ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩৬ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মো. রাসেল সরদার পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬০। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে আব্দুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৯ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ জলিল পেয়েছেন ১ হাজার ১৯৯ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১ ভোট। জাসদের মো. আবুল কালাম আজাদ মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৫ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭০০ ভোট এবং এনপিপির সাহেব আলী আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৫। ফলে এ আসনের উল্লেখিত ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন পেয়েছেন ৮৬০ ভোট। জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট। মই প্রতীক নিয়ে আজমুল হাসান জিহাদ পেয়েছেন ২১৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬। ফলে এ আসনের চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৪ আসনে মুক্তিজোটের আব্দুল জলিল ছড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১৩ ভোট। জাসদের আব্দুস সালাম খোকন মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪। ফলে এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় পার্টির আখতার রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০৯ ভোট। এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯৪ ভোট। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০০ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০। ফলে উল্লেখিত তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৬ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুল কুদ্দুস হারিকেন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. সালাউদ্দিন মিয়া ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৮। ফলে ওই আসনের এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশালের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩৬ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মো. রাসেল সরদার পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬০। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে আব্দুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৯ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ জলিল পেয়েছেন ১ হাজার ১৯৯ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১ ভোট। জাসদের মো. আবুল কালাম আজাদ মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৫ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭০০ ভোট এবং এনপিপির সাহেব আলী আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৫। ফলে এ আসনের উল্লেখিত ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন পেয়েছেন ৮৬০ ভোট। জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট। মই প্রতীক নিয়ে আজমুল হাসান জিহাদ পেয়েছেন ২১৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬। ফলে এ আসনের চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৪ আসনে মুক্তিজোটের আব্দুল জলিল ছড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১৩ ভোট। জাসদের আব্দুস সালাম খোকন মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪। ফলে এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় পার্টির আখতার রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০৯ ভোট। এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯৪ ভোট। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০০ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০। ফলে উল্লেখিত তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৬ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুল কুদ্দুস হারিকেন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. সালাউদ্দিন মিয়া ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৮। ফলে ওই আসনের এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশালের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১