Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৬
পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় উদ্ধার হওয়া দুই শতাধিক বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক পালতোলা নৌকা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে বৃষ্টিতে ভিজে রোদে শুকিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন এই নিদর্শনটি। এতে হতাশা প্রকাশ করছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।
তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নৌকাটি সংরক্ষণ এবং একটি জাদুঘর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। যাতে এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা পায়।
জানা যায়, ২০১২ সালে জেলেদের মাধ্যমে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বালুর নিচ থেকে নৌকাটির একটি অংশ প্রথম দেখা যায়।
পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কারিগরি সহায়তা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পৃক্ততায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌকাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাশে স্থাপন করা হয়।বাংলাদেশ সংবাদ
প্রায় ৭২ ফুট দৈর্ঘ্য, ২৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ৯০ টন ওজনের এই কাঠের নৌকাটি দুই শতাধিক বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, এটি রাখাইন সম্প্রদায়ের তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পালতোলা নৌকা।
উদ্ধারের সময় নৌকাটি থেকে তামার পেরেক, নারিকেলের ছোবড়া দিয়ে তৈরি রসি, ভাঙা মৃৎপাত্র, ধানের চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অংশবিশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন এবং লোহার বিশালাকৃতির শিকলসহ বিভিন্ন নিদর্শন উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী বর্তমানে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
তবে নৌকাটি উদ্ধারের পর প্রায় ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এর স্থায়ী সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো কিংবা রাত্রিকালীন আলোর ব্যবস্থাও। ফলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই নিদর্শনটি।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বছর আগে বার্মার আরাকান অঞ্চল থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন এই ধরনের নৌকায় করে বাংলাদেশ উপকূলে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রিয়াদ বলেন, কুয়াকাটায় এসে প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো একটি নৌকা দেখতে পেলাম। পাশে একটি সাইনবোর্ডে এর ইতিহাসও লেখা আছে। তবে এটিকে আরও ভালোভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
যশোর থেকে আসা পর্যটক আলিফ খান বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে এত পুরোনো একটি নৌকা দেখে ভালো লেগেছে। যারা কুয়াকাটায় আসবেন, তাদের এই নৌকাটি অবশ্যই দেখা উচিত।
রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক নিপুণ চৌধুরী বলেন, রাখাইনদের পুরোনো এই নৌকাটি দেখলাম। এটি ঐতিহাসিক সম্পদ। সরকার উদ্যোগ নিলে আরো ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।’
নৌকাটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মী মো. ফেরদৌস বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রায় অর্ধেকই এই নৌকাটি দেখতে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত উন্নয়ন ও সংরক্ষণের অভাবে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন। এটি একটি অমূল্য ঐতিহ্য যা দ্রুত সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু বলেন, এই পালতোলা নৌকা রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাহন। যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না, তখন রাখাইনরা এই নৌকায় করে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। আমাদের এই ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা কুয়াকাটাবাসী’র সভাপতি ও মহিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ বলেন, একটি জাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এই নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। না হলে বৃষ্টি ও রোদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক সময় এটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া আরিফুর রহমান বলেন, প্রাচীন এই কাঠের নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের এ ধরনের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়বে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় উদ্ধার হওয়া দুই শতাধিক বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক পালতোলা নৌকা দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে বৃষ্টিতে ভিজে রোদে শুকিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন এই নিদর্শনটি। এতে হতাশা প্রকাশ করছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা।
তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নৌকাটি সংরক্ষণ এবং একটি জাদুঘর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। যাতে এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা পায়।
জানা যায়, ২০১২ সালে জেলেদের মাধ্যমে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে বালুর নিচ থেকে নৌকাটির একটি অংশ প্রথম দেখা যায়।
পরে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কারিগরি সহায়তা ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সম্পৃক্ততায় ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নৌকাটি উদ্ধার করা হয়। এরপর কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার সংলগ্ন বেড়িবাঁধের পাশে স্থাপন করা হয়।বাংলাদেশ সংবাদ
প্রায় ৭২ ফুট দৈর্ঘ্য, ২৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ৯০ টন ওজনের এই কাঠের নৌকাটি দুই শতাধিক বছরের পুরোনো বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, এটি রাখাইন সম্প্রদায়ের তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী পালতোলা নৌকা।
