Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২৩
সারাদেশে বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, নিষিদ্ধ পলিথিন এবং দূষণকারী শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুসারে চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, ঝিনাইদহ ও বরিশাল জেলায় পরিচালিত পাঁচটি অভিযানে মোট ১২টি মামলার মাধ্যমে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ সময় ১২টি অবৈধ ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস, চিমনি ভেঙে কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রয়ের অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১টি মামলার মাধ্যমে ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও দুই কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন বাজার, দোকান ও সুপারশপে পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
যানবাহন থেকে মানমাত্রাতিরিক্ত ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলার মাধ্যমে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং একাধিক যানবাহনের চালককে সতর্ক করা হয়।
একই স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী শব্দদূষণ বিরোধী অভিযানে ৩টি মামলার মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ৫টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। এ সময় চালকদের শব্দ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক করা হয়।
অন্যদিকে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে ঝিনাইদহ এবং ঢাকা মহানগরের বসিলা-মোহাম্মদপুর এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ধোঁয়া দ্বারা পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিচালিত দুইটি মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলায় ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে নির্মাণ সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে দূষণ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুসারে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ডাইং কারখানার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে কারখানাটির সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
সারাদেশে বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটা, নিষিদ্ধ পলিথিন এবং দূষণকারী শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুসারে চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, ঝিনাইদহ ও বরিশাল জেলায় পরিচালিত পাঁচটি অভিযানে মোট ১২টি মামলার মাধ্যমে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ সময় ১২টি অবৈধ ইটভাটার কাঁচা ইট ধ্বংস, চিমনি ভেঙে কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন ও বিক্রয়ের অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১টি মামলার মাধ্যমে ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় ও দুই কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন বাজার, দোকান ও সুপারশপে পলিথিন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
যানবাহন থেকে মানমাত্রাতিরিক্ত ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগরে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলার মাধ্যমে ৪৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং একাধিক যানবাহনের চালককে সতর্ক করা হয়।
একই স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী শব্দদূষণ বিরোধী অভিযানে ৩টি মামলার মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং ৫টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। এ সময় চালকদের শব্দ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক করা হয়।
অন্যদিকে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে ঝিনাইদহ এবং ঢাকা মহানগরের বসিলা-মোহাম্মদপুর এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ধোঁয়া দ্বারা পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিচালিত দুইটি মোবাইল কোর্টে ১০টি মামলায় ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা এবং তাৎক্ষণিকভাবে নির্মাণ সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে দূষণ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এদিকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুসারে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ডাইং কারখানার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে কারখানাটির সেবা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দূষণ রোধে এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১