
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৮
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৩২
বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় সংঘটিত একটি নৃশংস হত্যা মামলায় ছয় জন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্তকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে অতিরিক্ত ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।
মামলার অপর তিন আসামি: আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা ও মুনসুর মোল্লা বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন আবু আকন। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে প্রথমে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় নিহত আবু আকনের স্বজন আবদুল জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পিরোজপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল কালাম আকন জানান, সেশন মামলা নং ৭/২০২০-এ উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আজ ছয় জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন এবং অপর এক আসামিকে নির্দোষ হিসেবে অব্যাহতি দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, জমিজমা ও সুপারি পারা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় সংঘটিত একটি নৃশংস হত্যা মামলায় ছয় জন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্তকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে অতিরিক্ত ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।
মামলার অপর তিন আসামি: আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা ও মুনসুর মোল্লা বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন আবু আকন। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে প্রথমে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ ঘটনায় নিহত আবু আকনের স্বজন আবদুল জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পিরোজপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল কালাম আকন জানান, সেশন মামলা নং ৭/২০২০-এ উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আজ ছয় জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন এবং অপর এক আসামিকে নির্দোষ হিসেবে অব্যাহতি দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, জমিজমা ও সুপারি পারা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.