
০৪ জুন, ২০২৬ ১৬:১০
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন বলেন, ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ প্রতিরোধে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এবিষয়ে আলোচনা করে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন,
ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক হলরুমে “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. রিফাত আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। স্থানীয় মাতব্বর ও শালিসদারদের ধর্ষণের ঘটনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন বলেন, ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ প্রতিরোধে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এবিষয়ে আলোচনা করে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন,
ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক হলরুমে “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. রিফাত আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। স্থানীয় মাতব্বর ও শালিসদারদের ধর্ষণের ঘটনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:২৭
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:১৪
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৬
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৪

০১ জুন, ২০২৬ ২১:৫৭
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর স্বামীকে মারধর এবং বসতঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
জিডিতে করা অভিযোগে বলা হয়, উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ঘাইটপাকিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোছা. চামেলী আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে আছেন। এর জের ধরে গত ৩১ মে সকাল আটটার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের গালিগালাজ করেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন-শাহাদাৎ হোসেন ফাহিম (২২), শাহজাহাল হোসেন নাঈম (৩০), শাহজাহান হাওলাদার (৫০) ও শাহিদা বেগম (৪৫)। তাঁরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গালিগালাজে বাধা দিলে চামেলী আক্তারের স্বামীকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। তাঁকে রক্ষা করতে গেলে চামেলী আক্তারকেও মারধর করা হয়। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।এ ছাড়া অভিযুক্তরা তাঁদের বসতঘরের টিনের বেড়া কেটে ও ভাঙচুর করে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার ক্ষতি করে বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান।
এ বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর স্বামীকে মারধর এবং বসতঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
জিডিতে করা অভিযোগে বলা হয়, উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ঘাইটপাকিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোছা. চামেলী আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে আছেন। এর জের ধরে গত ৩১ মে সকাল আটটার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের গালিগালাজ করেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন-শাহাদাৎ হোসেন ফাহিম (২২), শাহজাহাল হোসেন নাঈম (৩০), শাহজাহান হাওলাদার (৫০) ও শাহিদা বেগম (৪৫)। তাঁরা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গালিগালাজে বাধা দিলে চামেলী আক্তারের স্বামীকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। তাঁকে রক্ষা করতে গেলে চামেলী আক্তারকেও মারধর করা হয়। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।এ ছাড়া অভিযুক্তরা তাঁদের বসতঘরের টিনের বেড়া কেটে ও ভাঙচুর করে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার ক্ষতি করে বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান।
এ বিষয়ে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০১ জুন, ২০২৬ ০১:২০
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম মান্না পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়কের বরাবর অব্যাহতিপত্র পাঠিয়েছেন।
রোববার রাতে আমার দেশকে মাইনুল ইসলাম মান্না পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ২৩ মে আমি এনসিপির সংরক্ষিত আসনের এমপি মাহামুদা মিতুকে ঝালকাঠিতে বসে পদত্যাগের বিষয়টি অবহিত করি।
এছাড়া বরিশাল বিভাগীয় আহ্বায়ককেও অবহিত করা হয়। কিন্তু আমি অব্যাহতিপত্র দেওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও কেন্দ্রীয় কমিটি আমার অব্যাহতিপত্র গ্রহণ না করায় আমি বিষয়টি আজ (রোববার) প্রকাশ্যে আনলাম।
এনসিপি গঠন হওয়ার পরে ঝালকাঠি জেলার প্রথম আহ্বায়ক কমিটিতে মাইনুল ইসলাম মান্নাকে আহ্বায়ক করা হয়েছিল।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম মান্না পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়কের বরাবর অব্যাহতিপত্র পাঠিয়েছেন।
রোববার রাতে আমার দেশকে মাইনুল ইসলাম মান্না পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ২৩ মে আমি এনসিপির সংরক্ষিত আসনের এমপি মাহামুদা মিতুকে ঝালকাঠিতে বসে পদত্যাগের বিষয়টি অবহিত করি।
এছাড়া বরিশাল বিভাগীয় আহ্বায়ককেও অবহিত করা হয়। কিন্তু আমি অব্যাহতিপত্র দেওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও কেন্দ্রীয় কমিটি আমার অব্যাহতিপত্র গ্রহণ না করায় আমি বিষয়টি আজ (রোববার) প্রকাশ্যে আনলাম।
এনসিপি গঠন হওয়ার পরে ঝালকাঠি জেলার প্রথম আহ্বায়ক কমিটিতে মাইনুল ইসলাম মান্নাকে আহ্বায়ক করা হয়েছিল।’

২৫ মে, ২০২৬ ১৫:৫৫
ঝালকাঠির রাজাপুরে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় মো. সিহাব উদ্দীন নামে ব্রাকের এক মাঠ কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার খন্দকার বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিহাব উদ্দীন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের মো. মাকসুদুর রহমানের ছেলে। তিনি ব্রাকের ভান্ডারিয়া শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খন্দকার বাড়ির পাশে খাল খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন খালের পাশ থেকে মহাসড়কে উঠছিল। একই সময় মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন সিহাব উদ্দীন। এ সময় ভেকু মেশিনের সামনের হাতা ঘুরে সিহাবের মাথায় সজোরে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তার হেলমেট ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা নিয়ম না মেনেই কোন সংকেত ছাড়াই ড্রাইভার ভেকু মেশিনটি মহাসড়কে তুলছিলেন। তাদের দাবি, ভেকু ড্রাইভারের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পর ভেকু ড্রাইভার পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির রাজাপুরে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় মো. সিহাব উদ্দীন নামে ব্রাকের এক মাঠ কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার খন্দকার বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিহাব উদ্দীন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের মো. মাকসুদুর রহমানের ছেলে। তিনি ব্রাকের ভান্ডারিয়া শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খন্দকার বাড়ির পাশে খাল খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন খালের পাশ থেকে মহাসড়কে উঠছিল। একই সময় মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন সিহাব উদ্দীন। এ সময় ভেকু মেশিনের সামনের হাতা ঘুরে সিহাবের মাথায় সজোরে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তার হেলমেট ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা নিয়ম না মেনেই কোন সংকেত ছাড়াই ড্রাইভার ভেকু মেশিনটি মহাসড়কে তুলছিলেন। তাদের দাবি, ভেকু ড্রাইভারের অবহেলার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার পর ভেকু ড্রাইভার পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.