
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মিনু আক্তারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ১ নম্বর মহতর পাড়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মন্নান আজাদ।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য মিনু আক্তার আনোয়ারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের প্রকল্প বরাদ্দ নিয়ে ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি আলোচনা সভা চলছিল। সভায় প্রকল্পের বরাদ্দ সংক্রান্ত বিষয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মিনু আক্তারকে মারধর করেন।
স্থানীয়রা জানান, ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান একজন দুর্নীতিগ্রস্ত জনপ্রতিনিধি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি মহতর ওয়ার্ডের একটি সরকারি সড়ক নির্মাণের সামগ্রী—কংক্রিট, সিমেন্ট ও বালু—আত্মসাৎ করে নিজের ঘরের ডালাইয়ের কাজে ব্যবহার করেন তিনি। এ ঘটনায় মহতর পাড়া গ্রামের সচেতন নাগরিকবৃন্দ গত ১৩ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং সরকারি উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য মিনু আক্তার জানান, আজ পরিষদে বরাদ্দ নিয়ে একটি মিটিং ছিল। ইউএনও ম্যাডাম চারটি বরাদ্দ কনফার্ম করে দিয়েছেন। এর বাইরে যেসব প্রয়োজনীয় বিষয় আছে, সেগুলো দেওয়ার কথা বলেছেন। আমি পরিষদের সচিবের কাছে আমার এলাকার একটি প্রয়োজনীয় সড়কের জন্য বরাদ্দ চাই। সচিব ও অন্যান্য সদস্যরা এতে সম্মত হন। তখন মান্নান মেম্বার উঠে বলেন, এটা দেওয়া যাবে না এবং তিনি বলেন, এটা কীভাবে করা হয় তিনি দেখে নেবেন। তখন আমি বলি, আমি এটা করবো। এ কথা বলার পর তিনি আমাকে ইউনিয়ন পরিষদের ভেতর মারধর করে আহত করেন। আমি এর বিচার চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সামান্য একটি বিষয় নিয়ে তিনি আমার দিকে তেড়ে এসেছেন। এ কারণে আমি তার নাকে একটি চড় মেরেছি। এতে নাক ফেটে গেছে।
বরিশাল টাইমস
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মন্নান আজাদ। ছবি - সংগৃহীত
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মিনু আক্তারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ১ নম্বর মহতর পাড়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মন্নান আজাদ।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য মিনু আক্তার আনোয়ারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের প্রকল্প বরাদ্দ নিয়ে ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি আলোচনা সভা চলছিল। সভায় প্রকল্পের বরাদ্দ সংক্রান্ত বিষয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মিনু আক্তারকে মারধর করেন।
স্থানীয়রা জানান, ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান একজন দুর্নীতিগ্রস্ত জনপ্রতিনিধি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি মহতর ওয়ার্ডের একটি সরকারি সড়ক নির্মাণের সামগ্রী—কংক্রিট, সিমেন্ট ও বালু—আত্মসাৎ করে নিজের ঘরের ডালাইয়ের কাজে ব্যবহার করেন তিনি। এ ঘটনায় মহতর পাড়া গ্রামের সচেতন নাগরিকবৃন্দ গত ১৩ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং সরকারি উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তাকে দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য মিনু আক্তার জানান, আজ পরিষদে বরাদ্দ নিয়ে একটি মিটিং ছিল। ইউএনও ম্যাডাম চারটি বরাদ্দ কনফার্ম করে দিয়েছেন। এর বাইরে যেসব প্রয়োজনীয় বিষয় আছে, সেগুলো দেওয়ার কথা বলেছেন। আমি পরিষদের সচিবের কাছে আমার এলাকার একটি প্রয়োজনীয় সড়কের জন্য বরাদ্দ চাই। সচিব ও অন্যান্য সদস্যরা এতে সম্মত হন। তখন মান্নান মেম্বার উঠে বলেন, এটা দেওয়া যাবে না এবং তিনি বলেন, এটা কীভাবে করা হয় তিনি দেখে নেবেন। তখন আমি বলি, আমি এটা করবো। এ কথা বলার পর তিনি আমাকে ইউনিয়ন পরিষদের ভেতর মারধর করে আহত করেন। আমি এর বিচার চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সামান্য একটি বিষয় নিয়ে তিনি আমার দিকে তেড়ে এসেছেন। এ কারণে আমি তার নাকে একটি চড় মেরেছি। এতে নাক ফেটে গেছে।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২১

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১০
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৯
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