
১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫০
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা বিক্রি হয়। তবে এটি প্রচলিত কোনো বাজারে নয়। এখানে একেকটি নৌকা হয়ে ওঠে একেকটি দোকান। কোনো ভাসমান হাটের কথাই বলছি।
প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো দেশের বৃহত্তম এই ভাসমান বাজারটি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার বৈঠাকাটায় বেলুয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত। ঐতিহ্যবাহী এই বাজারের একটি অংশ হলো শাওলার দোকানগুলো।
প্রতি সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে নদীর বুক চিরে বসে হাট।
সরেজমিন বেলুয়া নদীর ভাসমান বাজারে গেলে জানা যায়, এই বাজারেই আসে পাশে থেকে সংগ্রহ করা এই শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা। তারপর এগুলো বিক্রির জন্য নৌকায় করে আনা হয় এই ভাসমান হাটে। অবাক করার মতো কাণ্ড হলো এগুলো বিক্রিও হয় বেশ ভালো দামে।
স্থানীয়দের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার একটি অংশ সারাবছর পানির নিচে ডুবে থাকে। তাই এখানে চাষাবাদের একমাত্র ভরসা হলো ভাসমান পদ্ধতি। আর এগুলো ব্যবহার করা হয় ভাসমান কৃষি কাজে।
ভাসমান পদ্ধতিতে এসব শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা দিয়ে তৈরি হয় বেড। সেসব বেডে রোপণ করা হয় সবজি চারা। এছাড়া বিক্রি হওয়া ট্যাপ, পনা, শ্যাওলা পেঁচিয়ে তৈরি করা হয় ‘ম্যাদা’। ম্যাদাতেই চারা জন্মানোর জন্য রোপণ করা হয় বীজ। এভাবেই শ্যাওলা বিক্রি করছেন এখানকার লোকজন।
ট্যাপ-পনা বিক্রি করতে আসা জুলফিকার জানান, শুক্রবার সকালে আমার নৌকাটি বোঝাই করেছি যুগিয়া এলাকা থেকে। রাতে বাড়ি থেকে হাটে রওনা দিয়ে ভোর পৌঁছাই। আমার নৌকা ২৫০০ টাকা চেয়েছি, বিক্রি করেছি ১৮০০ টাকা বিশারকান্দি এলাকায়। তার বাড়িতে দিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, আমি সারাবছর এই ব্যবসা করি। বছর শেষে কিছু টাকাও রাখতে পারি। এ ব্যবসায় কোনো চালান লাগে না।
এক নৌকা থেকে অন্য নৌকায় শ্যাওলা নিচ্ছেন কবির শেখ। জানতে চাইলে তিনি জানান, ২০০ টাকা আঁটি কিনেছেন। নিয়ে যাবেন সোনাপুর গ্রামে। তিনিও বিক্রি করবেন। এক নৌকা কিনে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করবেন, তাতে ভালো লাভ হবে।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, চারা চাষে শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ, পনা, দুলালী লতা প্রয়োজন। এগুলো ছাড়া চারা বানানো যায় না। এগুলো যেন এ অঞ্চলের স্বর্ণ। অনেকে এগুলো বিক্রি করে বছরে লাখ লাখ টাকা আয় করছে।
নাজিরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রাসারণ কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান মিল্টন জানান, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা দিয়ে বছরে কোটি কোটি টাকা আয় করছেন কৃষকরা। এগুলোর গুণাগুণ অনেক, যা জৈব সার হিসাবেও চাষিরা ব্যবহার করে থাকেন। এই উপাদানগুলোর কারণে প্লাবিত এ অঞ্চলের চারার মান ভালো, যার চাহিদা দেশজুড়ে।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা বিক্রি হয়। তবে এটি প্রচলিত কোনো বাজারে নয়। এখানে একেকটি নৌকা হয়ে ওঠে একেকটি দোকান। কোনো ভাসমান হাটের কথাই বলছি।
প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো দেশের বৃহত্তম এই ভাসমান বাজারটি পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার বৈঠাকাটায় বেলুয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত। ঐতিহ্যবাহী এই বাজারের একটি অংশ হলো শাওলার দোকানগুলো।
প্রতি সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে নদীর বুক চিরে বসে হাট।
সরেজমিন বেলুয়া নদীর ভাসমান বাজারে গেলে জানা যায়, এই বাজারেই আসে পাশে থেকে সংগ্রহ করা এই শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা। তারপর এগুলো বিক্রির জন্য নৌকায় করে আনা হয় এই ভাসমান হাটে। অবাক করার মতো কাণ্ড হলো এগুলো বিক্রিও হয় বেশ ভালো দামে।
স্থানীয়দের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার একটি অংশ সারাবছর পানির নিচে ডুবে থাকে। তাই এখানে চাষাবাদের একমাত্র ভরসা হলো ভাসমান পদ্ধতি। আর এগুলো ব্যবহার করা হয় ভাসমান কৃষি কাজে।
ভাসমান পদ্ধতিতে এসব শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা দিয়ে তৈরি হয় বেড। সেসব বেডে রোপণ করা হয় সবজি চারা। এছাড়া বিক্রি হওয়া ট্যাপ, পনা, শ্যাওলা পেঁচিয়ে তৈরি করা হয় ‘ম্যাদা’। ম্যাদাতেই চারা জন্মানোর জন্য রোপণ করা হয় বীজ। এভাবেই শ্যাওলা বিক্রি করছেন এখানকার লোকজন।
ট্যাপ-পনা বিক্রি করতে আসা জুলফিকার জানান, শুক্রবার সকালে আমার নৌকাটি বোঝাই করেছি যুগিয়া এলাকা থেকে। রাতে বাড়ি থেকে হাটে রওনা দিয়ে ভোর পৌঁছাই। আমার নৌকা ২৫০০ টাকা চেয়েছি, বিক্রি করেছি ১৮০০ টাকা বিশারকান্দি এলাকায়। তার বাড়িতে দিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, আমি সারাবছর এই ব্যবসা করি। বছর শেষে কিছু টাকাও রাখতে পারি। এ ব্যবসায় কোনো চালান লাগে না।
