
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪২
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে পুনরায় আওয়ামী লীগকে রাজনীতির সুযোগ দেবে। যেহেতু এবার আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার সুযোগ নাই, আপনারা ধানের শীষে ভোট দেবেন।’ নির্বাচনী পথসভায় আওয়ামী লীগের উদ্দেশে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী রশীদ আহমাদের এ বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি বিএনপি এই প্রার্থী হিন্দু অধ্যুষিত উপজেলার ভবদহ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় এমন বক্তব্যে বিভিন্ন রাজনীতিক দলের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রশীদ আহমাদ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (একাংশ) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। তিনি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। মনোনয়ন পাওয়ার পর জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হয়ে ধানের শীষের প্রতীকে আসনটিতে নির্বাচন করছেন। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক আমির ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত মুফতি মো. ওয়াক্কাসের ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রশীদ আহমাদকে বলতে দেখা যায়, ‘এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ আওয়ামী লীগ করে। তারেক রহমানের পিতা মরহুম জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন; নিষিদ্ধ যত রাজনীতিক দল ছিল, সবগুলো তিনি চালু করেছিলেন। আমরা আশা করি, দেশনায়ক তারেক রহমান যদি ক্ষমতায় আসেন, আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ দেবেন। এই এলাকার মানুষ যারা আওয়ামী লীগ করে, যে যার আদর্শ মতাদর্শে রাজনীতি করে তারা তাদের আদর্শে রাজনীতি করবে। যেহেতু এবার আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার সুযোগ নাই, আপনারা ধানের শীষকে ভোট দেবেন।’
এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরানোর এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতি না ফেরানোর সিদ্ধান্তে যখন বিভিন্ন রাজনীতিক দল সরব; তখন বিএনপির প্রার্থীর এমন বক্তব্যকে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলছে সচেতন মহল। আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংকে নিজেদের কাছে টানতে এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করছেন কেউ কেউ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরামপুর আসনের ধানের শীষের প্রার্থীর রশীদ আহমাদ বলেন, ‘আমার ওই বক্তব্যটি ছিল নিরপরাধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে।
বিএনপি ও দেশনায়ক তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করেন না। সেটার উদাহরণ হিসেবেই বক্তব্যটি দিয়েছি। ওটা নিয়ে আমার প্রতিপক্ষরা ভোটের মাঠে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে।’
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে পুনরায় আওয়ামী লীগকে রাজনীতির সুযোগ দেবে। যেহেতু এবার আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার সুযোগ নাই, আপনারা ধানের শীষে ভোট দেবেন।’ নির্বাচনী পথসভায় আওয়ামী লীগের উদ্দেশে যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী রশীদ আহমাদের এ বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি বিএনপি এই প্রার্থী হিন্দু অধ্যুষিত উপজেলার ভবদহ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় এমন বক্তব্যে বিভিন্ন রাজনীতিক দলের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রশীদ আহমাদ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (একাংশ) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। তিনি বিএনপির শরিক দল হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। মনোনয়ন পাওয়ার পর জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হয়ে ধানের শীষের প্রতীকে আসনটিতে নির্বাচন করছেন। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক আমির ও সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত মুফতি মো. ওয়াক্কাসের ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রশীদ আহমাদকে বলতে দেখা যায়, ‘এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ আওয়ামী লীগ করে। তারেক রহমানের পিতা মরহুম জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন; নিষিদ্ধ যত রাজনীতিক দল ছিল, সবগুলো তিনি চালু করেছিলেন। আমরা আশা করি, দেশনায়ক তারেক রহমান যদি ক্ষমতায় আসেন, আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ দেবেন। এই এলাকার মানুষ যারা আওয়ামী লীগ করে, যে যার আদর্শ মতাদর্শে রাজনীতি করে তারা তাদের আদর্শে রাজনীতি করবে। যেহেতু এবার আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার সুযোগ নাই, আপনারা ধানের শীষকে ভোট দেবেন।’
এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরানোর এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতি না ফেরানোর সিদ্ধান্তে যখন বিভিন্ন রাজনীতিক দল সরব; তখন বিএনপির প্রার্থীর এমন বক্তব্যকে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলছে সচেতন মহল। আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংকে নিজেদের কাছে টানতে এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করছেন কেউ কেউ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরামপুর আসনের ধানের শীষের প্রার্থীর রশীদ আহমাদ বলেন, ‘আমার ওই বক্তব্যটি ছিল নিরপরাধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে।
বিএনপি ও দেশনায়ক তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করেন না। সেটার উদাহরণ হিসেবেই বক্তব্যটি দিয়েছি। ওটা নিয়ে আমার প্রতিপক্ষরা ভোটের মাঠে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে।’

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২