
০৪ জুন, ২০২৬ ১৭:৫১
পিরোজপুরের কাউখালীতে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি জাকির হোসেন (৪৬) উপজেলা শংকরপুর গ্রামের মৃত বারেক তালুকদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাউখালী থানার একটি বিশেষ টিম মাদক উদ্ধারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা রাতে শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালায়।
এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীর জাকির পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করে । পরে তার হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তল্লাশি করে বিশেষভাবে মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।
কাউখালী থানার ওসি মোঃ এবাদ আলী জানান, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে নিজ এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে আজ বৃহস্পতিবার পিরোজপুরের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পিরোজপুরের কাউখালীতে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি জাকির হোসেন (৪৬) উপজেলা শংকরপুর গ্রামের মৃত বারেক তালুকদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাউখালী থানার একটি বিশেষ টিম মাদক উদ্ধারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা রাতে শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালায়।
এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীর জাকির পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করে । পরে তার হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তল্লাশি করে বিশেষভাবে মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে।
কাউখালী থানার ওসি মোঃ এবাদ আলী জানান, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে নিজ এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে আজ বৃহস্পতিবার পিরোজপুরের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০২
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ৪শ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মোহন ওরফে মহিদুল খান (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ২ টার দিকে ভাণ্ডারিয়া থানাধীন ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মহিদুল খান পিরোজপুর সদর থানার ৭নম্বর শংকরপাশা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ শাজাহান খানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ডিউটির অংশ হিসেবে পুলিশের একটি টহল দল সিংহখালী পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় অবস্থান করছিল।
এ সময় ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মহিদুল খান নামের এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাকে থামায়। পরে তাকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ৪০০ (চারশত) পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৬:৫৯
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (সিএ) রনজিৎ হালদারের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার পর তাকে মাটিতে ফেলে বেদম মারধর করেছেন রনজিৎ হালদার। স্বামীর মারধরে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিচার দাবি করেছেন স্ত্রী পপি রানী মিস্ত্রী। নির্যাতিতা পপি রানী উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা পদে চাকরি করছেন।
পপি রানী মিস্ত্রীর অভিযোগ, স্বামী রনজিৎ হালদার দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় জড়িত এবং এতে বাধা দেওয়ায় তাকে নিয়মিত প্রায়ই নির্যাতন করা হয়। বুধবার সন্ধ্যার পরও তাকে বেদম মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
পপি রানী জানান, তাদের সংসারে দুই শিশু সন্তান রয়েছে। দুই বছর ধরে তার স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন। এতে বাধা দিলে নানা অজুহাতে মারধর করা হয়। এমনকি পপি রানী মিস্ত্রী নিজের চাকরির বেতনও তুলতে পারেন না। নতুন মাস এলেই রনজিৎ তাকে মারধর করে চেকে অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে বেতন উঠিয়ে নেন রনজিৎ হালদার।
তিনি আরও জানান, এর আগেও নির্যাতনের ঘটনায় তৎকালীন ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন, তবে কোনো প্রতিকার পাননি নির্যাতিতা পপি রানী। তার ভাষ্য, স্বামীর আচরণের কারণে ঘরে কোনো কাজের লোক থাকতে পারে না। কিছুদিন আগে বেড়াতে এসে স্বামীর আচরণে সেদিন রাতেই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন তার বোন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় ওই রাতেও পপিকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছেন স্বামী রনজিৎ হালদার। বুধবার সন্ধ্যায় তাকে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পপির বোন ও স্কুলশিক্ষিকা শিল্পি মিস্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, রনজিৎ হালদার লোভী ও সুদের কারবারের সঙ্গে জড়িত। আর্থিক লেনদেন ও পারিবারিক নানা বিষয়ে কথা বলায় তার বোনকে মারধর করা হয়েছে। তার দাবি, রনজিৎ পরকীয়ায় আসক্ত এবং এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেই বোনের উপর নির্যাতন চালান রনজিৎ।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রনজিৎ হালদার বলেন, আমি স্ত্রীকে মারিনি। সে নাটক সাজিয়ে হাসপাতালে গেছে। এ সময় পরকীয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, ভুক্তভোগী থানায় এসেছিলেন। তাকে চিকিৎসা নিয়ে এসে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, অফিসের কাজে সকালে জেলায় যাব। দুপুরের পরে আমার কাছে এলে ভুক্তভোগী ওই স্কুলশিক্ষিকার অভিযোগ আমি নিজে শুনব। শুনে প্রয়োজনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (সিএ) রনজিৎ হালদারের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার পর তাকে মাটিতে ফেলে বেদম মারধর করেছেন রনজিৎ হালদার। স্বামীর মারধরে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিচার দাবি করেছেন স্ত্রী পপি রানী মিস্ত্রী। নির্যাতিতা পপি রানী উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা পদে চাকরি করছেন।
