
১৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৯
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপকূলীয় জনপদ কুয়াকাটায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদার। আজ মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তার নিজ বাড়িতে প্রায় পাঁচ হাজার অসহায় ও দুস্থ নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।
সকাল থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নারীরা দলে দলে এসে জড়ো হন আনোয়ার হাওলাদারের বাড়ির সামনে। কেউ এসেছেন পরিবারের জন্য, কেউবা নিজের জন্য একটি নতুন শাড়ির আশায়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তাদের মাঝে ছিল না কোনো বিরক্তি বরং ঈদের আগে এমন একটি উপহার পাওয়ার আনন্দই ছিল মুখ্য।
জানাগেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, যাতে কেউ ভোগান্তিতে না পড়েন।
শাড়ি নিতে আসা অনেকেই জানান, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নতুন কাপড় কেনা অনেকের পক্ষেই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সেখানে এমন উদ্যোগ তাদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে।
এক উপকারভোগী বলেন, আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য এই শাড়ি অনেক বড় পাওয়া। অন্তত ঈদের দিন নতুন কাপড় পরে আনন্দ করতে পারবো।
এ বিষয়ে আনোয়ার হাওলাদার বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করা। সমাজের সামর্থ্যবানরা যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। আমি চেষ্টা করেছি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তা নয় বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কুয়াকাটার মতো পর্যটননির্ভর এলাকায় যেখানে অনেক পরিবার মৌসুমি আয়ের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে ঈদের আগে এই ধরনের সহায়তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
আনোয়ার হাওলাদারের এই উদ্যোগ কেবল শাড়ি বিতরণে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি সমাজের অস্বচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি মানবিক বার্তা। ঈদের আনন্দ যেন সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে-এই প্রত্যাশায় এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে উপকূলীয় জনপদ কুয়াকাটায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পৌরসভার সাবেক মেয়র আনোয়ার হাওলাদার। আজ মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তার নিজ বাড়িতে প্রায় পাঁচ হাজার অসহায় ও দুস্থ নারীর মাঝে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।
সকাল থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নারীরা দলে দলে এসে জড়ো হন আনোয়ার হাওলাদারের বাড়ির সামনে। কেউ এসেছেন পরিবারের জন্য, কেউবা নিজের জন্য একটি নতুন শাড়ির আশায়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তাদের মাঝে ছিল না কোনো বিরক্তি বরং ঈদের আগে এমন একটি উপহার পাওয়ার আনন্দই ছিল মুখ্য।
জানাগেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, যাতে কেউ ভোগান্তিতে না পড়েন।
শাড়ি নিতে আসা অনেকেই জানান, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নতুন কাপড় কেনা অনেকের পক্ষেই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সেখানে এমন উদ্যোগ তাদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে।
এক উপকারভোগী বলেন, আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য এই শাড়ি অনেক বড় পাওয়া। অন্তত ঈদের দিন নতুন কাপড় পরে আনন্দ করতে পারবো।
এ বিষয়ে আনোয়ার হাওলাদার বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করা। সমাজের সামর্থ্যবানরা যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। আমি চেষ্টা করেছি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের মতে, এমন উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তা নয় বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কুয়াকাটার মতো পর্যটননির্ভর এলাকায় যেখানে অনেক পরিবার মৌসুমি আয়ের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে ঈদের আগে এই ধরনের সহায়তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
আনোয়ার হাওলাদারের এই উদ্যোগ কেবল শাড়ি বিতরণে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি সমাজের অস্বচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি মানবিক বার্তা। ঈদের আনন্দ যেন সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে-এই প্রত্যাশায় এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দ্রুতগতির ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা (স্থানীয় নাম টমটম) চাপায় সুলতানা আক্তার (২২) নামে এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলার রানীপুর পূর্ব দেউলী বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন চৌরাস্তা মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুলতানা আক্তার বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার দক্ষিণ করুনা গ্রামের মো. সুলতান ও তুলি বেগমের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুলতানা আক্তার চৌরাস্তার সিকদার মার্কেটের একটি ফ্লেক্সিলোডের দোকান থেকে টাকা রিচার্জ করে ঢাকা-বরগুনা মহাসড়ক পার হয়ে পশ্চিম পাশে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বরগুনা থেকে ধেয়ে আসা একটি দ্রুতগামী অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা মির্জাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক হোসেন জানান, ঘাতক অটোরিকশাটিতে চাল পরিবহন করা হচ্ছিল। চালক ছিলেন বরগুনা জেলার পশ্চিম কেওড়াবুনিয়া এলাকার মো. ইব্রাহিম গাজীর ছেলে শামিম গাজী (২২)। তাকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, গাড়িটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আসছিল। চালক ব্রেক করার কোনো চেষ্টাই করেননি; করলে হয়তো মেয়েটিকে বাঁচানো যেত। এছাড়া গাড়িটির কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই এবং চালকের কোনো লাইসেন্সও নেই।