
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫০
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে গৌরীপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ডা. ইয়াসির আরশাদ জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও দলের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। বিএনপিকে শক্তিশালী করতে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাকর্মীরা রাজনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রতীক পেয়ে সরে দাঁড়ালেন প্রার্থী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মী-সমর্থক
রাজন আরও বলেন, ‘আমি লালপুরে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যে ঘোষণা দিয়েছিলাম তা চলমান থাকবে। আমি আপনাদের ছেড়ে যাই নাই, আপনাদের সঙ্গে আছি, আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের সন্তান রাজন হিসেবে থাকতে চাই। এ পর্যন্ত যারা আমার সঙ্গে থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দলের হাইকমান্ডকে নেতাকর্মীদের দলে সঠিক মূল্যায়নের ব্যাপারে জানিয়েছি। এ সময় তার কর্মী ও সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে ভেঙে পড়েন।
নাটোর-১ আসনে বিএনপি থেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের ছোট মেয়ে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তারপরও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন ও তাইফুল ইসলাম টিপু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন উত্তোলন করেন।
কিন্তু মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতীক বরাদ্দের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের বড় ছেলে ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন। তবে ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখনও সক্রিয় রয়েছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুসহ ৮ প্রার্থী।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে গৌরীপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে ডা. ইয়াসির আরশাদ জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও দলের বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তিনি সরে দাঁড়ান। বিএনপিকে শক্তিশালী করতে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাকর্মীরা রাজনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রতীক পেয়ে সরে দাঁড়ালেন প্রার্থী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মী-সমর্থক
রাজন আরও বলেন, ‘আমি লালপুরে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যে ঘোষণা দিয়েছিলাম তা চলমান থাকবে। আমি আপনাদের ছেড়ে যাই নাই, আপনাদের সঙ্গে আছি, আমৃত্যু পর্যন্ত আপনাদের সন্তান রাজন হিসেবে থাকতে চাই। এ পর্যন্ত যারা আমার সঙ্গে থেকে বিএনপির রাজনীতি করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দলের হাইকমান্ডকে নেতাকর্মীদের দলে সঠিক মূল্যায়নের ব্যাপারে জানিয়েছি। এ সময় তার কর্মী ও সমর্থকরা আবেগাপ্লুত হয়ে ভেঙে পড়েন।
নাটোর-১ আসনে বিএনপি থেকে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের ছোট মেয়ে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তারপরও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন ও তাইফুল ইসলাম টিপু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন উত্তোলন করেন।
কিন্তু মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতীক বরাদ্দের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের বড় ছেলে ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন। তবে ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখনও সক্রিয় রয়েছেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুসহ ৮ প্রার্থী।
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.