
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:১৪
অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশন এবং নাগরিকবান্ধব ভূমি কার্যক্রম মূল্যায়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ‘বিভাগীয় কমিশনার’ ক্যাটাগরিতে দেশের শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরিশালের সাবেক বিভাগীয় কমিশনার এবং বর্তমান ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রায়হান কাওছার।
সম্প্রতি তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার স্বাক্ষরিত এ সনদপত্রে তার দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ভূমি খাত উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি তুলে ধরা হয়েছে। একইসঙ্গে তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করা হয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালে দায়িত্ব পালনের সময় মো. রায়হান কাওছার ভূমি সেবা সহজীকরণে বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেন। নাগরিকদের ‘এক ঠিকানায় ভূমিসেবা’, অনলাইন নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, মাঠপর্যায়ের টিমকে গতিশীল করা এবং দুর্নীতিবিরোধী মনিটরিং জোরদার করার কারণে তিনি বিশেষভাবে প্রশংসিত হন।
এছাড়া বরিশাল জেলায় অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে তার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি প্রকল্প সময়ের আগেই সম্পন্ন করা হয়, যা জাতীয় পর্যায়ে নজর কাড়ে। বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সেবা প্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত সেবা কাঠামো নিশ্চিত করেছিলেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, ভূমি প্রশাসনকে ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত করার ক্ষেত্রে রায়হান কাওছারের অবদান দেশের অন্যান্য বিভাগেও রোল মডেল হিসেবে কাজ করছে।
তার এই অর্জনকে সরকারের ভূমি সংস্কার উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মাননা পাওয়ার সময় জানতে চাইলে মো. রায়হান কাওছার বলেন, এ অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি সহকর্মী, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং জনগণের সহযোগিতারই ফল। ভূমি সেবা আধুনিক ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে আমরা যে ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ করেছি, তা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত ভূমি সেবা পৌঁছে দেওয়া এটাই ছিল আমার মূল লক্ষ্য এবং এই পথচলায় কোনোদিনই আমি আপস করিনি।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্ববান হতে উৎসাহিত করবে। দেশের উন্নয়ন ও ভূমি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আমি আগের মতোই নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।
অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশন এবং নাগরিকবান্ধব ভূমি কার্যক্রম মূল্যায়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ‘বিভাগীয় কমিশনার’ ক্যাটাগরিতে দেশের শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরিশালের সাবেক বিভাগীয় কমিশনার এবং বর্তমান ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রায়হান কাওছার।
সম্প্রতি তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার স্বাক্ষরিত এ সনদপত্রে তার দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ভূমি খাত উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি তুলে ধরা হয়েছে। একইসঙ্গে তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করা হয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশালে দায়িত্ব পালনের সময় মো. রায়হান কাওছার ভূমি সেবা সহজীকরণে বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেন। নাগরিকদের ‘এক ঠিকানায় ভূমিসেবা’, অনলাইন নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, মাঠপর্যায়ের টিমকে গতিশীল করা এবং দুর্নীতিবিরোধী মনিটরিং জোরদার করার কারণে তিনি বিশেষভাবে প্রশংসিত হন।
এছাড়া বরিশাল জেলায় অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে তার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি প্রকল্প সময়ের আগেই সম্পন্ন করা হয়, যা জাতীয় পর্যায়ে নজর কাড়ে। বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সেবা প্রত্যাশীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত সেবা কাঠামো নিশ্চিত করেছিলেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, ভূমি প্রশাসনকে ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত করার ক্ষেত্রে রায়হান কাওছারের অবদান দেশের অন্যান্য বিভাগেও রোল মডেল হিসেবে কাজ করছে।
তার এই অর্জনকে সরকারের ভূমি সংস্কার উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মাননা পাওয়ার সময় জানতে চাইলে মো. রায়হান কাওছার বলেন, এ অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি সহকর্মী, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং জনগণের সহযোগিতারই ফল। ভূমি সেবা আধুনিক ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে আমরা যে ডিজিটাল রূপান্তরের কাজ করেছি, তা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত ভূমি সেবা পৌঁছে দেওয়া এটাই ছিল আমার মূল লক্ষ্য এবং এই পথচলায় কোনোদিনই আমি আপস করিনি।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্ববান হতে উৎসাহিত করবে। দেশের উন্নয়ন ও ভূমি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আমি আগের মতোই নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়াগতির মোটরসাইকেল ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বাইক চালক শুভ (২৭) নামের একজন যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসির সংযোগ সড়কের মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা।
এসময় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের বন্ধু আরিফ (৩০) আহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার লেবুখালির পাগলা এলাকায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লঞ্চঘাটের দিক থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেলে দুইজন আসছিলেন। এসময় পার্শ্ববর্তী কেডিসি রোড থেকে একটি হলুদ অটোরিক্সা বের হয়। তখন মোটরসাইকেলটি জোরে ধাক্কা লাগলে চালক ও আরোহী সড়কে ছিটকে পড়েন। তাদের মাথায় হেলমেট না থাকায় মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই একজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সেলিম রেজা বরিশালটাইমসকে বলেন, হাসপাতালে শুভ মারা গেছেন। অটোরিক্সার চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১