
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৩
ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৪ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে উভয়গ্রুপ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১টার দিকে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন এবং যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, মিজান গ্রুপের মধ্যে শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের ৪ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমিন (২৫) এবং রুবেল (৩৫)। আহদের মধ্যে আল-আমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শ্রমিক দল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, ২০১৭ সালে আ’লীগ ক্যাডাররা আমার বাজার দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। আমাকে মারপিট করে উলঙ্গ করে ফেলে সন্ত্রাসীরা। পরে ২০১৮ সালে সুইচঘাটে সাবেক শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারে তালুকদার মার্কেটে একটি দোকান দেই। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দোকনের চাবি সবুজ তালুকদারের নিকটে গচ্ছিত রেখে যাই। আদালত আমাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করলে, আমি ১ মাসেরও বেশি সময় জেল খেটে এসে দেখি আমার দোকানের সকল মালামাল সবুজ এবং তার ভাই রিয়াজ মিলে লুট করে গেছে। ৫ আগস্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে তা পাইনি। আজ মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস এবং মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলা করে।
যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন হাওলাদার জানান, ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে গালিগালাজ, মারপিট করে। এ সময় রুবেল বাধা দিলে তাকে মারপিট করা হয়। এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদেরকে প্রতিহত করতে গেলে সেখানে উভয়গ্রুপের মধ্যে সংঘাতে রূপ নেয়। এতে আমাদের রুবেল, ইলিয়াছ এবং আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৪ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে উভয়গ্রুপ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১টার দিকে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন এবং যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, মিজান গ্রুপের মধ্যে শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের ৪ জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমিন (২৫) এবং রুবেল (৩৫)। আহদের মধ্যে আল-আমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শ্রমিক দল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, ২০১৭ সালে আ’লীগ ক্যাডাররা আমার বাজার দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। আমাকে মারপিট করে উলঙ্গ করে ফেলে সন্ত্রাসীরা। পরে ২০১৮ সালে সুইচঘাটে সাবেক শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারে তালুকদার মার্কেটে একটি দোকান দেই। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দোকনের চাবি সবুজ তালুকদারের নিকটে গচ্ছিত রেখে যাই। আদালত আমাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করলে, আমি ১ মাসেরও বেশি সময় জেল খেটে এসে দেখি আমার দোকানের সকল মালামাল সবুজ এবং তার ভাই রিয়াজ মিলে লুট করে গেছে। ৫ আগস্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে তা পাইনি। আজ মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস এবং মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলা করে।
যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন হাওলাদার জানান, ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে গালিগালাজ, মারপিট করে। এ সময় রুবেল বাধা দিলে তাকে মারপিট করা হয়। এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদেরকে প্রতিহত করতে গেলে সেখানে উভয়গ্রুপের মধ্যে সংঘাতে রূপ নেয়। এতে আমাদের রুবেল, ইলিয়াছ এবং আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৬
ভোলার লালমোহন পৌরশহরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী পিকআপ ও যাত্রীবাহী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে লালমোহন উপজেলা গেট সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বদরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জান্টু পরান (৫৫), বশির আহমেদ (৪৫), কাশেম (৪০), মো. শহিদ (৪০), রাসেল (৩০) ও শরীফ (২০)।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে লালমোহন বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা উপজেলা গেট এলাকার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গ্যাস সিলিন্ডারবোঝাই পিকআপের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, আহতদের মধ্যে রাসেল ও বশির আহমেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো (রেফার্ড) হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পিকআপটিকে জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ভোলার লালমোহন পৌরশহরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী পিকআপ ও যাত্রীবাহী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে লালমোহন উপজেলা গেট সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, বদরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জান্টু পরান (৫৫), বশির আহমেদ (৪৫), কাশেম (৪০), মো. শহিদ (৪০), রাসেল (৩০) ও শরীফ (২০)।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে লালমোহন বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে একটি অটোরিকশা উপজেলা গেট এলাকার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গ্যাস সিলিন্ডারবোঝাই পিকআপের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, আহতদের মধ্যে রাসেল ও বশির আহমেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো (রেফার্ড) হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পিকআপটিকে জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৭
বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহামনের নির্বাচনী ইশতিহারে ক্রীড়াকে একটি সম্ভবনাময় পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়ণের অংশ হিসেবে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করার উদ্যোগ হিসেবে ভোলার তজুমদ্দিনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং তাদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে উপজেলার ২০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২ উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান। অন্যান্যের মধ্যে সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি, তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু, জামায়াত ইসলামির আমির মাও. মো. আব্দুর রব প্রমুখ।
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতে বরাদ্দকৃত বিশেষ অনুদানের মাধ্যমে উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ ৩৩টি, ২০টি লিল্লাহ বোডিং এবং এতিমখানা ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন/ক্লাবসহ ২০টি প্রতিষ্ঠানের ৩৫৬টি ক্রিকেট ব্যাট, ৩৫৬ ক্রিকেট বল, ৩৫৬ সেট ষ্ট্যাম্প, ১৭৮টি ফুটবল৩৫৬ টি দাবা এবং ৩৫৬টি লুডু বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। সরকার শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এবং নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহামনের নির্বাচনী ইশতিহারে ক্রীড়াকে একটি সম্ভবনাময় পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়ণের অংশ হিসেবে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করার উদ্যোগ হিসেবে ভোলার তজুমদ্দিনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং তাদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে উপজেলার ২০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২ উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান। অন্যান্যের মধ্যে সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্তরা সরকার অদ্রি, তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু, জামায়াত ইসলামির আমির মাও. মো. আব্দুর রব প্রমুখ।
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতে বরাদ্দকৃত বিশেষ অনুদানের মাধ্যমে উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ ৩৩টি, ২০টি লিল্লাহ বোডিং এবং এতিমখানা ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন/ক্লাবসহ ২০টি প্রতিষ্ঠানের ৩৫৬টি ক্রিকেট ব্যাট, ৩৫৬ ক্রিকেট বল, ৩৫৬ সেট ষ্ট্যাম্প, ১৭৮টি ফুটবল৩৫৬ টি দাবা এবং ৩৫৬টি লুডু বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। সরকার শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ক্রীড়া সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এবং নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু অবহেলায় পড়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের ওপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।
সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যক্রম অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে ভোগান্তির শেষ হচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙা সেতু ছিল, যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই ভোগান্তি রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদার জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঝর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু অবহেলায় পড়ে আছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের ওপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।
সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যক্রম অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, এতে ভোগান্তির শেষ হচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙা সেতু ছিল, যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই ভোগান্তি রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক তালুকদার জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঝর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.