
২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২২
ঝালকাঠির বুক চিরে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদী বহু বছর ধরে যেমন মানুষের জীবন গড়েছে, তেমনি প্রতিবর্ষায় ভয়াবহ ভাঙনের দুঃসহ অভিজ্ঞতাও হাজির করেছে নদীপারের মানুষের সামনে। বাড়িঘর ভেঙে নদীতে বিলীন হওয়া, চাষের জমি হারানো আর প্রতিদিনের অনিশ্চয়তা এক অদৃশ্য আতঙ্ক জন্ম দিয়েছিল এ অঞ্চলের মানুষের জীবনে।
সেই দীর্ঘ দুর্ভোগ কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের কাছাকাছি। সুগন্ধা নদীর ভাঙন হতে সদর ও নলছটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর হাতে নেওয়া প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে, যা নদীপারের জনজীবনে নতুন আশার আলো ছড়িয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় এখন প্রতিদিনই দেখা যায় শ্রমিকদের ব্যস্ত সময়। নদীতীরে স্থাপন করা হচ্ছে সুরক্ষা বাঁধ। জিও ব্যাগ ও সিমেন্ট কংক্রিটের ব্লক ফেলে গড়ে তোলা হচ্ছে আধুনিক নদীশাসন কাঠামো।
কর্মকর্তারা জানান, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন ১৩.২১৫ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের বিষয়টি মাথায় রেখে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নদীর স্রোতের ধরন, মাটির গঠন এবং ভাঙনপ্রবণতার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় নদীতীর দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তারা।
স্থানীয়রা জানায়, ইতোমধ্যে পরিবর্তনের ছোঁয়া টের পাচ্ছেন তারা। কয়েক মাস আগেও যারা ভয়ে নিজের বসতবাড়িতে বিনিয়োগ করতে পারছিলেন না, এখন তারা নতুন ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন।
কৃষকরা নিশ্চিন্তে আগাম মৌসুমের ফসল ফলানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভাঙনের ভয় কমে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি এসেছে। নদীর পাড়ঘেঁষা জমির দামও বেড়েছে কয়েকগুণ, যা স্থানীয় অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘সুগন্ধা নদীর ভাঙন রোধ শুধু একটি প্রকল্প নয়—এটি নদীপারের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মানুষ আবাসন ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আরেকটি নিরাপদ বাস্তবতায় প্রবেশ করবে।
প্রকল্পকে সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গঠিত টাস্কফোর্স কমিটি নিয়মিত কাজের গুণগত মান যাচাই করছে এবং নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ হচ্ছে কিনা, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এ কারণে পুরো প্রকল্পটি নিরাপদ, মানসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই প্রকল্প শুধু ভাঙন ঠেকিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি রক্ষাই করবে না; বরং ঝালকাঠির সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন পথ খুলে দেবে। নদীপারে গড়ে উঠবে নতুন বাজার, নতুন কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং টেকসই পরিবেশবান্ধব বসতি।
সব মিলিয়ে, সুগন্ধা নদী সংরক্ষণ প্রকল্প এখন ঝালকাঠির মানুষের সামনে নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং উন্নয়নমুখী ভবিষ্যতের দ্বার উন্মোচিত করছে। প্রকল্পটি শেষ হলে সুগন্ধা নদীর তীর শুধু ভাঙনমুক্তই হবে না—এটি রূপ নেবে টেকসই উন্নয়নের এক অনন্য সম্ভাবনাময় অঞ্চলে।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ঝালকাঠি জেলায় নদীভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে।
ঝালকাঠির বুক চিরে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদী বহু বছর ধরে যেমন মানুষের জীবন গড়েছে, তেমনি প্রতিবর্ষায় ভয়াবহ ভাঙনের দুঃসহ অভিজ্ঞতাও হাজির করেছে নদীপারের মানুষের সামনে। বাড়িঘর ভেঙে নদীতে বিলীন হওয়া, চাষের জমি হারানো আর প্রতিদিনের অনিশ্চয়তা এক অদৃশ্য আতঙ্ক জন্ম দিয়েছিল এ অঞ্চলের মানুষের জীবনে।
সেই দীর্ঘ দুর্ভোগ কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের কাছাকাছি। সুগন্ধা নদীর ভাঙন হতে সদর ও নলছটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর হাতে নেওয়া প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে, যা নদীপারের জনজীবনে নতুন আশার আলো ছড়িয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় এখন প্রতিদিনই দেখা যায় শ্রমিকদের ব্যস্ত সময়। নদীতীরে স্থাপন করা হচ্ছে সুরক্ষা বাঁধ। জিও ব্যাগ ও সিমেন্ট কংক্রিটের ব্লক ফেলে গড়ে তোলা হচ্ছে আধুনিক নদীশাসন কাঠামো।
কর্মকর্তারা জানান, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন ১৩.২১৫ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বের বিষয়টি মাথায় রেখে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নদীর স্রোতের ধরন, মাটির গঠন এবং ভাঙনপ্রবণতার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় নদীতীর দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তারা।
স্থানীয়রা জানায়, ইতোমধ্যে পরিবর্তনের ছোঁয়া টের পাচ্ছেন তারা। কয়েক মাস আগেও যারা ভয়ে নিজের বসতবাড়িতে বিনিয়োগ করতে পারছিলেন না, এখন তারা নতুন ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন।
কৃষকরা নিশ্চিন্তে আগাম মৌসুমের ফসল ফলানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভাঙনের ভয় কমে যাওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি এসেছে। নদীর পাড়ঘেঁষা জমির দামও বেড়েছে কয়েকগুণ, যা স্থানীয় অর্থনীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘সুগন্ধা নদীর ভাঙন রোধ শুধু একটি প্রকল্প নয়—এটি নদীপারের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মানুষ আবাসন ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আরেকটি নিরাপদ বাস্তবতায় প্রবেশ করবে।
প্রকল্পকে সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গঠিত টাস্কফোর্স কমিটি নিয়মিত কাজের গুণগত মান যাচাই করছে এবং নকশা অনুযায়ী নির্মাণকাজ হচ্ছে কিনা, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এ কারণে পুরো প্রকল্পটি নিরাপদ, মানসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই প্রকল্প শুধু ভাঙন ঠেকিয়ে মানুষের ঘরবাড়ি রক্ষাই করবে না; বরং ঝালকাঠির সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন পথ খুলে দেবে। নদীপারে গড়ে উঠবে নতুন বাজার, নতুন কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং টেকসই পরিবেশবান্ধব বসতি।
সব মিলিয়ে, সুগন্ধা নদী সংরক্ষণ প্রকল্প এখন ঝালকাঠির মানুষের সামনে নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং উন্নয়নমুখী ভবিষ্যতের দ্বার উন্মোচিত করছে। প্রকল্পটি শেষ হলে সুগন্ধা নদীর তীর শুধু ভাঙনমুক্তই হবে না—এটি রূপ নেবে টেকসই উন্নয়নের এক অনন্য সম্ভাবনাময় অঞ্চলে।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ঝালকাঠি জেলায় নদীভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এগুলো বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৯
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