
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫০
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় দালালের প্রলোভনে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিয়ে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকায় মোহাম্মদ ফাহাদ (১৮) নামের যুবক মারা যান।
নিহত ফাহাদ উপজেলার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার ফারুক নামে এক দালালের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকার চুক্তিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ওইদিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইথিওপিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন ফাহাদ।
পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ ঘুরে দক্ষিণ আফ্রিকার সীমান্তের কাছাকাছি একটি স্থানে নামানো হয় তাকে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে সীমান্ত অতিক্রম করে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার মসিনা শহরে পৌঁছান। সেখানে দালাল ফারুক একটি ভাড়া বাসায় তাকে রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছানোর ২/৩ দিনের মধ্যেই ফাহাদ মৃত্যুবরণ করেন। স্থানীয় প্রবাসী নোয়াখালীর মারুফ জানান, রোববার আসরের নামাজের সময় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফাহাদকে চিনতেন না, তবে বাংলাদেশি হওয়ায় বিষয়টি নজরে আসে। নিহতের পরিবার জানায়, ফাহাদের দুই মামা দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থান করছেন। তারা মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
ফাহাদের পিতা নুর মোহাম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভালো ভবিষ্যতের আশায় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু এখন তার লাশ দেশে আনতে হবে-এটা সহ্য করার মতো নয়।’
এ ঘটনায় এলাকায় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধ পথে বিদেশ গমনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় দালালের প্রলোভনে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিয়ে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকায় মোহাম্মদ ফাহাদ (১৮) নামের যুবক মারা যান।
নিহত ফাহাদ উপজেলার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার ফারুক নামে এক দালালের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকার চুক্তিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ওইদিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইথিওপিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন ফাহাদ।
পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ ঘুরে দক্ষিণ আফ্রিকার সীমান্তের কাছাকাছি একটি স্থানে নামানো হয় তাকে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে সীমান্ত অতিক্রম করে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার মসিনা শহরে পৌঁছান। সেখানে দালাল ফারুক একটি ভাড়া বাসায় তাকে রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছানোর ২/৩ দিনের মধ্যেই ফাহাদ মৃত্যুবরণ করেন। স্থানীয় প্রবাসী নোয়াখালীর মারুফ জানান, রোববার আসরের নামাজের সময় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফাহাদকে চিনতেন না, তবে বাংলাদেশি হওয়ায় বিষয়টি নজরে আসে। নিহতের পরিবার জানায়, ফাহাদের দুই মামা দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থান করছেন। তারা মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
ফাহাদের পিতা নুর মোহাম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভালো ভবিষ্যতের আশায় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু এখন তার লাশ দেশে আনতে হবে-এটা সহ্য করার মতো নয়।’
এ ঘটনায় এলাকায় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধ পথে বিদেশ গমনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৭
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে, কোনো ত্রুটি ঘটেনি। একুশে ফেব্রুয়ারিতেও একইভাবে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আশা করি।
তিনি জানান, কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আসাদের নির্দিষ্ট সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রোড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। অন্য কোনো সড়ক ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর বা চানখাঁরপুল দিয়ে বের হওয়ার নির্দেশনাও দেন।
এ ছাড়া শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র বা দাহ্য পদার্থ বহন না করার অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন র্যাবের মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান। তিনি জানান, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডগ স্কোয়াডসহ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি সারা দেশেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে, কোনো ত্রুটি ঘটেনি। একুশে ফেব্রুয়ারিতেও একইভাবে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আশা করি।
তিনি জানান, কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আসাদের নির্দিষ্ট সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রোড দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। অন্য কোনো সড়ক ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর বা চানখাঁরপুল দিয়ে বের হওয়ার নির্দেশনাও দেন।
এ ছাড়া শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র বা দাহ্য পদার্থ বহন না করার অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন র্যাবের মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান। তিনি জানান, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডগ স্কোয়াডসহ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি সারা দেশেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৬
প্রায় দেড় বছর পর আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের ফটকের সামনে জাতীয় পতাকা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি রেখে স্লোগান দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের একদল নেত্রী।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সংগঠনের ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে ধানমণ্ডি ৩/এ সড়কের ৫১ নম্বর বাড়িটির সামনে দেখা যায়।
২০০২ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল ভবনটি। তিন তলা ভবনে দলীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের জন্য কক্ষ ছিল।
