
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ওই নেতা মো. মোকাদ্দেস হোসাইন। তিনি ছাত্রদলের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক ও শিলখুড়ী ইউনিয়ন শাখার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিন্টু ও সদস্যসচিব মাইদুল হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে শিলখুড়ী ইউনিয়ন শাখার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে কেন তার বিরুদ্ধে স্থায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে শরিবার জাগো নিউজে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’ স্লোগান, ভিডিও ভাইরাল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। স্থানীয়রা এটিকে নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ৪৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মাঠে দাঁড় করিয়ে স্লোগান দিতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলছে ‘আমরা যদি বড় হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, রানা ভাইকে ভোট দিতাম’।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত মাশরাফি বিন মোকাদ্দেস বলেন, তিনি নির্বাচনি আচরণবিধি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি ক্ষমা চেয়ে একটি পোস্ট দেন। এরপরও দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি লিখিত ব্যাখ্যা দেবেন বলে জানান।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, স্কুলের শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজনৈতিক দলের স্লোগান দেওয়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে শিলখুড়ী ইউনিয়ন শাখার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ওই নেতা মো. মোকাদ্দেস হোসাইন। তিনি ছাত্রদলের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক ও শিলখুড়ী ইউনিয়ন শাখার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিন্টু ও সদস্যসচিব মাইদুল হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে শিলখুড়ী ইউনিয়ন শাখার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে কেন তার বিরুদ্ধে স্থায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে শরিবার জাগো নিউজে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’ স্লোগান, ভিডিও ভাইরাল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। স্থানীয়রা এটিকে নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ৪৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মাঠে দাঁড় করিয়ে স্লোগান দিতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলছে ‘আমরা যদি বড় হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, রানা ভাইকে ভোট দিতাম’।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত মাশরাফি বিন মোকাদ্দেস বলেন, তিনি নির্বাচনি আচরণবিধি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি ক্ষমা চেয়ে একটি পোস্ট দেন। এরপরও দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি লিখিত ব্যাখ্যা দেবেন বলে জানান।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, স্কুলের শিক্ষার্থীদের দিয়ে রাজনৈতিক দলের স্লোগান দেওয়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে শিলখুড়ী ইউনিয়ন শাখার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৩
পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, দেশের কোনো মা-বোনই সতিনের ঘর চাইবে না। তবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জামায়াতে ইসলামী সেই আইন বাস্তবায়ন করবে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় দেবীগঞ্জের পামুলী ইউনিয়নের একাতার মোড়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, সম্প্রতি হাইকোর্টের মাধ্যমে এমন একটি আইন তৈরি হয়েছে, যেখানে ছেলেদের দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়ের জন্য স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না। আমাদের দেশের কোনো মা-বোন এটা চায় না, কিন্তু দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে তারা এটা বাস্তবায়ন করবে। মানে আপনাদের সতিনের ঘর করিয়ে ছাড়বে জামায়াতে ইসলামী।
তিনি আরও বলেন, জান্নাত-জাহান্নাম আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু কিছু দল মানুষকে বিভ্রান্ত করছে- বলছে তাদের দল না করলে মুসলিমত্ব থাকবে না, ভোট না দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। এখন মনে হচ্ছে জান্নাতের টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
ফরহাদ আজাদ দাবি করেন, ক্ষমতায় এলে সেই দল পীরের মাজার, তরিকা, বাউলসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবে। আমরা বিএনপি সব মতকে গ্রহণ করি, সব মতকে সম্মান করি। একাত্তরের পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, বলেন তিনি।
তিনি বলেন, নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ নিহত এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি যারা ঘটিয়েছিল, সেই শক্তি ৫৫ বছর পর ক্ষমতায় যেতে চায়। এবার প্রতিটি বিবেকবান ভোটারের কাছে অনুরোধ-আর কোনো ভুল নয়। স্বাধীনতাবিরোধীরা যেন আর মাথা উঁচু করতে না পারে, তা ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত হবে।
এ সময় উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, মো. তোবারক হ্যাপী, পঞ্চগড় জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পামুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, দেশের কোনো মা-বোনই সতিনের ঘর চাইবে না। তবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জামায়াতে ইসলামী সেই আইন বাস্তবায়ন করবে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় দেবীগঞ্জের পামুলী ইউনিয়নের একাতার মোড়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, সম্প্রতি হাইকোর্টের মাধ্যমে এমন একটি আইন তৈরি হয়েছে, যেখানে ছেলেদের দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়ের জন্য স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না। আমাদের দেশের কোনো মা-বোন এটা চায় না, কিন্তু দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে তারা এটা বাস্তবায়ন করবে। মানে আপনাদের সতিনের ঘর করিয়ে ছাড়বে জামায়াতে ইসলামী।
তিনি আরও বলেন, জান্নাত-জাহান্নাম আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু কিছু দল মানুষকে বিভ্রান্ত করছে- বলছে তাদের দল না করলে মুসলিমত্ব থাকবে না, ভোট না দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না। এখন মনে হচ্ছে জান্নাতের টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
