
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩০
পিরোজপুরের নেছারাবাদ শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক প্রস্তাব (সমকামিতা) দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার মাহমুদকাঠি বাজারের একটি রেন্ট-এ-কার অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
লিখিত বক্তব্যে কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল সভাপতি আরিফুল ইসলাম মোল্লা মেয়েদের নামে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যোগাযোগ করতেন। পরে তাদের সমকামিতার প্রস্তাব দিতেন।
তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে জোরপূর্বক সমকামিতার চেষ্টাও করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তারা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন ফারদিন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. ইশতিয়াক অভিযোগ করেন, আরিফুল ইসলাম মোল্লা বিভিন্ন ভুয়া আইডির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তিকে সমকামিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত মেসেঞ্জারে কথোপকথনের স্ক্রিনশট তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অপর এক ছাত্রনেতা মো. আরিফুল ইসলাম মুবিন অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি থেকে আরিফুল ইসলাম মোল্লার ছবি ব্যবহার করে তাকে সমকামিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই আইডিটি আরিফুল ইসলাম মোল্লার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কথিত স্ক্রিনশট ও অন্যান্য উপকরণ এআই বা প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জিয়াউল হক সজীব বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। ছাত্রদলের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে বিশ্বাস করি না। অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদ শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক প্রস্তাব (সমকামিতা) দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার মাহমুদকাঠি বাজারের একটি রেন্ট-এ-কার অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
লিখিত বক্তব্যে কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল সভাপতি আরিফুল ইসলাম মোল্লা মেয়েদের নামে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যোগাযোগ করতেন। পরে তাদের সমকামিতার প্রস্তাব দিতেন।
তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে জোরপূর্বক সমকামিতার চেষ্টাও করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তারা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন ফারদিন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. ইশতিয়াক অভিযোগ করেন, আরিফুল ইসলাম মোল্লা বিভিন্ন ভুয়া আইডির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তিকে সমকামিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত মেসেঞ্জারে কথোপকথনের স্ক্রিনশট তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অপর এক ছাত্রনেতা মো. আরিফুল ইসলাম মুবিন অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি থেকে আরিফুল ইসলাম মোল্লার ছবি ব্যবহার করে তাকে সমকামিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই আইডিটি আরিফুল ইসলাম মোল্লার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কথিত স্ক্রিনশট ও অন্যান্য উপকরণ এআই বা প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জিয়াউল হক সজীব বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। ছাত্রদলের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে বিশ্বাস করি না। অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো. ইউনুস আকনের ছেলে মো. কামরুল আকন ও চরকখালী গ্রামের মো. টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার। এ মামলায় আরেক আসামি মো. ইউসুফ আকনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে আসামি কামরুল, সোহাগ ও ইউসুফসহ আরো ২/৩ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার ও ইউসুফ আকনসহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে কামরুল আকন ও সোহাগ দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এ রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি আবুল কালাম আকন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো. ইউনুস আকনের ছেলে মো. কামরুল আকন ও চরকখালী গ্রামের মো. টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার। এ মামলায় আরেক আসামি মো. ইউসুফ আকনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে আসামি কামরুল, সোহাগ ও ইউসুফসহ আরো ২/৩ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার ও ইউসুফ আকনসহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে কামরুল আকন ও সোহাগ দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এ রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি আবুল কালাম আকন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।’

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা শাখা। আজ শুক্রবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কে এম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় কে এম ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই জেলা ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা শাখা। আজ শুক্রবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কে এম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় কে এম ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই জেলা ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে।’
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১০
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৯
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