
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৩
নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
প্রজ্ঞাপনে মোট আটজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নিম্ন বর্ণিত কর্মকর্তাগণকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।
বদলির বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, আমি যেহেতু সরকারি কর্মচারী সে হিসেবে সরকার আমাকে যেখানে বদলি করবে আমাকে সেখানেই যোগদান করতে হবে।
নির্দিষ্ট কোনো কারণে বদলি করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এটা সরকারি সিদ্ধান্ত।
তবে এটুকু বলতে পারি যেহেতু সামনে নির্বাচন সে হিসেবে হয়তো আমাকে বদলি করা হয়েছে। আমি নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য তৈরি হচ্ছি। আশা করি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকালকে আমার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবো।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে জেলার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান।
এ সময় সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছিলেন পারভেজ নামে এক ব্যক্তি। তখন পারভেজ নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর ক্ষিপ্ত হন সাইদুর রহমান। এ সময় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
ওই ঘটনার ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। খন্ডিত ওই ভিডিওতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, ‘কী করছেন এটা বলেন না আমাকে। আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি চেয়ারম্যান, এটা আপনি জানেন তো, এটা আমাকে বলতে সমস্যা কোথায়? মোবাইল কোর্ট তো হচ্ছে, স্বাক্ষর করার আগে আমাকে বলেন। ইউএনও সাহেব আমাকে বলেন, আপনি আছেন ঠিক আছে, আমার ইউনিয়ন এটা, আমি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হলে আগে আমাকে বলতে হবে।’
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে চান চেয়ারম্যানের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টা কোন আইনে আছে? তখন চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, এটা চেয়ারম্যানের আইনে আছে।
এ ঘটনায় পরদিন (১৮ জানুয়ারি) লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
এরপর গতকাল (২০ জানুয়ারি) মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে, কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করে। মাসুদুর রহমান গত ১৪ ডিসেম্বর জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) প্রীতম সোহাগ এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। পোস্টে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসন এবং রাজনীতির এমন অহি-নকূল সম্পর্ক আমরা চাই না।
আমলাতন্ত্র আর রাজনৈতিক ক্ষমতার গরম আমরা দেখতে চাই না,আমরা আমলা ও রাজনৈতিক চর্চাকারীদের সম্মানের চোখে দেখতে চাই। আপনি ঘটনাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা নিন।
দীর্ঘ পোস্টের শেষে তিনি লিখেন, এই অফিসারকে যদি চাকরির নিয়মিত বদলির বাইরে অরাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে শাস্তিমূলক বদলি ও চরিত্রহনন করা হয়ে থাকে তাহলে, এই কাজের সাথে জড়িত উপদেষ্টা, রাজনীতিবীদ,সচিব-আমলাসহ সকলের প্রতি নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়ে রাখলাম। সিদ্ধান্ত বদল করার দাবি জানিয়ে রাখলাম।
নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
প্রজ্ঞাপনে মোট আটজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নিম্ন বর্ণিত কর্মকর্তাগণকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।
বদলির বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, আমি যেহেতু সরকারি কর্মচারী সে হিসেবে সরকার আমাকে যেখানে বদলি করবে আমাকে সেখানেই যোগদান করতে হবে।
নির্দিষ্ট কোনো কারণে বদলি করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এটা সরকারি সিদ্ধান্ত।
তবে এটুকু বলতে পারি যেহেতু সামনে নির্বাচন সে হিসেবে হয়তো আমাকে বদলি করা হয়েছে। আমি নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য তৈরি হচ্ছি। আশা করি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকালকে আমার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবো।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে জেলার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান।
এ সময় সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছিলেন পারভেজ নামে এক ব্যক্তি। তখন পারভেজ নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর ক্ষিপ্ত হন সাইদুর রহমান। এ সময় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
ওই ঘটনার ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। খন্ডিত ওই ভিডিওতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, ‘কী করছেন এটা বলেন না আমাকে। আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আপনি ম্যাজিস্ট্রেট, আমি চেয়ারম্যান, এটা আপনি জানেন তো, এটা আমাকে বলতে সমস্যা কোথায়? মোবাইল কোর্ট তো হচ্ছে, স্বাক্ষর করার আগে আমাকে বলেন। ইউএনও সাহেব আমাকে বলেন, আপনি আছেন ঠিক আছে, আমার ইউনিয়ন এটা, আমি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হলে আগে আমাকে বলতে হবে।’
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে চান চেয়ারম্যানের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টা কোন আইনে আছে? তখন চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, এটা চেয়ারম্যানের আইনে আছে।
এ ঘটনায় পরদিন (১৮ জানুয়ারি) লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
এরপর গতকাল (২০ জানুয়ারি) মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে, কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করে। মাসুদুর রহমান গত ১৪ ডিসেম্বর জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) প্রীতম সোহাগ এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। পোস্টে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসন এবং রাজনীতির এমন অহি-নকূল সম্পর্ক আমরা চাই না।
আমলাতন্ত্র আর রাজনৈতিক ক্ষমতার গরম আমরা দেখতে চাই না,আমরা আমলা ও রাজনৈতিক চর্চাকারীদের সম্মানের চোখে দেখতে চাই। আপনি ঘটনাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা নিন।
দীর্ঘ পোস্টের শেষে তিনি লিখেন, এই অফিসারকে যদি চাকরির নিয়মিত বদলির বাইরে অরাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে শাস্তিমূলক বদলি ও চরিত্রহনন করা হয়ে থাকে তাহলে, এই কাজের সাথে জড়িত উপদেষ্টা, রাজনীতিবীদ,সচিব-আমলাসহ সকলের প্রতি নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়ে রাখলাম। সিদ্ধান্ত বদল করার দাবি জানিয়ে রাখলাম।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২১

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১০
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৯
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