বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পিরোজপুর জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সাক্ষাৎ করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর জেলা বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রবীণ নেতা মোতালেব আকন তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিলেন। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে তার এই দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথা উঠে আসলে বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে আসে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারেক রহমান ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন মোতালেব আকনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। এরপরই শুরু হয় ভার্চুয়াল সাক্ষাতের প্রস্তুতি।
সোমবার ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রবীণ এ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে যুক্ত হন তারেক রহমান। উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে শুরু হয় আবেগঘন এ সাক্ষাৎ।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড রুহুল কবির রিজভী। আমারা বিএনপি পরিবার এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন, দৈনিক কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান সহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় এ্যাড রুহুল কবির রিজভী পিরোজপুরে উপস্থিত থেকে মোতালেব আকনের হাতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, "এই উদ্যোগ কেবল একজন প্রবীণ নেতার স্বপ্নপূরণ নয়, বরং বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রতি দেশনায়কের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। তারেক রহমান বারবার প্রমাণ করেছেন, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, একজন সংবেদনশীল, মানবিক এবং স্মৃতিশক্তি সমৃদ্ধ নেতাও।"
সাক্ষাৎ উপলক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে এক উৎসব মুখর পরিবেশের তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, যুগ্ম আহ্বায়ক এলিজা জামান, সদস্য আলমগীর হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাতকে দলের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন, এই উদ্যোগ দলের মধ্যে যে আন্তরিকতা, ঐক্য ও মানবিক সম্পর্কের বন্ধন রয়েছে তা আরও দৃঢ় ও সুসংহত করবে।
পিরোজপুর জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, প্রবীণদের সম্মান জানানো এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করে

০১ নভেম্বর, ২০২৬ ০২:২৩
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর দাফনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা ও বিতর্কের রেশ এখনো কাটেনি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। দাফনের সময়কার পরিস্থিতি থেকে তৈরি হওয়া মানসিক আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারছেন না স্বজনেরা। নিরাপত্তার আশঙ্কায় দিনের বেলায় বাড়িতে থাকলেও রাতে নিজ বাড়িতে থাকছেন না তাঁর মেয়ে শিমু ও বোন হেনা বেগম। তাঁরা রাত কাটাচ্ছেন একই গ্রামের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
মানিক পশারীর মেয়ে শিমু জানান, বাবাকে দাফনের পর তিনি মায়ের সঙ্গে গোপালগঞ্জে চলে গিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার চিতলিয়া গ্রামের বাড়িতে ফিরে এসেছেন। তবে তাঁর মা মনোয়ারা বেগম এখনো গোপালগঞ্জে আরেক মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
শিমু বলেন, সরাসরি কেউ তাঁদের নতুন করে হুমকি দেয়নি। তবে বাবার দাফনের সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তাতে তাঁরা মানসিকভাবে আতঙ্কিত। এ কারণে রাতে নিজ বাড়িতে না থেকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকছেন। তাঁর ফুফু হেনা বেগমও রাতে একই গ্রামের নিজের মেয়ে কিংবা ছেলের বাড়িতে অবস্থান করেন।
২০২৪ সালের আগস্টেও বাড়িতে আগুন
শিমু জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁদের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছিল। এরপর নিরাপত্তার কারণে তিনি বাবা-মা, বোন ও ভগ্নিপতিকে নিয়ে গোপালগঞ্জে চলে যান। ঘটনার প্রায় তিন মাস পর থেকে মাঝেমধ্যে চিতলিয়ার বাড়িতে আসা শুরু করেন। কখনো একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে থাকতেন, আবার নিরাপত্তার কথা ভেবে ফিরে যেতেন গোপালগঞ্জে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তাঁদের বসতভিটার পাশাপাশি ছোট দোকানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন মানিক পশারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
দাফন ঘিরে উত্তেজনা, কবর ভরাটের অভিযোগ
গত ২৪ অক্টোবর বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ পিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু দাফন ও রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর কিছু নেতাকর্মী তাঁর দাফনে বাধা দেন। এমনকি আগে থেকে খুঁড়ে রাখা কবর মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বলা হয়েছে, দাফনের বিরোধিতা করে একটি মিছিল থেকেও আপত্তিকর স্লোগান দেওয়া হয়েছিল। নিরাপত্তার আশঙ্কায় জানাজার অপেক্ষায় থাকা অনেকেই সরে যান। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্যও এসেছে। জেলা জামায়াতের এক নেতা দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর দাফনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা ও বিতর্কের রেশ এখনো কাটেনি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। দাফনের সময়কার পরিস্থিতি থেকে তৈরি হওয়া মানসিক আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারছেন না স্বজনেরা। নিরাপত্তার আশঙ্কায় দিনের বেলায় বাড়িতে থাকলেও রাতে নিজ বাড়িতে থাকছেন না তাঁর মেয়ে শিমু ও বোন হেনা বেগম। তাঁরা রাত কাটাচ্ছেন একই গ্রামের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