এক নৌকা থেকে অন্য নৌকায় শ্যাওলা নিচ্ছেন কবির শেখ। জানতে চাইলে তিনি জানান, ২০০ টাকা আঁটি কিনেছেন। নিয়ে যাবেন সোনাপুর গ্রামে। তিনিও বিক্রি করবেন। এক নৌকা কিনে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করবেন, তাতে ভালো লাভ হবে।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, চারা চাষে শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ, পনা, দুলালী লতা প্রয়োজন। এগুলো ছাড়া চারা বানানো যায় না। এগুলো যেন এ অঞ্চলের স্বর্ণ। অনেকে এগুলো বিক্রি করে বছরে লাখ লাখ টাকা আয় করছে।
নাজিরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রাসারণ কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান মিল্টন জানান, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য শ্যাওলা, কচুরিপানা মূল, ট্যাপ পনা, দুলালী লতা দিয়ে বছরে কোটি কোটি টাকা আয় করছেন কৃষকরা। এগুলোর গুণাগুণ অনেক, যা জৈব সার হিসাবেও চাষিরা ব্যবহার করে থাকেন। এই উপাদানগুলোর কারণে প্লাবিত এ অঞ্চলের চারার মান ভালো, যার চাহিদা দেশজুড়ে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনে স্থাপিত লবণাক্ততা দূরীকরণ প্ল্যান্ট থেকে বিশুদ্ধ পানির বিক্রির প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে।
প্ল্যান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকার সুবাদে তিনি এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জানা গেছে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৮ সালে প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
প্ল্যান্টটি থেকে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১৫০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন সম্ভব। শুরুতে প্রতি লিটার পানি ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হলেও ২০২৪ সালে তা ১ টাকা করা হয়। এতে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় ৯০ হাজার টাকা আয় হতো।
অভিযোগ অনুযায়ী, কেয়ারটেকার, বিদ্যুৎ বিল ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাদে অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ অর্থই জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
প্ল্যান্ট স্থাপনের পর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৯ হাজার টাকা পূবালী ব্যাংক মঠবাড়িয়া শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বাকি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ছাড়াও কেয়ারটেকার আব্দুল মন্নানের বিরুদ্ধে প্ল্যান্টের টেকনিক্যাল সমস্যা দেখিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ‘ম্যানেজ’ করে এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসকে না জানিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে মেকানিক এনে এসব বিল তৈরি করা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া জনস্বাস্থ্য অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী খাইরুল ইসলাম জানান, প্ল্যান্টে বড় ধরনের কোনো মেরামত বা টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য অফিসকে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে।
কিন্তু কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্টরা অফিসকে না জানিয়ে বাইরে থেকে মেকানিক এনে লাখ লাখ টাকার ভাউচার তৈরি করেছে বলে তিনি জানান। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্ল্যান্টে কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হলেও অনেক সময় তারা টেকনিশিয়ান সংকট দেখায়।
সে কারণে বাইরে থেকে টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনে স্থাপিত লবণাক্ততা দূরীকরণ প্ল্যান্ট থেকে বিশুদ্ধ পানির বিক্রির প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে।
প্ল্যান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকার সুবাদে তিনি এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জানা গেছে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৮ সালে প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
প্ল্যান্টটি থেকে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১৫০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন সম্ভব। শুরুতে প্রতি লিটার পানি ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হলেও ২০২৪ সালে তা ১ টাকা করা হয়। এতে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় ৯০ হাজার টাকা আয় হতো।
অভিযোগ অনুযায়ী, কেয়ারটেকার, বিদ্যুৎ বিল ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বাদে অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ অর্থই জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