ফরহাদ আজাদ দাবি করেন, ক্ষমতায় এলে সেই দল পীরের মাজার, তরিকা, বাউলসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবে। আমরা বিএনপি সব মতকে গ্রহণ করি, সব মতকে সম্মান করি। একাত্তরের পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, বলেন তিনি।
তিনি বলেন, নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ নিহত এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি যারা ঘটিয়েছিল, সেই শক্তি ৫৫ বছর পর ক্ষমতায় যেতে চায়। এবার প্রতিটি বিবেকবান ভোটারের কাছে অনুরোধ-আর কোনো ভুল নয়। স্বাধীনতাবিরোধীরা যেন আর মাথা উঁচু করতে না পারে, তা ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত হবে।
এ সময় উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, মো. তোবারক হ্যাপী, পঞ্চগড় জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পামুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল বাশারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৬
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় পুকুরে মিলল আধাকেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের উপরের বাজারের আগমনী কিল্লার পুকুরে জালের সঙ্গে মাছটি উঠে আসে।
জানা যায়, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ‘আগমনী কিল্লা’ গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটি ৪০টি পরিবার ব্যবহার করে। পুকুরটি লিজ নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান। বিশাল পুকুরে জাল ফেললে এ সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে প্রায় আধাকেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ ধরা পড়ে। এর আগেও এ পুকুরে ইলিশ মাছ পাওয়া গিয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হাসান বলেন, ২০২২ সালে প্রথম ধাপে ৩৫টি ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে। পরে আবারও পাওয়া যায়। ২০২৪ সালে প্রথম ধাপে ১০ কেজি ইলিশ পাওয়া যায়। আজ যদিও একটি ইলিশ পাওয়া গেছে তবে সেচ দিলে এখানে অনেক ইলিশ পাওয়া যাবে।
পুকুরের মালিক আবদুল মান্নান বলেন, প্রায় ৪০ পরিবার ‘আগমনী কিল্লা’ গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটি ব্যবহার করে। আজ পুরো পুকুরে জেলেদের দিয়ে জাল ফেলা হয়েছে। সে জালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে আধাকেজি ওজনের ইলিশ ধরা পড়েছে। প্রতিবছর জাল অথব সেচ দিলে এখানে ইলিশ পাওয়া যায়।
হাতিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড় অথবা জলোচ্ছ্বাস আসলে নিঝুমদ্বীপের প্রায় সবগুলো পুকুর তলিয়ে যায়। এর মধ্যে আগমনী কিল্লা পুকরটিও ছিল। সেখানে আবদুল মান্নান ইলিশ পেয়ে আসছেন। মূলত জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় তখন ইলিশ পুকুরে এসেছে। পানি বের হতে না পারায় মাছগুলো নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, পুকুরে ইলিশ হয় বিষয়টি এমন নয়। মূলত জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় তখন ইলিশ পুকুরে এসেছে। নিঝুমদ্বীপ নিম্নাঞ্চল তাই জোয়ারে প্লাবিত হয়। পুকুরটি যখন প্লাবিত হয়েছে, তখন ইলিশ প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া আলাদা কিছু এখানে নেই।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় পুকুরে মিলল আধাকেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের উপরের বাজারের আগমনী কিল্লার পুকুরে জালের সঙ্গে মাছটি উঠে আসে।
জানা যায়, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ‘আগমনী কিল্লা’ গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটি ৪০টি পরিবার ব্যবহার করে। পুকুরটি লিজ নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান। বিশাল পুকুরে জাল ফেললে এ সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে প্রায় আধাকেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ ধরা পড়ে। এর আগেও এ পুকুরে ইলিশ মাছ পাওয়া গিয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হাসান বলেন, ২০২২ সালে প্রথম ধাপে ৩৫টি ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে। পরে আবারও পাওয়া যায়। ২০২৪ সালে প্রথম ধাপে ১০ কেজি ইলিশ পাওয়া যায়। আজ যদিও একটি ইলিশ পাওয়া গেছে তবে সেচ দিলে এখানে অনেক ইলিশ পাওয়া যাবে।
পুকুরের মালিক আবদুল মান্নান বলেন, প্রায় ৪০ পরিবার ‘আগমনী কিল্লা’ গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটি ব্যবহার করে। আজ পুরো পুকুরে জেলেদের দিয়ে জাল ফেলা হয়েছে। সে জালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে আধাকেজি ওজনের ইলিশ ধরা পড়েছে। প্রতিবছর জাল অথব সেচ দিলে এখানে ইলিশ পাওয়া যায়।
হাতিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড় অথবা জলোচ্ছ্বাস আসলে নিঝুমদ্বীপের প্রায় সবগুলো পুকুর তলিয়ে যায়। এর মধ্যে আগমনী কিল্লা পুকরটিও ছিল। সেখানে আবদুল মান্নান ইলিশ পেয়ে আসছেন। মূলত জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় তখন ইলিশ পুকুরে এসেছে। পানি বের হতে না পারায় মাছগুলো নিজেদের খাপ খাইয়ে নিয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, পুকুরে ইলিশ হয় বিষয়টি এমন নয়। মূলত জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় তখন ইলিশ পুকুরে এসেছে। নিঝুমদ্বীপ নিম্নাঞ্চল তাই জোয়ারে প্লাবিত হয়। পুকুরটি যখন প্লাবিত হয়েছে, তখন ইলিশ প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া আলাদা কিছু এখানে নেই।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৯
লালমনিরহাট-১ (হাতিবান্ধা ও পাটগ্রাম) আসনে প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাসাইটাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুলিশের পাশাপাশি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা।
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। উভয়পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এসময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লালমনিরহাট-১ (হাতিবান্ধা ও পাটগ্রাম) আসনে প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাসাইটাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুলিশের পাশাপাশি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা।
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। উভয়পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এসময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.