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, ঘাতক চালককে আটক করা হয়েছে। অবৈধ যানবাহন এবং লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দ্রুতগতির ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা (স্থানীয় নাম টমটম) চাপায় সুলতানা আক্তার (২২) নামে এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলার রানীপুর পূর্ব দেউলী বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন চৌরাস্তা মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুলতানা আক্তার বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার দক্ষিণ করুনা গ্রামের মো. সুলতান ও তুলি বেগমের মেয়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুলতানা আক্তার চৌরাস্তার সিকদার মার্কেটের একটি ফ্লেক্সিলোডের দোকান থেকে টাকা রিচার্জ করে ঢাকা-বরগুনা মহাসড়ক পার হয়ে পশ্চিম পাশে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বরগুনা থেকে ধেয়ে আসা একটি দ্রুতগামী অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা মির্জাগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক হোসেন জানান, ঘাতক অটোরিকশাটিতে চাল পরিবহন করা হচ্ছিল। চালক ছিলেন বরগুনা জেলার পশ্চিম কেওড়াবুনিয়া এলাকার মো. ইব্রাহিম গাজীর ছেলে শামিম গাজী (২২)। তাকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, গাড়িটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আসছিল। চালক ব্রেক করার কোনো চেষ্টাই করেননি; করলে হয়তো মেয়েটিকে বাঁচানো যেত। এছাড়া গাড়িটির কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই এবং চালকের কোনো লাইসেন্সও নেই।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, ঘাতক চালককে আটক করা হয়েছে। অবৈধ যানবাহন এবং লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৫
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামে রাস্তায় বেড়া দিয়ে অন্তত ১০টি পরিবারের চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা মনির ফকির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত একটি চলাচলের রাস্তা হঠাৎ করেই বেড়া দিয়ে বন্ধ করে সেখানে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে তারা বাড়ি থেকে বের হতে এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।
এ ঘটনায় অভিযোগকারী নুর ইসলাম (১৩), মো. ফোরকান আলী (২২), আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার (৮০), ফাতেমা বেগম (৪০), রুপবান বিবি (৭৫) ও কবির হাওলাদার (৪৫) অভিযোগ করে বলেন, কোনো পূর্ব নোটিশ বা বৈধ কারণ ছাড়াই প্রতিবেশী লেবুখালী ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক মনির ফকির (৪৫)-এর নেতৃত্বে শাহজাহান সিকদার (৫৩) ও আইয়ুব আলী শরীফ (৬০) গং ক্ষমতার দাপটে তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এতে ওই এলাকার অন্তত ১০টি পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত রাস্তা উন্মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামে রাস্তায় বেড়া দিয়ে অন্তত ১০টি পরিবারের চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা মনির ফকির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত একটি চলাচলের রাস্তা হঠাৎ করেই বেড়া দিয়ে বন্ধ করে সেখানে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে তারা বাড়ি থেকে বের হতে এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।
এ ঘটনায় অভিযোগকারী নুর ইসলাম (১৩), মো. ফোরকান আলী (২২), আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার (৮০), ফাতেমা বেগম (৪০), রুপবান বিবি (৭৫) ও কবির হাওলাদার (৪৫) অভিযোগ করে বলেন, কোনো পূর্ব নোটিশ বা বৈধ কারণ ছাড়াই প্রতিবেশী লেবুখালী ইউনিয়ন বিএনপির ৯ নম্বর ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক মনির ফকির (৪৫)-এর নেতৃত্বে শাহজাহান সিকদার (৫৩) ও আইয়ুব আলী শরীফ (৬০) গং ক্ষমতার দাপটে তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। এতে ওই এলাকার অন্তত ১০টি পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত রাস্তা উন্মুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৪
পটুয়াখালীর বাউফলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের এক নেতা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠান চলাকালীন এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
আহত জামায়াত নেতার নাম ওহিদুজ্জামান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে রূপ নেয়। এরপর কিছুক্ষণ পরিস্থিতি শান্ত থাকার পর পুনরায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহম্মেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার, জামায়াতে ইসলামী বাউফল উপজেলার আমির মাওলানা ইসাহাক মিয়াসহ প্রশাসন, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জামায়াতের এক নেতা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠান চলাকালীন এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
আহত জামায়াত নেতার নাম ওহিদুজ্জামান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠানে বসার স্থান নিয়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে রূপ নেয়। এরপর কিছুক্ষণ পরিস্থিতি শান্ত থাকার পর পুনরায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহম্মেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অনুষ্ঠানে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার, জামায়াতে ইসলামী বাউফল উপজেলার আমির মাওলানা ইসাহাক মিয়াসহ প্রশাসন, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.