প্ল্যান্ট স্থাপনের পর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৯ হাজার টাকা পূবালী ব্যাংক মঠবাড়িয়া শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বাকি প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ছাড়াও কেয়ারটেকার আব্দুল মন্নানের বিরুদ্ধে প্ল্যান্টের টেকনিক্যাল সমস্যা দেখিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কমিটিকে ‘ম্যানেজ’ করে এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসকে না জানিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে মেকানিক এনে এসব বিল তৈরি করা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া জনস্বাস্থ্য অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী খাইরুল ইসলাম জানান, প্ল্যান্টে বড় ধরনের কোনো মেরামত বা টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য অফিসকে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে।
কিন্তু কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্টরা অফিসকে না জানিয়ে বাইরে থেকে মেকানিক এনে লাখ লাখ টাকার ভাউচার তৈরি করেছে বলে তিনি জানান। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্ল্যান্টে কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা হলে জনস্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হলেও অনেক সময় তারা টেকনিশিয়ান সংকট দেখায়।
সে কারণে বাইরে থেকে টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৪
পিরোজপুর পৌরসভার মাছিমপুর জামাইপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে গাঁজার গাছ উদ্ধার এবং মাদক সেবনরত অবস্থায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুর সদর থানার একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভাড়া বাসার পাশের বাগান থেকে গাঁজার ৮টি গাছ উদ্ধার করা হয়।
একই সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রিফাত (২৬), তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. আউয়াল হাওলাদারের ছেলে এবং অপরজন ওই বাসার ভাড়াটিয়া মো. আল আমিন (২৯)।
অভিযানের দায়িত্বে থাকা এসআই রাধা রমন জানান, আল আমিন তার ভাড়া বাসার পাশের বাগানে নিজ হাতে গাঁজার গাছগুলো রোপণ করেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গাঁজা সেবন এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য গাছ লাগানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত জব্দ করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাহমুদ হাসান সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আলামতসহ থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরও বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
পিরোজপুর পৌরসভার মাছিমপুর জামাইপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে গাঁজার গাছ উদ্ধার এবং মাদক সেবনরত অবস্থায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুর সদর থানার একটি বিশেষ টিম ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভাড়া বাসার পাশের বাগান থেকে গাঁজার ৮টি গাছ উদ্ধার করা হয়।
একই সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রিফাত (২৬), তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. আউয়াল হাওলাদারের ছেলে এবং অপরজন ওই বাসার ভাড়াটিয়া মো. আল আমিন (২৯)।
অভিযানের দায়িত্বে থাকা এসআই রাধা রমন জানান, আল আমিন তার ভাড়া বাসার পাশের বাগানে নিজ হাতে গাঁজার গাছগুলো রোপণ করেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গাঁজা সেবন এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য গাছ লাগানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় দুজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত জব্দ করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাহমুদ হাসান সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আলামতসহ থানায় আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরও বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৪
পিরোজপুরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ বিভ্রাট তীব্র আকার ধারণ করায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বাসাবাড়ি, এমনকি শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলেও মোমবাতিই হয়ে উঠেছে আলোর অন্যতম ভরসা। এতে হু হু করে বেড়ে গেছে মোমবাতির চাহিদা।
পিরোজপুর সদর উপজেলা ও জিয়ানগর উপজেলাসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিনের পর দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। চলমান এসএসসি ও আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকার পরই আবার দীর্ঘ সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। দিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়-আসে তার হিসাব রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে; গভীর রাতেও মিলছে না কোনো স্বস্তি।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুৎনির্ভর ছোট-বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার নামাজপুর এলাকার বাসিন্দা তামান্না আক্তার বলেন, দিন-রাত মিলিয়ে এতবার বিদ্যুৎ যায় যে, স্বাভাবিক কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে গেছে। বিশেষ করে গরমে ছোট শিশুদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
