
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১১
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৯

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৭
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.