প্রায় এক যুগ আগে শনাক্ত হওয়া বসবাস অযোগ্য ৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। এরইমধ্যে গেলো মাসের শেষভাগে দুটি ভবন অপসারণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে বাকি ভবনগুলো দ্রুত অপসারণের দাবি নগরবাসীর। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলছেন, পর্যায়ক্রমে ভবনগুলো অপসারণ করা হবে।
কীর্তনখোলা নদীর তীর ঘেঁষা ৫৮ বর্গকিলোমিটারের নগরী বরিশাল। বয়সের দিক থেকে পুরনো হওয়ায় শতবর্ষী বেশ কিছু ভবন বরিশালের ঐতিহ্যকেও বহন করে। পুরাতন সেই ভবনগুলোই এখন নগরবাসীর আতঙ্কের কারণ।
২০১৩ সালের জরিপে এমন ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সিটি করপোরেশন। আইনি জটিলতা ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নিয়ন্ত্রণের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো অপসারণ সম্ভব হয়নি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনা এড়াতে ভবনগুলো ভাঙতে শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। গেলো মাসের শেষভাগে ভেঙে দেয়া হয় সদর রোডের দুটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন। এতে খুশি নগরবাসী। ঝুঁকিপূর্ণ বাকি ভবন দ্রুত অপসারণের দাবি তাদের।
স্থানীদের একজন বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসী এতে খুবই খুশি। কারণ পলিটিকাল মেয়র আসলে এ ভবনগুলো আর ভাঙা হবে না।’
স্থানীদের অন্য আরেকজন বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো যদি না ভাঙা হয়, তাহলে যে ডিজাস্টার হয় তা আমরা দেখেছি। রানাপ্লাজা তার অন্যতম উদাহরণ।’
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন উচ্ছেদ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, ‘বিভিন্ন সময় তাদের চিঠি দিয়ে অবগত করেছি। নিজ থেকে সরিয়ে নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। এটি চলমান প্রক্রিয়া আমরা চেষ্টা করব ঝুঁকিপূর্ণ যে ভবনগুলো আছে জনস্বার্থে যেন অপসারণ করা হয়।’
বরিশাল বিভাগ পরিবেশ ও জনসুরক্ষা ফোরামের আহবায়ক শুভঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, ‘যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি প্রাণহানির শঙ্কা তো থেকেই যায়। তাই আগেই আমাদের সতর্ক হয়ে এ ভবনগুলো ভেঙে ফেলতে হবে।
শনাক্ত হওয়া ৩৫টি ভবনের মধ্যে ৩ থেকে ৪টি ভবন ছাড়া বাকিগুলোতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের বসবাস। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলছেন, পর্যায়ক্রমে শনাক্ত করা সবগুলো ভবন সরিয়ে ফেলা হবে।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘এ ভবনগুলো যেগুলো শতবর্ষ হয়ে গেছে প্রথমত এগুলো জরাজীর্ণ কোনো বিল্ডিং কোড মেনে করেনি। আমরা এভাবেই আস্তে আস্তে আরও চিহ্নিত ভবন আছে ভেঙে ফেলব। এ দুটি ভাঙলে আরও ৩৩টি থেকে যাবে। আবার রি-ভিজিট করা হবে। প্রাইভেট মালিকদের বলব নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিন।’
সিটি করপোরেশনের তথ্য বলছে, বগুড়া রোডের রবীন্দ্রনাথ সেনের ভবন, নগরের কাউনিয়া এলাকার জানুকি সিংহ রোডের মতি লস্করের বাড়ি, সদর রোডসংলগ্ন ফজলুল হক অ্যাভিনিউর হোটেল বাহাদুর ভবন চিত্ত সাহার ভবন, কাটপট্টি রোডের মিল্লাত ফার্মেসি, চন্দ্রিকা ব্রাদার্স, আহম্মদ ক্লথ স্টোর্সসহ ৩৫টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পর্যায়ক্রমে অপসারণ করা হবে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

০৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১৪