একই উপজেলার কদমতলা এলাকার বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম বলেন, রাতে ঠিকমতো ঘুমানো যায় না, আবার দিনের বেলায়ও কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনারও বড় ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
জিয়ানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে একযোগে একাধিক এলাকায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
জিয়ানগর বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী ইমদাদুল হক জানান, এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে মোমবাতির চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। আগের তুলনায় এখন প্রায় তিনগুণ বেশি মোমবাতি বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণেই মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে।
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা খন্দকার দিদার হোসেন বলেন, পুরো উপজেলায় মোট ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, তবে আমরা পাচ্ছি মাত্র ২ মেগাওয়াটের মতো। বাকি ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি বহন করতে হচ্ছে। ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশীতে ২.৫০, পাড়েরহাটে ৩ এবং বালিপাড়া ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নে ২.৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ফুয়েল সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। জেলার চাহিদা প্রায় ৭১ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৪৯ থেকে ৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০টি সাব-স্টেশনে বিদ্যুৎ বণ্টন করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে জনভোগান্তি আরও বাড়বে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।
পিরোজপুরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ বিভ্রাট তীব্র আকার ধারণ করায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বাসাবাড়ি, এমনকি শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলেও মোমবাতিই হয়ে উঠেছে আলোর অন্যতম ভরসা। এতে হু হু করে বেড়ে গেছে মোমবাতির চাহিদা।
পিরোজপুর সদর উপজেলা ও জিয়ানগর উপজেলাসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিনের পর দিন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। চলমান এসএসসি ও আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট বিদ্যুৎ থাকার পরই আবার দীর্ঘ সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হচ্ছে। দিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়-আসে তার হিসাব রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে; গভীর রাতেও মিলছে না কোনো স্বস্তি।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুৎনির্ভর ছোট-বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার নামাজপুর এলাকার বাসিন্দা তামান্না আক্তার বলেন, দিন-রাত মিলিয়ে এতবার বিদ্যুৎ যায় যে, স্বাভাবিক কাজকর্ম করা কঠিন হয়ে গেছে। বিশেষ করে গরমে ছোট শিশুদের নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
একই উপজেলার কদমতলা এলাকার বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম বলেন, রাতে ঠিকমতো ঘুমানো যায় না, আবার দিনের বেলায়ও কাজ ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনারও বড় ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।
জিয়ানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে একযোগে একাধিক এলাকায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
জিয়ানগর বাজারের কসমেটিক ব্যবসায়ী ইমদাদুল হক জানান, এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে মোমবাতির চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। আগের তুলনায় এখন প্রায় তিনগুণ বেশি মোমবাতি বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণেই মোমবাতির বিক্রি বেড়েছে।
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা খন্দকার দিদার হোসেন বলেন, পুরো উপজেলায় মোট ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, তবে আমরা পাচ্ছি মাত্র ২ মেগাওয়াটের মতো। বাকি ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি বহন করতে হচ্ছে। ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশীতে ২.৫০, পাড়েরহাটে ৩ এবং বালিপাড়া ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নে ২.৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ফুয়েল সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। জেলার চাহিদা প্রায় ৭১ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৪৯ থেকে ৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০টি সাব-স্টেশনে বিদ্যুৎ বণ্টন করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে জনভোগান্তি আরও বাড়বে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.