পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসা যুবককে ধরতে শহরে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাসুম হাওলাদার মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেও সে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলটির নেতাকর্মীদের সাথে গভীর সখ্যতা রেখে চলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সে বান্দরোডস্থ ভাটারখাল কলোনী নিয়ন্ত্রণ নেওয়াসহ আশপাশ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে একাধিক সহিংস পরিবেশ তৈরি করে, যা নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃত্ব সংক্ষুব্ধ।
সূত্র জানায়, বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারপন্থী ছাত্রদল নেতা মাসুম ৫ আগস্টের পরে প্রথম টার্গেট করে ভাটারখাল কলোনীর হালিম শাহ’র পরিবারকে। আওয়ামী লীগ ঘরনার এই পরিবারের একজন জিদনী শেখকে মাসুম এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে অর্ধপঙ্গু করে দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। মাসুমের সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতায় সবশেষ পরিবারটি এলাকা ত্যাগে বাধ্য হয়।
মাসুমের মূর্তিমাণ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরবর্তী রসুলপুর কলোনীর বাসিন্দা কবির মুন্সিও। চলতি বছরের শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের পদবিহীন কর্মী কবির মুন্সির অর্থ উপার্জনের একমাত্র বাহন স্পিডবোর্টটি আটকে রাখে এবং ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। মুন্সি বিভিন্ন স্থানে দৌড়ে কারও সহযোগিতা না পেয়ে শেষত্বক টাকা দিয়ে স্পিডবোর্টটি ছাড়িয়ে নেন।
এছাড়া ভাটারখালসহ আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিস্তারেও মাসুমের যোগসূত্র পাওয়া যায়। সূত্রগুলো জানায়, কলোনীর মাদক বিক্রেতারা সকলে সর্বদা মাসুমের নাম জপতে থাকেন। ৫ আগস্টের পরে সে এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কলোনীর বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ধরিয়ে দেয়।
তবে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মধ্যে বেশিমাত্রায় আলোচিত হয় জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনাটি। এই মামলার আসামি মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে গেলে তার হামলার শিকার হয় পুলিশ।
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামি ছাত্রদল নেতা মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে পুলিশ ভাটারখালে যায়। একপর্যায়ে তার বাসার দিয়ে পুলিশ সদস্যরা রওনা হলে তার নেতৃত্বে প্রথমে ইট ছোড়া হয়। পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে মাসুমের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করা হলেও পালিয়ে যায় মাসুম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ শুক্রবার রাতে মাসুমকেও আটক করেছিল, কিন্তু সে পুলিশ সদস্যের হাত কামড়ে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৭০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে। এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মাসুমসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ছাত্রদল নেতা মাসুমের এই সিরিজ সন্ত্রাসে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছেন ভাটারখালবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, মাসুমের ক্রমাগত সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম হচ্ছে, বিশেষ করে তার নেতা সরোয়ারকে বিতর্কিত করে চলছেন।
তবে মজিবর রহমান সরোয়ার বলছেন, তিনি বা তার দল বিএনপি সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা হবে না। দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ রাখারও সুযোগ আছে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১