মানিক পশারীর মেয়ে শিমু জানান, বাবাকে দাফনের পর তিনি মায়ের সঙ্গে গোপালগঞ্জে চলে গিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার চিতলিয়া গ্রামের বাড়িতে ফিরে এসেছেন। তবে তাঁর মা মনোয়ারা বেগম এখনো গোপালগঞ্জে আরেক মেয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
শিমু বলেন, সরাসরি কেউ তাঁদের নতুন করে হুমকি দেয়নি। তবে বাবার দাফনের সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তাতে তাঁরা মানসিকভাবে আতঙ্কিত। এ কারণে রাতে নিজ বাড়িতে না থেকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকছেন। তাঁর ফুফু হেনা বেগমও রাতে একই গ্রামের নিজের মেয়ে কিংবা ছেলের বাড়িতে অবস্থান করেন।
২০২৪ সালের আগস্টেও বাড়িতে আগুন
শিমু জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁদের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছিল। এরপর নিরাপত্তার কারণে তিনি বাবা-মা, বোন ও ভগ্নিপতিকে নিয়ে গোপালগঞ্জে চলে যান। ঘটনার প্রায় তিন মাস পর থেকে মাঝেমধ্যে চিতলিয়ার বাড়িতে আসা শুরু করেন। কখনো একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে থাকতেন, আবার নিরাপত্তার কথা ভেবে ফিরে যেতেন গোপালগঞ্জে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তাঁদের বসতভিটার পাশাপাশি ছোট দোকানটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির বাইরে অবস্থান করছিলেন মানিক পশারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
দাফন ঘিরে উত্তেজনা, কবর ভরাটের অভিযোগ
গত ২৪ অক্টোবর বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ পিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু দাফন ও রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামীর কিছু নেতাকর্মী তাঁর দাফনে বাধা দেন। এমনকি আগে থেকে খুঁড়ে রাখা কবর মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বলা হয়েছে, দাফনের বিরোধিতা করে একটি মিছিল থেকেও আপত্তিকর স্লোগান দেওয়া হয়েছিল। নিরাপত্তার আশঙ্কায় জানাজার অপেক্ষায় থাকা অনেকেই সরে যান। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্যও এসেছে। জেলা জামায়াতের এক নেতা দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৫
প্রয়াত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ‘আল্লাহর ওলি’ বলে সম্বোধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বোন হেনা পশারী। তবে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার ভাই কেন সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন হেনা পশারী।
বড় ভাইয়ের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হেনা পশারী বলেন, ‘তখন আমি শ্বশুরবাড়ি খুলনায় ছিলাম। এরপর এ বিষয়ে ভাইয়ের সঙ্গে আমরা কোনো যোগাযোগ করিনি। তার কাছে এ বিষয়ে কিছু জানতেও চাইনি।’
৫ আগস্টের পর বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনার সময় তারা কোথায় ছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা আশপাশেই ছিলাম।’
সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলায় মানিক পশারীর সাক্ষী হওয়ার বিষয়ে হেনা পশারী বলেন, ‘তিনি (সাঈদী) আল্লাহর ওলি ছিলেন। বড় ভাই কিসের জন্য কী করেছে, এটা সে জানে আর আল্লাহ জানে। এ ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না। এ ব্যাপারে আমাদের জিজ্ঞাসা না করাই ভালো।’
এদিকে, মানিক পশারী টাকার বিনিময়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন তার ছোট ভাই চান মিয়া পশারী। এ-সংক্রান্ত তার একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
চান মিয়া পশারীর ওই সাক্ষাৎকারটি ফেসবুকে প্রথম পোস্ট করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী। একই সঙ্গে তিনি মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য, সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণেই মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।'
প্রয়াত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ‘আল্লাহর ওলি’ বলে সম্বোধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বোন হেনা পশারী। তবে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তার ভাই কেন সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিতলিয়া গ্রামে মানিক পশারীর বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন হেনা পশারী।
বড় ভাইয়ের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হেনা পশারী বলেন, ‘তখন আমি শ্বশুরবাড়ি খুলনায় ছিলাম। এরপর এ বিষয়ে ভাইয়ের সঙ্গে আমরা কোনো যোগাযোগ করিনি। তার কাছে এ বিষয়ে কিছু জানতেও চাইনি।’
৫ আগস্টের পর বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনার সময় তারা কোথায় ছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা আশপাশেই ছিলাম।’
সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলায় মানিক পশারীর সাক্ষী হওয়ার বিষয়ে হেনা পশারী বলেন, ‘তিনি (সাঈদী) আল্লাহর ওলি ছিলেন। বড় ভাই কিসের জন্য কী করেছে, এটা সে জানে আর আল্লাহ জানে। এ ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না। এ ব্যাপারে আমাদের জিজ্ঞাসা না করাই ভালো।’
এদিকে, মানিক পশারী টাকার বিনিময়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন তার ছোট ভাই চান মিয়া পশারী। এ-সংক্রান্ত তার একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
চান মিয়া পশারীর ওই সাক্ষাৎকারটি ফেসবুকে প্রথম পোস্ট করেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী। একই সঙ্গে তিনি মানিক পশারীকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য, সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণেই মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।'

২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৩৯
পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো শীতলা মন্দিরের ৪২ শতক জমি দখল করে ধান চাষের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াত নেতা মো. শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জমিটি দখলে নিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন তিনি। এতে বন্ধ হয়ে গেছে মন্দিরের জমিতে দীর্ঘদিনের পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।
উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া সার্বজনীন শীতলা মন্দিরের নামে জমিটির অবস্থান। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক দশক ধরে সেখানে শীতলা পূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়ে আসছিল। জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছেন জমিদাতা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিটির দাগ নম্বর ৯৫২ এবং খতিয়ান নম্বর ১৩০। ভুক্তভোগীদের দাবি, সর্বশেষ বিএস রেকর্ডে জমিটি আটজন শরিকের নামে রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই শরিকদের একজনের অংশ নিয়ে করা অনিবন্ধিত বায়না চুক্তির ভিত্তিতে জমিটি দখলে নেন শফিকুল ইসলাম হাওলাদার। সংশ্লিষ্ট শরিক বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এরপর থেকে জমিতে ধান চাষ করা হচ্ছে। জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
জমির মালিক ননী লাল বিশ্বাসের ছেলে মনোজ বিশ্বাস বলেন, সর্বশেষ বিএস রেকর্ডে জমিটি আটজন শরিকের নামে রয়েছে। শফিকুল ইসলাম একটি অনিবন্ধিত বায়না চুক্তি দেখিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় জমিতে ধান চাষ করছেন তিনি।
মনোজ বিশ্বাসের দাবি, তাঁদের পূর্বপুরুষেরা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে শীতলা পূজা করে আসছেন। জমিটি উদ্ধার করে সেখানে আগের মতো পূজা-অর্চনা চালুর দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুমন আইচ বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি ওই জমিতে শীতলা পূজা হতে দেখে আসছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জমিটি দখলের অভিযোগ ওঠে শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে।
সুমন আইচের অভিযোগ, জমির কাগজপত্র নিয়ে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হলেও শফিকুল তাতে সাড়া দিচ্ছেন না। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত জমি নিয়ে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. আবু হানিফ বলেন, শফিকুল ইসলাম হাওলাদার ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। তবে জমিসংক্রান্ত বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত।
আবু হানিফ বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে কেউ জমি দখল করলে তার দায় দল নেবে না। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না বলেও দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্যসচিব প্রলয় মন্ডল বলেন, সমুদয়কাঠীতে জমি দখল, ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর ও সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ পেয়ে তাঁরা সরেজমিনে গিয়েছিলেন।
তাঁর অভিযোগ, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হলেও শফিকুল ইসলাম হাওলাদার তাতে সাড়া দেননি। জমিসংক্রান্ত বিরোধের আইনানুগ নিষ্পত্তি এবং মন্দিরের জমি নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির সমাধান দাবি করেন তিনি।
সংবাদসূত্র: দৈনিক কালবেলা।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো শীতলা মন্দিরের ৪২ শতক জমি দখল করে ধান চাষের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াত নেতা মো. শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জমিটি দখলে নিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন তিনি। এতে বন্ধ হয়ে গেছে মন্দিরের জমিতে দীর্ঘদিনের পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।
উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া সার্বজনীন শীতলা মন্দিরের নামে জমিটির অবস্থান। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক দশক ধরে সেখানে শীতলা পূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়ে আসছিল। জমি উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছেন জমিদাতা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমিটির দাগ নম্বর ৯৫২ এবং খতিয়ান নম্বর ১৩০। ভুক্তভোগীদের দাবি, সর্বশেষ বিএস রেকর্ডে জমিটি আটজন শরিকের নামে রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই শরিকদের একজনের অংশ নিয়ে করা অনিবন্ধিত বায়না চুক্তির ভিত্তিতে জমিটি দখলে নেন শফিকুল ইসলাম হাওলাদার। সংশ্লিষ্ট শরিক বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এরপর থেকে জমিতে ধান চাষ করা হচ্ছে। জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