দ্বিতীয় তলায় ছিল দলের মুখপত্র উত্তরণের অফিস। এ ছাড়া তৃতীয় তলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যক্রম চলত।
প্রথম দিকে ভাড়া নেওয়া হলেও ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ভবনটি দলের নামে কিনে নেওয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে পাশের চার তলা দুটি ভবন কিনে দলীয় সভাপতির কার্যালয়টির সম্প্রসারণ করা হয়।
সেসময় ভবন দুটি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে কেনা হয়। এই দুই ভবনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বিষয়ভিত্তিক সম্পাদকমণ্ডলীর নেতারা এবং কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্যরা বসতেন। এখানকার একটি কক্ষে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রকাশনা বিক্রির স্টল ছিল।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। সেদিন গণভবন দখলে নেয় উত্তেজিত জনতা। আন্দোলনকারীদের ক্ষোভের হাত থেকে রেহাই পায়নি ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু বাড়ির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ও। সেদিন উত্তেজিত জনতা ওই কার্যালয়ের তিনটি ভবনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়।
প্রায় ছয় মাস পর স্থানীয় কিছু নেশাগ্রস্ত যুবকের আশ্রয় হয় ওই পোড়া ভবন। আবার স্থানীয় কিছু লোককে ভবনটি ঘিরে পাহারা দিতে দেখা যেত।
অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে গত বছর মে মাসে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সব সংগঠনের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই হিসেবে যুব মহিলা লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ।
সেই নিষেধাজ্ঞা ভেঙে শুক্রবার সকালে ১০-১২ জন নেত্রী বঙ্গবন্ধুর ছবি ও জাতীয় পতাকা নিয়ে উপস্থিত হন আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে। সেখানে কিছুক্ষণ স্লোগান দিয়ে তারা আবার চলে যান।
প্রায় দেড় বছর পর আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের ফটকের সামনে জাতীয় পতাকা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি রেখে স্লোগান দিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগের একদল নেত্রী।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সংগঠনের ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে ধানমণ্ডি ৩/এ সড়কের ৫১ নম্বর বাড়িটির সামনে দেখা যায়।
২০০২ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল ভবনটি। তিন তলা ভবনে দলীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের জন্য কক্ষ ছিল।
দ্বিতীয় তলায় ছিল দলের মুখপত্র উত্তরণের অফিস। এ ছাড়া তৃতীয় তলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যক্রম চলত।
প্রথম দিকে ভাড়া নেওয়া হলেও ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ভবনটি দলের নামে কিনে নেওয়া হয়। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে পাশের চার তলা দুটি ভবন কিনে দলীয় সভাপতির কার্যালয়টির সম্প্রসারণ করা হয়।
সেসময় ভবন দুটি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে কেনা হয়। এই দুই ভবনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বিষয়ভিত্তিক সম্পাদকমণ্ডলীর নেতারা এবং কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্যরা বসতেন। এখানকার একটি কক্ষে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রকাশনা বিক্রির স্টল ছিল।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। সেদিন গণভবন দখলে নেয় উত্তেজিত জনতা। আন্দোলনকারীদের ক্ষোভের হাত থেকে রেহাই পায়নি ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু বাড়ির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ও। সেদিন উত্তেজিত জনতা ওই কার্যালয়ের তিনটি ভবনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়।
প্রায় ছয় মাস পর স্থানীয় কিছু নেশাগ্রস্ত যুবকের আশ্রয় হয় ওই পোড়া ভবন। আবার স্থানীয় কিছু লোককে ভবনটি ঘিরে পাহারা দিতে দেখা যেত।
অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে গত বছর মে মাসে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সব সংগঠনের কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সেই হিসেবে যুব মহিলা লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ।
সেই নিষেধাজ্ঞা ভেঙে শুক্রবার সকালে ১০-১২ জন নেত্রী বঙ্গবন্ধুর ছবি ও জাতীয় পতাকা নিয়ে উপস্থিত হন আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে। সেখানে কিছুক্ষণ স্লোগান দিয়ে তারা আবার চলে যান।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫০
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় প্লাস্টিকের ডিম বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। এ সময় তার কাছে থাকা কিছু ডিম ভেঙে ফেলা হয় এবং বাকিগুলো নদীতে ফেলে নষ্ট করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনাবাড়ীর আমবাগ রোডের এমএম গার্মেন্টসসংলগ্ন এলাকায় ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ডিম বিক্রি করে আসছিলেন। সম্প্রতি কয়েকজন ক্রেতার সন্দেহ হয়, তার বিক্রি করা ডিমগুলো স্বাভাবিক নয়। ডিমের গঠন ও ভেতরের উপাদান অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এ সময় তার কাছে থাকা ডিমগুলো ভেঙে দেখা হলে সেগুলো কৃত্রিম বা প্লাস্টিকজাতীয় উপাদানে তৈরি বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে উত্তেজিত জনতা আমবাগ ব্রিজের ওপর নিয়ে ডিমগুলো পানিতে ফেলে দেয়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় প্লাস্টিকের ডিম বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। এ সময় তার কাছে থাকা কিছু ডিম ভেঙে ফেলা হয় এবং বাকিগুলো নদীতে ফেলে নষ্ট করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনাবাড়ীর আমবাগ রোডের এমএম গার্মেন্টসসংলগ্ন এলাকায় ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ডিম বিক্রি করে আসছিলেন। সম্প্রতি কয়েকজন ক্রেতার সন্দেহ হয়, তার বিক্রি করা ডিমগুলো স্বাভাবিক নয়। ডিমের গঠন ও ভেতরের উপাদান অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এ সময় তার কাছে থাকা ডিমগুলো ভেঙে দেখা হলে সেগুলো কৃত্রিম বা প্লাস্টিকজাতীয় উপাদানে তৈরি বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে উত্তেজিত জনতা আমবাগ ব্রিজের ওপর নিয়ে ডিমগুলো পানিতে ফেলে দেয়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.