
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১১
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:১০
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ২২:২০
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.