
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩৬ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মো. রাসেল সরদার পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬০। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে আব্দুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৯ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ জলিল পেয়েছেন ১ হাজার ১৯৯ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১ ভোট। জাসদের মো. আবুল কালাম আজাদ মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৫ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭০০ ভোট এবং এনপিপির সাহেব আলী আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৫। ফলে এ আসনের উল্লেখিত ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন পেয়েছেন ৮৬০ ভোট। জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট। মই প্রতীক নিয়ে আজমুল হাসান জিহাদ পেয়েছেন ২১৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬। ফলে এ আসনের চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৪ আসনে মুক্তিজোটের আব্দুল জলিল ছড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১৩ ভোট। জাসদের আব্দুস সালাম খোকন মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪। ফলে এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় পার্টির আখতার রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০৯ ভোট। এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯৪ ভোট। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০০ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০। ফলে উল্লেখিত তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৬ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুল কুদ্দুস হারিকেন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. সালাউদ্দিন মিয়া ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৮। ফলে ওই আসনের এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশালের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনের ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।
জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩৬ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মো. রাসেল সরদার পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬০। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এই দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে আব্দুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৯ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এম এ জলিল পেয়েছেন ১ হাজার ১৯৯ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মাদ নেছার উদ্দিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ২১ ভোট। জাসদের মো. আবুল কালাম আজাদ মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৫ ভোট।
গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭০০ ভোট এবং এনপিপির সাহেব আলী আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৫ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৫। ফলে এ আসনের উল্লেখিত ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন পেয়েছেন ৮৬০ ভোট। জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট। মই প্রতীক নিয়ে আজমুল হাসান জিহাদ পেয়েছেন ২১৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬। ফলে এ আসনের চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৪ আসনে মুক্তিজোটের আব্দুল জলিল ছড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১৩ ভোট। জাসদের আব্দুস সালাম খোকন মোটরগাড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪। ফলে এ দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় পার্টির আখতার রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০৯ ভোট। এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯৪ ভোট। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩০০ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০। ফলে উল্লেখিত তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশাল-৬ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুল কুদ্দুস হারিকেন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. সালাউদ্দিন মিয়া ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৮। ফলে ওই আসনের এই তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বরিশালের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৭
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে বাকেরগঞ্জের লক্ষীপাশা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লাবিবা পরিবহন নামের একটি ঢাকা গামী যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় পরিবহনে থাকা হেল্পার জিহাদ বাস গাড়িটির নিচে চাপা পড়ে নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় পরিবহনে থাকা অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দুপুরের দিকে পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা গামী লাবিবা পরিবহন বাকেরগঞ্জের মহাসড়কের লক্ষীপাশা নামক স্থানে পৌঁছলে অতিরিক্ত গতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়। পরিবহনটি দুমড়ে মুচরে গিয়ে কিছু অংশ পানির নিচে ডুবে থাকে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠান।
বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাইদুর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমরা পরিবহনটি সড়কের পাশে খাদে মধ্যে দেখতে পাই। দুর্ঘটনার দুই ঘন্টা পরে পরিবহনটি খাত থেকে উঠানো হলে পরিবহনের নিচ থেকে হেল্পার জিহাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও অসাবধানতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে বাকেরগঞ্জের লক্ষীপাশা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লাবিবা পরিবহন নামের একটি ঢাকা গামী যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় পরিবহনে থাকা হেল্পার জিহাদ বাস গাড়িটির নিচে চাপা পড়ে নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় পরিবহনে থাকা অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দুপুরের দিকে পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা গামী লাবিবা পরিবহন বাকেরগঞ্জের মহাসড়কের লক্ষীপাশা নামক স্থানে পৌঁছলে অতিরিক্ত গতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়। পরিবহনটি দুমড়ে মুচরে গিয়ে কিছু অংশ পানির নিচে ডুবে থাকে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠান।
বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাইদুর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমরা পরিবহনটি সড়কের পাশে খাদে মধ্যে দেখতে পাই। দুর্ঘটনার দুই ঘন্টা পরে পরিবহনটি খাত থেকে উঠানো হলে পরিবহনের নিচ থেকে হেল্পার জিহাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও অসাবধানতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বরিশালের উজিরপুরে বিএনপির তিন নেতাকে দলের সকল পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সরদার সরফুুুদ্দিন আহমেদ সান্টুর পক্ষে কোন রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্ধি অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সকল পদ ও পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হল।
নির্বাচনের পরেরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাষ্টার আব্দুল মান্নানের পক্ষে কাজ করেছেন। বরিশাল-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বরিশালের উজিরপুরে বিএনপির তিন নেতাকে দলের সকল পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সরদার সরফুুুদ্দিন আহমেদ সান্টুর পক্ষে কোন রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্ধি অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সকল পদ ও পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হল।
নির্বাচনের পরেরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাষ্টার আব্দুল মান্নানের পক্ষে কাজ করেছেন। বরিশাল-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বিজয়ী হয়েছেন।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৪
বরিশাল সদর–৫ আসনে জনগণের বিপুল সমর্থনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ারের বিজয় বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে। এই গৌরবময় বিজয়ের প্রেক্ষিতে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।
এ সময় শুভেচ্ছা প্রদান করেন এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শাহ জামাল হাওলাদার। ফুলেল শুভেচ্ছার মধ্য দিয়ে তিনি বিজয়ী প্রার্থীর প্রতি সম্মান ও সদিচ্ছা প্রকাশ করেন এবং এই বিজয়কে গণতন্ত্র ও জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন।
এই শুভ মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও শুভানুধ্যায়ীরা। সবার সম্মিলিত উপস্থিতি ও আন্তরিকতায় পরিবেশটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও স্মরণীয়। বিজয়ী প্রার্থীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় এই আয়োজনের মাধ্যমে।
বরিশাল সদর–৫ আসনের এই বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষা, অধিকার ও উন্নয়নের স্বপ্নের প্রতীক। জননেতা হিসেবে এডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার আগামীর দিনগুলোতে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের কল্যাণে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন-এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন উপস্থিত সবাই। এই বিজয়ের মাধ্যমে বরিশাল সদর–৫ আসনে গণতান্ত্রিক অর্থে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং জনস্বার্থে দায়িত্বশীল নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে,এমন আশাই সবার।
বরিশাল সদর–৫ আসনে জনগণের বিপুল সমর্থনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ারের বিজয় বরিশালের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে। এই গৌরবময় বিজয়ের প্রেক্ষিতে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।
এ সময় শুভেচ্ছা প্রদান করেন এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শাহ জামাল হাওলাদার। ফুলেল শুভেচ্ছার মধ্য দিয়ে তিনি বিজয়ী প্রার্থীর প্রতি সম্মান ও সদিচ্ছা প্রকাশ করেন এবং এই বিজয়কে গণতন্ত্র ও জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন।
এই শুভ মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও শুভানুধ্যায়ীরা। সবার সম্মিলিত উপস্থিতি ও আন্তরিকতায় পরিবেশটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও স্মরণীয়। বিজয়ী প্রার্থীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় এই আয়োজনের মাধ্যমে।
বরিশাল সদর–৫ আসনের এই বিজয় শুধু একটি রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষা, অধিকার ও উন্নয়নের স্বপ্নের প্রতীক। জননেতা হিসেবে এডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার আগামীর দিনগুলোতে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের কল্যাণে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন-এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন উপস্থিত সবাই। এই বিজয়ের মাধ্যমে বরিশাল সদর–৫ আসনে গণতান্ত্রিক অর্থে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং জনস্বার্থে দায়িত্বশীল নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে,এমন আশাই সবার।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.