পপি রানী মিস্ত্রীর অভিযোগ, স্বামী রনজিৎ হালদার দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ায় জড়িত এবং এতে বাধা দেওয়ায় তাকে নিয়মিত প্রায়ই নির্যাতন করা হয়। বুধবার সন্ধ্যার পরও তাকে বেদম মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
পপি রানী জানান, তাদের সংসারে দুই শিশু সন্তান রয়েছে। দুই বছর ধরে তার স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন। এতে বাধা দিলে নানা অজুহাতে মারধর করা হয়। এমনকি পপি রানী মিস্ত্রী নিজের চাকরির বেতনও তুলতে পারেন না। নতুন মাস এলেই রনজিৎ তাকে মারধর করে চেকে অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে বেতন উঠিয়ে নেন রনজিৎ হালদার।
তিনি আরও জানান, এর আগেও নির্যাতনের ঘটনায় তৎকালীন ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন, তবে কোনো প্রতিকার পাননি নির্যাতিতা পপি রানী। তার ভাষ্য, স্বামীর আচরণের কারণে ঘরে কোনো কাজের লোক থাকতে পারে না। কিছুদিন আগে বেড়াতে এসে স্বামীর আচরণে সেদিন রাতেই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন তার বোন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় ওই রাতেও পপিকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছেন স্বামী রনজিৎ হালদার। বুধবার সন্ধ্যায় তাকে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পপির বোন ও স্কুলশিক্ষিকা শিল্পি মিস্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, রনজিৎ হালদার লোভী ও সুদের কারবারের সঙ্গে জড়িত। আর্থিক লেনদেন ও পারিবারিক নানা বিষয়ে কথা বলায় তার বোনকে মারধর করা হয়েছে। তার দাবি, রনজিৎ পরকীয়ায় আসক্ত এবং এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেই বোনের উপর নির্যাতন চালান রনজিৎ।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রনজিৎ হালদার বলেন, আমি স্ত্রীকে মারিনি। সে নাটক সাজিয়ে হাসপাতালে গেছে। এ সময় পরকীয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, ভুক্তভোগী থানায় এসেছিলেন। তাকে চিকিৎসা নিয়ে এসে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, অফিসের কাজে সকালে জেলায় যাব। দুপুরের পরে আমার কাছে এলে ভুক্তভোগী ওই স্কুলশিক্ষিকার অভিযোগ আমি নিজে শুনব। শুনে প্রয়োজনে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৬:২০
পিরোজপুর-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কলেজছাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার ডুমুরিতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মারিয়া আক্তার (১৮) আফতাব উদ্দিন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি বানেশ্বরপুর এলাকার আবুল কালামের মেয়ে।
আহতরা হলেন মারিয়ার মা হাওয়া বেগম (৪৫) এবং অটোরিকশাচালক রাসেল (৩৫)। তাঁদের বাড়িও একই এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা একটি লোকাল বাস ডুমুরিতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহত হাওয়া বেগম ও রাসেলকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক অতনু হালদার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে জেলা হাসপাতালে আনা হয়েছে। তবে কলেজশিক্ষার্থী আগেই মারা গেছে। হাওয়া বেগম নামে নারী রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বাসটিকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আফতাব উদ্দিন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাইদুল ইসলাম কিসমত বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্টার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।’ পাশাপাশি সড়কের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান তিনি।
পিরোজপুর-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কলেজছাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর ১২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার ডুমুরিতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মারিয়া আক্তার (১৮) আফতাব উদ্দিন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি বানেশ্বরপুর এলাকার আবুল কালামের মেয়ে।
আহতরা হলেন মারিয়ার মা হাওয়া বেগম (৪৫) এবং অটোরিকশাচালক রাসেল (৩৫)। তাঁদের বাড়িও একই এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা একটি লোকাল বাস ডুমুরিতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহত হাওয়া বেগম ও রাসেলকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক অতনু হালদার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে জেলা হাসপাতালে আনা হয়েছে। তবে কলেজশিক্ষার্থী আগেই মারা গেছে। হাওয়া বেগম নামে নারী রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বাসটিকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আফতাব উদ্দিন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাইদুল ইসলাম কিসমত বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্টার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।’ পাশাপাশি সড়কের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান তিনি।
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:২৭
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:১৪
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৬
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৪