
০৪ জুলাই, ২০২৫ ১২:২১
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বগুড়ার শাজাহানপুরে এক ব্যক্তিকে মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবল জনতার হাতে আটক হয়েছেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর শাহ্পাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আটক পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন (৩২) সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলাধীন কয়রা শহরতলি গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাজাহানপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত থাকা অবস্থায় রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে জুয়ার আসর থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ থাকায় বর্তমানে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে ডিবি পরিচয়ে নিশ্চিন্তপুর শাহ্পাড়া গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বাকি শাহকে (৬০) আটক করতে যায় কনস্টেবল রুহুল আমিন। কিন্তু তিনি বাড়িতে না থাকায় তার পরিবারের কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে চলে যান রুহুল আমিন।
এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ফের আব্দুল বাকি শাহর বাড়িতে যান কনস্টেবল রুহুল আমিন। সেখানে গিয়ে আব্দুল বাকি শাহর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন সবুজকে (৩২) বলে, গোপন সংবাদে জানা গেছে তার বাড়ির কোনায় কিছু আছে। আপনাকে নিয়ে সেটা উদ্ধার করতে হবে।
একপর্যায়ে সাজ্জাদ হোসেন সবুজকে তার বাড়ির দক্ষিণ পাশে কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে একটি ছোট্ট টিনের কৌটা দেখতে পায় এবং কৌটাটি সবুজকে তুলতে বলে। এরপর ওই কৌটা খুলে পাঁচ রাউন্ড রাবার বুলেট দেখতে পায়।
এসময় সবুজকে বলে, ৫ আগস্টের পরে অনেক থানায় মিসিং হওয়া বুলেট আপনার বাড়ির পেছনে পাওয়া গেল। এ ঘটনায় মামলা হবে এবং আপনাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এমন ভয় দেখিয়ে সবুজের কাছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন কনস্টেবল রুহুল আমিন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা রুহুল আমিনকে আটকে মারধর করে।
অন্যদিকে সবুজের বড় বোন শাপলা খাতুন (৩৮) পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন এবং সেনাবাহিনীকে বিষয়টি অবগত করেন। সংবাদ পেয়ে সেনাসদস্য ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং দুপুর ২টার দিকে কনস্টেবল রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এসময় রুহুল আমিনের হেফাজত থেকে পাঁচটি রাবার বুলেট ও তার ব্যাগে থাকা ১৫টি গুলি উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
শাজাহানপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, জনতার হাতে আটক ও গণধোলাইয়ে আহত অবস্থায় কনস্টেবল রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চাঁদা দাবির ঘটনায় ভিকটিমের বড় বোন শাপলা খাতুন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেছেন।
বগুড়ার শাজাহানপুরে এক ব্যক্তিকে মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবল জনতার হাতে আটক হয়েছেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর শাহ্পাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আটক পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন (৩২) সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলাধীন কয়রা শহরতলি গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাজাহানপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত থাকা অবস্থায় রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে জুয়ার আসর থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ থাকায় বর্তমানে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে ডিবি পরিচয়ে নিশ্চিন্তপুর শাহ্পাড়া গ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বাকি শাহকে (৬০) আটক করতে যায় কনস্টেবল রুহুল আমিন। কিন্তু তিনি বাড়িতে না থাকায় তার পরিবারের কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে চলে যান রুহুল আমিন।
এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ফের আব্দুল বাকি শাহর বাড়িতে যান কনস্টেবল রুহুল আমিন। সেখানে গিয়ে আব্দুল বাকি শাহর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন সবুজকে (৩২) বলে, গোপন সংবাদে জানা গেছে তার বাড়ির কোনায় কিছু আছে। আপনাকে নিয়ে সেটা উদ্ধার করতে হবে।
একপর্যায়ে সাজ্জাদ হোসেন সবুজকে তার বাড়ির দক্ষিণ পাশে কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে একটি ছোট্ট টিনের কৌটা দেখতে পায় এবং কৌটাটি সবুজকে তুলতে বলে। এরপর ওই কৌটা খুলে পাঁচ রাউন্ড রাবার বুলেট দেখতে পায়।
এসময় সবুজকে বলে, ৫ আগস্টের পরে অনেক থানায় মিসিং হওয়া বুলেট আপনার বাড়ির পেছনে পাওয়া গেল। এ ঘটনায় মামলা হবে এবং আপনাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এমন ভয় দেখিয়ে সবুজের কাছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন কনস্টেবল রুহুল আমিন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা রুহুল আমিনকে আটকে মারধর করে।
অন্যদিকে সবুজের বড় বোন শাপলা খাতুন (৩৮) পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন এবং সেনাবাহিনীকে বিষয়টি অবগত করেন। সংবাদ পেয়ে সেনাসদস্য ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং দুপুর ২টার দিকে কনস্টেবল রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এসময় রুহুল আমিনের হেফাজত থেকে পাঁচটি রাবার বুলেট ও তার ব্যাগে থাকা ১৫টি গুলি উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
শাজাহানপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, জনতার হাতে আটক ও গণধোলাইয়ে আহত অবস্থায় কনস্টেবল রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চাঁদা দাবির ঘটনায় ভিকটিমের বড় বোন শাপলা খাতুন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেছেন।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:২৩
বাসের তেল শেষ হওয়ায় রেললাইনে বিশ্রাম নেওয়ার সময় ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেংগর ৭ নম্বর সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ওসি সফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী, ২ জন পুরুষ ও এক জন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতরা সবাই একই পরিবারের বলে ধারণা পুলিশের।
টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসেছিলেন।
তিনি জানান, এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক শিশু, দুই নারী ও দু’জন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই একই পরিবারের।
তিনি আরও জানান, রেললাইনের পাশে বসে থাকা অবস্থায় ট্রেন আসার সময় কোনো শব্দ না পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে কাটা পড়েন।’
বাসের তেল শেষ হওয়ায় রেললাইনে বিশ্রাম নেওয়ার সময় ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেংগর ৭ নম্বর সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ওসি সফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী, ২ জন পুরুষ ও এক জন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতরা সবাই একই পরিবারের বলে ধারণা পুলিশের।
টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসেছিলেন।
তিনি জানান, এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক শিশু, দুই নারী ও দু’জন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই একই পরিবারের।
তিনি আরও জানান, রেললাইনের পাশে বসে থাকা অবস্থায় ট্রেন আসার সময় কোনো শব্দ না পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে কাটা পড়েন।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৬
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে লোডিং শেষ করে ছেড়ে যাওয়ার পর ‘কেরামত আলী’ নামের একটি ফেরিতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফেরিতে থাকা যাত্রী, চালক ও সহকারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ফেরিটি ঘাট ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। এসময় অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ফেরির কর্মচারীরা দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিবালয় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তাদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিভে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম আব্দুস সালাম বলেন, সাইলেন্সার পাইপ জ্যাম হয়ে গেলে এমন সামান্য আগুন ও কালো ধোঁয়া দেখা দিতে পারে। আজকের ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে লোডিং শেষ করে ছেড়ে যাওয়ার পর ‘কেরামত আলী’ নামের একটি ফেরিতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফেরিতে থাকা যাত্রী, চালক ও সহকারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ফেরিটি ঘাট ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। এসময় অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ফেরির কর্মচারীরা দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিবালয় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তাদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিভে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম আব্দুস সালাম বলেন, সাইলেন্সার পাইপ জ্যাম হয়ে গেলে এমন সামান্য আগুন ও কালো ধোঁয়া দেখা দিতে পারে। আজকের ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:২০
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।