
১৫ জুন, ২০২৫ ১৮:৫২
রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার আওয়ামী লীগের এক নেতার ব্যক্তিগত গাড়িতে ঘুরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ অনুযায়ী, গত ১১ জুন গোদাগাড়ী উপজেলার খেতুরী ধামের সামনে একটি কালো রঙের প্রাইভেটকার থেকে নামেন বিশ্বনাথ সরকার, তার ভাতিজা অলোক সরকার আলো এবং সেন্টু সরকার নামের আরেক ব্যক্তি।
গাড়িটির মালিক গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ও সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা সুনন্দন দাস রতন। দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আলোচিত রতন স্থানীয়ভাবে রাজনীতিতেও সক্রিয়।
তিনি সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ এবং শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গদেব ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক সদস্য ছিলেন। তবে দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে ট্রাস্টি বোর্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়ে গাড়িচালক ইসরাইল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, গাড়িটি রতনের মালিকানাধীন এবং তিনি ১১ জুন রাজশাহী শহর থেকে ওই তিনজনকে নিয়ে খেতুরী ধামে গিয়েছিলেন। যদিও এ বিষয়ে সুনন্দন দাস রতনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, কারণ একাধিকবার ফোন করেও তিনি ফোন ধরেননি।
ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের অভিযোগ, অব্যাহতির পর রতন এখন পুরো বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছেন। গত মার্চে তিনি ধামে (মন্দির) তালা লাগানোর চেষ্টা করেছিলেন তার লোকজন পাঠিয়ে। এবার বিএনপি নেতাদের ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে।
তাদের অভিযোগ, বিশ্বনাথ সরকার বোর্ডকে জানিয়েছিলেন, ১৩ জুন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ধামে আসবেন। এই তথ্যকে ঘিরেই মিলনমেলা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। তবে পরে জানা যায়, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের কোনো আগমনের পরিকল্পনাই ছিল না। তার নাম ভাঙিয়ে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বৈঠক আয়োজনের চেষ্টাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
স্থানীয় বিএনপিপন্থি সংগঠন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নামে ওই ‘মিলনমেলা’ আয়োজনের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত তা অনুষ্ঠিত হয়নি। সংগঠনটি পরে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে, অনুষ্ঠানের আগের দিন মাটিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এহসানুল কবির টুকু সেখানে গিয়ে সহদেব কুমার পান্না নামে এক ভক্তকে মারধর করেন এবং ধাম থেকে বের করে দেন, যার ফলে অনুষ্ঠান বাতিল হয়।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টুকু। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় নেতার আগমনের খবরে প্রস্তুতি দেখতে তিনি ধামে যান এবং সেখানে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সহদেব কুমার পান্নাকে দেখতে পেয়ে তাকে বিএনপির আয়োজনে অংশ না নিতে বলেন। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, রোববার দুপুরে ধাম প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাস্টি বোর্ড হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের অভিযোগকে ‘পুরোপুরি মিথ্যা’ বলে দাবি করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বোর্ডের সভাপতি বিদ্যুৎ নারায়ণ সরকার। সঙ্গে ছিলেন ট্রাস্টি সদস্য শ্যামাপদ স্যানাল, গণেশ চন্দ্র ঘোষ, রামকুমার সাহা, বাবু মণ্ডল বাবু ও রাজানাথ পাল।
তারা জানান, ১১ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত ধামে অন্তত ৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। সেখানে কাউকে মারধরের সুযোগ ছিল না। সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও এমন কিছু দেখা যায়নি।
তারা আরও দাবি করেন, রতন ধামের ভেতর দিয়ে তার নিজস্ব জমিতে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন, যা ব্যক্তিস্বার্থে ছিল। এ কারণেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি বিশ্বনাথ সরকার ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দেবাশিষ রায় মধুকে ব্যবহার করে বোর্ড ভাঙার ষড়যন্ত্র করছেন।
বিশ্বনাথ সরকার যদিও দাবি করেছেন, তিনি রতনকে চিনেন না এবং তার গাড়িতে চড়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন, তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দেবাশিষ রায় মধু বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, এই ট্রাস্টি বোর্ডটি ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠদের দ্বারা গঠিত। আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের ইচ্ছানুযায়ী এটিকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি।
রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার আওয়ামী লীগের এক নেতার ব্যক্তিগত গাড়িতে ঘুরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ অনুযায়ী, গত ১১ জুন গোদাগাড়ী উপজেলার খেতুরী ধামের সামনে একটি কালো রঙের প্রাইভেটকার থেকে নামেন বিশ্বনাথ সরকার, তার ভাতিজা অলোক সরকার আলো এবং সেন্টু সরকার নামের আরেক ব্যক্তি।
গাড়িটির মালিক গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ও সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা সুনন্দন দাস রতন। দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আলোচিত রতন স্থানীয়ভাবে রাজনীতিতেও সক্রিয়।
তিনি সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ এবং শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গদেব ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক সদস্য ছিলেন। তবে দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে ট্রাস্টি বোর্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়ে গাড়িচালক ইসরাইল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, গাড়িটি রতনের মালিকানাধীন এবং তিনি ১১ জুন রাজশাহী শহর থেকে ওই তিনজনকে নিয়ে খেতুরী ধামে গিয়েছিলেন। যদিও এ বিষয়ে সুনন্দন দাস রতনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, কারণ একাধিকবার ফোন করেও তিনি ফোন ধরেননি।
ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের অভিযোগ, অব্যাহতির পর রতন এখন পুরো বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছেন। গত মার্চে তিনি ধামে (মন্দির) তালা লাগানোর চেষ্টা করেছিলেন তার লোকজন পাঠিয়ে। এবার বিএনপি নেতাদের ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে।
তাদের অভিযোগ, বিশ্বনাথ সরকার বোর্ডকে জানিয়েছিলেন, ১৩ জুন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ধামে আসবেন। এই তথ্যকে ঘিরেই মিলনমেলা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। তবে পরে জানা যায়, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের কোনো আগমনের পরিকল্পনাই ছিল না। তার নাম ভাঙিয়ে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বৈঠক আয়োজনের চেষ্টাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
স্থানীয় বিএনপিপন্থি সংগঠন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নামে ওই ‘মিলনমেলা’ আয়োজনের কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত তা অনুষ্ঠিত হয়নি। সংগঠনটি পরে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে, অনুষ্ঠানের আগের দিন মাটিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এহসানুল কবির টুকু সেখানে গিয়ে সহদেব কুমার পান্না নামে এক ভক্তকে মারধর করেন এবং ধাম থেকে বের করে দেন, যার ফলে অনুষ্ঠান বাতিল হয়।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টুকু। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় নেতার আগমনের খবরে প্রস্তুতি দেখতে তিনি ধামে যান এবং সেখানে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সহদেব কুমার পান্নাকে দেখতে পেয়ে তাকে বিএনপির আয়োজনে অংশ না নিতে বলেন। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে, রোববার দুপুরে ধাম প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাস্টি বোর্ড হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের অভিযোগকে ‘পুরোপুরি মিথ্যা’ বলে দাবি করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বোর্ডের সভাপতি বিদ্যুৎ নারায়ণ সরকার। সঙ্গে ছিলেন ট্রাস্টি সদস্য শ্যামাপদ স্যানাল, গণেশ চন্দ্র ঘোষ, রামকুমার সাহা, বাবু মণ্ডল বাবু ও রাজানাথ পাল।
তারা জানান, ১১ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত ধামে অন্তত ৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন। সেখানে কাউকে মারধরের সুযোগ ছিল না। সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও এমন কিছু দেখা যায়নি।
তারা আরও দাবি করেন, রতন ধামের ভেতর দিয়ে তার নিজস্ব জমিতে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করছিলেন, যা ব্যক্তিস্বার্থে ছিল। এ কারণেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি বিশ্বনাথ সরকার ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দেবাশিষ রায় মধুকে ব্যবহার করে বোর্ড ভাঙার ষড়যন্ত্র করছেন।
বিশ্বনাথ সরকার যদিও দাবি করেছেন, তিনি রতনকে চিনেন না এবং তার গাড়িতে চড়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন, তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা দেবাশিষ রায় মধু বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, এই ট্রাস্টি বোর্ডটি ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠদের দ্বারা গঠিত। আমরা হিন্দু সম্প্রদায়ের ইচ্ছানুযায়ী এটিকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.