
১৭ আগস্ট, ২০২৫ ০১:২৯
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিম রহমান বলেছেন, 'গত ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। বাংলার মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। অথচ সেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা সহ্য করা হবে না। বিএনপি'র নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।' শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপি'র ৩১ দফা কর্মসূচির সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস.এম শফিউল আজম শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে চান। যেখানে সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতকল্পে ঐতিহাসিক ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফায় দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশের বেকারত্ব দূর হবে, আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে, দেশে সুশাসন ফিরে আসবে এবং জনগণের সত্যিকারের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ স্বনির্ভর হবে। তাই তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।'
বিএনপি'র ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।'
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাখাওয়াতের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বিএনপি'র সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, মুলাদী উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মাধবপাশা ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিল্টন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ওই মতবিনিময় সভা উপলক্ষ্যে দুপুর থেকেই আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের পদচারণায় ওই মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে জনসভায় রূপ নেয়। মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খানের নেতৃত্বে মুলাদী উপজেলা থেকেও ট্রলারযোগে এবং সড়কপথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ওই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান পাকিস্তান পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার আবদুল জব্বার খানের মেয়ে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং বাবুগঞ্জের স্বনামধন্য আইনজীবী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। #
বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিম রহমান বলেছেন, 'গত ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। বাংলার মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। অথচ সেই নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা সহ্য করা হবে না। বিএনপি'র নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।' শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে বিএনপি'র ৩১ দফা কর্মসূচির সমর্থনে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস.এম শফিউল আজম শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বেগম সেলিমা রহমান আরও বলেন, 'আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে চান। যেখানে সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে। সেই লক্ষ্যে তিনি রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতকল্পে ঐতিহাসিক ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফায় দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশের বেকারত্ব দূর হবে, আইনের শাসন ও বিচার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে, দেশে সুশাসন ফিরে আসবে এবং জনগণের সত্যিকারের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জিত হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশ স্বনির্ভর হবে। তাই তারেক রহমান ঘোষিত বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।'
বিএনপি'র ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, তখন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশ বাঁচাতে লন্ডনে বসে ঐতিহাসিক ৩১ দফা ঘোষণা করেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠনের মাধ্যমে যেসকল সংস্কার প্রস্তাব এনেছেন তার প্রায় সবগুলোই তারেক রহমানের ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকার শুধু মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের সমগ্র নির্বাচন ব্যবস্থাকেই ধ্বংস করে দিয়েছে। ঘোষিত ৩১ দফায় নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, ভোটাধিকার রক্ষা, আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নের পূর্নাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। তাই ৩১ বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বিনির্মাণ করতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।'
জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাখাওয়াতের সঞ্চালনায় ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা বিএনপি'র সদস্য ও বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার, মুলাদী উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খান, বরিশাল জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মহসিন আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মজনু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ মৃধা, মাধবপাশা ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম সরদার, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিল্টন, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন মেম্বার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে ওই মতবিনিময় সভা উপলক্ষ্যে দুপুর থেকেই আলতাফ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের পদচারণায় ওই মতবিনিময় সভাটি একপর্যায়ে জনসভায় রূপ নেয়। মুলাদীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার খানের নেতৃত্বে মুলাদী উপজেলা থেকেও ট্রলারযোগে এবং সড়কপথে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ওই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। এসময় বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান পাকিস্তান পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার আবদুল জব্বার খানের মেয়ে বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং বাবুগঞ্জের স্বনামধন্য আইনজীবী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান আসাদের নেতৃত্বে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। #
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.