
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫০
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে গৌরীপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ডা. ইয়াসির আরশাদ জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও দলের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। বিএনপিকে শক্তিশালী করতে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাকর্মীরা রাজনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রতীক পেয়ে সরে দাঁড়ালেন প্রার্থী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মী-সমর্থক
রাজন আরও বলেন, ‘আমি লালপুরে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যে ঘোষণা দিয়েছিলাম তা চলমান থাকবে। আমি আপনাদের ছেড়ে যাই নাই, আপনাদের সঙ্গে আছি, আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের সন্তান রাজন হিসেবে থাকতে চাই। এ পর্যন্ত যারা আমার সঙ্গে থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দলের হাইকমান্ডকে নেতাকর্মীদের দলে সঠিক মূল্যায়নের ব্যাপারে জানিয়েছি। এ সময় তার কর্মী ও সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে ভেঙে পড়েন।
নাটোর-১ আসনে বিএনপি থেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের ছোট মেয়ে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তারপরও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন ও তাইফুল ইসলাম টিপু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন উত্তোলন করেন।
কিন্তু মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতীক বরাদ্দের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের বড় ছেলে ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন। তবে ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখনও সক্রিয় রয়েছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুসহ ৮ প্রার্থী।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে গৌরীপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ডা. ইয়াসির আরশাদ জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও দলের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। বিএনপিকে শক্তিশালী করতে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাকর্মীরা রাজনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রতীক পেয়ে সরে দাঁড়ালেন প্রার্থী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মী-সমর্থক
রাজন আরও বলেন, ‘আমি লালপুরে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যে ঘোষণা দিয়েছিলাম তা চলমান থাকবে। আমি আপনাদের ছেড়ে যাই নাই, আপনাদের সঙ্গে আছি, আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের সন্তান রাজন হিসেবে থাকতে চাই। এ পর্যন্ত যারা আমার সঙ্গে থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দলের হাইকমান্ডকে নেতাকর্মীদের দলে সঠিক মূল্যায়নের ব্যাপারে জানিয়েছি। এ সময় তার কর্মী ও সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে ভেঙে পড়েন।
নাটোর-১ আসনে বিএনপি থেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের ছোট মেয়ে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তারপরও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন ও তাইফুল ইসলাম টিপু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন উত্তোলন করেন।
কিন্তু মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতীক বরাদ্দের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের বড় ছেলে ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন। তবে ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখনও সক্রিয় রয়েছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুসহ ৮ প্রার্থী।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