জমির মালিক ননী লাল বিশ্বাসের ছেলে মনোজ বিশ্বাস বলেন, সর্বশেষ বিএস রেকর্ডে জমিটি আটজন শরিকের নামে রয়েছে। শফিকুল ইসলাম একটি অনিবন্ধিত বায়না চুক্তি দেখিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় জমিতে ধান চাষ করছেন তিনি।
মনোজ বিশ্বাসের দাবি, তাঁদের পূর্বপুরুষেরা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে শীতলা পূজা করে আসছেন। জমিটি উদ্ধার করে সেখানে আগের মতো পূজা-অর্চনা চালুর দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুমন আইচ বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি ওই জমিতে শীতলা পূজা হতে দেখে আসছেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর জমিটি দখলের অভিযোগ ওঠে শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে।
সুমন আইচের অভিযোগ, জমির কাগজপত্র নিয়ে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হলেও শফিকুল তাতে সাড়া দিচ্ছেন না। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত জমি নিয়ে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম হাওলাদারের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. আবু হানিফ বলেন, শফিকুল ইসলাম হাওলাদার ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। তবে জমিসংক্রান্ত বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত।
আবু হানিফ বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে কেউ জমি দখল করলে তার দায় দল নেবে না। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না বলেও দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্যসচিব প্রলয় মন্ডল বলেন, সমুদয়কাঠীতে জমি দখল, ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর ও সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ পেয়ে তাঁরা সরেজমিনে গিয়েছিলেন।
তাঁর অভিযোগ, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হলেও শফিকুল ইসলাম হাওলাদার তাতে সাড়া দেননি। জমিসংক্রান্ত বিরোধের আইনানুগ নিষ্পত্তি এবং মন্দিরের জমি নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির সমাধান দাবি করেন তিনি।
সংবাদসূত্র: দৈনিক কালবেলা।

০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৪৪
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পিরোজপুর জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে ভার্চুয়ালি সাক্ষাৎ করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর জেলা বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রবীণ নেতা মোতালেব আকন তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিলেন। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে তার এই দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথা উঠে আসলে বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে আসে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারেক রহমান ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন মোতালেব আকনের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। এরপরই শুরু হয় ভার্চুয়াল সাক্ষাতের প্রস্তুতি।
সোমবার ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রবীণ এ নেতা মোতালেব আকনের সঙ্গে যুক্ত হন তারেক রহমান। উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে শুরু হয় আবেগঘন এ সাক্ষাৎ।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাড রুহুল কবির রিজভী। আমারা বিএনপি পরিবার এর আহবায়ক আতিকুর রহমান রুমন, দৈনিক কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান সহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় এ্যাড রুহুল কবির রিজভী পিরোজপুরে উপস্থিত থেকে মোতালেব আকনের হাতে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, "এই উদ্যোগ কেবল একজন প্রবীণ নেতার স্বপ্নপূরণ নয়, বরং বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রতি দেশনায়কের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। তারেক রহমান বারবার প্রমাণ করেছেন, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, একজন সংবেদনশীল, মানবিক এবং স্মৃতিশক্তি সমৃদ্ধ নেতাও।"
সাক্ষাৎ উপলক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে এক উৎসব মুখর পরিবেশের তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত, যুগ্ম আহ্বায়ক এলিজা জামান, সদস্য আলমগীর হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাতকে দলের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তারা বলেন, এই উদ্যোগ দলের মধ্যে যে আন্তরিকতা, ঐক্য ও মানবিক সম্পর্কের বন্ধন রয়েছে তা আরও দৃঢ় ও সুসংহত করবে।
পিরোজপুর জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, প্রবীণদের সম্মান জানানো এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করে
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৯
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