উদ্ধারের সময় নৌকাটি থেকে তামার পেরেক, নারিকেলের ছোবড়া দিয়ে তৈরি রসি, ভাঙা মৃৎপাত্র, ধানের চিটা, পাটকাঠি, মাদুরের অংশবিশেষ, পাটের তৈরি ছালার নিদর্শন এবং লোহার বিশালাকৃতির শিকলসহ বিভিন্ন নিদর্শন উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রী বর্তমানে বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।
তবে নৌকাটি উদ্ধারের পর প্রায় ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এর স্থায়ী সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো কিংবা রাত্রিকালীন আলোর ব্যবস্থাও। ফলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক এই নিদর্শনটি।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বছর আগে বার্মার আরাকান অঞ্চল থেকে রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন এই ধরনের নৌকায় করে বাংলাদেশ উপকূলে এসে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রিয়াদ বলেন, কুয়াকাটায় এসে প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো একটি নৌকা দেখতে পেলাম। পাশে একটি সাইনবোর্ডে এর ইতিহাসও লেখা আছে। তবে এটিকে আরও ভালোভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
যশোর থেকে আসা পর্যটক আলিফ খান বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে এত পুরোনো একটি নৌকা দেখে ভালো লেগেছে। যারা কুয়াকাটায় আসবেন, তাদের এই নৌকাটি অবশ্যই দেখা উচিত।
রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক নিপুণ চৌধুরী বলেন, রাখাইনদের পুরোনো এই নৌকাটি দেখলাম। এটি ঐতিহাসিক সম্পদ। সরকার উদ্যোগ নিলে আরো ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব।’
নৌকাটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা কর্মী মো. ফেরদৌস বলেন, কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রায় অর্ধেকই এই নৌকাটি দেখতে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত উন্নয়ন ও সংরক্ষণের অভাবে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন। এটি একটি অমূল্য ঐতিহ্য যা দ্রুত সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহারের উপাধ্যক্ষ ইন্দ্র বংশ ভিক্ষু বলেন, এই পালতোলা নৌকা রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাহন। যখন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না, তখন রাখাইনরা এই নৌকায় করে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। আমাদের এই ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা কুয়াকাটাবাসী’র সভাপতি ও মহিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ বলেন, একটি জাদুঘর নির্মাণ করে রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত এই নৌকাটি সংরক্ষণ করা উচিত। না হলে বৃষ্টি ও রোদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এক সময় এটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়া আরিফুর রহমান বলেন, প্রাচীন এই কাঠের নৌকাটি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কুয়াকাটায় একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কুয়াকাটার উপকূলীয় অঞ্চলের এ ধরনের প্রাচীন নিদর্শনগুলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়বে এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

১৫ মে, ২০২৬ ১০:৩৪
‘সাগরকন্যা’ খ্যাত সমুদ্র সৈকতের টানে প্রতিনিয়ত হাজারো পর্যটক ভিড় করেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়। সমুদ্রের গর্জন, ঢেউয়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মুগ্ধ হন পর্যটকরা।
তেমনি কুয়াকাটার অন্যতম ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান ‘কুয়াকাটার কুয়া’। তবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে অবহেলায় পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এই নিদর্শনটি।
জানা গেছে, ১৭৮৪ সালে রাখাইন সম্প্রদায়ের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে এই কূপ খনন করা হয়। এই মিঠা পানির কুয়া থেকেই ‘কুয়াকাটা’ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। বর্তমানে এটি বৌদ্ধ বিহারের পাশে সংরক্ষিত থাকলেও নেই কোনো সাইনবোর্ড বা পরিচিতিমূলক নির্দেশনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুয়ার প্রবেশমুখে রয়েছে তারকাঁটার বেড়া। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই এটি ঐতিহাসিক কুয়াকাটার কুয়া। চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও পানির বোতল। কুয়ার ভেতরেও নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মশা ও পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে।
ঢাকা থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনের এমন অবস্থা খুবই হতাশাজনক। দ্রুত সংরক্ষণ করা উচিত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. সোহেল বলেন, কুয়াকাটার ইতিহাসের সঙ্গে এই কুয়াটির নাম জড়িত। অথচ অবহেলায় এর সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কলাপাড়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, ঐতিহাসিক এই স্থানটি সংরক্ষণের বিষয়ে আমরা গুরুত্ব সহকারে কাজ করছি। দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৪ মে, ২০২৬ ১৩:০৬
পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া চার স্কুলছাত্রীকে গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব ও পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা গার্মেন্টসে চাকরি করার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরে পারিবারিক অভিমান ও আবেগের কারণে তারা প্রায় ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গাজীপুরে চলে যায়। সেখানে তারা মৌচাক এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল।
ওসি আরও বলেন, ‘তারা একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সিভি তৈরির জন্য সহযোগিতা চায়। পরে ওই দোকান থেকেই তাদের ফোন নম্বর রেখে দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।’
বর্তমানে উদ্ধার চার শিক্ষার্থীকে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে।
উল্লেখ্য, এর আগে রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নের নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় তারা। এরপর থেকে তারা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের উদ্দার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