প্রায় এক যুগ আগে শনাক্ত হওয়া বসবাস অযোগ্য ৩৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। এরইমধ্যে গেলো মাসের শেষভাগে দুটি ভবন অপসারণ করা হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে বাকি ভবনগুলো দ্রুত অপসারণের দাবি নগরবাসীর। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলছেন, পর্যায়ক্রমে ভবনগুলো অপসারণ করা হবে।
কীর্তনখোলা নদীর তীর ঘেঁষা ৫৮ বর্গকিলোমিটারের নগরী বরিশাল। বয়সের দিক থেকে পুরনো হওয়ায় শতবর্ষী বেশ কিছু ভবন বরিশালের ঐতিহ্যকেও বহন করে। পুরাতন সেই ভবনগুলোই এখন নগরবাসীর আতঙ্কের কারণ।
২০১৩ সালের জরিপে এমন ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সিটি করপোরেশন। আইনি জটিলতা ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নিয়ন্ত্রণের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো অপসারণ সম্ভব হয়নি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনা এড়াতে ভবনগুলো ভাঙতে শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। গেলো মাসের শেষভাগে ভেঙে দেয়া হয় সদর রোডের দুটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন। এতে খুশি নগরবাসী। ঝুঁকিপূর্ণ বাকি ভবন দ্রুত অপসারণের দাবি তাদের।
স্থানীদের একজন বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসী এতে খুবই খুশি। কারণ পলিটিকাল মেয়র আসলে এ ভবনগুলো আর ভাঙা হবে না।’
স্থানীদের অন্য আরেকজন বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো যদি না ভাঙা হয়, তাহলে যে ডিজাস্টার হয় তা আমরা দেখেছি। রানাপ্লাজা তার অন্যতম উদাহরণ।’
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন উচ্ছেদ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, ‘বিভিন্ন সময় তাদের চিঠি দিয়ে অবগত করেছি। নিজ থেকে সরিয়ে নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। এটি চলমান প্রক্রিয়া আমরা চেষ্টা করব ঝুঁকিপূর্ণ যে ভবনগুলো আছে জনস্বার্থে যেন অপসারণ করা হয়।’
বরিশাল বিভাগ পরিবেশ ও জনসুরক্ষা ফোরামের আহবায়ক শুভঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, ‘যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি প্রাণহানির শঙ্কা তো থেকেই যায়। তাই আগেই আমাদের সতর্ক হয়ে এ ভবনগুলো ভেঙে ফেলতে হবে।
শনাক্ত হওয়া ৩৫টি ভবনের মধ্যে ৩ থেকে ৪টি ভবন ছাড়া বাকিগুলোতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মানুষের বসবাস। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলছেন, পর্যায়ক্রমে শনাক্ত করা সবগুলো ভবন সরিয়ে ফেলা হবে।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক রায়হান কাওছার বলেন, ‘এ ভবনগুলো যেগুলো শতবর্ষ হয়ে গেছে প্রথমত এগুলো জরাজীর্ণ কোনো বিল্ডিং কোড মেনে করেনি। আমরা এভাবেই আস্তে আস্তে আরও চিহ্নিত ভবন আছে ভেঙে ফেলব। এ দুটি ভাঙলে আরও ৩৩টি থেকে যাবে। আবার রি-ভিজিট করা হবে। প্রাইভেট মালিকদের বলব নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিন।’
সিটি করপোরেশনের তথ্য বলছে, বগুড়া রোডের রবীন্দ্রনাথ সেনের ভবন, নগরের কাউনিয়া এলাকার জানুকি সিংহ রোডের মতি লস্করের বাড়ি, সদর রোডসংলগ্ন ফজলুল হক অ্যাভিনিউর হোটেল বাহাদুর ভবন চিত্ত সাহার ভবন, কাটপট্টি রোডের মিল্লাত ফার্মেসি, চন্দ্রিকা ব্রাদার্স, আহম্মদ ক্লথ স্টোর্সসহ ৩৫টি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পর্যায়ক্রমে অপসারণ করা হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১০
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০