১৪ মে, ২০২৬ ১২:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে দীর্ঘদিন পর ধরা পড়েছে প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। বিরল এ ইলিশ ঘিরে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও আশার সঞ্চার।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাসিয়া এলাকার জেলে খলিল মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় বাজারে ইলিশটি প্রায় ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
জেলে খলিল মাঝি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে তিনি পায়রা নদীতে জাল ফেলেন। কিছুক্ষণ পর জাল তুলতে গিয়ে অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন। পরে জালে বড় আকৃতির একটি ইলিশ দেখতে পেয়ে তিনি বিস্মিত হন। মাছটি ওজন করলে প্রায় ২ কেজি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নদীতে মাছ ধরছি। কিন্তু এত বড় ইলিশ আগে কখনও পাইনি। মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।”
স্থানীয় জেলেরা জানান, পায়রা নদীতে এখন বড় আকারের ইলিশ খুব কমই ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন পর এমন বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তাদের ধারণা, নদীর পরিবেশ ও নাব্যতা অনুকূলে থাকায় ধীরে ধীরে আবারও বড় ইলিশের দেখা মিলতে পারে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরাও জানান, বড় আকৃতির ইলিশের চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।
‘সাগরকন্যা’ খ্যাত সমুদ্র সৈকতের টানে প্রতিনিয়ত হাজারো পর্যটক ভিড় করেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়। সমুদ্রের গর্জন, ঢেউয়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ও বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মুগ্ধ হন পর্যটকরা।
তেমনি কুয়াকাটার অন্যতম ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান ‘কুয়াকাটার কুয়া’। তবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে অবহেলায় পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এই নিদর্শনটি।
জানা গেছে, ১৭৮৪ সালে রাখাইন সম্প্রদায়ের সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে এই কূপ খনন করা হয়। এই মিঠা পানির কুয়া থেকেই ‘কুয়াকাটা’ নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। বর্তমানে এটি বৌদ্ধ বিহারের পাশে সংরক্ষিত থাকলেও নেই কোনো সাইনবোর্ড বা পরিচিতিমূলক নির্দেশনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুয়ার প্রবেশমুখে রয়েছে তারকাঁটার বেড়া। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই এটি ঐতিহাসিক কুয়াকাটার কুয়া। চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও পানির বোতল। কুয়ার ভেতরেও নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মশা ও পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে।
ঢাকা থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনের এমন অবস্থা খুবই হতাশাজনক। দ্রুত সংরক্ষণ করা উচিত।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. সোহেল বলেন, কুয়াকাটার ইতিহাসের সঙ্গে এই কুয়াটির নাম জড়িত। অথচ অবহেলায় এর সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কলাপাড়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, ঐতিহাসিক এই স্থানটি সংরক্ষণের বিষয়ে আমরা গুরুত্ব সহকারে কাজ করছি। দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া চার স্কুলছাত্রীকে গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব ও পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা গার্মেন্টসে চাকরি করার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরে পারিবারিক অভিমান ও আবেগের কারণে তারা প্রায় ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গাজীপুরে চলে যায়। সেখানে তারা মৌচাক এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিল।
ওসি আরও বলেন, ‘তারা একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সিভি তৈরির জন্য সহযোগিতা চায়। পরে ওই দোকান থেকেই তাদের ফোন নম্বর রেখে দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।’
বর্তমানে উদ্ধার চার শিক্ষার্থীকে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে।
উল্লেখ্য, এর আগে রোববার (১০ মে) সকালে উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নের নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় তারা। এরপর থেকে তারা নিখোঁজ ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো সানজিদা আক্তার (১২), ইসমত জেরিন (১২), সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) ও আয়শা আক্তার (১৫)।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের উদ্দার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে দীর্ঘদিন পর ধরা পড়েছে প্রায় ২ কেজি ওজনের একটি বড় ইলিশ। বিরল এ ইলিশ ঘিরে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও আশার সঞ্চার।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাসিয়া এলাকার জেলে খলিল মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় বাজারে ইলিশটি প্রায় ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
জেলে খলিল মাঝি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে তিনি পায়রা নদীতে জাল ফেলেন। কিছুক্ষণ পর জাল তুলতে গিয়ে অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন। পরে জালে বড় আকৃতির একটি ইলিশ দেখতে পেয়ে তিনি বিস্মিত হন। মাছটি ওজন করলে প্রায় ২ কেজি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নদীতে মাছ ধরছি। কিন্তু এত বড় ইলিশ আগে কখনও পাইনি। মাছটি ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে খুব আনন্দ লাগছে।”
স্থানীয় জেলেরা জানান, পায়রা নদীতে এখন বড় আকারের ইলিশ খুব কমই ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন পর এমন বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তাদের ধারণা, নদীর পরিবেশ ও নাব্যতা অনুকূলে থাকায় ধীরে ধীরে আবারও বড় ইলিশের দেখা মিলতে পারে।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরাও জানান, বড় আকৃতির ইলিশের চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।